ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য টাকা দিতে হয়েছে
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য টাকা দিতে হয়েছে
আমার পাসপোর্ট রিইস্যু করার জন্য গিয়েছিলাম, নিয়ম অনুযায়ী সব কাগজ থাকার পরেও আমাকে নানা ভাবে হয়রানী করা হয়। পরে সরকারি ফী বাদেও অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দেবার পরে আমার কাজ হয়।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি মার্কস দেওয়ার বিনিময়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী হতে প্রতিজন ৫০-১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সবার মনে আশঙ্কা যে টাকা না দিলে নাম্বার কমিয়ে দিতে পারে।
আমি জেলা প্রশাসক, ঠাকুরগাঁও স্যার-এর কাছে একটি চিঠি দিয়েছি এক মাস আগে। পরবর্তীতে আপডেট নিতে জেলা প্রশাসক হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করি। তারা বলেন, “আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি, শাখা বরাবর ৩য় তলায়।” সেখানে গিয়ে চিঠির কথা জানালে তারা বলেন, চিঠি পেয়েছেন এবং আদেশও লিখেছেন। কিন্তু অফিসে কম্পিউটার অপারেটর নেই। অন্য অপারেটর আছেন, তবে তিনি ফ্রি নেই যে এটি লিখে দেবেন বা আদেশের কপিটি প্রস্তুত করে দেবেন। আমাকে বলেছেন, “বাইরে থেকে লিখিয়ে নিয়ে আসতে।” পরে বাইরে থেকে সেটি লিখিয়ে নিয়ে গিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সহ সেটি লিখা বাবদ টাইপিং ও প্রিন্টিং খরচ হিসেবে আমার ৭০ টাকা খরচ হয়েছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এটি তো তাদের অফিসিয়াল আদেশ যা তাদের অফিসিয়াল খরচ বহন করবে প্রিন্টিং কিংবা টাইপিং সেটি আমাকে দিতে হয়।
খাজনা চেয়েছিল 26000। কিন্তু ৫০০০ টাকা দেয়ার কারণে জমির খাজনা দিয়েছি মাত্র ১৩ হাজার টাকা
নাগরিক সনদপত্রে নির্বাহী কর্মকর্তার সিল মারার পর তারা একটি অ্যামাউন্ট দাবি করে।কেউ যদি এটা প্রত্যক্ষণ করে তাহলে তার সাথে বাজে ব্যবহার করা হয় বাজে উক্তি ব্যবহার করা হয়।
আমার স্ত্রীর কাবিননামা চাইছে পাসপোর্ট করার সময়।
জমি মিউটেশন করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে টাকা নিয়েছে। যিনি নিয়েছেন তিনি ভুমি অফিসে চাকরি করেন। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলেয়ায়।
হোল্ডিং নাম্বার টা খুলে দিবে এর জন্য টাকা চাইছে। টাকা না দিলে খুলে দিবে না বলছে।
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে ঘোষ ছাড়া পাসপোর্ট এর ফরম জমা নেয় না
তিনটি নামজারী আবেদন করি ফটিকছড়ি আজাদী বাজার অফিসে সেখানে — নামক কর্মকর্তা ২৫০০ টাকা করে ৭৫০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন, ৫০০০ দিয়েছি বাধ্য হয়ে মানতেছেনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বগুড়া জেলার সরকারি নাজির আখতার কলেজে ভর্তি বাতিল পূর্বক মূল মার্কশীট ফেরত চাইলে ১৫০০ টাকা দাবী করা হয়।
জমি নামজাির করা এস এ খতিয়ান থেকে
অপরপক্ষের কাছে কোনো দলিল নেই, জমিতে তাদের কোনো ভোগদখলও নেই। তবুও তারা বগুড়া সেটেলমেন্ট অফিসে টাকা খাইয়ে আমাদের জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। বর্তমান অফিসের কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে সবকিছু করেন। তারা আমাদের কাছ থেকে আরও ৫ লক্ষ টাকা দাবি করছে—তারপরও তারা ঠিকমতো কাজ করবে কিনা, তা নিয়ে আমি বিভ্রান্ত ও অসহায়। আমি যদি আদালতে যাই, আমার কাছে সব প্রমাণ থাকায় আমি জিতবোই। কিন্তু প্রশ্ন হলো—যে অফিস প্রমাণ দেখে কাজ না করে, শুধু টাকা দেখে রেকর্ড বদলে দেয়, সেই অফিসের অস্তিত্ব কী অর্থে? আমি চাই, এই ঘুষখোর চক্র ও ৫ লাখ টাকা দাবিকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হোক। নইলে সাধারণ মানুষ কোথায় ন্যায়বিচার পাবে?
প্রথম নামজারির জন্য আবেদন করি টাকা না দেওয়ার কারণে আবেদন বাতিল করে দেয়। দ্বিতীয় বার ১০,০০০/- টাকা দেওয়ার চুক্তিতে নামজারি সম্পুর্ণ করা হয়।
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
তারা কম্পিউটার এক্সেসরি,প্রিন্টার,টোনার,কারটিস,প্রিন্টারের কালি বিভিন্ন আইটি প্রোডাক্ট তারা বাজার দরের চেয়ে দুই তিন গোণ দাম বেশি লিখে বাউচার চায়।ময়মনসিংহের সকল সরকারি দপ্তরে একই রকম কাজ চলছে দীর্ঘ দিন ধরে এই বিষয়টি সকলের চোখের আরালে চলছে।
বিদ্যুত মিটারের কিলোওয়াট বাড়াতে পাচ হাজার টাকা দাবি করা হয়।আমি দিতে বাধ্য হই।
Amar dadar jomir dolilgula tulte giyesilam.Ghush er kotha sorasori bolena bolse cha pani khawar taka dite hobe.ami vabsi 100 taka diley sob kore dibe but pore tader demand bola shuru korse.Ja shune ami osohay hoye chole aschi.
গাড়ি ভেদে ১৫০০-২০০০ টাকার কমে কাউকে ফিটনেস নবায়ন করে না। হয়রানির দিশেহারা