জমির নাম জারি
জমির নামজারি করতে গিয়ে হয়রানি। কম টাকায় নামজারি করতে আগ্রহী নয়.....।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমির নামজারি করতে গিয়ে হয়রানি। কম টাকায় নামজারি করতে আগ্রহী নয়.....।
চট্টগ্রাম অবস্থিত একটা প্রাইভেট কোম্পানি আমাদের। যেখানে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানকে আমাদের (১৩,২৯,৯৩,২৫০-- তের কোটি উনত্রিশ লক্ষ তিরানব্বই হাজার দুইশ পঞ্চাশ) এই পরিমান অর্থ ঘুষ হিসাবে দিতে হয়েছে। যার মধ্যে আছে কাস্টমস, বন্দর, বেপজা,এনবিআর সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান। তারা এই ঘুষ গ্রহনের জন্য রীতিমতো রেইট চার্ট তৈরী করে রেখেছে যা আজকের এই সভ্য দুনিয়ার এক বিরল চিত্র!! এই ভয়াবহ দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মচারী কর্মকর্তাদের থেকে আমরা মুক্তি চাই। পরিমাণ (টাকা)-এখানে দশ কোটির উপর লিখা যাচ্ছে নাহ!
আড়াইহাজারের ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বাইরের দালালের মাধ্যমে এই প্রতারণা গুলো করে, আমি যদি তাদেরকে টাকা না দেই তাহলে নামজারি বাতিল করে দেয় ।
আমার ছোট একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছরই ইনকাম ট্যাক্স দেই। ছোট প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইনকামের উপর ভিত্তি করে মিনিমাম ট্যাক্স দেই ৩০০০ টাকা কিন্তু আমার নাকি মিনিমাম ট্যাক্স হয়না।কিন্তু অফিসের বস তার এক কেরানি কে দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে প্রতি বছর ৩০০০ টাকা ট্যাক্স নিয়ে কাগজ রেডি করে দেয়।এটা ৯ বছর যাবত চলছে।
আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি ৫ বছর অন্তর মিনিস্ট্রি অডিট হয়। প্রত্যেককেই প্রতিবারই ১ মাসের বেতন দিয়ে দিতে হয়। প্রতিষ্ঠান প্রধানকে হয়ত দিতে হয় না। প্রধানের হাত দিয়েই এই ঘুস দিতে হয়।
অসহায় সৈনিকদের টিএডিএ ও বৈদেশিক মিশন সম্পন্ন করার পূর্বেই সরকার তার কোষাগার টাকা জমা এবং যথা সময়ে নিজ নিজ ব্যক্তিকে পরিশোধ করতে নির্দেশ দিলেও ঢাকা এফসি আর্মি পে-২, বিবিধ এর বেশির ভাগই সংখ্যক অসাধু কর্মচারী অডিটর কলমের মার প্যাঁচে ফেলে টাকা না দিলে প্রাপ্য টাকা দিতে তারা অস্বীকৃতি জানান। যদিও, সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সজাগ থাকলেও অডিটর তাদের নিয়মিত মোটিভেশন ভ্রুক্ষেপ না করে তাদের ঘুষ বাণিজ্যের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ানোর বিন্দু মাত্র চেষ্টা করে না।প্রতিজন মোট প্রাপ্য পরিমাণ গড় ২৫% টাকা। সমাধান, সকল বিল পরিশোধের জন্য তালিকা করে ধাপে ধাপে প্রতিদিন কয়টি বিল পরিশোধ করা হলো তা সরাসরি প্রতিষ্ঠান প্রধানের নখদর্পণে হিসাবে আনা হলে এধরনের ঘুষ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে কমে যাবে।
৫০০০হাজার টাকার কাজ আমাকে করতে হয়েছে ৯৯৫০০ টাকায়
প্রতিদিন নোয়াখালী জেলা পাসপোর্ট অফিসে শত শত পাসপোর্ট আবেদন পড়ে, বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনের তথ্য বা ডকুমেন্টস সমস্যা দেখিয়ে, আবেদন বাতিলের চেষ্টা করা হয়, অন্যথায় পাসপোর্ট অফিসের বাইরে থাকা ভাসমান কিছু লোক অথবা কম্পিউটার দোকানদারেরা ২ হাজার টাকা নিয়ে পুনরায় পাঠালে সহজেই 'ভুল' বলে বাদ দেওয়া আবেদন গৃহিত হয়। সরকারি নাগরিক সেবা পেতে এভাবেই প্রতি মাসে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয় এখানে। মানুষ নিরুপায়।
ak jon bis kaoa rogi nia giyacilam. tara wash korar jnno 1500 tk dabi kore
আমি একটি পরিবারের জন্য একটি চাউলের কারড করতে গেলে,আমাকে বলা হয় পাঁচ হাজার টাকা লাগবে তাহলে কার্ড হয়ে যাবে। আর যদি না দেই তাহলে কাজগুলো জমা করে যাই ওনারা পরে দেখবে। এটি দেখবে এলাকার মেম্বার এবং চেয়ারম্যান
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটা ডকুমেন্ট সত্যায়ন করতে অনলাইন আবেদন করি। যেটা হইতে ৪/৫ দিন লাগার কোথা থাকলেও, ওইটা অনেক দিন আটকিয়ে রাখা হয়। এইটা করতে ৮০০০ টাকা খরচ করতে হয়েছে। আওয়ামি লিগের সময় এইটা ৪/৫ দিন টাকা ছাড়াও দিতো এবং ১/২ দিন এহ পেতে ২০০০ টাকা দিয়ে করা যেত। এই সেবাটি mygovt website থেকে বিনা মুল্লে পাওয়ার কোথা।
আমার মেয়ে অসুস্থ ছিল । আমি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যায় সেবার জন্য । সেখানে বলা হয় হাতে ক্যানোলা পরাতে হবে সেজন্য নার্স রা ১০০ টাকা দাবী করে । আমি দিতে অস্বকীর করলে তারা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার কেরে ।
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে একটা কাগজ শর্ট দেখিয়ে জমির রেজিস্ট্রেশন আটকে দেয়। জমির দাতা বাহিরে চলে যাবে। ১ দিনের ছুটি ছিলো। সেই দূর্বলতা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহায়ক —, পিতা: — জানতো এবং সে সাবরেজিস্টার রে বলে দলিল আটকে দিয়ে দেন ৫০০০০/- টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে ২৫০০০/- টাকা দিয়ে সেটা ক্লিয়ার করতে হয়।
আসসালামুয়ালাইকুম, ফেনী শহরের একটি দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে ৫ তলা বাড়ির কথা গোপন রাখা হয়েছে। যার আনুমানিক রাজস্থ ৫০০০০০/- সরকার হারিয়েছে। এখানে অফিস সিস্টেম হল, গোপন রাখা টাকার অর্ধেক অফিস পেমেন্ট করতে হবে। দলিল নাম্বার টা আপনারা গোপন রাখবেন। শুধু সত্যতার জন্যে দেওয়া হল।
সাভার নির্বাচন কমিশন অফিসে যাই NID কার্ড এর আবেদনের জন্য। ফরম তুলি, প্রয়োজনীয় কাগজ সহ ফরম পূরন করে জমা দিতে যাই। তারা বারবার ঘুরাতে থাকে। বিভিন্ন ডকুমেন্ট চায়। ইলেকট্রিসিটি বিল, তাতে আবার নিজের বা বাবার নাম লাগবে। চারিত্রিক সনদ, একবার নিলাম ওয়ার্ড কমিশনার থেকে, বলতেছে হবে না। পরে নিলাম পৌরসভা থেকে। এরপর আরো ডকুমেন্ট চাচ্ছিলো। ৩ দিন বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ালাম, পুরো দিন গেলো। তো এরমধ্যে লক্ষ্য করলাম, সেখানে নির্বাচন কমিশন অফিসে আসলে কোনো কাজ হয় না, কাজ হয় তার সামনে থাকা ফটোকপির দোকানে। যারা নতুন nid বা সংশোধন, জন্ম নিবন্ধন, যেকোনো কাগজপত্রর কাজই ওইসব ফটোকপির দোকানে হয়। তো নিরুপায় হয়ে গেলাম সেখানে। তারা বললো সব প্রসেস করে দিবে। ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে। অনেক দর কষাকষি র পর সর্বশেষ ১০ হাজার বললো।
আমার ছেলের দুটি জন্ম নিবন্ধন আছে একটি বাদ দিতে হবে এটার জন্য 2000 টাকা নিলো কয়েক দিন ঘোরাঘুরির পর একটি সার্টিফিকেট দিলো কিন্তু এই সার্টিফিকেট নিয়ে সেগুনবাগিচা পরিবহন ভবনের আট তলা অফিসে গেলে বলে হবে না। এবং ব্যবহার খুব খারাপ, এটা যে হবে না আমার আদাবর 2 র্নং রোডের ৩০ নং সিটি কর্পোরেশন অফিস জানে কিন্তু তারা আমার কাছ থেকে টাকা টা নেওয়ার জন্য এই কাজ করলো।
সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতি দলিলে বাধ্যতামূলক খরচ দিতে হয়। যার কো রশিদ নাই। এবং নামজারি করতে গেলে সরকার বলে ১১৭০ টাকা, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, সর্বনিম্ন ৬০০০ থেকে শুরু, ১০/১২ হাজার পর্যন্ত নেয়।
আমার বাড়ি দৌলতপুর পাবলা সবুজ সংগ।আমার বাড়ির দোতালার উপরের সাইট থেকে বিদ্যুতের তার গেচে, আমার ভাইগ্না গত ০৪জুন ২০২৬ এ হটাৎ খেলতে যেয়ে কারেন্ট সরট খায়,ঢাকা বার্ন ইউনিটে এ নিলে তার ডান হাত টা পর্যন্ত কেটে ফেলতে হয়েছে।এখন ও সে বিপদ থেকে মুক্ত হয় নাই।এ বিষয় এ ওজোপাডিকো তে কম্পপ্লিন দিতে গেলে তারা উলটা খাম্বা সরানোর কথা বলে ১৫০০০০ টাকা চায়। আমরা হস্পিটাল এ বাচ্চার ট্রিটমেন্ট নিয়ে এখনো দোউরাদৌরিতে আছি।এ বিষয় এ আপনারা কোন ব্যাবস্তা নিলে আমরা অনেক উপকৃত হতাম।
প্রথমেই বলি আপনারা শিক্ষা অফিস রাখছেন বাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাখেন নাই। কিন্তু বাংলাদেশ এ ঘুষ প্রথমে শেখা ও শেখানোই হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ আমি নোয়াখালীর সবচেয়ে সুনামধন্য কলেজ এর শিক্ষার্থী। আমার অনার্স জীবনের ৪ বছরে আপনি কাগজপত্র জমা দিবেন! চা নাস্তার খরচ। কাগজপত্র তুলবেন! চা নাস্তার খরচ। ফর্মফিলাপ, প্রাক্টিকাল, সার্টিফিকেট তোলা এসবের সময় ওপেন কেরানি চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে(৫০০৳) করে চা নাস্তার খরচ তোলে। এবার ডিপার্টমেন্ট থেকে বের হয়ে একাডেমিক ভবন এর কাজে যাবেন! ওখানের গাছের পাতাও চা নাস্তার খরচ ছাড়া নড়েনা। নয়তো লাঞ্চের পরে আসেন। এসব নিয়ে ডিপার্টমেন্ট হেড বা স্যার, ম্যামদের বিচার দিবেন! তারাই এর ভাগ বাটোয়ারা কারী। প্রিন্সিপালকে বিচার দিবেন! আপনারকি মিয়া ওই ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে বের হওয়া.
নামজারীর জন্য সর্বোচ্চ লেভেল থেকে ঘুষ খাওয়া হয় তাই কথাগুলো অকপটে তারা বলে কত টাকা লাগবে এবং কাজগুলো তারা ১৫ দিনেই করে ফেলবে।