হুম
ভূমিহীন এর জন্য আমার নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার দরকার ছিল
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ভূমিহীন এর জন্য আমার নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার দরকার ছিল
আমার খাজনা পরিষোধ করতে গেলে, সরকারি ১৪৩ টাকার খাজনা আমার কাছে ৪০০০ হাজার টাকা দাবি করে, অন্যথায় খাজনার চেক কাটবেনা, অবশেষে ৪০০০ হাজার টাকা দিতে বাদ্য হয়েছি
৩৭০০০ টাকা না দিলে নামজারি হবে না, বাধ্য হয়ে উক্ত টাকা পরিশোধ করেছি
সরকারি প্রতিষ্ঠানে অডিট পরিচালনার সময় অনেক ক্ষেত্রে অডিটরদের দাবিকৃত ঘুষের টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে বিভিন্ন অডিট আপত্তি দিয়ে হয়রানি করা হয়, যা পরবর্তীতে নিষ্পত্তি করা অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সৎভাবে কাজ করলেও অনেক সময় অফিসের বিভিন্ন খরচের রশিদের মাধ্যমে অর্থের ব্যবস্থা করে অডিটরদের দাবি পূরণ করতে বাধ্য হন।
নামদারী আবেদন করে কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় বলতেছে দাগ নাম্বারে সমস্যা জমির পরিমাণে সমস্যা এই সমস্যা ওই সমস্যা এটা হবে না। এখন পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে । কাজ হওয়ার পর আরো দুই হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে নামজারি করা যাবে।
ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গিয়েছি,উন্নয়ন কর এসেছে ৪০০(+) আমার বাবার নাম এন আইডিতে এবং পর্চাতে ভিন্ন এর জন্য আমি ইউনিয়ন, এবং জেলা মেজিস্ট্রেটের থেকে হলফনামাও নিয়েছি (সেখানেও ২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে) সেটা দেখিয়েও কাজ হয়নি তিনি অনুমোদন দিচ্ছেন না পরে ১৫০০ টাকা দাবি করেন এক্সট্রা আমি ১ হাজার বলেও হয়নি পরে ১২০০ টাকা দিয়ে সম্পন্য করতে হয়েছে, যদিও আমি প্রতিনিধি আইডি থেকে পরিশোধ করেছি। তসিলদার একজন মহিলা।
৩৪ বছর আগের খারিজের ডিসিআর অস্পষ্ট ছিল।
সুবর্ন কার্ড করতে দিয়েছি,১৫দিন পর পাথরঘাটা উপজেলার সমাজসেবা অফিসের — বলে কাগজ হাড়িয়ে গেছে,পরে বলছি এখন কি করা যাবে?বলছে খরচ দিলে করে দিতে পারবে,খরচ ৩০০০ পরিশোধ করার পরে — নামে সুবর্ন কার্ড করে দেয়
ঢাকা কোর্ট থেকে জমির মালিকানা পরিবর্তন এর মিস কেস অর্ডার পাওয়ার পর সাভার ভুমি অফিস থেকে রায় নেওয়ার জন্য এই টাকা চাওয়া হয়।
ন্যাশনাল হাউজিং অথোরিটি এর প্লট প্রাপ্তি এবং তৎপরবর্তী সমুদয় অর্থ পরিশোধ পরবর্তী বাস্তব দখলের উচ্ছেদ কার্যক্রম সমাপ্ত হইলেও আমাকে বাস্তব দখল ও রেজিস্ট্রেশন এর পত্র দেওয়া হচ্ছে না।
থানায় একটি বাইক আটকিয়ে ছিলো। ফেরত আনতে গেলে টাকা চায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একটি সিন্ডিকেট আছে যেটি বদলি বা প্রোমোশনের কাজ করে। উচ্চ পদস্থ কর্মচারীরা বিভিন্ন কাজের জন্য আবেদনপত্র নেয় ও সেটি ঝুলিয়ে রাখে এবং তাদের অনুগত কিছু কর্মচারী তথা কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক সহ একটি সিন্ডিকেট প্রার্থীর কাছে মোটা অংকের টাকা আদায় করে, না হলে বদলি ঝুলে থাকে বছরের পর বছর।আবার তারা বিভিন্ন এজেন্ট এর মাধ্যমেও কর্মচারীদের কাছ থেকে এক লক্ষ থেকে দু লক্ষ টাকা পর্যন্ত বদলির জন্য নেয়। —, —, —, —, — আপনাদের জয় হউক।
Driving license not issued. Asked Tk 10000/- via a lady official. I didn't agree, Result: licence not issued. The other people who paid got the DL
সাভার নির্বাচন কমিশন অফিসে যাই NID কার্ড এর আবেদনের জন্য। ফরম তুলি, প্রয়োজনীয় কাগজ সহ ফরম পূরন করে জমা দিতে যাই। তারা বারবার ঘুরাতে থাকে। বিভিন্ন ডকুমেন্ট চায়। ইলেকট্রিসিটি বিল, তাতে আবার নিজের বা বাবার নাম লাগবে। চারিত্রিক সনদ, একবার নিলাম ওয়ার্ড কমিশনার থেকে, বলতেছে হবে না। পরে নিলাম পৌরসভা থেকে। এরপর আরো ডকুমেন্ট চাচ্ছিলো। ৩ দিন বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ালাম, পুরো দিন গেলো। তো এরমধ্যে লক্ষ্য করলাম, সেখানে নির্বাচন কমিশন অফিসে আসলে কোনো কাজ হয় না, কাজ হয় তার সামনে থাকা ফটোকপির দোকানে। যারা নতুন nid বা সংশোধন, জন্ম নিবন্ধন, যেকোনো কাগজপত্রর কাজই ওইসব ফটোকপির দোকানে হয়। তো নিরুপায় হয়ে গেলাম সেখানে। তারা বললো সব প্রসেস করে দিবে। ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে। অনেক দর কষাকষি র পর সর্বশেষ ১০ হাজার বললো।
জন্ম নিবন্ধন এবং মৃত্যু নিবন্ধনের কাগজপাতি সবকিছু ঠিক থাকায় পরেও আমাকে তারা কোন অবস্থাতে এটা দিবে না যখনই কি করতে হবে তখন তারা 10000 টাকা দাবি করছে এরপরে আমি এক সপ্তাহ ঘুরেও কোন কাজ করতে পারি নাই টাকা তাদেরকে দিছি তখন তারা কাজটা করে দিছে আমার সবকিছু কাগজ পাতি ওকে ছিল
They asked for bribe for my name change application on my NID.
মিরপুর বিআরটিএ অফিসে মোটরসাইকেলের ডিজিটাল নম্বর প্লেট সংগ্রহের জন্য আমি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি যে, নম্বর প্লেট গ্রহণের সময় মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) প্রদর্শন করা প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত, আমি আমার মূল NID বাসায় রেখে আসি, যদিও আমার সঙ্গে NID-এর ফটোকপি ছিল। মূল NID ছাড়া কর্তৃপক্ষ আমাকে নম্বর প্লেট দিতে রাজি হয়নি। আমার বাসা কালিয়াকৈরে হওয়ায় পুনরায় বাসায় গিয়ে মূল NID নিয়ে আসা আমার জন্য সম্ভব ছিল না। তাই আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করি, অনলাইনে আমার NID যাচাই (Verification) করে নম্বর প্লেটটি দেওয়ার জন্য। তখন তারা জানান, অনলাইনে NID Verification করে নম্বর প্লেট দিতে হলে ২,০০০ টাকা খরচ হবে। আমি বিষয়টি বিবেচনা করে অনেক অনুরোধ করি এবং খরচ কিছুটা কমানোর জন্য বলি, কিন্তু ত
একরকম প্রকাশ্যে টাকা চাওয়া হয়েছিলো।
কাশিয়ানী একাউন্ট অফিস GPF opening এর জন্যে ১৫০০ টাকা চেয়েছে
টিটি টাকা নেয় কিন্তু টিকেট দেয় না, যাত্রী নির্ধারিত ভাড়া থেকে ১০/২০ টাকা কম দেয় সেহ্মেত্রে টিটি মহা খুশি। সরকার প্রতিদিন রাজস্ব হারাচ্ছে লহ্ম টাকা। সুপারিশ হচ্ছে বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা।