পাসপোর্ট তৈরি
আমি পাসপোর্ট করতে খুলনা পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। আমার কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরেও 2000 টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার পরে আমার কাগজপত্র জমা নিয়েছে। এমন দেশ আমরা চাই না। পরিবর্তন চাই
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি পাসপোর্ট করতে খুলনা পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। আমার কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরেও 2000 টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার পরে আমার কাগজপত্র জমা নিয়েছে। এমন দেশ আমরা চাই না। পরিবর্তন চাই
ভুমি অফিস চাপরতলা থানাঃ নাসিরনগর জেলাঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আমার জয়গার জরিপে ভুল হওয়ায় কোর্টে মামলা করি তারপর ভুমি অফিসে নোটিস আসে বর্তমানে জায়গার কি অবস্থা আছে ই্উনিয়ন ভুমি অফিস থেকে একটি রিপোর্ট চাইছে এই রিপোর্ট দেওয়ার জন্য 3000 টাকা ছাইছে শেষ পর্যন্ত 2000 টাকা দেই।
পাঁচটি নামজারি করতে ৩০০০০ টাকা দিতে হয়েছে, ফরিদপুর তহশিল অফিসে।
আমার জাতীয় পরিচয় পত্র হয়নি। আমি ফরম জমা দিয়ে ঐদিনই ভোটার হতে চাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচন অফিস কর্মকর্তা বলে যে ১৫ দিন এক মাস পরে আসতে কিন্তু হেড অফিসের খোঁজ নিয়ে জানলাম দিনে দিনে ছবি তুলে সংগ্রহ করার নিয়ম। কিন্তু সেটা তারা করেনা। এনআইডির জন্য দিনের পর দিন অসংখ্য নাগরিক ঘোড়া ঘোড়া এটা অবান্তর
আমি অনেকবার হোল্ডিং খোলার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। বারবার আবেদন খারিজ করে দিচ্ছে বড়ঘোপ ভুমি অফিসের দালাল — যার কোন অফিসিয়াল পোস্ট নাই। তবে তার নিয়ন্ত্রণে ভুমি অফিসের তহসিলদারের আইডি। টোটাল খাজনা আসে ৩ হাজার প্লাস টাকা আর দাবি করেছিলো ৭ হাজার টাকা।আমি প্রত্যাখান করেছি। আজ পর্যন্ত সরকারকে খাজনা দিতে চেয়েও খাজনা পরিশোধ করতে পারছিনা।
Paper joma ney na , ata lagbe ,ota lagbe , ai paper lagbe but akjon dake bollo vai oi lok ke bolen kisu nasta den sob kore debe , amar somoy kom cilo tai nirupay hoya deya lagse
ভূমি কর দেয়ার জন্য ওয়েবসাইটে আমার অ্যাকাউন্টে, আমার যে কয়টা জমি আছে সবগুলোর মধ্যে, একটা জমির ইনফরমেশন ছিল না। প্রয়োজনীয় কাগজের ছবি তুলে আপলোড করার পরও সেই জমিটির তথ্য ওয়েব সাইটে আসেনি। এবং অফিসে যাওয়ার পর একজন ভদ্র (?) মহিলা আমার কাজটি করে দিতে চান এবং বলেন ভূমির তথ্য সংবলিত খাতা বের করতে সময় লাগে, কষ্ট হয়, তাই তার এসিস্ট্যান্টকে এবং তাকে কিছু টাকা দিতে হবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা দিতে হবে, উনি ৫০০ টাকা চাইলেন। আমি দিয়েছি তারপর কাজটা করে দিয়েছেন।
এন আইডি সংশোধন এর জন্য আমি উপজেলা নির্বাচনি অফিসে যাই সেখানে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে সংশোধন করি।
আমার বড় ভাই, পুলিশ কনস্টেবল পদে চুরান্ত মেডিকেল বাদ দেওয়া হয়। বলা হয় টাকা আনছেন। খাতায় দেখা হয় নাম আছে কিনা। টাকা অভাবে যুগ্যতা থাকার পরেও চাকরি পাইনি আমার বড় ভাই। অথচ ৪০ কেজি বডি নিয়ে ৫.৪" এসব ছেলে টাকা দিয়ে চাকরি করতেছে।।স
একটি বাদ পড়া টাইম স্কেল বকেয়াসহ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন, যা আমার সঠিক প্রাপ্য ছিল। অন্যথায় বর্তমান অবস্থায় পেনশন ও আনুতোষিক দিবেন। আর তাতে চার পাঁচ লাখ টাকা বঞ্চিত হতাম।
আমি জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে চাই সেখানে শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজ চাই কিন্তু সেটা আমার নাই আমরা কুমিল্লার কিছু তো এটা কোন শিক্ষাগত যোগ্য সার্টিফিকেট নাই তারপরে তারা বলছে একটা ডাক্তারের এমবিবিএস ডাক্তারের সার্টিফিকেট লাগবে এটার জন্য পনেরশো টাকা দিতে হবে
ধানমন্ডি গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে একটি সেলফিশন নেয়ার জন্য রিপোর্ট প্রয়োজন হয় সেই রিপোর্ট করাইতে গেলে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় এবং আমি তাহা পরিশোধ করতে বাধ্য হই অন্যথায় আমার কাজ কোনোভাবেই তারা করে দিবে না বলে অঙ্গীকার করে অবশেষে আমি সেই টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
ইপাসপোর্ট আবেদনের পর অফিসে গিয়ে জমা দিতে হয় লম্বা একটি লাইনের ঝামেলা ফেস করে। সেটার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখলাম লাইনের সামনে দিয়ে লাইন অমান্য করে পেছন থেকে লোকদের এনে টাকার বিনিময়ে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে এতে লাইনে থাকা লোকদের ভোগান্তির শেষ নাই। সেখানে পুলিশের একজন সাব ইন্সপেক্টর থাকার পরেও ভিতরের অফিসারদের সাথে লিয়াজু করে একটি দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট জমা ও পাইয়ে দেওয়ার কাজ করছে যা জনসাধারণের ভোগান্তির অন্যতম কারণ।
UP (Utilization Permission) অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত সরকারি/অফিসিয়াল ফি ছাড়াও প্রতিটি স্বাক্ষরের জন্য টাকা দিতে হয়। ১টি UP-তে ৪টি স্বাক্ষর লাগে। প্রতিটি টেবিল/স্বাক্ষরের জন্য আলাদা টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখ, স্বাক্ষর না করার এই অর্থপ্রদান নিয়মিতভাবে হচ্ছ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য নিয়মিত অনলাইনে ইউটিলাইজেশন পারমিশন (UP) সাবমিট করতে হয়। কিন্তু ঘুষ না দিলে ফাইল সাইন করে না। ১ UP-এর জন্য ৪টি সাইন লাগে। প্রতিটি টেবিলে প্রতিটি সাইনের জন্য টাকা দিতে হয়। সবাই নিয়মিত দিচ্ছে। কেউ প্রতিবাদ করে না। ১টি অডিট কমপ্লিট করার জন্য ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেয়।
নামজারি করার জন্য আমার থেকে অতিরিক্ত ৬৮০০ টাকা নেয়া হয় সরকারি ফ্রি হল ১১৭০ টাকা আমি টোটাল দিইআট হাজার টাকা
বদলির জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরে গিয়েছিলাম ওখানে অনেক দালাল আবেদন করলে কোন জবাব পাওয়া যায় না, কোন খবর থাকে না এবং কিছু অফিসেরই লোকজন আছে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করিয়ে দেয় এবং বদলি হয়ে যায়। এক অফিস সহায়ক আমাকে এক লোকের সাথে দেখা করে দিয়েছে ১২০০০০ টাকা চাইছে বদলিতে করিয়ে দেওয়ার জন্য আমি দেইনি যার কারণে আমার বদলি হয়নি। কিন্তু আমার পরিচিত অনেকেই টাকা দিয়েই বদলি করেছে।
আমি তাদের কাছে গিয়ে ছিলাম ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কে জানতে এবং কত টাকা খরচ হয় এ বিষয়ে ধারণা নিতে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তারা আমার কাছ থেকে সরকারি খরচের থেকেও 10 হাজার টাকা খরচ বেশি চাই।আমি দিতে অস্বীকার করাতে তারা আমাকে ওখান থেকে বের করে দেয়। এই সকল পিছনে হেল্প টেক্সট একজন থাকে সে পরিচালনা করে। তার নাম —
আমি ও আমার আত্নীয় স্বজনের বিএস কিংবা নামজারি খতিয়ানে থাকা জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে গেলে অনলাইনে আবেদন অনুমোদন না দিয়ে আটকিয়ে রাখে। অথচ নিয়ম ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অনুমোদন কিংবা কারণসহ জানিয়ে বাতিল। কিন্তু আবেদন মাসের পর মাস অপেক্ষমাণ রেখে আটকিয়ে রাখা হচ্ছে। পরে ফেসবুকে একটি জমি সংক্রান্ত গ্রুপে এই ব্যাপারে সাহায্য চাইলে তহশীল অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। ঐখানে গেলে ৫০০-১০০০ টাকার বিনিময়ে প্রতিবার আবেদন অনুমোদন করে। টাকা দিলে অফিসে বসে আবেদন করে অফিসেই অনুমোদন দিয়ে দেই। এভাবে আমার থেকে প্রায় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে। এছাড়াও নামজারি করার সময় প্রত্যেকটি ধাপে কানুনগো,তহশীলদার, এসি ল্যান্ড অফিসে টাকা দেয়া লাগছিল অথচ সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা। তাদের টাকা না দিলে আবেদন ফেলে রাখে।
অডিট রিপোর্ট ঝামেলামুক্ত থাকার পরেও এই টাকা "ARO, RO, DC..." পর্যন্ত এই টাকা দিতে হইসে. এর পরের ধাপ এখনো নেয়নি. বলে রাখা ভালো, প্রত্যেক কাজে টাকা লাগেই. টাকা ছাড়া কাজ হয়না বললেই চলে.
তারা বাইরে — মাধ্যমে এই প্রথম গুলো করে থাকে, আড়াইহাজার এর সাব রেজিস্টার অফিসারের ঘুষ খাওয়ার পাবনতা খুবই বেশি