Passport nobayon
Basar holding number deini bole
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Basar holding number deini bole
ওয়ারিশান সম্মপতির নামজারি
কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার সমাজসেবা অধিদপ্তরে বিভিন্ন অনুদানের টাকা উত্তোলন করতে গেলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের লোকজনকে প্রচুর পরিমাণ টাকা দিতে হয় তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির উৎস যাচাই করা দরকার
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন জন্য অনলাইনে আবেদন করে, প্রয়োজনীয় সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়ে ঈশ্বরদী পৌরসভাতে যাই, তারা অনেক ভুল ধরার চেষ্টা করেও না পেয়ে গ্রহন করতে বাধ্য হয়, ব্যাক আসার সময় বলে ৫০টা টাকা দিয়ে যান!! যেহেতু জন্ম নিবন্ধন ছাড়া টিকা দেয়া যাবে না, কি আর করা ৫০টাকা দিয়ে কাজটি করিয়ে নিলাম, নিরুপায় ছিলাম!! তবে আমি যেটা দেখলাম ওখানে গিয়ে, আপনি যদি অনলাইন আবেদন না করে যান, তাহলে আপনাকে দিতে হবে ২৫০টাকা, যদি পিতা মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন না থাকে তাহলে আরো ৫০০টাকা, কোন কাগজই না থাকলে ১০০০টাকা, রেট করা আছে!! এ ব্যপারে উনাদের ভিতর কোন প্রকার লজ্জা, ভয়, শরম পরিলক্ষিত না!! আমি ভাবলাম আমার তো মাত্র ৫০টাকা!!
বাড়ি করার জন্য প্ল্যান পাস করানো
আনুমানিকবা৫ বছর পূর্বে দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ ভূমি অফিসের একজন সার্ভেয়ার ভূমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও দাবিকৃত ১০০০০০/- টাকা ঘুষ না দেওয়ার কারণে আমার বিপক্ষে রিপোর্ট প্রদান করে।। পরবর্তীতে আইনি লড়াই এর মাধ্যমে উক্ত-মোকদ্দমায় আমি জয়লাভ করি।
আপনার বক্তব্যটি আরও গুছিয়ে, স্পষ্ট ও অভিযোগের ভাষায় এভাবে লেখা যেতে পারে: আমার ভাগনির লাশের ময়নাতদন্ত করাতে গিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে অত্যন্ত তিক্ত ও হয়রানিমূলক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। ময়নাতদন্তের দায়িত্বে থাকা মর্গের সংশ্লিষ্ট লোকজন আমাদের কাছে ১৫,০০০ টাকা দাবি করেন। অনেক অনুরোধ, অনুনয়-বিনয় এবং হাতে-পায়ে ধরার পর শেষ পর্যন্ত ১২,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে টাকা না দিলে সেদিন ময়নাতদন্ত করা হবে না। পরদিন ময়নাতদন্ত করা হলেও কখন করা হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা তারা দিতে পারেনি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, টাকা না দিলে লাশ বুঝে নিয়ে সেখান থেকে বের হওয়ার বিষয়টিও আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
আমি শেরপুর সদর উপজেলার একজন চাল কল মালিক। যথারীতি চলতি বোরো-২০২৬ মৌসুমে আমার মিলের অনুকূলে সরকারকে চাল সরবরাহের বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই বরাদ্দাদেশ ছাড় করতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় আমার নিকট হতে ১ম ৭,০০,০০০/-। তারপর আবার অনৈতিক ব্যাখা তলব করলে সেটার জবাব দেওয়ার পরও আমার বরাদ্দ পূণরায় স্থগিত করেন। যা পরবর্তী তে ১৮,০০,০০০/- দেওয়ার পর চাল সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়। অন্যথায় আমার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হতো।
ঘুষের বিনিময়ে সমাধান হয়ে গেছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর বেতনের প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র শিক্ষা অফিসে জমা দিই। কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সেখানকার ভারপ্রাপ্ত বড়বাবু বেতনের সব কাজ করে দেওয়ার জন্য ৯০০ টাকা দাবি করেন। চাকরি নতুন, তাই বাধ্য হয়েই সেই টাকা দিতে হয়েছিল।
দলিল রেজিস্ট্রি করি ২০১৯ সালে। সেই সময় সরকার নির্ধারিত সকল ফিস পরিশোধ করি। অতিরিক্ত একাধিক টেবিলে টাকা দিতে হয়েছিল।যিনি টীপসহি গ্রহন করেন তাকেও দিতে হয়েছিল ১০০ টাকা।অবশেষে ২০২৫ সালের মে মাসে যখন মূল দলিল উঠাতে যাই তখন বলে সরকারী ফি বাবদ ১২০০ টাকা দিতে হবে। আমি করলেও নানান ধানায় পানায় শরু করে। আমি টাকা দতে বাধ্য হই। এর বিনিময়ে রশিদ চাইলে দেয়নি।
এটা গাজীপুর জেলা, শ্রীপুর উপজেলা,কাওরাইদ ইউনিয়নে আমার সাথে ঘটা ঘটনা।আমার জন্ম নিবন্ধ ঠিক করতে গেলে ওখানে কর্তব্যরত একজন ইউনিয়ন পরিষদ কর্মী যারা এই কাজগুলা করে তাদেরএকজন আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা চেয়েছে সংশোধন করে দিবে সেই বাবদ,যা সরকারি নীতিমালার বহির্ভুত অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং তখন আমি দিতে বাধ্য ছিলাম
আসলে এটা একটা অলিখিত রোলস,ধরতে পারেন অনেকে এখন মনে করে এটা ফি। শিপের ক্রুদের জাহাজে সাইন অন অফ আগে মোটামোটি ৫০০- কয়েক হাজার টাকা দিতে হয়। প্রতিদিন গড়ে ২০০-৩০০ সাইন অফ অন হয়।একজনও বিনেপয়সাতে করতে পারে না।টাকা না দিলে সকাল থেকে সন্ধ্যা হয়ে যাবে তবুও কাজ হবে না।
আমি আদালত থেকে এন আই এক্ট চেকের মামলায় রায় পেয়েছি যার পরিমান ২৩ লাখ টাকা। যখন থানাতে যাই এবং আসামির সন্ধান দিয়ে বলি যে চলেন আমার সাথে আসামিকে ধরতে হবে তখন তারা টাকা ছাড়া যেতে রাজি হয় না। পরবর্তীতে টাকা পরিশোধ করার পর আসামিকে ধরতে যাওয়ার জন্য রাজি হয়েছে। কিন্তু এই নিয়ে কথা বলতে বলতে, বারগেটিং করতে করতে এত সময় নিয়েছে যে, যেতে যেতে আসামি চলে গেছে। মানে আমার সব দিকেই লস। আসামিকে তো ধরতে পারলামই না চেকের টাকাও তুলতে পারলাম না উল্টা আরো দশ হাজার টাকা পকেট থেকে চলে গেল।
কেউ জমি বিক্রি করতে চাইলে, জমি বিক্রয়ের জন্য সাধারণত জমিটিকে খারিজ করে নিতে হয়। এখানকার ঘুষখোর তহসিলদার সাহেব অফিসের বারান্দায় কয়েকজন দালাল সেট করে রেখেছেন। তারাই মূলত জমি প্রতি সর্বনিম্ন ৭০০০/- থেকে জমি অনুযায়ী আরও বেশি পরিমাণ ঘুষ দাবি করে থাকে, যেখানে সরকারি ফি মাত্র ১১০০ বা ১২০০ টাকা।
আমার স্ত্রী কে অপারেশন করাতে গিয়ে ২ মাস ঘুরে ঘুরে কোন ডেট নিতে পারছিলাম না, তরে ওখানের একটা ওয়াডবয়কে ৩০০০ টাকা দিয়ে ২ দিনের ভিতর অপারেশন টা করাতে সক্ষম হই।
সদর হাসপাতালে যে accounts অ্যাকাউন্টের দায়িত্ব থাকে আমাদের প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং শ্রান্তি বিনোদনের আবেদন করার জন্য প্রথমে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছে পরে আবার শ্রান্তিবিনোদনের টাকা আসার পর উনি আমাদের কাছ থেকে আমরা যে টাকা পাবো সেখান থেকে প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নিয়েছে । আর আমরা তো হচ্ছে নিম্ন পোষ্টের অন্যদের টা জানা নাই
একটা নতুন ট্রেড লাইসেন্স বাড়ানোর জন্য আমার ব্যাংক জমা ছিল ৪৩০০ টাকা কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৭৫০০
এয়ারপোর্টে প্রবাসী লাশ গ্রহণ করার সময় সরকারি বরাদ্দ ৩৫০০০/- লাশ বহন করার জন্য এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া বাবত দেয়। কিন্তু তা দিতে গড়িমসি করছিল। মানে ইনিয়ে বিনিয়ে কিছু ঘুষ চাচ্ছিল। পরে আমার আত্মীয় ঐ অফিসের কর্মকর্তা থাকায় ফোন পেয়ে সহজে চেকটা দিয়েছে। নইলে এই প্রবাসী লাশের থেকেও ঘুষ নিত হয়তোবা। তাছাড়া ঐ প্রবাসীর ৩ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ তুলতেও বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট পয়েন্টএ সব মিলিয়ে প্রায় ৩০-৪০ হাজার ঘুষের দাবি করে বসে।
প্রতি অডিট ৩০০০০০ টাকা, সব টিকটাক থাকলেও, আর সমস্যা থাকলে এর উপর যা নিতে পারে।