জন্ম নিবন্ধন
জন্ম নিবন্ধন করতে যাইলে টাকা ছাড়া হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন অযুজাত দেখায়।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জন্ম নিবন্ধন করতে যাইলে টাকা ছাড়া হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন অযুজাত দেখায়।
আমি একটা জমির পর্চা দেখতে চেয়েছিলাম।
আমি এখনো কিছু বলিনি ,অপেক্ষা করছি।
দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পেট্রোবাংলা অফিসের আমার কারখানায় গ্যাস লাইনের জন্য আবেদন করে আসছে।আমি অনেক চেষ্টা করেও কোনভাবে গ্যাস লাইন নিতে পারেনি।২০২৩ সালের দিকে একটা পত্রিকার নিউজ আসলো যে লটারির মাধ্যমে ৫০টিক শিল্প কারখানায় ৫০ থেকে ১০০টি শিল্প কারখানায় গ্যাস লাইন প্রদান করা হবে সেই সিস্টেমে আমি এপ্লাই করি।প্লাই করার পরে প্রায় 15-20 দিন পরে আমার সাথে যোগাযোগ করা হলো বলা হলো আমার ডিমান্ড আমার লোকেশন আমার কাগজপত্র সবকিছু নিয়ে পেট্রো বাংলা কাওরানবাজার অফিসে দেখা করতে।আমার সব ডকুমেন্ট নেয়ার পরে পেট্রো বাংলার অফিসার আমাকে বলল আপনাকে আপডেট দেয়া হবে।রাত্রে pentro বাংলা থেকে টেলিফোন করে আমার কাছে ৫ কোটি টাকা দাবি করা হয় গ্যাস লাইন দেওয়ার জন্য।পরবর্তীতে আমার অফিসিয়াল টাকার বাইরে উনাকে তিন কোটি টাকা
আমার নবজাতক বাচ্চাকে ইর্মাজেন্সি এনআইসিউ তে ভর্তি করতে হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত ডাক্তার না পাওয়াতে ওর্য়াড বয়কে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে আমার বাচ্চার চিকিৎসা করতে হয়েছে। যেখানে সবকছু বিনামুল্যে হওয়ার কথা ছিলো সেখানে পদে পদে আমার অনেক টাকা খরচ হয়েছে। সরকারি হাসপাতাল ছাড়া আমাদের এই দিকে এনআইসিউ সুবিধা না থাকায় আমি বাধ্য হয়ে টাকা পয়সা দিয়েছি।
অনলাইনে আবেদন এবং টাকা পেমেন্ট করার পরে পাসপোর্ট অফিসে কাগজ জমা দিতে গেলে এই কাগজ লাগবে,ওই কাগজ লাগবে বলে হয়রানি করে এবং বলে বাইরে দোকানে গিয়ে না হয় ক্যান্সেল করেন না হয় সবকিছু ডকুমেন্টস নিয়ে আসেন।বাইরে দোকানে ক্যান্সেল করতে গিয়ে দোকানদার বললো আমি সব কিছু করে দিতে পারবো ১৭০০ টাকা লাগবে।হাতে টাকা ছিলো ও না।মামাকে ফোন দিয়ে ২০০০ টাকা আনিয়ে তারপর দোকানদারকে টাকা দেই।পরে আমারে ১০৪ নাম্বার রুমে গিয়ে সাইন নিতে বললো।১০৪ নাম্বার রুমে থাকা লোকটা সাইন দিয়ে দিল।আমার ডকুমেন্টস এ যদি ঘাটতি থাকে তাহলে টাকা দেয়ার পরে আমার কাগজপত্রে সাইন কিভাবে দিল। যে লোকটা প্রথমে কাগজপত্র নিতে চাইছিল না তিনি আমার দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসছিল আর দোকানদার বলছিল সে নাকি ১৭০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পাবে বাকি থাকা পাসপোর্ট অফিসে
৬বার আবেদন করেছি ৭শতাংশ জমির খাজনা দেয়ার জন্য কিন্তু প্রতিবান বলেছে সার্ভারে আসেনা, এভাবে একে একে ৬ বার আবেদন এ ৬০০ টাকা দিয়েছি পরে অন্য একজন পাঠিয়েছি তিনি চা পানির খরচা দিতে চেয়েছেন আর কাজ করে দেয়ার দেবার জন্য, ১০০০০ টাকা তাকে দেয়া হয়েছে ৭ বছরের খাজনা দেয়ার জন্য এই টাকা দেয়ার পরে উনি সার্ভারে তত্থ্য খুজে পায় আর আমাদের খাজনা পরি শোধ হয়
এলপিআর এর টাকার জন্য অডিটর কতৃক চাহিদা।
পাসপোর্ট করতে গেছি। সেখানকার কর্তব্যরত অফিসার ফিঙ্গার এর জন্য 2000 হাজার টাকা করে দিতে হবে বলে দাবি করেন নয়তো হবেনা তখন বাধ্য হয়ে সেটিতেই রাজি হয়ে যায়
**ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হোম ইকোনমিক্স কলেজগুলোতে** ভর্তি বাতিল করতে গেলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রায় ৩৮,০০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা পরিশোধ না করলে কলেজ কর্তৃপক্ষ মার্কশিট প্রদান করছে না। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জানায়, ভর্তি বাতিল করতে হলে পুরো এক বছরের বেতন ও অন্যান্য ফি পরিশোধ করে তারপর ভর্তি বাতিল করতে হবে। এর পাশাপাশি, ভর্তি বাতিলের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে স্বাক্ষর (সাইন) করিয়ে আনতে হয়। সেই স্বাক্ষর নেওয়ার জন্যও অতিরিক্ত ২,০০০ টাকা জমা দিতে হচ্ছে। ফলে ভর্তি বাতিল করতে ইচ্ছুক একজন শিক্ষার্থীকে অপ্রত্যাশিতভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ভোগান্তিকর ও আর্থিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছে।
Asking 100000 taka for my tax return submission otherwise he will create problem to my tax return। ঘুষখোর জনোয়ার
একজন ইউপি চেয়ারম্যান একটা মেয়েকে খুঁজে বের করা দেয়ার জন্য এক লক্ষ টাকা দাবি করে
Ami new passport korchi tokhon o nichilo 3000 tk r moto, passport meyad sesh hoar por renew korte gechi amar theke taka kujche ami na die korte caichi amar document e problem bollo hobe na dhaka jaite hobe ei shei, tapor baddo hoye 2000 tk dilam then shob problem solve
আমার একটি নাম সংশোধন করার জন্য শুধু একটা স্বাক্ষর করবেন তাতেই ২০০০ টাকা চেয়েছেন..
সরকারি ফি 4200 something তারা এটা complete করে receipt done 9000 taka দিলে
ব্যাংকের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করে, ৪০০০ টাকা নাকি গাড়ি ভাড়া ও অন্যন্য খরচ বাবদ লেগেছে। পরে ১০০০/- পরিশোধ করি।
এমসি টাকা ছাড়া দেয় না।
সরকারি খরচ বলে টাকা নিয়ে থাকে
They want me to pay them for Increasing the metres Kilowatt capacity
শুনানিতে অংশ না নিয়ে নামজারি করার রেট ২৫০০ টাকা। টাকা না দেয়ায় আমার আবেদনের ২ মাস যাবত ঝুলে ছিল, আর কোন প্রগ্রেস হচ্ছিলো না। পরে ফোন করে কারন জানতে চাইলে পুনঃরায় শুনানিতে ডাকে এবং কাজ করে দেয়।