Vendor enlistment
During year 2016/2017 for vendor enlistment more than 20 suppliers had to pay 2.5 lac BD each as bribe
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
During year 2016/2017 for vendor enlistment more than 20 suppliers had to pay 2.5 lac BD each as bribe
নাম জারি সরকারি ফি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কিন্তু ওরা আমার কাছে ১৮ হাজার টাকা দাবি করেছে ওই আঠার হাজার টাকা আমি দিয়েছি ওদেরকে অর্থাৎ ভূমি অফিস কে। ভূমি অফিসে অনেক বেশি হয় দুর্নীতি। আমার নাম — আমি একজন প্রবাসী।
নামজারি আবেদন জমা দিলেই সাথে ৫০০ টাকা দিতে হবে। যদি টাকা দেওয়া হয় তাহলে ভালো প্রতিবেদন দিবে। আর যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে আবেদন বাতিল হবে। এটা সবার জন্য।
মরিশাসের যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবদেন করা হয়। কিন্তু ঈশ্বরগঞ্জ থানা থেকে টাকা ছাড়া ব্যারিফাই সম্পূর্ণ করেন না।
নিজে ফাইল নিয়ে গেলে শুধু ঘুরাবে আর দালালের মাধ্যমে গেলে দিয়ে দিবে।ফিটনেস, রুট পারমিট রিনিউ করতে গেলেও একই অবস্থা। এক কথায় বি আর টি এ কোন কাজ ঘুষ ছাড়া হয় না।
বাড়ির প্লান পাশের জন্য আকরাম টাকা নিয়েছিল
আমির ভোটার হওয়ার সময় সকল কাগজ পএ আমার স্থানীয় ঠিকানায় দেয় বাট তারা তাদের ভুলে এটা অন্য এলাকায় লিপিবদ্ধ করে। এখন তাদের ভুলের জন্য আমার আবেদন করতে হচ্ছে আর ২০০০৳ চাচ্ছে ।
এলজিইডি (LGED) প্রকল্পের কাজ শেষ করার পর যখন বিল পাসের সময় আসে, তখন নিচের স্তরের কর্মচারী থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের বড় কর্মকর্তা—সবার ক্ষেত্রেই “চা খরচ” বা কমিশনের নামে যে অর্থ দাবি করা হয়, তা এই ব্যবস্থার এক কঠিন বাস্তবতা।
বেতন ভাতা বিল ও চাকুরী সংক্রান্ত কোন কাজের জন্য তাদেরকে প্রকাশ্যে ঘুষ দিয়ে হয়। সারা বাংলাদেশ FC, AFC office
একটি দাগের আংশিক জমি ১নং খাস খতিয়ানে এবং ঐ দাগের অবশিষ্ট জমিসহ অন্যান্য জমি মিলে মালিকানা হিসেবে আর এস রেকর্ড হয়েছে। ঐ জমির খাজনা দিতে গেছি তহসিলদার কয় ঐ দাগের খাজনা নেওয়া যাবে না। পরে পিয়ন পাশের রুমে আসেন। পাশের রুমে ডাকে নিয়ে যায়া ৫০ হাজার টাকা দিলে সম্পূর্ণ জমির খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা করি দেব। আমি ৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হলাম। কিন্তূ কাজ হলো না এভাবে প্রায় ১ মাস ঘোরার পর তহশিলদারদের ভাগনার মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে খাজনা দিছি। পরে শুনলাম জমির পরিমাণ বেশি হলে এই কাজের জন্যৈ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয়
নামজারী বাবদ অনলাইন এ করার পর আবেদনকারী উপস্থিত না থাকায় তার প্রতিনিধি হিসেবে যাওয়া এবং বসুন্ধরা প্লট এজন্য নাকি এই পরিমান খরচ দিতে হয় ভূমি অফিস ও এসি ল্যান্ড, ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল এর সার্ভেয়ার মূলত সব ডিল করে। —
জুন মাসে আমি ডাক বিভাগে জয়েন করি,, জয়েন এর কিছু দিন পরে আমাকে বলতেছে,, সবাই দুই হাজার করে টাকা দিতে হবে আইবাস এক্টিভ করার জন্য,, না হয় তিন চার মাসও হবে না,, আমি শুরুতে দেই নাই,, কিন্তু আমার সাথে প্রায় সবাই দিছে,, আমি না দেওয়াতে পরবর্তী মাসে কোনো সেলারি ডুকে নাই,, যারা যারা দিছে তাদের সবার সেলারি ডুকছে,, পরবর্তীতে আমার স্যার এসে বলতাছে,, আমাদের সময় ও এটা দিছি,, না হয় তিন চার মাস ঘুরায়,,দিয়ে দিয়েন না হয় আপনার,, কষ্ট হবে চলতে,, পরবর্তী বাধ্য হয়ে দিয়ে দিলাম,, এক সপ্তাহের মধ্যে আমার মেসেজ চলে আসছে,, এবং মাস শেষে সেলারি পাইয়া গেছি,,
মামলার ফাইল ৩ তলা থেকে ৪ তলায় যাবে এজন্য আমার কাছ থেকে ১২০০ টাকা ঘুষ নেয়। ঘুষটি নিয়েছিলো নোয়াখালী জজকোর্ট আদালতের দেওয়ানি সেকশন এর অতি জেলা জজ ১ এর কম্পিউটার অপারেটর —। টাকা ছাড়া তার মুখ ও চলেনা।
পাসপোর্ট ফেরিফিকেশনের জন্য যাবতীয় কাগজ পত্র ওয়াটস্যাপ করতে বলা হয়। সে কাগজ পত্র প্রিন্ট করার জন্য ৫০০ টাকা নেন পুলিশ কর্মকর্তা।
আমি সৌদি আরবে যাওয়ার আগে কিছু টাকার সংকটে পড়ি। শুনেছিলাম প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সহজেই লোন পাওয়া যায়। আমি ব্যাংকে সরাসরি জোগাজোগ করি কিন্তু তারা কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। তন্মধ্যে সরকারি চাকুরিজীবী এমন নিকট আত্মীয়ের ব্লাংক চেক। কিন্তু আমাকে ব্লাংক চেক দিবে এমন আত্মীয় খুজে পাইনি। এলাকার একজন সাংবাদিক ছিলো তিনি ব্যাংকের সাথে ভালো জোগাজোগ আছে এবং সিস্টেমে সব করে দিবে। ২ লাখ লোনের জন্য ১৫ হাজার এবং ৩ লাখ লোনের জন্য ২০ হাজার দাবি করেন। আমি ধাপে ধাপে ১৫ হাজার দেই। কিন্তু টিকিট কনফার্ম করার পর টাকা দিবে বল্লেও সেই টাকা আমি পাইনি। আমার কাছ থেকে নেওয়া ১৫ হাজারের মধ্যে ৫ হাজার ফেরত নিতে সক্ষম হয়েছি। বাকি ১০ হাজার হলুদ সাংবাদিক হজম করে ফেলেছে। আড়াই বছরে দেশে ১৭-১৮ লক্ষ টাকা রেমিট্যান্স আনতে সক্ষম হয়েছি।
নামজারি, সরাসরি ৩ ধাপে কাজ আটকে টাকা চাওয়া হয়।
ঢাকা ওয়াসার নতুন মিটারের জন্য
পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল ব্যাংকের চাকরির জন্য
Nothing to do, i gave it to them.
নামজারি করতে ঘুষ চেয়েছে।