Passport renewal
I had to pay 5000 BDT at the Uttara passport office to get my valid documents sealed and signed for getting my biometrics registered.
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
I had to pay 5000 BDT at the Uttara passport office to get my valid documents sealed and signed for getting my biometrics registered.
maintenance of the electric meter and wiring
সরাসরি অফিসে ৫০০০ টাকা দাবি
amra 5 bondu gurte jai to sekhane ekta somoy ekta cng hire kori somuddro soikot e jete 2din age ,pore okhane jawer post e cng ula amader polic er kase niye thamay polic kono signal e dei ni ,pore amader ke haresment kore amader phon bektigogot jinis dekhe juear site na peye search history dekhe pr*n er e silo ek bondur pore eita niye dore and 2k taka dabi kore gupon e cng ula ke then 1k dite hoi
আমি ম্যানুফ্যাকচারিং লাইসেন্স গ্রহন করার সময় ২০২৪ সালের মার্চ মাসে — , পরিচালক ঔষধ প্রশাসন, এই আঠারো লক্ষ টাকা ঘুস দাবী করে এবং আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
ট্যাক্স সার্টিফিকেট উত্তোলনের সময় নিয়েছে।
নামজারি খারিজ, প্রস্তাব পাঠাবেনা ৪৫০০০ টাকা না দিলে,পরে আমি দিতে বাধ্য হই
সরকারি ফী বাবদ ৭৫০ বেশি দিয়ে করে নিতে হয়েছে। টাকা না দিলে কাজ করতে চাচ্ছিলেন না।
বিলের জন্য সরাসরি দাবি করেছে
একটা স্বাভাবিক রিপোর্ট পাওয়ার জন্য। পারিবারিক সমস্যার কারণে
কোন কারন ছাড়া গাড়ি সিগনাল টাকা দাবি মুল উদ্দেশ্য
বড় বাবু নাকি ছাড়বে না কাগজ আর সে আপ্রভ না করলে সিভিল সার্জেনও সাইন করবে না
জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে ৫০০ টাকা চেয়েছে
একটি দেশ এর ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য ঐ দেশের এ্যাম্বাসী থেকে ভেরিফিকেশন আসে। তখনই কাজটা কম্পিলিট করার জন্য এই টাকা চাওয়া হয়
যেসব মাসে আমার ট্যাক্স রিটার্নে করের পরিমাণ 'শূন্য' দেখাত, সেসব সময়ে ভ্যাট অফিসে গেলেই কর্মকর্তারা নানা রকম মন্তব্য করতেন—যেমন আমি কীভাবে সংসার চালাই, কীভাবে বেতন নিই, কিংবা দোকানটাই বা কীভাবে চলছে। আসলে তারা আমার কাছ থেকে টাকা চাইতেন; টাকা না দেওয়া পর্যন্ত তারা নথিপত্রে সিল দিতেন না। ১,০০০ টাকা দিলেই তারা কাগজপত্রে সিল মেরে দিতেন এবং আর কোনো প্রশ্ন করতেন না।
আমি কৃষি ডিপ্লোমা এর ৮ম সেমিস্টারের এডমিট কার্ড উঠাতে গেছিলাম বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, আগারগাঁও এ। সেখানে এডমিট কার্ড উঠাতে নাকি ২-৩ দিন সময় লাগবে। আমি বুঝতে পারি নি এখানে সে ঘুষ চাচ্ছে। তারপর যখন ২০০ টাকা দেয়া হলো তখন কিছুক্ষণ এর মধ্যে এডমিড কার্ড দিয়ে দিলো।
আমি ডিলারশিপ এর বিজনেস করি যার কারনে মাল পরিবহন এর জন্য ব্যাটারি চালিত ইজি বাইক আছে হঠাৎ একদিন হাইওয়ে থানার পুলিশ গাড়ি দাড় করালো এবং মামলা দিলো ২৫৪৫ টাকার সেটা পরিশোধ করে তারা বললো আমাদের ওসি স্যার এর সাথে যোগাযোগ করুন পরের বার মামলা না খেতে চাইলে তার পর যোগাযোগ করলাম করার পর ওসি বললো প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা দিতে হবে জমা থানায় যদি না দেন মামলা দেওয়া হবে।
তেজগাঁও BRTC তে ড্রাইভিং টেস্টের পরিক্ষায় ফেল করাই দিল ওখানের স্টাফের মাধ্যমে টাকা দিলাম তারপর পাস
অবৈধ জম্মনিবন্দন করে ৫/১০ হাজার টাকা নেয়
নিজ শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরের আরেকটি শহরের সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে চাকুরী করি । কয়েকবার চেষ্টা করেছি নিজ শহরে বদলি হওয়ার জন্য। প্রতিবার ঘুষ চেয়েছে । শেষবার বদলির আবেদন করে ঢাকাস্থ অধিদপ্তরে যাই একটু তদবিরের উদ্দেশ্যে। জানি ঘুষ ছাড়া বদলি হবে না, তাই প্রস্তুতি নিয়েই গিয়েছিলাম এবার। অধিদপ্তরের প্রধান ব্যক্তির সাথে দেখা করলাম , তার অফিসেই। তিনি সরাসরি চার লক্ষ টাকা দাবি করলেন। বদলি আমার খুবই দরকার, তাই চার লাখের বদলে আমি দুই লাখ দিতে চাইলাম। তিনি সরাসরি বললেন, এটা মাছ বাজার নাকি? এখানে দরদাম চলে না। ৪ লাখ দিলে হবে, নতুবা নয়। আমি দুই লাখ অগ্রিম দিয়ে বাকি দুই লাখ বদলি আদেশের পর দিতে চাইলাম। তিনি রাজি হলেন না। রাগত ভাবে আমাকে রুম থেকে বের করে দিলেন।