লিজ দলিল ও অন্যান্য কার্য সম্পাদন
অনন্যা আবাসিক এলাকায় জমির লিজ দলিল ও অতিরিক্ত জমি ক্রয়ে ধাপে ধাপে ২.৫ লক্ষ টাকার অধিক ঘুষ প্রদান করা হয়েছে।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অনন্যা আবাসিক এলাকায় জমির লিজ দলিল ও অতিরিক্ত জমি ক্রয়ে ধাপে ধাপে ২.৫ লক্ষ টাকার অধিক ঘুষ প্রদান করা হয়েছে।
একটা খারিজ ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা দিলে এর জন্য ভুমি কর্মকর্তা ৪৫০০ টাকা দাবি করে আর তার থেকে বড় কথা তার অনিয়োগ করা কম্পিউটার অপারেটর এটা সেটা ভুল ধরে আবর অর্থ দাবি করে, সেটা না দিলে খারিজ না মঞ্জুর হয়ে যায়।
আমাদের KNGC তে প্রাকটিকাল পরীক্ষা ছিল। তো সেখানে আমাদের রসায়ন পরীক্ষা ছিল।পরীক্ষা যথাযথ ভাবে না নিয়ে তারা আমাদের থেকে ৩০ টাকা করে চাদা বা ঘুষ চায়।।।আমার সকল বন্ধু দিলেও আমি দেইনি।
পাসপোর্ট অফিসের আশেপাশে অনেক কম্পিউটার অপারেটরে দোকান ছিল শুধু এক দোকানে গেলেই আপনার পাসপোর্ট দ্রুত হবে এবং যেদিন জমা দিবেন সেদিনই আপনার ছবি তোলা হবে আর অন্য দোকানে গেলে সেই ফাইল নিয়ে অফিসে জমা দিলে আপনাকে সাত দিন পরে আসতে বলবেন। আমি বাধ্য হয়ে সেই দালাল কম্পিউটারের দোকানে গিয়েছিলাম সে দুই হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে আমার ফাইলে সিগনেচার করে দেয়। সেই ফাইল অফিসে নিয়ে জমা দি এবং সাথে সাথে তারা সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ করে আর বাকি অন্যান্যরা দেখলাম কাউকে ৭ দিন পর কাউকে তিন দিন পর আসতে বলতেছে।
নামজারীর আবেদনের পর কাট্টলি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশীলদারের প্রতিবেদনের জন্য ছিলো, কাগজপত্র দেখে প্রতিবেদন দিতে টাকা চাই। দিতে পারি নাই বলে কাগজপত্র ঠিক নাই, শুনানী যায় নাই মর্মে বাতিলের প্রতিবেদন দিয়ে নামজারি আবেদন বাতিল করে।
আমি একজন গ্রামের দোকানদার৷ মুদি মালের সাথে সিলিন্ডার গ্যাস ও খুচরা ডিজেল বিক্রি করার জন্য ২০২৪ সালে যখন ফায়ার সার্ভিস অফিসে একটা ফায়ার লাইসেন্স করতে যাই। তখন প্রথমে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস অফিসে গেলে সেখানে ৫০০০ টাকা দাবি করে বোয়ালমারি উপজেলার ফায়ার সার্ভিস অফিস। অনাদায়ে দোকানে রেড দেয়ার হমকি দেয়। এরপর এখানে টাকা দিলে ফরিদপুর অফিসে আবার ৫০০০ টাকা পরিশোধ করা লাগে ফায়ার সার্ভিস হাতে পেতে৷ ২০২৫ এ যখন বাৎসরিক কর দিতে গেলে। প্রথমে সোনালি ব্যাংকে টাকা দিতে হয়। আমি টাকা জমা দিয়ে রিসিট এসে ফায়ার লাইসেন্স বই তে অফিসার এর সাক্ষর করাতে গেলে ১৫০০ টাকা দাবি করে না দিলে কর পরিশোধ বইতে সাক্ষর করেন না। পরে বাধ্য হয়ে এই টাকা দেয়ার পর সাক্ষর করেন। এখন শুনতেছি ফায়ার লাইসেন্স অনলাইন হচ্ছে। অনলাইনে হলে বাচি।
বারবার ফাইল পাঠানোর পরও রিজেক্ট করে দিচ্ছিল এক লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর বেতনভুক্ত হতে পেরেছি
২০২৩-২৪ লিমিটেড কম্পানি ট্যাক্স ফাইল অডিট আপত্তি আসে। আমাদের অফিসে ডাকা হয়। ট্যাক্সের এআরও সরাসরি বলেন একটা লিমিটেড কম্পানি তো মিনিমাম ৫ লক্ষ টাকা ছাড়া হবে না। তো আমরা ওই মহিলা অফিসারের সাথে অনেকক্ষন কথা বলি। আমরা ইমপোর্ট করি ও সাপ্লাই দেই, ছোট ব্যাবসা, তিন বন্ধু মিলে দেয়া, আমাদের ব্যাবসার বয়সও বেশি নয়, আমরা সব নিয়মিত ভ্যাট, ট্যাক্স দেই, অডিট করাই। পরে উনি উনার হাইয়ার অথরিটির কথা বলে, জানান যে উনার কাছে নিয়ে গেলে উনি আমাদের এতো কথা নাকি শুনতেনই না। পরে উনাকে নিয়ে যাই আমাদের ওয়্যার হাউজে সেখানে তিনি ২০০০০ টাকা খামে নেন নগদ। কোন কিছুই দেখেন নি, কিছু ছবি তোনেন শুধু। তারপর ওনাদের ওরগানোগ্রাম অনুসারে যেসব টেবিলে টাকা যাওয়ার সব মিলিয়ে ২৫০০০০ থেকে ৩০০০০০ টাকা যায়। তারপর আমরা মুক্তি পাই।
পাসপোর্টটি খুব দ্রুত প্রয়োজন ছিল। তখন এসবের আশ্রয় নিতে হয়েছিলো। দালাল ছাড়া পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য যোগ্য হিসেবে গণ্য করা হতো না।
টাকা দিলে রাতে এসে অফিশ খুলে কাজ করে দেয়। দিনে লাইনে দাড় করিয়ে অযাচিত ভূল ধরে। অথচ রাতের বেলা সেই কাজ ১-২ দিনে করে দেয়।
চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ-তে একজন আপা থাকেন ১৫০০-১ হাজার টাকার নিচে কোন ফাইল বের করে দিতে চায়না তাকে প্রথমে ৩০০ টাকা দিয়েছি খুব রাগ করেছে পরে আর ২০০ দিয়ে মোট ৫০০ দিয়ে রাজি করিয়ে তারপরে আমার ফাইল বের করিয়েছি আমি শুনেছি আপা প্রচন্ড ঘুষখোর আপার সাথে দেখা করা বা পরামর্শ চাইলেও ৫০ টাকা ১০০ টাকা লাগে।
হাড়ের ইঞ্জেকশন দেওয়ার জন্য আলাদা কক্ষে নিয়ে ১,৫০০ টাকা নিয়ে ইঞ্জেকশন পুশ করে।
someone named — asked me 50000 bdt for namjari.
আমি ঢাকায় থাকি কোরবানির ঈদে বাড়িতে যাই সিদ্ধান্ত নিলাম আমার, আমার বাচ্চার ও বাচ্চার মায়ের পাসপোর্ট করাবো। আমি সব কিছু অনলাইনে আবেদন করি এবং ব্যংক এ সরকার কর্তৃক নিধারিত ফি জমা দিই। পিগঙার ও ছবি দিতে ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার ২ দিন পরে যাই সকাল ১০ টার মধ্যে আমরা পৌঁছে যাই আমার বাচ্চার বয়স ২ বছর। সারাদিন আমাকে ঘুরিয়েছে এক বার বলে আমার এত আই ডি ঠিক নাই। অথচ ২০০৮ সালের ভোটার আমি৪ বার ভোট দিয়েছি। এরপর শুরু হল ছেলে যে আমার এটার প্রমাণ দাও টাকা কাড জন্ম সনদ সত্যিইত কপি জমা দেওয়ার পর ও বলে এই বাচ্চা যে আপনার প্রমাণ কি।এই রকম করে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত আমাকে ঘুরাতে থাকে। পরের দিন আমরা ঢাকায় ফিরবো। কি জামেলা। ঠিক শেষ সময় এসে আনসার বলে ভাই ৫000 হাজার দেন সব ঠিক করে দিব নির উপায় হয় দিলাম ৫ মিনিট এর মধ
নিয়োগটি ৩ সপ্তাহ আগে মেধাক্রম যাচাই বাছায় শেষ হয়েছে। এখন শুধু জয়েনিং বাকি। পরিক্ষায় অংশ গ্রহন না করে ভাইবাই ডাক পেয়েছিল এবং সেখানেও পাস করে মেধাক্রেম নাম আসছে। এখন জয়েনিং ডেট দিলেই জয়েন করতে পারবে। পদ স্টেশন মাস্টার।
নতুন লাইসেন্স করতে গেলে হাজারো ভুল ধরে পরে ১০০০ টাকা দিলে সব ঠিক।
ফোন হারানো তে পুলিশ ফোন টি উদ্ধার করতে ৫০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে টাকা টা দেন পরে লাগলে আবার দিতে হবে। থানার পাশে সেলুনে দেখা করতে বলে কল করে। পুলিশ টা কুকুরের মতো আচরন ছিল।
আমি নাম খারিজের আবেদন করেছিলাম।তিন তিন বার বিভিন্ন অজুহাতে বাদ দেয়। চতুর্থ বার ৩৫০০টাকার বিনিময়ে নাম খারিজ হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড নেওয়ার সময় আলাদা আলাদা ১০০ টাকা করে দিতে হয়েছে। প্রতিবার ১০০ টাকা করে। বিষয়টা যেন নির্ধারিত।
৬ তলা বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণে এ যাবত প্রায় ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। কিন্তু কোন নাগরিক সেবা নেই।