খতিয়ান তৈরী করা
গ্রামের ক্ষুদ্রজমি উত্তরাধিকারের খতিয়ান তৈরী করার সময় অর্থ দাবী করেন
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
গ্রামের ক্ষুদ্রজমি উত্তরাধিকারের খতিয়ান তৈরী করার সময় অর্থ দাবী করেন
২০২৩ সালে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য অনলাইনে আবেদন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করি। আমার সব তথ্য আগের পাসপোর্টের সঙ্গে একই ছিল। তবে কর্মকর্তা জানান, অনলাইন সিস্টেমে আমার এলাকার পোস্টাল কোডের সঙ্গে ভোটার আইডির পোস্টাল কোড মিলছে না ( ওদের ( পাসপোর্ট অফিসের) সার্ভার আপডেট ছিল না) এবং এর জন্য আমার এলাকার চেয়ারম্যানের অনুমতি লাগবে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার পর আমি চলে আসছিলাম। তখন একজন আনসার সদস্য সমস্যাটি শুনে প্রথমে ২,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি ছাত্র হওয়ায় ১,০০০ টাকায় রাজি হন এবং ক্যামেরার বাইরে টাকা নেন। এরপর তার পরিচিত কম্পিউটার দোকান থেকে একটি দরখাস্ত করিয়ে আনতে বলেন। দরখাস্ত ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর কর্মকর্তা আর কোনো আপত্তি না করে আবেদন অনুমোদন করেন এবং শেষ পর্যন্ত আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।
রাজউক থেকে কেনা ফ্লাট (বৈদেশিক মুদ্রায়) রেজিষ্ট্রেশান করার সময় অর্থ দাবি করেন
৬ তলা ভবনের ১০ টি ফ্ল্যাটের বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে ডেসকো কে ১৫০০০০ টাকা দুই ধাপে ঘুষ দিতে হয়েছে।
তিতাসের গ্যাস সংযোগে ঠিকাদারের মাধ্যমে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরিক্ষায় জন্য ২০১৯ সালে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিলো এবং উক্ত নিয়োগ পরিক্ষায় তাকে প্রথম বানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এখন সে চাকরি করতেছে।
নতুন লাইসেন্স করা প্রসঙ্গে
Just renewal , without money, need to go everyday but no one to complete the document
Uthharidikar Southray namjari
নরমাল ভাবে পাসপোর্ট করা খুবই কঠিন, তবে ২০০০ টাকা দিলেই সাথে সাথে কাজ হয়।
প্রশিক্ষনের বিল বাবদ অফিস থেকে ৪৫০০০০ টাকার বিল অধিদপ্তরের অফিস থেকে এজি অফিস স্ট্যাফের মাধ্যমে যায়।বিল দেবার জন্য নূন্যতম ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরিচিত দেখে কম রাখার দাবি করে। পরিশোধ করা মাত্র বিল পাশ হয়।
আমরা একটি সরকারি অফিসের 40 জন এর সরকারি চাকরিতে প্রাপ্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের সাথে সংযুক্ত করতে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করলে সেই অফিসের কর্মকর্তা আমাদের প্রত্যেকের কাছে 5000 টাকা চায়। আমরা এই টাকা দিতে নারাজ হলে তারা হুমকি দেয় যে আপনাদের কারও ইনক্রিমেন্ট সংযুক্ত হবে না।
১৫০০০০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে
আমি একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।তাড়াশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের একজন টাকা ছাড়া কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায় পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। সে প্রায় সব শিক্ষকের কাছ থেকেই ঘুষ নিয়েছে। ঘটনা ২০২৩ ও ২০২৪ সালের
পৈত্রিক সম্পত্তি নাম জারি করতে গেলে তখন তারা এই টাকাটি দাবি করে
টাকা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেয়া হয়।
আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আম্মা পেনশনে যাবে তখন আব্বার এনআইডি কার্ডে — কিন্তু আমার আম্মার এনআইডি কার্জে স্বামীর নাম আসছে — এই — থেকে —ে আসতে 25000টাকা লাগছে 2 মাস ঘুরাইছে সবচেয়ে বাটপার হচ্ছে চাঁদপুর এনআইডি কার্ডের বড় অফিসারা তাদের সাথে দেখা করার জন্য 3/4 ঘন্টা ওয়েট করা লাগে হঠাৎ বলবে এটা ঠিক করে নিয়ে আসেন ঠিক করে নিয়ে গেলে ওটা দেখে না আবার নতুন করে ভুল ধরে হালারা ফালতু max pro একটা কথার বেশি কথা বলা যায় না। শুধু আজ আসেন কাল আসেন সার নাস্তা করে সার টয়লেটে সার সার লাঞ্চে পরে ভাবলাম এভাবে হবে না ধরলাম দাদাল 2 ঘন্টার মধ্যে কাজ শেষ। এই বাটপারির শেষ কোথায়। অফিসারের মানুষকে মানুষ মনে করে না। তাদের সময়ের দাম আছে সাধারণ মানুষের কোন দাম নাই। আল্লাহ তাদের বিচার করবে
ট্রেড লাইসেন্স করতে সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি ফরম নিতে হয়। ফরমটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। এটা বিনামূল্যে দেয়া উচিত। তারা সিল দিয়ে ফরমের ওপর একশত টাকা লিখে দিয়েছে, অথচ চাচ্ছে ১৫০ টাকা। ১৫০ টাকা না দিলে ফরম দিচ্ছে না। শুধু তাই নয়, প্রতিটি নতুন গ্রাহককে নীচতলা থেকে তিনতলা এ বিল্ডিং থেকে ও-বিল্ডি এ টেবিল থেকে ও টেবিল ঘুরাচ্ছে কয়েকবার করে। যে কাজ এক দিনেই সম্ভব সে কাজ করতে ১০/ ১৫ দুন লাগিয়ে দিচ্ছে। কর্মকর্তাদের সাথে কথাই বলা যায় না। ভাব দেখে মনে হয় তারা মনিব আর সেবা গ্রহীতারা তার চাকরবাকর। টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঘন্রাী পর ঘন্টা। ৩ ঘন্টা দাঁড়িয়ে রেখে বলছে- আগামীকাল আসেন। এর ফাঁকে আবার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অনুরোধের কাজ করে দিচ্ছে আনন্দের সাথে।
গফরগাঁও এর LGED এর প্রধান কর্মকর্তা চরম ঘুষখোর উনি উনার চাকরি জীবনে শত কোটি টাকার উপরে ঘুষ খেয়ে সম্পদের পাহাড় অলরেডি গড়েছেন। এর আগে উনি দীর্ঘদিন ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা অঞ্চলে কাজ করেছেন।
জন্ম নিবন্ধন সনদ এর জন্য আবেদন করতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে গেলে তারা বিভিন্ন নামে এই টাকা গুলো নেওয়া হয় প্রত্যেক মানুষের কাছে থেকে নিয়ে থাকে।