গাড়ি
পুলিশ আমার গাড়ি থামালো আর কাগজ চাইলো। সব ঠিক আছে তার পরে বল্লো গাড়ি কি ভাড়ায় চলে আমি বল্লাম জ্বী সে মামলা দিবে বলে ভয় দেখালো 😄😁
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পুলিশ আমার গাড়ি থামালো আর কাগজ চাইলো। সব ঠিক আছে তার পরে বল্লো গাড়ি কি ভাড়ায় চলে আমি বল্লাম জ্বী সে মামলা দিবে বলে ভয় দেখালো 😄😁
নামজারি,সরাসরি টাকা চেয়েছিল
পিজি হাসপাতালের F Block এ আল্ট্রা করানোর জন্য যাই যার সেবা ফি ৩০০ টাকার আশেপাশে হবে সরকারি রেট কিন্তু এফ ব্লক থেকে জানানো হয় আল্ট্রাসাউন্ড হবেনা আগামীকাল আসেন তারপর বলে ২০০০ টাকা দিলে ১ ঘন্টার মধ্যে সব করে দেয়া যাবে
বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে দিবে এইজন্য দাবি উত্থাপন।
আমি একটা হেলথ সার্টিফিকেট নিতে গিয়েছিলাম তো কম্পিউটার যে ছিল সে আমার কাছে সে ফি হিসাবে এক হাজার টাকা দাবি করে কিন্তু সিভিল সার্জন বলছিল কোন টাকা লাগবে না কিন্তু সে আমাকে বলে টাকা না দিলে সে আমাকে সার্টিফিকেট দিবে না তাই এক পর্যায়ে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই
Tk5000 na dile family card hobe na
জমি খারিজের আবেদন জন্য পুঠিয়া ভূমি অফিস হতে জনপ্রতি নূন্যতম ২০০০/= এরপর জমির পরিমাণ বৃদ্ধর সাথে সাথে চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে টাকার অংক । লে হালুয়া কোটা না মেধা মেধা মেধা যারা ঘুষ খায় তাদের মেধার জোরে খায় না কোটার জোর খায়
জমির নামজারির জন্য খরচ মাত্র ২১০০ টাকা কিন্তু আমার দেয়া লাগছে ৮৫০০ টাকা
নামজারি ও খাজনা দিতে গিয়ে
প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেছেন এলাকার কমিটির মাধ্যমে শিক্ষকের বদলি অনুচিত। তাও মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের বাধ্য করছে এলাকার লোকাল কমিটির কাছে আবেদন জমা দিয়ে বদলি হতে কারণ সেখানের পার্সেন্টিজ সোজা সারা বাংলাদেশ থেকে ঐ ডিজির কাছে পৌঁছে যায়। মিরপুর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ঐ মহিলা ডিজি বদলির অর্ডার করা বন্ধ করে দিয়েছে। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন অধিদপ্তর থেকে কোন বদলির অর্ডার হচ্ছে না। কারণ ডিজি চায় এলাকা থেকে হোক এবং তার কাছে কমিশন পৌঁছে যাক। আপনারা দ্রূত ব্যবস্থা নিন যাতে মিরপুর অধিদপ্তর থেকে বদলির আদেশ জারি করা হয়। এবং ঐ মহিলা ডিজির সারা বাংলাদেশের লোকাল কমিটি থেকে পার্সেন্টিজ নেয়ার পথ বন্ধ হয়। প্রাথমিক শিক্ষকরা এই লোকাল কমিটির ফাঁদে পড়ে অসহায়ের মত হয়ে আছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর বিনামূল্যে সরবরাহ কৃত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রনের দরপত্রে সকল যোগ্যতা আছে ও আমি লোয়েস্ট হয়েছি তারপর তারা ১৮ লক্ষ টাকা দাবি করে না দিলে কাজ দিবে না।
১৯৪০ সালে ২০৮১ নং দলিলে কেনা মুসলমান মালিকদের জমি ক তালিকা ভুক্ত দেখিয়ে নামজারি দিচ্ছে না। হাইকোর্ট দেখায় , বিশাল বড় এলাকায় জমি , তাই সংশোধন না করে প্রতি বার নামজারিতে লাখ লাখ টাকা খাচ্ছে । অথচ মুসলমান মালিকদের জমি কখনো অর্পিত বা শত্রু সম্পত্তি হিসেবে ক তালিকা ভুক্ত হতে পারে না । ইচ্ছা করে ভূল করে , সেই ভূল সংশোধনে হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থায়ী সমাধান করছে না ।
নিজের পাসপোর্ট আবেদন নিজেই করে নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে যাই গিয়ে অফিসার ভুল ধরলো MD পরে এাটি ডট দেই NID তে ডট আছে, রিজেক্ট করল সাথে একজন দোকানদার আসলো এসে বলল ভাই আপনি যত চেষ্টায় করেন ভুল আপনার ধরবেই আমাকে ১৫০০/- টাকা দেন কাজটা এখনই হয়ে যাবে আমি হাল ছাড়ি নি, ঘুষ প্রত্যাখান করে আবেন বাতিলের দরখাস্ত দিয়ে পুনরায় আবার নতুন করে আবেদন করি এবার উনি বলল শুধু স্টুডেন্ট আইডি কার্ড দিলে হবে না আপনার কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র নিয়ে আসতে হবে! আবারো সেই দেকানদার হাজির দেখেই বলল ভাই বলেছিলাম না কাজ হবে না! আমি তবুও হাল ছাড়ি নি কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র নিয়ে এসেছি আবারো ফাইল জমা দিলাম এবার উনি বলল NID কার্ডের ভেরিফিকেশন কপি আনেন, আশ্চর্য হয়ে গেলাম যেখানে NID কার্ড সাথে করে আনছি, আবার আবেদন করার সময় NID কার্ড যা
এপ্রিল ২০২৪ সালে একটি রোড এক্সিডেন্ট হয়েছিল। খানজাহান আলি থানার এক ASI ২৫০০০ টাকা নিয়েছেন ভিক্টিম কে ক্ষতিপুরন দেবেন আর কোনো হয়রানি মামলা করবেন না। কিন্তু তারা ভিক্টম কে কোনো আর্থিক সহায়তা দেননি। পুরো টাকা টাই সেই দুর্নীতি বাজ ASI নিজ কাজে ব্যবহার করেছেন।
পৈতৃক সম্পত্তি মিউটেশন বাবদ দাবিকৃত টাকা।
ছাদের উপর চোর ধরলাম, কিছু উত্তম মধ্যম দিলে চোরের সহযোগীরা মিথ্যা উস্কানি দিয়ে পোলাপান দিয়ে কয়েকটি জানালার গ্লাস ভেঙ্গে চোর ছাড়িয়ে নিয়ে যায় । পুলিশে ফোন দিলে পুলিশ এসে তদন্ত করলো চোরের পিতা আজিমপুর কর্মস্থলে পুলিশ কনস্টেবল। যারা মিমাংসা করতে এসেছিলো এমন দুই বাড়িওয়ালাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেলো । টাকা না দিলে অপহরণ মামলার হুমকি। ৭০০০ টাকা দিয়ে মামলা থেকে বাঁচলাম। ঘটনা ২০০৫ সাল ।
Registry Purpose and we have to paid Tk. 85,000/-
আমি আমার চাচার একটি সম্পত্তির খাজনা প্রদান করতে গেলে তারা বলে এই সমস্যা ঐ সমস্যা বলে আমার কাছে থেকে 500 টাকা দাবী করেন উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বা তহশীলদার সাহেব, এখানে উল্লেখ্য, সরাসরি তহশীলদার ঘুষ চায় নাই তবে উনার অফিসের পিয়ন বলেন স্যার ঘুষ ছাড়া কাজ করবে না আমাদের সকলের ভাগ আছে কিন্তু কম।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, নেত্রকোনায় টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না। জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত দুইজন কর্মকর্তা কে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না দিলে দূরে বদলি করে দেয়। টাকা দিলে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে। প্রতি বছর দুইবার নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়। টাকার পরিমাণ কম হলেও বদলি করে দেয়। টাকা দিলে আবার অর্ডার বাতিল করা হয়। এটা একটা চলমান প্রসেস।
**বিষয়: এনআইডি সংশোধনের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ।** আমি আমার আম্মুর এনআইডি সংশোধনের জন্য **রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে** যাই। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এনআইডি সংশোধনের কাজ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী আমার কাছে **৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেন**। আমি উক্ত ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।