ভিসা চেক
ইমিগ্রেশন অফিস পার হওয়ার সময়, বর্ডার দুই পাশে ২০০ করে মোট ৪০০ টাকা ঘুস দিতে হয় লিগ্যাল কাগজ থাক শত্তেও যা দালালের মাধ্যমে নিয়ে থাকে। ঘটনাটি ভারতে যাবার সময় ঘটে, এবং বাংলাদেশের সব স্থল বন্দরে এমন স্ক্যামের শিকার সবাই হয়।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ইমিগ্রেশন অফিস পার হওয়ার সময়, বর্ডার দুই পাশে ২০০ করে মোট ৪০০ টাকা ঘুস দিতে হয় লিগ্যাল কাগজ থাক শত্তেও যা দালালের মাধ্যমে নিয়ে থাকে। ঘটনাটি ভারতে যাবার সময় ঘটে, এবং বাংলাদেশের সব স্থল বন্দরে এমন স্ক্যামের শিকার সবাই হয়।
পাসপোর্ট নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট অফিসে আবেদনের সময় বাহিরে যে দোকানদার গুলো থাকে তারা পনেরশো টাকা নিয়া সেম ডেটেই এ্যাপয়েন্টমেন্ট করে দেয় কিন্তু আমি যদি অনলাইনে আবেদন করতে চাই দেখি আমার ঐ সেম দিনে এপয়েন্টমেন্ট নাই তো তারা এটা কিভাবে করে তারা অতিরিক্ত পনেরশো টাকা নিয়ে পাসপোর্ট অফিসের সাথে যোগাসাজশে ঐ ডেটেই এ্যাপয়েন্টমেন্ট কর দেয় কিন্তু আমি যদি অনলাইনে আবেদন করতে চাই দেখি আমার সি এম এপয়েন্টমেন্ট নাই তো তারা এটা কিভাবে করে তারা অতিরিক্ত পনেরশো টাকা নিয়ে পাসপোর্ট অফিসের সাথে যোগাযোগ কইরা অফিসারদের থেকে লিংক বা কোন সাইটের মাধ্যমে এই কাজগুলো করে থাকে আমার দারণা
এক জন ব্যক্তি লাইন টেনে দিয়েছে, সেজন্য সে বকশীষ দাবি করে।
সিঙ্গার দেওয়া ফরই প্রত্যেকটা মানুষ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে।
বেসরকারি স্কুল কলেজের এমপিও ফাইল আটকে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে ফাইল ছাড়ানোর জন্য তাদেরকে ফোন দিলে টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করলে ফাইল ছেড়ে দেয়। এটি সংক্রিয় পদ্ধতিতে মাউশি নির্দেশনা অনুযায়ী ছাড়ার কথা বাট তারা ফাইল আটকে টাকা নেয়। ঘুস যারা নেয় তাদের পরিচয় জেলা শিক্ষা অফিসার হিসাব রক্ষক ক্লার্ক অফিস কাম-কম্পিউটার সহকারী
আমার জায়গার নামজারির প্রয়োজন, এর আগে একবার নিজে নিজে চেষ্টা করছিলাম, আমার টাহ অনেক দিন ঘুড়িয়ে এই কাগজ সেই কাগজ করে বাতিল করে দেয়, তারপর আমি এখন তাদের চাওয়া অনুযায়ী দেই ১২ হাজার টাকা তারপর নামজারি হয় ১১৫০ টাকায় নাকি নামজারি হয় তাহলে বাকি টাকা ঘুষ, না দিয়ে উপায় দেখি নাই তাই দিতে বাধ্য হইছি
ঘুষের টাকা ছাড়া একটি জমিও রেজিস্ট্রি করে না এই দুর্নীতি গ্রস্থ সাব রেজিস্টার ও ওই অফিসের সব কর্মচারী। এই ঘটনা বাংলাদেশের এমন কোন লোক নাই যে জানেনা। আমার হেবা দলিল করতে গেলে বলে এটা হবে না ওটা হবে না এভাবে না। তার পর টাকা দিলে সব হয়ে যায়। এই হয়রানি থেকে কবে রাহাই পাবে মানুষ।
একটা বিশেষায়িত ব্যাংকে প্রমোশন দিবে বলে ৪৫০০০০/- নেওয়া হয়।
নাম জারি জমা খরিজ গত কযেকবার বাতিল করা হয়েছে এবং টাকা না দেয়ার ৪/৫মাস জুলে তাকে পরবর্তী বাতিল করে দেয়, যেকোন ভুমি কাগজ টাকা চারা দেয় না কুলিয়ারচর ভুমি অফিস নায়েব — , অফিস সহাযক —, কুলিয়ারচর ভুমি অফিসে অফিস সহায়ক —,—,নাজির —, স্বয়ং এসিল্যান্ড ২০২৬ দায়িত্ব থাকা কর্মকর্তা সরাসরি ঘুস নানিলে ও অফিস সহয়ক এর মাধ্যমে নেয়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এর প্রতিটি ওর্য়াডে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শ্রমিক রয়েছে। ধরুন প্রতি ওয়াডে আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ জন। তো এইখানে ওই শ্রমিকদের সুপারভাইজার টাকার বিনিময়ে শ্রমিকদের চাকুরি হতে ছুটি দেন।অর্থাৎ তাদের বেতন যদি ১৪৫০০ হয় তাহলে তারা ১১০০০ টাকা সুপারভাইজারকে দিয়ে দেন। বাকি টাকা তারা পুরো মাস কাজ না করে পেয়ে থাকে। একটি ওর্য়াডের ২৫-৩০ জন শ্রমিক এই পন্থা অবলম্বন করে এবং প্রতিজন থেকে ১১ হাজার টাকা হলে একজন সুপারভাইজার মাসে কয়েক লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে।এরকম দুর্নীতির কারণে বাকি যে শ্রমিকরা কাজ করে তারা অতিরিক্ত কাজের প্রেসার নিজেদের ঘাড়ে নিতে হয়। এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বিচ্ছিন্ন হয়।
দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আমি স্হ আমরা ২৩২ জন চাকুরি করি আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি ৪০০০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এখন কি আর করার আমরা বেতন পাই অল্প পরিবার নিয়ে চলতে হলে এই টাকা দিতে হবে না হলে চাকুরি থাকবে না। আমরা দিতে অস্বীকার করেছিলাম আমরাতো ঘুস খাই না তা হলে দিব কেন? কিন্তু চাকুরি বাচাতে গেলে পরিবার নিয়ে চলতে গেলে আর কি করার দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমার একটি চাকুরীর জয়েনর পর,অফিস থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বলে,আমি সরকারি ফি দিয়ে আপ্লাই করি।কিন্তু যখন পুলিশ ফোন দিয়ে সব পেপার নিয়ে যেতে বলে,নিয়ে যাওয়ার পর আমার সকল পেপার সঠিক থাকার পরেও তাকে টাকা দিতে হয়,আবার আমার ফোন চুরি হয়েছিল,তখন এই চুরির GD করতেও আমার কাছে থেকে টাকা নেওয়া হয়।
সেবাটি হচ্ছে আমাদের নারায়ণগঞ্জ এর জালকুড়ি এলাকায় জরিপ এর নামে মানুষ দের কাছ থেকে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে যাচ্ছে জরিপ এর লোকেরা। বলতে বাড়ির দাগ নাম্বার ঠিক না। জায়গা ঠিক না। অথচ আমাদের বাপ দাদা থেকে এই জমির মালিক হয়েছি। এবং রাজউক থেকে প্লান পাশ করে বাড়ি করা হয়েছে। এখন জরিপ এর লোকেরা আইসা বলতাছে আমরা রাস্তায় জায়গা ছাড়ি নাই। দাগ নাম্বার ঠিক নাই এসব উল্টা পাল্টা বইলা এলাকার সবার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে। এর সাথে এলাকার কিছু মানুষ ও জড়িত আছে। এটা শুধু আমার কাছ থেকেই চাইছে এক লক্ষ এিশ হাজার টাকা এমন আরও বহু ভুক্তভুগী আছে এলাকায়।
আমি বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়েছে কারণ এছাড়া আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা হবেনা বলে দিয়েছিলো। সরকারি ফি এর চেয়ে ২ হাজার টাকা বেশি দিয়ে তারপর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়েছিল। এই ঘটনা ২০২৫ সালের, এই অর্থ বছরেও এমন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আমার আম্মুকে ডক্টর দেখানোর জন্য সিরিয়াল নিতে গিয়ে দেখি, স্থানীয় আনসার, স্টাফ, দালাল বলছে- ৫০০ টাকা দিতে হবে। তাহলে সিরিয়াল আগে পাবেন। অন্যথায় অনেক পিছনে দাঁড়াতে হবে। কৌশলে জিম্মি করে ফেলে ওরা।
।আমি প্রথমে জাগার নাম জারির জন্য সঠিক পন্থায় চেষ্টা করি তা প্রায় অসম্ভব মনে হয়েছে বিধায় দালালের মাধ্যমে কাজটি করতে হয়েছে। মূল কাজ বারোশো টাকার মধ্যে আমাকে অতিরিক্ত ৩৮০০ টাকা দিতে হয়েছে অর্থাৎ ৫০০০ টাকা দিয়ে কাজটি সেরেছি খুচরা আরো ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা খরচ হয়েছে। আমি যেটা করতে পেরেছি দালাল যতই করে খরচটা কমিয়েছি আমাকে আরো বেশি দাবি করা হয়েছিল অন্য দালালের মাধ্যমে। ঘটনাটি প্রায় সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। ভূমি সংক্রান্ত কোন কাজ ঘুষ ছাড়া হয় না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য টাকা দিতে হয়েছে
আমার পাসপোর্ট রিইস্যু করার জন্য গিয়েছিলাম, নিয়ম অনুযায়ী সব কাগজ থাকার পরেও আমাকে নানা ভাবে হয়রানী করা হয়। পরে সরকারি ফী বাদেও অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দেবার পরে আমার কাজ হয়।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি মার্কস দেওয়ার বিনিময়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী হতে প্রতিজন ৫০-১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সবার মনে আশঙ্কা যে টাকা না দিলে নাম্বার কমিয়ে দিতে পারে।
আমি জেলা প্রশাসক, ঠাকুরগাঁও স্যার-এর কাছে একটি চিঠি দিয়েছি এক মাস আগে। পরবর্তীতে আপডেট নিতে জেলা প্রশাসক হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করি। তারা বলেন, “আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি, শাখা বরাবর ৩য় তলায়।” সেখানে গিয়ে চিঠির কথা জানালে তারা বলেন, চিঠি পেয়েছেন এবং আদেশও লিখেছেন। কিন্তু অফিসে কম্পিউটার অপারেটর নেই। অন্য অপারেটর আছেন, তবে তিনি ফ্রি নেই যে এটি লিখে দেবেন বা আদেশের কপিটি প্রস্তুত করে দেবেন। আমাকে বলেছেন, “বাইরে থেকে লিখিয়ে নিয়ে আসতে।” পরে বাইরে থেকে সেটি লিখিয়ে নিয়ে গিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সহ সেটি লিখা বাবদ টাইপিং ও প্রিন্টিং খরচ হিসেবে আমার ৭০ টাকা খরচ হয়েছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এটি তো তাদের অফিসিয়াল আদেশ যা তাদের অফিসিয়াল খরচ বহন করবে প্রিন্টিং কিংবা টাইপিং সেটি আমাকে দিতে হয়।