নামজারি
নামজারি ১১৭০৳ সরকারি ফি,দাবি করে ১০০০০৳
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি ১১৭০৳ সরকারি ফি,দাবি করে ১০০০০৳
নামজারি, হোল্ডিং তল্লাশী, মিস কেস, রেকর্ড সংশোধন কিংবা খতিয়ানের জাবেদা নকল পাওয়ার মতো মৌলিক সেবাগুলো নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সেবাগ্রহীতাদের সাথে প্রথমে অমায়িক আচরণ করা হলেও পরবর্তীতে "আজ নয় কাল" বলে বারবার ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে সাধারণ মানুষ কাজগুলোকে জটিল মনে করে বাধ্য হয়ে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের আশ্রয় নেন। এই সুযোগে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে শুরু করে উপজেলা ভূমি অফিস পর্যন্ত অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে ৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন ঘটে। এসি ল্যান্ড (ভূমি)-কে শুধুমাত্র জমিজমা ও ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত রাখতে হবে। অন্যান্য মোবাইল কোর্ট, অভিযান বা প্রশাসনিক কাজের জন্য পৃথক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে হবে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার শুরুতেই বিভিন্ন কাগজপত্র দেওয়ার পর তিনি টাকা দাবি করে এবং এক হাজার টাকা দেওয়াতে তিনি নেন নি এবং বলে যে আবার যোগাযোগ করবে এবং বলে যে বিভিন্ন কাগজপত্র আরো লাগবে যখন টাকা দেওয়া হয় আর কোন কাগজপত্র লাগবে না বা ঠিক আছে বলে।
প্রতি শতাংশ নামিজারি বাবত 2000/- দাবি করছে। অনেক কে আরো বেশি টাকা দিতে হযেছে।
লালমনিরহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল বিদ্যালয়ে বাজে আসে লক্ষ টাকা তার হিসাব ৬ ৯ টিও এটিও ঘুষখোর এটিও টাকা ছাড়া কাজ করে না কাছে হাত এ দেয় না হেডমাস্টারের মন গড়া রুটিন
যে টাকা ফী তাঁর চেয়ে ৫ গুন বেশি দাবি। না দিলে লাইসেন্স লেট হবে। প্রবলেম হবে।
ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে, প্রত্যেকটা জায়গায় ঘুষ দিতে, এগুলো দেখার মতো কেউ নেই
ওয়ারিশ সার্টিফিকেট এ দাদির নাম ভূল থাকায় দলিললেখক অফিসারকে ম্যানেজ করতে ৫০০০ টাকা বাড়তি আদায় করে। কিন্তু পরিশোধ করেনাই। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিলে অফিস সয়ায়কের কাছে টাকা জমা দেয়। আমরা এরপর চলে আসি।
ন্যাশনাল আইডি এড্রেস চেঞ্জ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের ফরম নাম্বার ১৩ এর সনাক্ত করে স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ সাবমিট করলে অফিস থেকে বলা হয় আসা যাওয়ার কিছু খরচ আছে সেগুলো পরিশোধ করতে হবে।
টাকা পরিশোধ না করলে কাজটা হচ্ছে না।
জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ি এর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসহ সকল নিয়োগে রমরমা বানিজ্য চলে। সেটা এক প্রকার ওপেন সিক্রেট। খাগড়াছড়ি জেলার সকল বাসিন্দা জানে।কিন্তু কোন মিডিয়ায় আজ পর্যন্ত প্রকাশিত হয় নি। কেন হয়নি সেটা এখানকার দ্বায়িত্বরত সাংবাদিকরা বলতে পারবে। পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফলে এখানকার হস্তান্তরিত সকল বিভাগের নিয়োগ /বদলি জেলা পরিষদের কাছে ন্যাস্ত। আর সকল সার্কুলারের বিপরীতে নিয়োগকারী একমাত্র কতৃপক্ষ জেলা পরিষদ হওয়ায় প্রত্যেকটা পদের বিপরীতে ১০~২৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয় যা কারো অজানা নয়। সহিসেবে এক একটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শতকোটি টাকার লেনদেন হয়। আর ভুক্তভোগী হয় আমাদের মত নিম্ন মধ্যবিত্ত বেকার চাকরি প্রার্থীদের যারা নিজ যোগ্যতায় চাকরির জন্য দিনরাত কষ্ট করে যাচ্ছে। কিন্তু মেধা হেরে যাচ্ছে টাকার কাছে।
নামজারি আবেদন করেছি জায়গাটি একেবারে পড়েছে সেই ক্ষেত্রে আমাকে খালি অর্থাৎ নিউট্রিশন হচ্ছে না টাকা দিলে দিবে এমনটাই বলেছে কিন্তু আমি প্রত্যাখ্যান করেছি
এলজিইডি অফিসে এনারা ঘুষ কে বৈধ করে নিয়েছেন একপ্রকার চাপ প্রয়োগের মাধ্যেমেই। ঘুষ না দিলে আপনি ১০০% কাজ করলেও কাজে ভুল হয়ে যাবে, এই বাহানা ওই বাহানা তারপর বিল আর হবে না। তখন বিলের কাগজ নিতে হলে প্রথম উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে মোট কাজের হবে ০.৫% এরপর জেলা অফিস Xen 0.5% পিডি ০.৫% একাউন্টস ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ার মিলে ০.৫%। একটা কাজ টেন্ডারে পাওয়ার পর ০.৫ করে ৩ জায়গায় দিতে হয়। এনারা একাটে বলে সিএস। এরকম করে দিলে কিভাবে কাজ ১০০% হবে? কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজীবপুর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার দ্রুত না সরালে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। আজ প্রায় ৩.৫ বছর যাবত একই উপজেলায় তিনি আছেন।
পাসপোর্ট তৈরির সময় যেহেতু ঢাকাতে থাকতাম তাই স্থায়ী ঠিকানা এবং অস্থায়ী ঠিকানা দুই জায়গা থেকে পুলিশ করতে হয়। মিরপুর পল্লবী থানা থেকে ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০ টাকা এবং টংগীবাড়ী থানা থেকে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় । আমি যখন বলি আমার কাছে টাকা নেই। তারা জানায় বিকাশ করে দিলে তারা ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিবে নয়তো ক্লিয়ারেন্স দিবে না । অবশেষে আমি তা বিকাশ করে দিতে বাধ্য হই।
আমার সার্টিফিকেটে নামের বানান ভুল থাকার কারণে আমি প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে ঠিক করতে গেলে আমাকে নানান ভাবে হয়রানি করা হয় এবং পিয়ন আমার কাজ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে । পরবতীতে তা ২০০০ টাকা এবং একটি বেনসন সিগারটের দেওয়ার মাধ্যমে কাজ করাতে সক্ষম হই
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - জোন ০১(উত্তরা) এর অফিসের আওতাধীন ১৫ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত দিয়াবাড়ী এলাকায় আমার ভবনের নির্মাণাধীন কাজ সরকারি নিয়ন মেনে সমাপ্ত করার শেষ পর্যায়ে এসে গতবছর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - রাজউক কতৃক মোবাইল কোর্ট এসে আমাদের ভবনের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেইন মিটার কেটে নিয়ে যায় এবং অপরাধ দেখায় রাজউকের নকশা দেখাতে না পারা কিন্তু আমরা তাৎক্ষনিক রাজউকের পাস করা নকশার কপি দেই এবং বলি যে নকশার মূলকপি অফিসে আছে, সেটা দেখাতে পারবো বা জমা দিতে পারবো কিন্তু তারপরেও নগদ ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং আমরা তাৎক্ষনিক পরিশোধ করি, কিন্তু তারপরও রাজউকের অসাধু কর্মকর্তা জোন-১ এর ইন্সপেক্টর — ৫ লাখ টাকা গত মার্চ ২০২৬ এ নিয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সমাধান করেনি।
পছন্দ মতো প্রাথমিক শিক্ষক পদায়ন
আমি আমার জমির কাজ না দিতে গিয়েছিলাম তো প্রথমে বলল পঞ্চাশ হাজার টাকা কাজ না পুরা খতিয়ানের কাজ না আমাকে দিতে হবে কিন্তু আমি বললাম আমরা তিন ভাই সেখানে তো অংশীদার আছে আমার তো সব জমি না আমি কেন পুরো জমির দিব তো বলল সরকারি সিস্টেম তাছাড়া অনেক জমি এই দাগের আমার বাবা বিক্রি করে দিয়েছে। তারা বললো সেটা আপনার ব্যাপার আপনাকে পুরো খতিয়ানের টাকায় দিতে হবে। পরে বলল যে ২৫ হাজার টাকা দিয়েন আমি করে দিব তো অনেক জোরাজুরি করে 20000 টাকায় মানাইলাম পরের দিন বিশ হাজার টাকা দেওয়ার পরে বলতেছে না ২৫ এর কম হইলে হবে না পরে তাকে ২৫ হাজারই দেওয়া লাগলো। পরে আমাকে রশিদ দিয়েছে মাত্র ১ হাজার টাকার আমি জিজ্ঞেস করলাম আমি ২৫ হাজার দিলাম আপনি ১০০০ দিলেন কেন পরে বলে তা না হলে আপনাকে এক লাখ দিতে হবে।
অগ্রনী ব্যাংকে ফাইল প্রসেসিং এর জন্য হেড অফিস বা ব্রাঞ্চে প্রতি টেবিলে টাকা দেয়া লাগে। নাইল ফাইলের কাজ করে না। প্রচুর টাকা নেয় ফাইল পাশ করানোর জন্য। বাথরুমের বদনা পর্যন্ত টাকা চায়। পুরা অফিস ভর্তি বাজে এবং টাকাখোর লোক দিয়ে ভরা। একজ৷ শুধু দেখছি টাকা খায় না। এই অফিসে যে ক্লায়েন্ট আসবে তার জীবনের আয়ু অর্ধেক কমে যাবে। প্রতিটা লোক আবার নামাজ পড়ে।
পাসপোর্ট করতে দিলাম, সব কাজ নিজে করলাম, সারাদিন লাইন দাঁড়িয়ে বিকাল ৩ টায় ফাইল জমা দিলাম। পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য একদিন ফোন দিল। বলল যে তার কাছে আসতে হবে। ভেরিফিকেশন পুলিশের অফিস আমার ঠিকানা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে । গেলাম, যাওয়ার পর একটা হোটেলে নিয়ে বসালো। সে নাস্তা করল । এরমধ্যে সে কাগজ দেখল। জানালো তার ছেলের টিউশন মাস্টারের পেছনে কেমন খরচ হয়, আরেক ছেলেরে কানাডা পাঠাইছে সেইজন্য কত খরচ হইল। যা বুঝলাম প্রতি মাসে লাখ টাকা ছেলের পেছনেই ঢালেন উনি। আমার কাজ শেষে উঠতে চাইলে বলেন যে, উনাদের রেট আছে ভেরিফিকেশন করার জন্য ,না হলে নেগেটিভ রিপোর্ট যাবে। সাথে বলেও দিলেন ,এক হাজার প্রতি ভেরিফিকেশন। আমি বাধ্য হয়ে এক হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম।