Passport Application
Passport office e gele ghuriye dey . jokhon 3k khoroch kore akta email chap diye and kolomer duita chihno niye gesi tokhon kore dise. aitai service.
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Passport office e gele ghuriye dey . jokhon 3k khoroch kore akta email chap diye and kolomer duita chihno niye gesi tokhon kore dise. aitai service.
তাকামুল সাটিফিকেট ঘুষ ছাড়া পরীক্ষায় পাশ করায় না,সরকার এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বলুন।ঘুষ দিলে পরীক্ষা ছাড়া পাশ দিয়া দে।
আমি অনলাইন ঢুকে ২০২৬-২৭ হোল্ডিং ট্যাক্স জমা দেওয়ার জন্য আমার একান্ত লগইন করি। কিন্তু পেমেন্ট অপশন টোটালি নিষ্ক্রিয় করে রেখে সেবা গ্রহনকারীদের নিকট থেকে ১৮০ টাকার হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের জন্য ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে পেমেন্ট অপশন সক্রিয় করা হচ্ছে। এই অনৈতিক কার্যক্রমের সাথে সরাসরি জড়িত ভুমি রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সরকার দলীয় পিয়ন থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত সকলেই।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল সার্টিফিকেট আবেদনের সময় সরকারি নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করার পরও একজন অফিস সহকারী প্রত্যেক জন থেকে ৫০০-১০০০টাকা করে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে। তিনি সিভিল সার্জন স্যারের নামে মূলত আবেদনকারী থেকে টাকা গ্রহণ করে।
আমার ফ্লাট এর হোল্ডিং ট্যাক্স আমার বাবার নামে ছিল। বাৎসরিক ৫০৪৯/- টাকা দিতাম। বাবা মারা যাওয়ার পর বাবার নাম পরিবর্তন করতে উত্তর সিটি কর্পোরেশনে গেলে ১০,০০০/- টাকা সরকারি ফি দিয়ে আবেদন করি। কিন্তু ০৮ মাস পার হবার পরও কাজটি না হওায় আমার এলাকার জোনাল ট্যাক্স অফিসার এর কাছে গেলে তিনি ৩০০০/- টাকা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে দেই এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে দেয়। মানে আমি সরকারকে ট্যাক্স দিব আবার সেই ট্যাক্স দেয়া ব্যক্তি মারা গেলে নাম পরিবর্তনে ১০০০০/- টাকা সরকারী ফি দেয়ার পরেও ৩০০০/- টাকা ঘুষও দিতে হবে। জুলুম এর কত ধাপ পার করতে হয় এই দেশে।
অনলাইনে নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি, নির্ধারিত তারিখে পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করি, রিটন পরিক্ষায় পাস করে ভাইবা পরিক্রমায় যায়, আমাকে প্প্ররাশ ১০/ ১২ টা প্রশ্ন করে আমি সব গুলার সঠিক উত্তর দেয়। কিন্তু আপনাকে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে এমন একটা প্রশ্ন চিল তুমি কার মাধ্যমে আবেদন করেছ, আমি বলি নিজে নিজে, তখন তারা তাদের মধ্যে টিক আছে যাও। ২ বার এমন করছে,তখন আমাকে বলা হয় ঢাকা BRTA হেড অফিসে যেতে হবে ২০ হাজার টাকা + আসা যাওয়ার যে যাবে তার খরচ মিলিয়ে ২৫ হাজার টাকা লাগবে। তখন আমি সরাসরি ঢাকা বিআরটিএ এর হেড অফিসে গিয়ে কথা বলি, সেখানেও এমন অবস্থা আমার সবাই কাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে হবে। হেড অফিস থেকে আমাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাটায়। তখন আমি বাধ্য হয়ে তৃতীয় বার ব্রাহ্মণবারিয়ার বিআরটিএ এর কর্ম
আমি সরকারি BTCL এর ইন্টারনেট নরসিংদী সদর থেকে দিতে চাচ্ছিলাম । তারপর অনলাইনে ঘাটাঘাঁটি করে দেখলাম অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় বা সরাসরি অফিসে ছবি নিয়ে গেলেও হয়। প্রথম দিন গেলাম, লোক পাইনি, পরের দিন গেলাম তারা বলল কম্পিউটার দোকানে যেতে । অথচ তাদের এখানে করা যায় । তারপর একটু খোঁজাখুঁজি করলাম । BTCL এর একজন লাইন লাইনম্যান ৩০০ টাকা নিল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য (যেটা একদম ফ্রি) । পরে সে একই লোক, আমার বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে যায় এবং ১০০০ টাকা চা পান খেতে দাবি করে (লজ্জা শরমে দিয়ে দিয়েছি, কারণ পরবর্তীতে লাইন খারাপ হলে তাদেরকে বললে সাথে সাথে আসবে)। এখনো কোনো কারণে যদি তাদেরকে ডাকি তারা দুই তিন দিন পরে আসে এবং চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা নিয়ে যায়(অথচ তাদের অফিস থেকে যাতায়াত খরচ দেয়)
আমাদের বাসে ৪০ জন সিলেট জাফলং ট্যুরে গেছিলাম, আসার সময় ১৫ টার মতো কম্বল কিনছিলো ১৫ জনে, সবার একটা একটা। রাতে আসার সময় ট্রাফিক পুলিশ আমাদের গাড়ি আটকিয়ে বলে নগদ ৩০০০ টাকা না দিলে গাড়ির ড্রাইভার এর নামে চোরাকারবারির মামলা দিবে। পুলিশ এর কাছে থেকে কাগজ চাইলে তারা কোন কাগজ দিতে পারবেনা তা জানিয়ে দেয়। তো আমরা প্রচুর টায়ার্ড ছিলাম আর সবাই পরের দিন অফিস ধরতে হবে তাই পুলিশের এমন দুর্ব্যবহার দেখে কেউ আর কিছু না বলে টাকাটা দিয়ে চলে এসেছি। আমরা নাকি ভারত থেকে কোম্বল চুরি কোরে আনছি, এইজনো মামলা দিবে। সিলেটের শতো শতো দোকানে সারাদিন সারারাত কম্বল বেচে, তদের না ধোরে রাতের বেলা গড়ি আটকিয়ে এইভাবে হয়রানি করার কি দরকার, এই প্রসনো অফিসার কে করলে উনি বলে কে কোথাই কি করচে তা আমরা জানিনা। 24 July 2026 10:00 PM
"বগুরা টু পঞ্চগড় গ্যাস পাইপলাইন এর জন্য ভুমি অধিগ্রহণ " ২০২১ সালে আমার আব্বার জমিতে গ্যাস পাইপ লাইন বসানোর জন্য অধিগ্রহণের নোটিশ আসে। যথাযথ প্রকৃয়ার ডিসি অফিসের "LO "শাখায় আমি আবেদন করি। কিন্তু পড়ে জানতে পারি অধিগ্রহণের অর্থ নিতে হলে ১০% হারে ঘুস দিতে হবে। আর এই অর্থ ওঠানো হতো ভুমি অফিস কর্তৃক নির্ধারিত দালাল দিয়ে। অবার অনেক সময় কানুন গো, সার্ভেয়াররা নিজেই হাতে টাকা নিতো। আমার বাবার জমির টাকা উঠানোর জন্য বাধ্য হয়ে ৫ লক্ষ টাকা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার কর্তৃক নির্ধারিত দালালের হাতে দিতে হয়। অর্থ প্রদানের ১ মাস পড় আমি অধিগ্রহণকৃত জমির চেক পাই। এই ঘুসের টাকা ডিসি থেকে শুরু করে LO শাখার ম্যাজিস্ট্রেট ও সকল কর্মচারীর পকেটে যায়।
একটা সরকারি কাজের জন্য আমি একটি অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও বারবার বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হচ্ছিল। পরে একজন মধ্যস্থতাকারী জানায় যে টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে। অনেক দিন অপেক্ষা ও হয়রানির পর বাধ্য হয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। টাকা দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই যে কাজ দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল, সেটি দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যায়।
মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের বদলি-বাণিজ্য ও অর্থ আদায়ের বিষয়ে আমার প্রত্যক্ষ বক্তব্য আমি একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও আমার কাছে থাকা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জানাচ্ছি যে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও টেকনিশিয়ানদের বদলি-পদায়নকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অর্থ আদায় ও হয়রানি চলছে। দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের কর্মরতদের কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা করে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। নির্ধারিত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দূরবর্তী স্থানে বদলি বা হয়রানিমূলক পদায়নের চাপ দেওয়া হচ্ছে। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ M-TAB এই কাজ করতেছে এবং তাদেরকে সাহায্য করতেছে বাংলাদেশ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (DAB) I
টাকা দিলে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়া যায় ১০ দিনে , না হয় ১৫/১৮ দিন বা এর থেকে বেশি ও লাগে
সরকারি চাকরিতে জয়েন করার পর রাজনগর একাউন্টস অফিসে পে ফিক্সেশন করতে গেলে কেলকুলেটরে টাইপ করে টাকার পরিমাণ লিখে দেয়। ৩০০০ করে চাইলে আমরা দুজন ৫ হাজার দেই। কয়েকমাস পর ইনক্রিমেন্টসহ পে ফিক্সেশন করতে গেলে আবার ২৫০০ চায়। আমার কাছে মোট ৫০০০ নেয়। ইদানিং জিপিএফ কর্তন করতে চাইলে আবার টাকা চেয়ে বসে।
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে আবেদনের হার্ড কপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ভূমি অফিসে জমা দিতে যায় তখন কাগজপত্র দেখেশুনে যাচাই করার পর ভূমি অফিসের নায়েব ৬০০০ টাকা দাবি করে এবং অফার দেয় ১০ দিনের মধ্যে আমার আবেদন অনুমোদন করে দিবে।আমি বললাম আমার তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই, ধীরে সুস্থে দিলে ও চলবে। তখন তিনি উপায় না পেয়ে কাগজের ছোটখাটো কোনো ভুল খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো ভুলই খুঁজে পায় নাহ। পরবর্তীতে তিনি সরাসরি আমাকে বলে টাকা ছাড়া আমরা কোনো আবেদন গ্রহণ করি না এবং আশেপাশের কয়েকজন গ্রাহক কে দেখায় দেখো এইখানে যারা আসছে সবাই উদ্দিষ্ট বাড়তি টাকা দিয়েই আবেদন জমা দিয়ে গেসে। পরবর্তীতে অনেকটা তর্ক বিতর্কের জন্য তিনি ১ হাজার টাকা কমাতে রাজি হয় এবং সেই মুহূর্তে আমার টাকা দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা।
ভুমি অধিগ্রহন ছিল প্রতি লাখে ১০ % হারে ঘুষ চাওয়া হয় পরবর্তীতে দিতে বাধয় হই।।।
বি আর টি এ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার শুরুতে ফিংগার প্রিন্ট নেয়, সেখানে প্রতিবন্ধী / অটিজম লটারী ৩-৪৷ টা টিকিট ধরায় দেয় রুমের ভিতর ঢুকায় এবং নিতে বাধ্য করে, না নিলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার পরোক্ষ হুমকী দেয়
ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে ছিলাম, সেখানে নাকি আবেদন করার জন্য টাকা প্রয়োজন এবং ব্যাংকে নাকি টাকা দিতে হয় সেই কথা বলে ১০০০ টাকা নিয়েছে, আমি সেখানে উপস্থিত থাকাকালীন আরও ব্যক্তিবর্গ এসেছেন যারা তাদের ভোটার আইডি কার্ড,বিধবা কার্ড, জন্ম নিবন্ধনের কার্ড তৈরি করতে চায় তাদের কাছ থেকেও ৫০০-১ হাজার করে নিয়েছে। টাকা মূলত সচিবের কর্মচারী মানে যে কম্পিউটারে আবেদন করে এবং যে ফাইল আদান প্রদান করে মানে দপ্তরি টাকা নিয়ে থাকে, আমি টাকা কম্পিউটারে আবেদন করা ব্যক্তির কাছে দিয়েছি, এবং দপ্তরিকেও লুকিয়ে নিতে সন্দেহ করছি।
বরিশাল শহরে আমাদের বিল্ডিং এর প্লান পাস করানোর জন্য সিটি কর্পোরেশন এ গেলে সেখানে আমাদের সব কাগজ সাবমিট করার পরে সরাসরি ২ লক্ষ টাকা ঘুষ চায় সে জানায় টাকা না দিলে প্লান পাস হবে না। আমরা দিতে না চাইলে আমাদের কাজ প্রায় ২ বছর আটকে রাখে। পরে টাকা দেওয়ার পর কাজ করা শুরু করে তারা। তারপর জমি মাপতে এসে আরও ৭০ হাজার টাকা দাবি করে বলে আমাদের জমি দেখে নাকি উপরের স্যার খুশি হয় নাই। আমাদের এভাবে জিম্মি করে আরও ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর ও সিটি কর্পোরেশন এ খবর নিতে গেলেও তারা চা খাওয়ার কথা বলে প্রতিবার ২,৩ হাজার করে টাকা দাবি করে।
NID Application batil kore dey, Chauddagram e shob neta eta mile kore . shob neta and netar chamcha diye vora office. seal dey special , eita dekhle pass hoye jay , nahole shob documents thakar por o ghuray. J application grant kore she jorito.
দূর বিত্ত আমার জায়গা দখল করেছে । আমি থানায় অভিযোগ করছি টাকা ঘুষ চাইছেন। এবং পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে আপনি কোন দল করেন আওয়ামী লীগ না কি বিএনপি। আওয়ামী লীগ করলে অবশ্যই হেল্প করার ইচ্ছা পোষণ করে। আওয়ামী লীগ শাসনামলে ঘটনা