মামলার নথি তোলার জন্য।
মামলার নথি তোলার জন্য সরকার খরচ বাদে ২০০০ টাকা না দিলে ফাইল আসবে না, বিশেষ ভাবে অনুরোধ করে ১০০০ টাকা দেবার পরে ১৫ দিন আমাকে ঘুরিয়ে তার পরে কাগজ দিছে,
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মামলার নথি তোলার জন্য সরকার খরচ বাদে ২০০০ টাকা না দিলে ফাইল আসবে না, বিশেষ ভাবে অনুরোধ করে ১০০০ টাকা দেবার পরে ১৫ দিন আমাকে ঘুরিয়ে তার পরে কাগজ দিছে,
ঢাকা জেলার সকল ব্যাংক তাদের প্রয়োজনীয় সকল বিশেষ আঠালো স্ট্যাম্প (Adhesive Stamp) সংগ্রহ করে ঢাকা জেলা ট্রেজারি অফিস ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়,১৬ জনসন রোড, ঢাকা-১১০০ থেকে। উক্ত অফিসের কর্মচারীরা প্রত্যেকটি চালানের স্ট্যাম্পের বিপরীতে ৫০০-১০০০ টাকা ঘুষ নেন। বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।
আমরা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে উপজেলার এজি অফিসে যাই বেতন করাতে। ওখানে আমাদের মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করা হয় ৫০০০ করে আমরা প্রথমে দিতে চাইনি। ওরা আমাদেরকে গালাগালি করে বলে চাকরি করা দেখিয়ে দিবো। তোদের প্রমোশন, ইনক্রিমেন্ট এর কাজ বন্ধ করে রাখবো।পরবর্তীতে আমরা ১৫০০ টাকা করে দিয়ে বেতন এর কাজ সম্পন্ন করাই। পরবর্তীতে প্রথম বছরের ইনক্রিমেন্ট এর কাজ এজি অফিসে করতে গেলে ১০০০০ টাকা দাবি করেন এজি কর্মকর্তা। আমরা তাকে ২০০০ টাকা দিয়ে চলে আসি সেখানেও তিনি হুমকি দেন। দুর্নীতির সবচেয়ে বড় আতুরঘর হলো সরকারি হিসাব রক্ষন অফিস গুলো এগুলোর দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলে সরকারি খাতে বরাদ্দের দুর্নীতি একেবারেই অর্ধেকে নেমে আসবে।
উক্ত জমি বিক্রয় ও নিবন্ধনের প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য আমি স্থানীয় লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখকের এর নিকট গমন করি। দলিল সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার পর উক্ত দলিল লেখক আমার কাছে সরকারি নির্ধারিত ফি-র অতিরিক্ত ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ ৫০ হাজার) টাকা অনৈতিক বকশিস বা ঘুষ হিসেবে দাবি করেন। উক্ত বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবির কারণ জানতে চাইলে তিনি আমাকে জানান যে, জমিটিতে কিছু প্রশাসনিক ও আইনি "জটিলতা" রয়েছে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, এই ১,৫০,০০০ টাকা না দিলে কর্মকর্তা উক্ত দলিল নিবন্ধন (রেজিস্ট্রি) করবেন না এবং ফাইল আটকে রাখবেন।
আমি ভ্যাট নিবন্ধন করার জন্য ৫০০০ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে, — এই টাকা নিছে।
আমার দুইটা জমি খারিজের মূল্য হিসেবে ২২০০ টাকা, কিন্তু জমি দুটো খারিজ করতে আমার ১৪০০০টাকা লাগে। একজন কম্পিউটার কাজ করে ও করে দিছে। এসিল্যান্ড থেকে শুরু করে যত আছে সবাইকে টাকা দেয়া লাগে এইরকম বলছে। সব কাজ ওই ছেলে করছে। ঘুষ না দিলে কাজ হবে না। জমিও বিক্রি হবে না। তাই বাধ্য হয়েই কাজগুলো করতে হইছে।
বিষয়: সরকারি সেবায় নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ। ঠিকানা: —। সিংপুর ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধনের সরকারি ফি ৫০ টাকা হলেও ১৮০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে উদ্যোক্তা — জানান, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা —ের নির্দেশে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। একইভাবে, সিংপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে একটি নামজারির জন্য আমার কাছ থেকে ৮,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে, অথচ সরকারি ফি ১,১৭০ টাকা। আমি নিজেই এর ভুক্তভোগী। বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অতএব, অভিযোগগুলো জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
Long day pending Bond license giving in four days
আমার সরকারি চাকরি ভেরিফিকেশনের জন্য দেখা করে ছিলাম। সবরকম ডকুমেন্টস যা দরকার ছিল সব দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে বিভিন্ন খরচের অযুহাতে আমি ১০০০ টাকা দিলে তিনি আরও ১০০০ দাবি করেন। যেহেতু চাকরির ব্যাপার। তাই ঝামেলা এরাতে ২০০০ টাকা দিয়ে দি।
১,নতুন ভোটার আইডি কার্ড বানানোর সময় সব কাগজ ঠিকঠাক জমা দিলেও টাকা না দিলে বিভিন্ন কাগজের অজুহাত দেখিয়ে ঘোড়াতে থাকে।এবং প্রতি ভোটারের কাছ থেকে ১০০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। ২,নতুন স্মার্ট কার্ড দেওয়ার সময় ২০০/৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে কার্ড দিচ্ছে না।
আমি বেলকুচি যাই পাসপোর্ট এর আবেদন করতে আবেদন করতে অনলাইনে দেখলাম 5হাজার টাকার কিছু উপরে কিন্তু দোকানদার বলো 7500 টাকা দিতে আমি বললাম এত কেনো? সে বলল পাসপোর্ট করতে চাও? আমি বললাম হ্যাঁ কিন্তু এখানে তো দেখাচ্ছে আরও কম টাকা । সে বলল এই টাকা আমার একা না এই টাকা দিলে তুমি আজকেই সব কাজ করে যেতে পারবা। কিছুদিন পর শুধু এসে পাসপোর্ট নিয়ে যাইবা। আরো বললো এখান থেকে পাসপোর্ট অফিসে টাকা দিতে হবে তুমি এখান থেকে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার আগেই। তাই আমিও বেশি কথা বাড়ালাম না টাকা দিয়ে দিলাম কারণ আমি জানি টাকা না দিলে ওরা আমাকে শুধু হেনস্তা করবে আমার কাজ করে দিবে না এমনকি আমার পাসপোর্ট আসতে 3 মাসও লাগতে পারে তাই আমিও 15 দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পেতে বেশি কিছু করলাম না ।
আমাদের গ্রীন প্রজেক্ট থাকা সত্তেও গত প্রায় ৮-৯ মাস আমাদের ঘুরানো হইছে বিভিন্ন অযুহাতে।বিভিন্ন ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করা হইছে আমাদের যে এই লাইসেন্স করতে ২ লক্ষ টাকা লাগে, ১.৫ লক্ষ টাকা লাগে এমন।অথছ,আমাদের প্রজেক্টটি গ্রীন।এখানে ছাড়পত্র দিতে কোন বাধা থাকার কারন নেই।তারপরো ৪০০০০ নিয়েছে
দিনগুলো করার জন্য অনেক দাবি করছিল ৫০০ টাকায় আমি দিয়ে দিয়েছি দ্রুত কাজটি করে দিবে তাই আমি দ্রুত কাজটি করার জন্য দিয়েছি করেন
আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে, এবং বর্তমান সিস্টেমকে পরিবর্তন করতে হবে আগামী জেনারেশনের জন্য।
কালিহাতী থানা, টাংগাইল আমার থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অনুমোদনের জন্য থানার ভিতরে টাকা দাবি করে, আমি প্রথমে ৫০০ টাকা দিলে নিতে অস্বীকার করে এবং বলে এ টাকা জেলা পর্যায় পর্যন্ত দিতে হয় এবং জেলাতে কোন ভাবেই কম টাকা নেয় না! অগ্যতা আমকে ১০০০ টাকাই দিতে হয়। শেষে সেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে আমার ১ মাসের বেশি সময় লাগে!
পিতা সন্তানদের কে হেবার ঘোষণা পত্র দলিল করে দিছে।দান কর আইন দেখিয়ে দলিল মুল্যে প্রতি লক্ষে ১ হাজার টাকা পাব রেজিষ্ট্রার আর ১ হাজার টাকা অফিস ষ্টাফ না দিলে হয়রানি
আমার নিজেন জন্য একটা অর্ডার করা
৫ম গন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পর ও জন প্রতি দশ হাজার করে দাবি করে উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার।
জন্ম নিবন্ধন এ বয়স সংশোধন পাসপোর্ট এর মত করে এতে সংশোধনে ১৫ হাজার টাকা চায়।যাহা সরকারি ফি ৫০ টাক।
২০২১ সালে বাড়ির কাজ শুরু করার সময় ওয়াসা অফিসে জানাই, সেই মাস থেকেই নির্মান বিল করা শুরু করে, যার ইউনিট প্রতি মূল্য প্রায় ৪৫ টাকা৷ আর আবাসিক এর ইউনিট মূল্য প্রায় ১৫ টাকা। ২০২৩ সালে বাড়ির কাজ আপাতত শেষ হলে তখন থেকে তাদের বলে, চিঠি ইস্যু করে নানাভাবে বিল আবাসিক করার চেষ্টা করছি, কিন্তু এখনো করতেছে না। ২ হাজার টাকা যেখানে বিল আসতো, এখন সে বিল করে ৪-৮ হাজার টাকা। শেষ আপডেট হচ্ছে আবাসিক করে দিবে তাও ৩০% বানিজ্যিক/ নির্মান বিদ্যমান রেখে। তার জন্য তাদের খুশি করতে ১০,০০০/- টাকা দিতে হবে। দিচ্ছি না বলে করে দিচ্ছে না।