ITR
আমার টেক্স দিতে গেলে তারা ফাইল দেখে বলে হিসেবে গড়মিল আছে ৫০হাজার টাকা লাগবে। পরে দর কষাকষি করে ২৫ হাজারে কাজ হয়।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার টেক্স দিতে গেলে তারা ফাইল দেখে বলে হিসেবে গড়মিল আছে ৫০হাজার টাকা লাগবে। পরে দর কষাকষি করে ২৫ হাজারে কাজ হয়।
মিরপুরের রাজউক বা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (NHA) আওতাধীন প্লট মালিকদের জন্য এক চরম দুর্ভোগ ও হয়রানির নাম ‘এনওসি’ বা অনুমোদনপত্র। অথচ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্পষ্ট গ্যাজেট প্রকাশ করে জানিয়েছে,এসব বরাদ্দকৃত প্লটের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে গৃহায়ন বা রাজউকের কোনো চিঠি বা অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। গ্যাজেট প্রকাশ হলেও ভূমি অফিসে নাকি এখনও কোনো অফিসিয়াল পরিপত্র পৌঁছায়নি! ফলে মাঠপর্যায়ে বহাল রয়েছে পুরনো সেই জটিল ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা। ঘুষের ফাঁদে সাধারণ মানুষ: অহেতুক টাকার দাবি: ওয়ারিশ সূত্রে নামজারি, হেবা (দানপত্র), সাব-কবলা দলিল কিংবা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করতে গেলেই এনওসি-র নামে রাজউক/গৃহায়ন এবং স্থানীয় ভূমি অফিসে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা
পুলিশ রিপোর্ট কোর্টে জমা হয়েছে, রিপোর্ট এর কপি নেয়ার জন্য আমাকে ৬০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে কোর্টের স্টাফকে। স্টাফ বলে একটা বড় নোট দেন মানে ১০০০ টাকা। কোনমতে ৬০০ টাকা দিয়েছি।
২০১৬ সালের জুন-জুলাইয়ে গাজীপুর সদরের ফ্রন্ট ডেস্ক আমার পাসপোর্ট ইশ্যুর কাগজ জমা নিচ্ছিল না এবং দুইদিন ধরে অবান্তর কাগজ চাইছিল যা দরকারই না। এরপর সেখানে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত পুলিশ ও দালালদের দেখিয়ে ১,২০০ টাকা জমা দিতে বলে ঐ লোক এবং না দিলে আবেদন রিসিভ করবে না জানায়।
৫ শতক জায়গা ক্রয় করে রেজিস্ট্রি করার পর যখন নামজারির জন্য দেয়ার পর এসিল্যান্ড ১১৭০ টাকার ১৮৮৩০ মোটা ২০,০০০ টাকা না দিলে নামজারি হবে না বলে জানিয়ে দেন।
যখন আমি নিজে আবেদন করে সব ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে যাই। তখন ঐখানের অফিসার বলে আবেদনে ভুল আছে এটা হবে না। তারপর আবার বলে 2000 টাকা দিলে ঠিক করে দিবে
আয়কর প্রদানের পর তা অডিট করে নিষ্পত্তি করার জন্য Extra Assistant Commissioner of Taxes, Circle-28, Zone-02, Dhaka.- এর কাছে ফাইলটি যায়। এরপর থেকে উনি এবং তার সহকর্মী ফাইলটি নিষ্পত্তির জন্য এক(১) লক্ষ টাকা দাবি করেন। তারা আমাকে আরও হুমকি দেয় এক লক্ষ টাকা না দিলে ফাইলটি নিষ্পত্তি না করেই আদালতের ট্রাইবুনাইলে পাঠাবে, তাহলে সেখানে ৩ লক্ষ টাকা দিতে হবে।
টাকা না দিলে বছর পর বছর সময় লাগায় দেয় লাইসেন্স পায়তে। এমনকি পাশ করলেও ফেল দেখায় দেয় বলে নেটএ সমস্যা। কাগজে ভুল আছে বিভিন্ন তালবাহানা আবার বলে সার্ভারে সমস্যা।এমনও হয় অনেক এর বেলায় লাইসেন্স এর মেয়াদ ৫ বছর কিন্তু এই সময় এর মধ্যে ও হাতে পায় না লাইসেন্স।
খুলনা,ফুলতলা উপজেলা ভূমি অফিসের মুহুরী —।তার কাছে জমি রেজিস্ট্রি দলিল লিখতে গেলে সে বলে জমির খাজনা হয়েছে ২২০০০টাকা।তাকে মোট ৩০০০০ হাজার টাকা দিলে সে জমির খাজনা ও জমি রেজিস্ট্রি একসাথে করে দেবে।কিন্তু বর্তমানে খাজনা অনলাইন সিস্টেম করে দেওয়ায়।আমি অন্য একজনের মাধ্যমে ৫৭০০ টাকা দিয়ে খাজনা কাটি।এরপর জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে সে বলে সে আমার জমি রেজিস্ট্রি করতে পারবে না দলিল ও লিখতে পারবে না। এছাড়া অন্যান্য অফিসার ও প্রকাশ্যে ঘুষ চাই ঘুষ না দিলে অযথা হয়রানি করে।আপনারা নিজেরা একটু যাচাই করে দেখতে পারেন ফুলতলা উপজেলা ভূমি সেবা অফিসের দূর্নীতির কথা।আমরা উক্ত উপজেলার সাধারণ জনগণ প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছি। দয়া করে এদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নিন
মূলত নিজেদের জমির খাজনা নিজেরা দেয়ার জন্য ভূমি অফিসে যাই (দেহেরগতি ইউনিয়ন ভূমি অফিস)। সেখানে প্রধান কর্মকর্তা অফিসে নিয়মিত আসেন না। তাই সে অনলাইনে খতিয়ান সমূহ নিষ্পত্তির দায়িত্ব অপর এক কর্মচারীকে দিয়েছেন এবং সেই কর্মচারীকে বলা হয়েছে যে যদি কেউ নামজারি খতিয়ান নিষ্পত্তি করতে আসে তাহলে খতিয়ান প্রতি ১০০টাকা দিয়ে নিষ্পত্তি করতে হবে। আর নয়তো তাদের মাধ্যমে নিজের জমির খাজনা দিতে হবে সাথে তাদেরকে অনলাইন খরচ দিতে হবে(অনলাইন খরচ কত টাকা দিতে হবে তা বলেনি)।
NTRCA কর্তৃক ৭ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ লাভ করি ফেব্রুয়ারি মাসে। মার্চ ও মে মাসে বেতন চালুর জন্য ফাইল পাঠিয়ে প্রথমবার জেলা ও পরে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস থেকে ফাইল প্রত্যাখাত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে আবার ফাইল পাঠালে প্রথমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে গড়িমসি করে এবং পরে ৩k টাকার বিনিময়ে ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়। এখান থেকে পরে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে ফাইল সেন্ড করে। পরে আমি এই মাসের ১৮ তারিখে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে যাই খবর নিতে যে আমার ফাইল কবে নাগাদ মাউশি তে পাঠাতে পারে জানার জন্য (যদিও এটা স্কুল থেকেই জানা যায় কিন্তু প্রধান শিক্ষক জানাতে চায় না বা তথ্য দিতে চায় না। ফাইল পাঠাতে প্রধান শিক্ষক নিজেও ২০k টাকা নিয়েছেন)। সেখানে কম্পিউটার অপারেটর ১৫k টাকা দাবি করেন
১১৭০ টাকা সরকারি খরজ লাগলেও কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে ৭০০০ টাকা অতিরিক্ত ঘুষ দিলে দ্রুত কাজ হয়ে যায়।
Asked by creating fear of misinformation as per NID documents. Just when I paid the Ghush amount, the same officer processed my Passport renewal!
বিভিন্ন ইস্যুতে ফাইল reject করে দেয়। নিচে আনসারের কাছে তিন হাজার টাকা দিলে ফাইল ছেড়ে দেয়।
ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর ঘুষ না দিলে খাজনা গ্রহন বা নামজারি কোন কাজই করে না।খাজনা অনুমোদন করেতে গেলে ও নামজারির প্রতিবেদন দিতে গেলে গ্রাহক কে নথি আনার কথা বলে ঘুষ দাবি করে। উদাহরণ স্বরূপ খাজনা দিতে গেলে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে গ্রাহককে টাকার পরিমাণ বেশি দেখায়, এরপর ঘুষ খেয়ে পুনরায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সরকারের তহবিলে কম টাকা জমা করে বাকি টাকা নিজে খায়। যেমন ধরেন মূল খাজানা মাত্র ২০০/- টাকা, জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে গ্রাহক কে দেখায় আপনার খাজনা ৫০০০/- টাকা, পরে গ্রাহক এর কাছ থেকে ৪০০০/- খেয়ে পুনরায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সরকারের খাজনা দেয় ২০০/- টাকা। এই অফিসের মুল দুর্নীতিবাজ কম্পিউটার অপারেটর সরকারি কর্মী না হওয়া সত্য দীর্ঘদিন এখানে কর্মরত।
আপনি যে কোন কাজেই জাবেন না কেন টাকা দিতে হবে। আগ্রাবাদ শিপিং অফিস
একসনা বন্দোবস্তো করে দেওয়ার শর্তে লোহাচুরা ভুমি সহকারী ককর্মকর্তা সরাসরি প্রতি আধা ডেসিমেল এর জন্য ৮০০০০ করে টাকা চাচ্ছে। এটি দিতে ব্যর্থ হলে পাশের মালিকের নামে বন্দোবস্ত করে দেওয়ার হুমকি ও দিয়েছে। এতো টাকা কি জন্য জিজ্ঞেস করলে বলে যে একটা কমিটি হয়েছে ৮ সদস্যের সরাসরি DC এর নাম বল্লো যে উনাদের সবাইকে দিতে হবে। শরিক বেড়েছে তাই এতো টাকা 🥲🥲🥲
আমি নতুন ভোটের জন্য আবেদন করি তারপর কাগজ জমা দিবার জন্য নির্বাচন আফিসে যায় কাগজ জমা দেয় কৌতুহল বসত আমি বলি যে কত দিন সময় লাগবে দায়িত্বে থাকা অফিসারটা বলে যে এক থেকে দুই মাস লাগবে আমি বললাম যে তারাতারি করা যাবে না অফিসরটা বলে যে তারাতারি করতে হলে ২০০০ টাকা লাগবে নয়ত দুই মাস অপেক্ষা কর। কাগজ জমা দিসি প্রায় আজ একমাসের ওপর হয়েছে
আমাকে মারধর করার পরে থানায় মামলা করতে যাওয়ার পর পুলিশ ঘুষ দাবি করে।
মাদারীপুর কুলপদদি ভুমি অফিসে একটা জমি কিনে নামজারি করতে দিয়েছিলাম। সহকারী ভুমি অফিসারের ১ রেট ৬০০০। নিজে খতিয়ান নামাবেন। প্রথমবার ঘুস না দিয়ে সাবমিট করি কিন্তু খোঁড়া অজুহাতে বাতিল। রিভিউ করি এসসিল্যানড বাতিল করে দেয়। একই আবেদন রি সাবমিট করে ৬০০০ টাকা দেই কাজ হয়। ঘুষ দালাল দিয়ে নেয়, কম্পিউটার অপারেটর দিয়ে নেয়। নিজে অফিসের বাইরে নেয়। নিজে বলেছে সব টেবিলে ভাগ যায়। ঘুষ ছাড়া নামজারি হবেনা কথা সিম্পল।