নীলফামারী জেলা জজ আদালত
মামলার কাগজ পত্র জমা দিতে গেলে চা খাওয়ার টাকা, ডেট জানতে গেলেও টাকা। বলতে ওদের সাথে কথা বলতে গেলেও টাকা চায়। যেদিন মামলা জন্য যাইতে হয়। সেদিনে দিতে হয়। সবার কাছে থেকে নেয় ওপেন। ওরা অলিখিত নিয়ম করে রাখছে।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মামলার কাগজ পত্র জমা দিতে গেলে চা খাওয়ার টাকা, ডেট জানতে গেলেও টাকা। বলতে ওদের সাথে কথা বলতে গেলেও টাকা চায়। যেদিন মামলা জন্য যাইতে হয়। সেদিনে দিতে হয়। সবার কাছে থেকে নেয় ওপেন। ওরা অলিখিত নিয়ম করে রাখছে।
আমি কয়েক মাস আগে একটি পুরাতন বাইক কিনেছি তার নাম পরিবর্তন করা হয়নি তাই ট্রাফিক সার্জেন্ট(আন্দরকিল্লা মোড়ে কর্মরত) আমাকে ধরে এবং মামলার ভয় দেখিয়ে ১৭০০ টাকা দাবি করে পরে আমার থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে আমাকে ছাড়ে। উক্ত জায়গায় প্রতিনিয়ত বহু লোক থেকে এইভাবে ঘুষ খাচ্ছে তারা।
জমি খারিজ চাইলে বলে রিটার্ন আনেন আমি ত কিনেছি রিটার্ন পাব ক্যাম্নে
মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করা, কিন্তু সঠিক বি আর টি এর নিবন্ধন হয় লাইসেন্স করার জন্য লানার করছিলাম, কোন দালালের মাধ্যমে করবো না বলে সঠিক নিয়মে পরীক্ষা দিলাম কিন্তু আমার নিজস্ব মোটরসাইকেল ধারা যে দালাল চক্রের প্রার্থী ছিল তারা উত্তীর্ণ হয়েছে অথচ তাদের চেয়েও ভালো পরীক্ষা দেয়ার পরেও আমি তিন তিনবার অকৃতকার্য হয়েছি।পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে বিআরটিএর মাস্টার রোলের কর্মচারী ধারা ৯৫০০ টাকায় বিনা পরীক্ষায় তিন্ন হলাম।
পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম। শরীয়তপুরের পাসপোর্ট অফিসের সহকারি অফিসার সবকিছু দেখে বলল এগুলো সমগশোধন হবে না। এর পরে আমি আমার প্রয়োজনের কথা বললাম এবং তাকে অনেক রিকুয়েস্ট করার পরে সে বলল আপনাকে ১ লক্ষ টাকা ফি দিতে হবে তাহলে আমি ৩ দিনের মধ্যে সব তথ্য ঠিক করে দিব।
দাখিলা,রশিদ টাকা পাঠান
আমার জনতা ব্যাংকে চাকরি সুবাদে প্রাইমারি স্কুলের চাকরি ছাড়তে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। এর পর জিপিএফ এর ২৩৫৫৩ টাকা উত্তোলন করতে গেলে ১২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করলে আমি প্রত্যাখ্যান করি। ফলে সেই টাকা এখনো ঝুলে আছে আমি টাকা পাই নাই। শালিখা উপজেলা শিক্ষা অফিসার — এই ঘুষ দাবি করেন এবং নানা সময়ে আমাকে হুমকিও দিয়ে থাকেন।
“আমি একটি নামজারি বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর মিস কেস করি । তিনি আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ।আমার সকল কাগজপত্র ধারাবাহিকতা ঠিক থাকার পরও আমার আবেদনটি নথিভুক্ত করার আদেশ দেননি । আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানাই।”
জিডি বাহির থেকে করানোর পরে এপ্রোভ করার সময় সিসি ক্যামেরার বাহিরে এসে আমাকে বুজিয়ে দিয়ে বলে চা নাস্থা খাব
রংপুরের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারমিডিয়েট পড়া শিক্ষার্থীদের প্রথম বর্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তলনের সময় পূনরায় ভর্তি ফি নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার বাতিল করে দিয়েছিল। আমার এই অভিযোগ বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজকে নিয়ে - ধন্যবাদ”
টাকা না দিলে কাগজপত্র করে দিবে না অথচ বিবাদীর কোন অভিযোগ ছিলো না।
থানায় বিচারের নামে হয়রানি, হয়ে গেছি দেখিয়ে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ থানায় সব সময় মানুষকে হয়রানি করে এটা এখানে ওপেন সিক্রেট সবাই জানে
খাজনা দেওয়া হয়েছে ১৮ সালে। এখন যাওয়ার বলছে ২০ বছর যাভৎ দেওয়া হইনি। নিয়েছে ১৮০০ টাকা রশিদ দিয়েছে৮০০ টাকার। ঘটনা আমার বড় ভাইয়ের সাথে ঘটে ছে৷ ভাই একজন প্রবাসী।
ঢাকা উত্তরের ফুড ফেসটি অফিসার আমার রেস্তোরাঁতে অভিযান চালায়। তারা আমার রান্নার তেলের সেম্পল নেয়। তখন সেই অফিসার বলেন, "আমরা এটা পরিক্ষা করতে তেলে সমস্যা পাবোই তখনব৩ লাখ টাকা ফাইন হবে। আপনি কি এটা চান?" আমি বললাম, সমাধান কি? ফুড অফিসার বললো ৫০০০০ টাকা দিল৩ আমরা কোন সেম্পল নিবো না। ঘটনা এখানে শেষ। আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি এবং বলি পরীক্ষায় যদি আমার তেল খারাপ হয় তাহলে আমি সরকারি তহবিলে টাকা দিবো কিন্তু আপনাকে ১ টাকাও দিবো না। তারপর উনি সেম্পল নিয়ে চলে যান। গত পরশু হঠাৎ আমাকে পুলিশ গ্রেফতার করে কারাগারে চালান করে। কারন আমার নামে খাদ্য নিরাপত্তা আইনের ২০১৩, ৫৮ ধারায় মামলা হয়ে গ্রেফতার ওয়ারেন্ট বের হয়। কিন্তু আমাকে কোন পরীক্ষার রিপোর্ট বা মামলার সমন কিছুই পাঠায় নি।
বিয়ের কাবিন নামা অন লাইন করতে কাজী সাহেবের কাছে গেলে, তিনি সরা সরি সাত হাজার টাকা দাবী করেন, কুনো ছাড় দেন নি, পুরো সাত হাজার নিয়ে, কাবিন অনলাইন করে দিয়েছেন। কাজী সাহেবের নাম —।
ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার হয়। অনলাইন আবেদন করার পর রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানা থেকে কল দেয়। পরবর্তীতে আমি দরকারি কাগজপত্র নিয়ে গেলে। একজন দায়িত্ব রত পুলিশ আমার কাছে চা নাস্তার খরচ হিসেবে উক্ত টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে কাজে দেরি হবে বলে জানিয়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে আমার উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়।
আমি বোর্ডে গিয়ে আমার নাম পরিবর্তন করতে চাই রেজিস্ট্রেশন কার্ডে তারা বোর্ড ফি বাদেও কিছু টাকা দাবি করে কাজটি তাড়াতাড়ি করিয়ে দেওয়ার জন্য
আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নাম ভুল থাকায় আমি নাম পরিবর্তন করতে চাই তখন তারা অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করে
আমি একজন প্রবাসী আমি আমার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া জমির মিউটেশন করতে আবেদন করেছিলাম কিন্তু আমার জমির কাগজপত্র সব কিছু সঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার কাছে ঘুষ দাবি করে, আমার থেকে টাকা ও নিয়েছে ,টাকা না পেয়ে আমার অন্য ২ টা আবেদন নামঞ্জুর করেছে, আবার আবেদন করলে ও , টাকার জন্য এখন ও ঝুলে আছে । আর ঘুষটা যে নিয়েছে তার কাছেই নাকি অভিযোগ দেয়া লাগে শুনেছি….
আমি একজন ঠিকাদার। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাজ করি। চলিত বিলের জন্য তাদের নির্ধারণ করা টাকা আমাকে দিতে হয়, প্রথম দিতে চাই নাই দেখলাম তারা বিল দিনতেছে উল্টো কাজের শুধু ভূল ধরে, কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, কাজ বাদ দিয়ে দিবে বলেও হুমকি দেয়। চলমান কাজ চালাতে খুব কষ্ট হয়, যে এলাকার কাজ ওই এলাকার বাসিন্দারা ঝামেলা করে, তাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে বিল পাশ করাই, কিন্তু পরে দেখি বিলের চেক দেওয়ার ব্যাংকে রিজেক্ট হইছে, কারন জানতে দপ্তরে গেলাম তারা চেক ক্যাশ করার নোট দিয়ে ভুলে গেছে তাই আপনার চেক ক্যাশ হয় নাই, এখন কিছু খরচ দেন তাহলে নোট রেডি করে আমাদের শাখায় দিয়ে দিবে, আমি রাজি হলাম না, ১ সপ্তাহ ঘুরেও কাজ হল না, তাই বাধ্য হয়ে কিছু খরচ দিলাম, এখন ২ দিনে ২ বার চেক ডিসপ্লে করলাম কিন্ত টাকা আর ক্যাশ হয় না