কাজের বিল প্রাপ্তি থেকে ঘুষ চাওয়া
আমি সকল প্রকার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ করেছি। বিল পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারি এবং কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুষ দাবি করছে।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি সকল প্রকার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ করেছি। বিল পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারি এবং কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুষ দাবি করছে।
BMT আপডেট করেন আমি গত নভেম্বরে বিএমটি দেই, সরকারি নির্দেশ মনে তা আপডেট করতে গেলে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে
স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে নানাভাবে হয়রানি করে। আমি ভোটার হয়েছি ২০১০ সালে। চা নাস্তা খাওয়ার জন্য খরচ চাই। আমি দেয় নাই,, বলে সার্ভার সমস্যা পরে আসিয়েন। সুষ্ঠু সমাধান চাই।
আমার মোবাইল হারিয়ে যায়। জি ডি নেই। কিন্তু তদন্ত করার জন্য ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং মোবাইল খুঁজে দিতে চায় । টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কোন তদন্ত করে নাই।
পাসপোর্ট নবায়নের জন্য ফরম জমা দেই, সব কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও ভুল ধরতে থাকে, পরে একই দিনে দালালের মাধ্যমে আমার ফরম জমা দিয়ে, কাজটি সম্পন্ন হয়।
Ami kicu din age passport korte jai sob documnets joma deyar kiso din por police verification ar jonno amak call kore abaro sokol boidho documents joma deyar poreo amar kace 5000tk ghus kore tk na diye protibad korle mak humki prodan kore
ব্যাংক চেক হারিয়ে যায়। এটা লাগবে, ওটা লাগবে বলে টাকা দাবি করে। পরিশোধ করার পর কিছুই লাগে নি।
ভূমি অফিসে যে কোন সেবাতে যাবেন ঘুস ছাড়া কোন কাজ হয় না
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়া শেষ হলে, পুলিশ বলল হাদিয়া দেন কিছু। ৫০০ দিলাম। এরপর বলল ব্যাংকের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০ দিয়ে হবেনা। ১০০০ লাগবে।
amar may er boyos 5 mas. ami ekhono jonmonibondhon korte parini. shob kagos thik ase tar poro bole amar kagos thik nai. ekjon to phone dia bollo taka khoroch korle kora jabe.
নামজারি বাব্দ ১ম এ ২লাখ ৩০ হাজার চেয়েছে, তারপর অনুরোধ করার পর ১লাখ ৩০ হাজার এ আসছে।। ১ লাখ সিকার হিয়েছিলাম। কিন্তু তাতেও রাজি হয় নাই। ভুমি অফিস এর নায়েক জাকে বলে উনি।
ড্রাইবিং লাইসেন্স ছিলো না বলে ছোট মামলা দিবে, কিন্তু মামলার কথা বলে ২৬০০ টাকা নিয়ে কোনো মামলা দেয় নি। মামলা ভাঙ্গানোর পরে যে মামলা রশিদ দেয় সেটাও দেয় নি
দয়াগঞ্জ মৌজা নামজারি করতে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন —। উনার ভাষ্য মতে উনি একা খাবেন না উপরে যারা আছেন তারা সবাই মিলে নেবেন ঢাকা কোতোয়ালি ভুমি অফিস জয় কালি মন্দিরের সামনে। কাগজ সম্পুর্ন সঠিক আছে তবুও দিতে হবে।
আমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সার্জেন্ট পদে কর্মরত। ঢাকা বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের নিকটবর্তী কাফা অফিস থেকে আমাদের বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুঃখজনক বিষয় হলো, সেখানে নিয়মিত দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্যও আমাদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করা হয়। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও হতাশাজনক। শুধু জুনিয়র সদস্যরাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তারাও একই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হন এবং কাজ সম্পন্ন করার জন্য অর্থ প্রদান করতে বাধ্য হন। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানানো বা সমাধানের চেষ্টা করেও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনিয়মটি যেন একটি স্বাভাবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে পরি
khajnar application korchilam sekhane dekhayche 1973 theke khajna dea hoy nai but amader kache khajnar roshid chilo 2010 er but seta dekhe komay nai bole kiso kora jabe na ja dekhacche setai... onik jomi chilo tai total amount onik beshi astachilo 1,20,000 er moto pore 40,000tk ghus neye 14,000tk er roshid deye kaj kore diche. er por kharij er jonno o dite hobe. kiso korar nai jomi amar legal way te kina but kagojer marpache fele koto truti j ber korbe pore apni nijei bolben vai ja taka lage ne taw kaj ta kore de atw pach khulte gele amar jutar tola hoie jabe but pach khosbe na
একজন দিনমজুরের এনআইডি তে ভুল করে পেশা ব্যবসা লেখা হইছে, এটাকে ইস্যু করে তার কাছে ব্যাবসায়ীক ডকুমেন্টস দিতে বলা হইছে তারপর সে দিতে পারেনায়। তারপর একজন দালালের সহায়তায় টাকা দিয়ে কাগজ ছাড়াই পাসপোর্ট করা হইছে।
গাড়ির কাগজপত্র সবকিছু ওকে থাকার পরও এবং কি গাড়ির সব ফিটনেস ওকে থাকার পরেও ৩০০০ করে টাকা দেওয়া লাগে।আর এই টাকা না দিলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাবে না।
২০২২ সালে নাম সংশোধনের জন্য যশোর নির্বাচন অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তখনকার নির্বাচন অফিসার ছিলেন —, তিনি অসংখ্যবার আমাদেরকে ঘুরিয়েছেন কাজটি ঝুলিয়ে রেখে, কাজটি না হওয়ার কারণ ছিল ঘুষ দিয়েছিলাম না তাই, পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আন্দোলনের পরে আমি একদিন ফোন করে বললাম আমার কাজটি কখন করে দিবেন আমাকে জানান তিন দিনের মধ্যে কাজটি না করলে আমি এলাকার অন্যান্য প্রতিবাদী লোকজন নিয়ে আপনার অফিসে হাজির হব এই কথা বলার একদিন পরেই মোবাইলে মেসেজ চলে আসে যে আপনার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে এবং আপনার নতুন এন আই ডি কার্ড টি যশোর নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করুন। কিন্তু এর আগে তিনি আমাদেরকে খুলনা বিভাগীয় অফিসে পর্যন্ত পাঠিয়েছিলেন দুইবার করে বিনা কারণে, আর যশোর নির্বাচন অফিসে অসংখ্যবার গিয়েছিলাম।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জন্য কাগজ পত্র লাগবে বলে ফোন দিয়েছিলো আমি সব কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম সঙ্গে সঙ্গে দুই হাজার টাকা নিয়েছিলো ।
আমরা নাকি বেশি রেয়াত নিয়েছি।তাই ঘুষ দিতে হবে।না হলে মামলা করে দিবে।