ভিটা বাড়ি জমির জন্য শতাংশ প্রতি 1000 টাকা ঘুষ দিতে হয় একজন সাব রেজিস্টার অফিসার কে।
আমি ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেছিলাম । সাব রেজিস্টার বলল ৫০০০ টাকা ঘুষ না দিলে দলিল হবে না। তারপর ৫ হাজার টাকা দিয়ে দলিল করতে হয় আমকে।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেছিলাম । সাব রেজিস্টার বলল ৫০০০ টাকা ঘুষ না দিলে দলিল হবে না। তারপর ৫ হাজার টাকা দিয়ে দলিল করতে হয় আমকে।
জমি খারিজ করতে গেলে বা সেখানে অনলাইন কোনো সেবা নিতে গেলে বখশিস দেওয়া লাগে। আর খারিজ করতে গেলে অনেক ঝামেলা আর অনেক টাকা লাগে
সরকারী ডাটা মতে ২২০০+- এর মত লাগার কথা। তারা বলে ৭০০০ টাকা দেন ২ দিন পরে এসে নিয়ে যাবেন। আমি দেইনি। আমি পরে NBR এর ওয়েবসাইটে apply করি। ২ মাস হয়ে গেছে, এখনও পেন্ডিং দেখায়। আর এখনও করা হয়নি। ঐ অবস্থায় এখনও আছে। I'm not going to do Trade license in this illegal way, I'm not doing anything wrong. So, I'm just waiting for the approval. I don't thing so that it will be approved legally. Frustrated!
পুলিশ ক্লিয়ারেনস করতে গিয়ে কোনো সমস্যা নেই তার পরেও আবেদন করার পরেও ৩ ৪ দিন সময় পার হওয়ার পরে থানায় যোগাযোগ করি কিন্তু তারা বলে আমার কাগজে নাকি সমস্যা আছে পরে আমার কাছ থেকে 4000 টাকা দাবি করে পরে আমি 1000 টাকা দিতে চেয়েছি কিন্তু তাতে হবে না পরে 2000 টাকা দিয়ে কাজ করেছি লোকেশন:- গাজীপুর কালিয়াকৈর থানা
জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য ৬বছর ঘুরে কোর্টে কেস ফাইল করতে পেসকার এই দাবি করছে। না দিলে আরও ৬বছর ঘুরতে হবে জানিয়েছে।
জামাতে আমির — রোডের একটা কাজের ব্যাপারে গিয়েছিলাম।ওনাি ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়
MPO আবেদনের সময় তা অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রদানের মাধ্যমে মাউশি আঞ্চলিক অফিসের ডিরেক্টর বা ডেপুটি ডিরেক্টর এর জন্য ঘুষ প্রদান করতে হয়৷
আমি ১৯.০৮.২৬ ইং তারিখে জমি রেজিষ্ট্রেশনের জন্য মহুরি দারা পেপারস রেডি করি। জানতে সাব-রেজি. সেই দিন ১৫০ -১৮০ দলিলের কাজ সম্পূর্ণ করবেন। কিন্তু সাব-রেজি. ১১৬ টি দলিল দেখার পর ওনি চলে যেতে চান। সাব-রেজি. মহুরি সমিতির সভাপতিকে বলেন আমি যদি থাকি তাহলে দলিল প্রতি আমাকে ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। অথচ আমার দলিল সিরিয়াল ছিল ১৩১ নম্বর। ওনি ১১৬ টি করার পর যখন ১০০০ টাকার চুক্তি হয়, তারপর আরও তিনি ৩০-৩৫ টা দলিল পার করে দেন। সেক্ষেত্রে আমাকেও ১০০০ টাকা দিয়ে দলিল কাজ সম্পূর্ণ করে নিতে হয়। আমাত ছুটি শেষ হওয়ার কারণে পরবর্তী কার্যদিবসের অপেক্ষায় থাকতে পারবো না, সে কারনে আমাকেও এই ১০০০ টাকা দিয়ে পার করে নিতে হয় দলিল। এখানে সাব-রেজি. কৌশল করে এই ঘুষ গুলো করেন।
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ এ হুইল চেয়ারে ৩/৪ তলায় রোগি নিয়ে গিয়েছিলাম। এরপর ৫০০ টাকা চায়, পরে ৪০০ টাকা নিয়ে গেছে।
আমার মোবাইল বাসা থেকে চুরি হয়ে যায়। পরে আমি থানায় গিয়ে জিডি করি । আমি বলছিলাম চুরি হয়ে গেছে পুলিশ জিডিতে লিখছে আমি মনের অজান্তে কোথায় জেন হারাইছি আমি তখন দেখি নাই পরে বাসায় দেখি । জিডি করার পরে জিজ্ঞেস করছি খরচ আছে বলে দেন একটা পরে আমি বলি কত দিব পরে বলে দেন পরে আমি ইচ্ছা করে ৩০০ টাকা দেই। টাকাটা বিষয় না কিন্তু কথা হল আমার মোবাইল এখনো পাওয়া জায় নাই। আর যদি পাওয়া জায় তখন সেই মোবাইলের নতুন দাম অনুযায়ী আবার এক্সট্রা টাকা দিয়ে ফোন আনতে হবে। মোবাইলের দাম যদি ২০/২৫ হাজার টাকায় হয় তাহলে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। জদিও আমার ফোন পাওয়া জায় নাই আমার কাছে টাকা দাবি করে নাই। কিন্তু ৪/৫ জনের থেকে সুনছি যে তাদের টাকা দেওয়া লাগছে। কথা হল আমার টাকায় বেতন আমার টাকায় কাজ। তাইলে পরে আবার টাকা দিতে হবে
আমি একজনের কাছে টাকা পাই। কিন্তু ঐ ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবত আমার পাওনা টাকা দিচ্ছেনা।তখন আমি সোনাগাজী মডেল থানার সরামপন্ন হই। তখন আমি একটি অভিযোগ দায়ের করি সোনাগাজী মডেল থানা ইনচার্জ বরাবর। থানার ওসি সাহেব আমার অভিযোগ তদন্তের জন্য — নামের একজন থানার ডিউটি অফিসারকে দায়িত্ব দেন। ঐ — আমার পাওনা টাকা উদ্ধার করে দিবে এই মর্মে তার সাথে ২০০০০ টাকা চুক্তিতে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। —ের প্রস্তাবে আমি রাজি হইনি। এবং আমি কিছুদিন পর বলছি আমি আমার অভিযোগ তুলে পেলতে চাই মর্মে —কে জানালে উনি আমাকে চাপ জানিয়ে দিয়েছেন উনাকে যাতে আমি খরচপাতি দিতে হবে না হয় এ অভিযোগ প্রত্যাহার হবেনা। এখন আমার করনীয় কি?
জনশক্তি অফিস ফেনীর এডি —, পিয়ন — ও ফিঙ্গার প্রিন্ট আউটসোর্সিং ওয়ার্কার — বাহিনী এর নেতৃত্বে চলতে ওপেন সিক্রেট চাঁদাবাজি। ফিঙ্গার প্রিন্ট সরকারি ফিঃ ২০০ টাকা। কিন্তু, তারা ১০০০ থেকে ৮০০০ অব্দি দাবি করে। হয়রানি তাদের রেগুলার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেল।
কোত্থেকে তদন্ত দিয়েছিল আমাদের বাবুগঞ্জে ভূমি অফিসে তদন্তে গিয়ে সবকিছু দেখে এসে বলেছিল 9000 টাকা দিলে সে রিপোর্ট পাঠাবে কোটে তারপরও আমাদের দুই মাস ঘুরিয়ে রিপোর্ট পাঠিয়েছিল কোর্টে আমি কমপক্ষে তাকে বেশি বার ফোন দিয়েছিলাম ওখানে আর একটা জমিতে ৯৯৯ তে কল দিয়ে পুলিশ এনেছিল কাপড় ছিল মুলাদী পুলিশ এসে দেখে যাওয়ার সময় বলেছিল আমাকে টাকা দেন তারপর ১০০০ টাকা দিয়েছিল সে বলেছিল যে আপনারা টাকা খরচ করেন না আবার ৯৯৯ তে কল দেন তারপর সে 5000 টাকা দাবি করে তারপর তাকে তিন হাজার টাকা দিয়েছিল
আমার জমি শতভাগ দলিলাদী সঠিক থাকর পরেও,পাবনা জেলা,সদর উপজেলা,হেমায়েতপুর ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে — নামের এক ব্যাক্তি, আমার জমি নামজারি করে দেওয়ার জন্য 10000 টাকা দাবি করে, এর সাথে — নামের ছেলে টাও দাবি করে। কিন্তু ওই খানকার — খুব ভালো।
সরাসরি দাবি করেন নি। কেন এনআইডি আর জন্ম সনদ দুটোই দিসি এজন্য ফরম নিবে না। আইডি নাকি যাচাইযোগ্য না! গেলাম ট্রাভেলসে। বললো অফিসারের জন্য টাকা চাইছে। দিতেই চুপচাপ কাজ হয়ে গেলো!
তারা প্রথমে বলে এই টেস্ট টি করতে 1450 টাকা লাগবে। তারপর টেস্ট শেষে রিপোট দেওয়ার সময় 1100 টাকার ভাউচার দেয় এবং বলে দেখতেছেন তো আমরা কতো পরিশ্রম করতেছি। এবং তাদের ব্যবহার অনেক খারাপ। যেখানে ডাক্তার বলে টেস্ট এখন ই হবে যান। কিন্তু ল্যাব এ গেলে বিভিন্ন অজুহাত দেয় এবং বলে আজ আর হবে না কালকে আসেন।
জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দীর্ঘদিন ধরে থাকা জমি ও বিদ্যালয়ের স্থাপনা অবৈধভাবে দখলের একটি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি আমি নিজে সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছি এবং বিদ্যালয়ের জমি, স্থাপনা ও বর্তমান দখল পরিস্থিতি সম্পর্কে আমি সরাসরি অবগত। উক্ত জমিটি ১৯৯৬ সাল থেকে খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জমির ওপর বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ কক্ষবিশিষ্ট একটি টিনশেড ভবন, ২ কক্ষবিশিষ্ট অফিস কক্ষ, ২ কক্ষবিশিষ্ট ছাত্রীদের কমনরুম এবং ৪টি ওয়াশরুম। এসব স্থাপনা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়মিত প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। কিন্তু বর্তমানে — নামের একজন ব্যক্তি বিদ্যালয়ের উক্ত জমি
বাসার একটা ফ্লোরের জন্য মিটার নিতে গেলে বিদ্যুৎ অফিসে বলে মাদার মিটার বসাতে হবে৷ দুই মিটারে মোট খরচ ২৫ হাজার টাকা হলেও তারা ৪০ হাজার টাকা দাবী করে বসে। এদিকে বিল অনেক আসায় মিটার আলাদা করাটা জরুরী হয়ে পড়েছিলো। বাধ্য হয়ে ৪০ হাজারই দিয়েছি। এরপর যখন মিটার ফিটিং করতে আসলো, তখন আমি বাসায় ছিলাম না। তারা আগেই এসে মিটারের সিল নিজেরা ভেঙ্গে আমাকে বলে সীল ভাঙ্গা, আপনাকে ফাইন দিতে হবে নইলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে৷ এরকম ভয় দেখিয়ে তারা ৩ জন এসেছিলো, মোট ৩০ হাজার দাবী করে বসে। অনেক হাতেপায়ে ধরে ২৫ হাজারে তাদের রাজী করে বিদায় করেছি। ৪০ হাজার টাকায় যে মিটার হয়ে যেতো, তা ফিট করতে আমার ১ লাখ খরচ হয়েছে।
আমি নওগাঁ পাসপোর্ট অফিসে ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। তারা এমন একটি পদ্ধতিতে কাজ করে, যা দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ফাইলের ভেতরে তারা এমন কিছু ডট বা সাইন ব্যবহার করে, যা দেখেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন যে ফাইলটি ঘুষের টাকা দিয়ে এসেছে। আর ঘুষ না দিলে কোনো না কোনো অজুহাতে তারা আপনার ফাইল বাতিল করে দেবে অথবা বিভিন্নভাবে হয়রানি করবে।
আমার জরুরি প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধনে থাকা বয়স সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বয়স সংশোধনের জন্য আমার স্কুল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল বৈধ কাগজপত্র ও প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়ায় আমাকে নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। আমার আবেদনটি কয়েকবার কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কর্তৃক রিজেক্ট করা হয়। পরবর্তীতে জন্ম নিবন্ধনের বয়স সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করানোর জন্য আমাকে ৮,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। টাকা দেওয়ার পর আমার আবেদনটি অনুমোদন করা হয় এবং সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন তৈরি করা হয়। আমার কাছে স্কুল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও যদি অতিরিক্ত টাকা প্রদান না করলে একটি বৈধ আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হয়,