দলিল খোজা
দলিল খোজার নাম করে টাকা নিয়েছে কিন্তু কাজ করে দেয় নাই।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দলিল খোজার নাম করে টাকা নিয়েছে কিন্তু কাজ করে দেয় নাই।
আমি আমার জমি মিউটেশন করাতে কি ৫,০০০ টাকা দাবী করে। পরে দেখলাম সবাই ই এই আমল করে। পরে নিরুপায় হয়ে টাকা দিছি কাজ শেষ!
আমার অত্তান্ত প্রয়োজনে জমি বিক্রি করতে যাই আমার আব্বু মারা যাওয়াই কিন্তু আমি আমার আব্বুর ওয়ারিস হওয়ার পরও আমি নাকি জমি বিক্রি করতে পারব না তাই বলে আমাকে অপেক্ষা করানো হয় পরে বলেন সাব রেজিস্টার নাকি মানবিক ভাবে রেজিস্ট্রি করে দেই তাতে আমার কিছু টাকা দিয়া লাগবে বলে রেজিস্ট্রি করে দিয়ে ২৫০০০ টাকা দাবি করে জোর করে আমার থেকে নিয়া হয়
টাকা না দিলে নামের ভূল ধরে, বাবা মা এন আইডির সাথে নিজের এন আইডির অমিল ধরে টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় ৫০০ টাকা দিছি
Nid card এর তথ্য ভুল ছিল সেটা সংশোধন করা হয়েছিল।সার্ভারে আপডেট হয়নি সেই জন্য ব্যাক এন্ডি ডাটা ইনপুট দেয়ার জন্য সার্ভারের তথ্যের সাথে বাস্তবে মিল না পাওয়ার জন্য।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে যাওয়ার পরে কর্তব্যরত অফিসার আমাকে খরচ বাবদ ১৩০০ টাকা দাবি করে।
পুলিশ পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করতে 2000 টাক দিতে হয়েছে ।
I just wanted to reprint my birth certificate and there was no change or revision needed in my birth certificate but officials from Lalpur municipal asked for bribery to get the certificate reprinted. Officials are from same village and they know that we have been living abroad. That is why , they started to give some false excuse. Once we agreed to pay 5000 BDT, within 2-3 days, they issued certificate. I had also some urgency because I need that to do PR application in Canada. I think Thana level officials are also involved with this process. I don't believe this government will be able to control or reudce the level of bribery.
জমির রেকর্ড সংশোধন মামলার রায়ের জন্য ট্রাইব্যুলালের বিচারকের হয়ে তার পেশকার ২০০০০০ টাকা দাবি করে। কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। অনেক কোর্টে বিচারক ও নাই ২/৩ বছর যাবত, যা দেখার কেউ নাই।
আমি গত 16/08/2026 তারিখে ভোলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই সেখানে আমাকে বেলা ১১ঃ০০ টার দিকে ঢুকতে পারি পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দেওয়ার জন্য জমা দেওয়ার পর আমাকে জানানো হয় আপনার বাবা-মায়ের আইডি কার্ডের ফটোকপি গোলা তাই নতুন করে ফটোকপি করে জন্য বলে তো আমি কম্পিউটার দোকান থেকে ফটোকপি করার পর আবার নতুন করে রাইনে দাঁড়াতে হয় লাইন অনেক লম্বা থাকায় বেলা একটা বেজে যায় আমার কাগজে কোন ভুল ছিল না আমাকে আবার বলা হয় আপনার বাবাকে এখানে আনতে হবে আমার ন্যাশনাল আইডি কার্ড অনুযায়ী আমার সবকিছু ঠিক ছিল কিন্তু তারা বলতেছে আপনি আপনার বাবাকে আনতে হবে এখন আমার বাড়ি থেকে ভোলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস 85 কিলোমিটার দূরে তাই এই অল্প সময়ের ভিতরে তাকে হাজির করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না এবং দুইটার পরে এন্টি বন্ধ এটা বলে
ভূমি অফিস থেকে জরিপের নামে। আমাদের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নেই। প্রায় প্রতিটি বাড়ি থেকে দুই থেকে তিন লাখ টাকা আমার সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করে। শহরের নন্দীপাড়া তে বিডিএস জরিপের নামে এসব অনিয়ম চলতে থাকে। নেই সেই নেই তাদের একটাই কথা আপনার বি এস এস এ আর এস। আপনি টাকা পরিশোধ করলে সব ঠিক।
আমার আব্বু একজন সরকারি কর্মচারী ছিলো তিনি মারা যাওয়ার পরে হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে পেনশন চালু করার জন্য গেলে তারা টাকা দাবি করে এন্ড এটা নাকি তাদের সিস্টেম আমার কাছে ভিডিও প্রুভ ace
আমি জমির জমির খাজনা দিতে ৩ নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন তসিল দার এর কাছে যাই উনি আমার কাছ থেকে ২০০ টাকার খাজনার জায়গায় ১২০০ টাকা দাবি করে
আমার বড় বোনের ইংরেজি নিবন্ধন নেয়ার সময় সরকারি ফি বাদে টাকা দাবি করে। আমি দিয়েছি তাও কাজ হয় নি এখনও পাইনি। কবে পাবো আল্লাহ জানে।
সরকারি বিনামূল্যে ভাতা
মোবাইল খুজে পেতে জিডি করার পরে সিসি ক্যামেরার আড়ালে ডেকে টাকা দাবি।
Amake porikkhay fel dekhano hoyeche. Tarpor chipay niye bollo 4500 taka dile ekhoni pass koray deya jabe. Ami kono bhul kori nai ba fail kori nai kintu
আমার একটি মামলা আদালত থেকে সিআইডিকে তদন্তের জন্য দিলে সিআইডি এর এক এসআই আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করে। সকল কাগজ আমার পক্ষে থাকলেও সে আমার কাছে এই ৫০ হাজার টাকা চায়। আমি বলছি আমি দিতে পারব না। আপনি সত্য ঘটনা তদন্ত করেন। আমার পক্ষে থাকলে সেটা দিবেন। না থাকলে নাই। তারপরেও খুবই চাপাচাপি ও ভয় দেখিয়ে আমার কাছ থেকে সেটা আদায় করে। আমি ভুক্তভোগী।
মোটর সাইকেল এর স্মার্ট কার্ড প্রদান এর সময় অতিরিক্ত ১০০ টাকা দাবি করে যার কোন ভাওসার দেয় নাই।
জরুরী বিভাগে ডাক্তার রোগীর কাছ থেকে ১০ টাকা করে নেয়।