চাকরি দেবার কথা বলে
স্কুলে দফতরি চাকরির কথা বলে ৭ লক্ষ দাবি করে ২ লক্ষ টাকা আগে হাতিয়ে নিয়েছে। ৪ বছর হয়েগেল চাকরি হবে হবে করে আর হচ্ছেনা টাকাও ফেরত দিচ্ছেনা।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
স্কুলে দফতরি চাকরির কথা বলে ৭ লক্ষ দাবি করে ২ লক্ষ টাকা আগে হাতিয়ে নিয়েছে। ৪ বছর হয়েগেল চাকরি হবে হবে করে আর হচ্ছেনা টাকাও ফেরত দিচ্ছেনা।
BIN nawar jnno dawa hoyeche. Taka chara tara dei nai. 50 hajar tk dabi krchilo. Cumilla sohorer jei Vat office ta ache oita. Sob kichu thik chilo but taka chara tara permission dei nai. Taka disi sathe sathe Bin diye dise.
I was applied for dual citizenship. Police was present at my permanent address in Habiganj to verify it was my legal permanent address in Bangladesh. They demanded to my younger brother that amount of money. My brother did pay 3000 first time and later on 5000. Without paying this amount they will not release my police verification paper to ministry of foreign affairs. Thank you.
Simple mutation. Since the land is big that's why asked 8 lakh taka. Finally negotiated to 6 lakh. This is outrageous.
Vomi office hoirane korse
আমার কাগজপত্র সব ঠিক ছিলো। কিন্ত দালাল ধরে পাসপোর্ট করতে আসে নি তাই আমার কাগজে ভুল ধরা শুরু করেছিলো। কিন্ত যারা দালাল ধরে এসেছিলো তাদের কোনো ভুল ধরে নি। দালাল একটি বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেয় কাগজের মধ্যে।
I want to renew my passport that time I filled up my form by myself but they say you need to submit different different paper . If I filled up this with any agency they charge 1000 taka extra and everything ok . Then I went to passport office 2 days then they take my paper and accept it
আমি টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠেছিলাম। কারণ টিকিট পাই নাই। টিটি আমার কাছ থেকে টিকিটের সমপরিমাণ টাকা নিল ঠিকই কিন্তু কোন রশিদ দিল না। টিটি এই টাকা মেরে দিয়েছে
জমি দলিল করতে গেলে, সরকারি ফি হিসেব করে ৬০০০০ টাকা জানানোর পর দলিল নিবন্ধনকারী তাদের সমিতি ফি এবং সাব রেজিস্ট্রার এর ঘুষ বাবদ ৯০০০০ টাকা দাবি করে। এতে আমি অন্য নিবন্ধনকারীদের কাছে গেলে তারাও সম পরিমাণ টাকা দাবি করে। পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বরিশাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ স্টাডি সেন্টারে M.ed প্রথম সেমিস্টারের ভাইবে ছিল। ভাইবা চলাকালীন সময়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমের সামনে বসে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নিয়েছি যা নিয়ম নীতি বহির্ভূত।
আমি খারিজ করতে গেলে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা দাবি করে
I went to the pabna pourasava for the name and address correction. There was a man who works there inside the office. He mainly does everything in the computer. He reviewed everything and filled the form in the computer and asked 300 tk. But the real amount is less than that. I asked him about it and he said it's normal payment here. He didn't even gave me any payment slip or anything. It was urgent for me and I didn't say anything more about that. I paid him and he did rest of the process.
আমি গত বছর ঢাকা সায়েদাবাদ স্বামীবাগের একটি ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার জন্য সিটি কর্পোরেশন অফিস অঞ্চল ৬ যাই। সেখানে — নামে একটি লোক আমাকে সর্বনিম্ন চার হাজার টাকা দাবি করে ট্রেড লাইসেন্স বানিয়ে দেওয়ার জন্য। উনাকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য আমি বলি যে পরবর্তী সময়ে এসে আপনার থেকে বানিয়ে নিব, উনি আমাকে ওনার নাম্বার দিয়ে দেন।
আমার টেক্স দিতে গেলে তারা ফাইল দেখে বলে হিসেবে গড়মিল আছে ৫০হাজার টাকা লাগবে। পরে দর কষাকষি করে ২৫ হাজারে কাজ হয়।
মিরপুরের রাজউক বা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (NHA) আওতাধীন প্লট মালিকদের জন্য এক চরম দুর্ভোগ ও হয়রানির নাম ‘এনওসি’ বা অনুমোদনপত্র। অথচ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্পষ্ট গ্যাজেট প্রকাশ করে জানিয়েছে,এসব বরাদ্দকৃত প্লটের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে গৃহায়ন বা রাজউকের কোনো চিঠি বা অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। গ্যাজেট প্রকাশ হলেও ভূমি অফিসে নাকি এখনও কোনো অফিসিয়াল পরিপত্র পৌঁছায়নি! ফলে মাঠপর্যায়ে বহাল রয়েছে পুরনো সেই জটিল ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা। ঘুষের ফাঁদে সাধারণ মানুষ: অহেতুক টাকার দাবি: ওয়ারিশ সূত্রে নামজারি, হেবা (দানপত্র), সাব-কবলা দলিল কিংবা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করতে গেলেই এনওসি-র নামে রাজউক/গৃহায়ন এবং স্থানীয় ভূমি অফিসে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা
পুলিশ রিপোর্ট কোর্টে জমা হয়েছে, রিপোর্ট এর কপি নেয়ার জন্য আমাকে ৬০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে কোর্টের স্টাফকে। স্টাফ বলে একটা বড় নোট দেন মানে ১০০০ টাকা। কোনমতে ৬০০ টাকা দিয়েছি।
২০১৬ সালের জুন-জুলাইয়ে গাজীপুর সদরের ফ্রন্ট ডেস্ক আমার পাসপোর্ট ইশ্যুর কাগজ জমা নিচ্ছিল না এবং দুইদিন ধরে অবান্তর কাগজ চাইছিল যা দরকারই না। এরপর সেখানে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত পুলিশ ও দালালদের দেখিয়ে ১,২০০ টাকা জমা দিতে বলে ঐ লোক এবং না দিলে আবেদন রিসিভ করবে না জানায়।
৫ শতক জায়গা ক্রয় করে রেজিস্ট্রি করার পর যখন নামজারির জন্য দেয়ার পর এসিল্যান্ড ১১৭০ টাকার ১৮৮৩০ মোটা ২০,০০০ টাকা না দিলে নামজারি হবে না বলে জানিয়ে দেন।
যখন আমি নিজে আবেদন করে সব ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে যাই। তখন ঐখানের অফিসার বলে আবেদনে ভুল আছে এটা হবে না। তারপর আবার বলে 2000 টাকা দিলে ঠিক করে দিবে
আয়কর প্রদানের পর তা অডিট করে নিষ্পত্তি করার জন্য Extra Assistant Commissioner of Taxes, Circle-28, Zone-02, Dhaka.- এর কাছে ফাইলটি যায়। এরপর থেকে উনি এবং তার সহকর্মী ফাইলটি নিষ্পত্তির জন্য এক(১) লক্ষ টাকা দাবি করেন। তারা আমাকে আরও হুমকি দেয় এক লক্ষ টাকা না দিলে ফাইলটি নিষ্পত্তি না করেই আদালতের ট্রাইবুনাইলে পাঠাবে, তাহলে সেখানে ৩ লক্ষ টাকা দিতে হবে।