বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগের সময় টাকা চেয়েছিলো
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে ২০১৫ সালে টাকা চাইলো ফোন করে সরাসরি। আমার মনে হয়েছে নিজের যোগ্যতায় আমি জব পাবো। আর টাকা দিয়ে চাকরিতে ঢোকা মানে নিজের কাছে আজীবন ছোট হওয়া
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে ২০১৫ সালে টাকা চাইলো ফোন করে সরাসরি। আমার মনে হয়েছে নিজের যোগ্যতায় আমি জব পাবো। আর টাকা দিয়ে চাকরিতে ঢোকা মানে নিজের কাছে আজীবন ছোট হওয়া
হাসপাতাল থেকে সীট কেটে দিলে ওয়ার্ড বয় যে থাকে সে ছাড় পত্র দেওয়ার সময় টাকা দাবি করে। অনেকের থেকেই ১০০/২০০৳ করে নিয়েছে। আমার কাছে টাকা দাবি করলে আমি সেটা প্রত্যাখ্যান করি এবং তার সাথে তর্কে জড়িয়ে যাই।
সরকারি চাকরির বদলি জনিতLPC একসেপ্ট করাতে টাকা লেগেছে।
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য অনলাইন আবেদন করে টাকা পে করি , অনেকদিন পরও এপ্রুভাল না হওয়ায় সাভার পৌরসভা অফিস এ যাই , অফিস সহকারী অফিস খরচ এর জন্য ১০ হাজার চায়, বিদেশ এ যাওয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন থাকায় ঘুস দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করে নেই
জলঢাকা উপজেলা নির্বাচন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গিয়েছে এই জন্য নিয়েছে
ঘুষ না দিলে , উনি ,পৌর দোকান ট্যাক্স এর রিসিপ্ট দিবেনা ।ঘুষ না দিলে উনি ৪০%টাকা বাড়িয়ে দেবে ।
মামলার নকল নিতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে এবং হাজিরা জমা দিতে গিয়ে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে
MPO application korar por seta approved kore dhakar DD .ancolik shikkha office e....tara approved korar somoy tk chai...erokom kore upazila ,zila ancolik office e ei kaj kore...MPO abedon approved ,Arrer er file approved and eft application korar somoy tk khai tara open socrates .
ঢাকা সিটি করপোরেশন এর উত্তরা সিটি করপোরেশন এল ১ নং জোন এর ট্রেড লাইসেন্স বিতরন ও আবেদন সংগ্রহকারি — এর সামনে জান যে কোন একটি বিষয় নিয়ে যে কোন দিন যে কোন সময়; তাহলে বুঝবেন কিভাবে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করছে।
সোনালী ব্যাংক, শাহজাদপুর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার — ঘুষ ছাড়া ফুডের বিল পাস করে না।
আমার সন্তানের ভর্তির জন্য বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। পরদিন সংশ্লিষ্ট থানা থেকে একজন পুলিশ সদস্য ফোন করে বলেন যে আমি যেনো অনলাইনে দাখিলকৃত কাগজপত্রের মূল কপি নিয়ে থানায় ওনার সাথে যোগাযোগ করি। অথচ থানায় যোগাযোগ করলে ওনি কোনো কাগজপত্র ধরেও দেখেন নি। প্রকাশ্যে (অন্য সহকর্মীদের সামনে) বললেন, খরচা পাতির জন্য কিছু টাকা দেন। আমি বললাম, ফি বাবদ দেড় হাজার টাকা পরিশোধ করা আছে। ওনার জবাব, ঐ টাকা আমরা পাই না। আমি কিছুটা দ্বিধা নিয়েই এক খানা ৫০০/- টাকার নোট দিলাম। পরক্ষণে উনি বললেন যে, ওনি হাজার এর নিচে কোনো টাকা নেন না। অতঃপর আমি এক হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই, এ আশঙ্কায় যে টাকা/ ঘুষ না দিলে হয়তো আমি সনদটি সময়মত পাবো না।
কেন্দুয়া উপজেলার কৃষি অফিসার হিন্দু ভদ্র লোক টাকার জন্য ডিলারদের প্রতিষ্ঠানে যায়। বিগত সরকারের আমলের একটা লাইসেন্স ঠিকিয়ে রাখার জন্য ১লাখ টাকা নেয়। কিন্তু কোন কাজ ও করেনাই। উল্টো লাইসেন্স এর ক্ষতি করলো অফিসার উনি আবার একটা ইউনিয়ের প্রশাসকের দ্বায়িত্বেও আছেন।
বাবা মায়ের নাম সামান্য অমিল থাকায় ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করা লেগেছে।
ঝিকরগাছা ভূমি অফিস এর সার্ভেয়ার, সরকার খাস জমির খাজনা ৩০-৫০গুন বেশি আদায় করেছে, এবং তার গন গন বদলি কেন শুধু ঝিকরগাছা এটা বুঝিনা। সবই তদবির বড় বাবু সব
— সহকারী কর কমিশনার কর সার্কেল-২৬৩ (আশুলিয়া-১), কর অঞ্চল ১২, ঢাকা He wanted Tk. 20 lac as his pocket expense for settling tax liability of Tk. 85 lac.
bhumi sheba office e ghosh deoa chara kaaj hoi na. 3 bochor ami nije apply kore dekechi. kintu bar bar kono na kono karon dekiye reject kore dei. pore taka jokon dilam kaaj hoiye gece. oi office shobai ek shate kore. je kono ekjon contract nibe baki shobai bhag kore khabe.
আমি প্রথমে নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করি তারপরে অনেকদিন পরে ( প্রায় ৩০ দিন) থাকার পর যোগাযোগ করলে কোন লাভ হয় নি। তারা ক্যানসেল ও করেনি।এরপর দালালের মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে আমার কাজ হয়ে গেছে।
টাকা না দিলে বিল পাস হচ্চে না, কাবিকা / টি আর
নামজারী করতে ফেনী শহর এর ভুমি অফিস আমার কাছে দাবি করে ৭০০০ টাকা এরা এক্টু ভিন্ন ভাবে ঘুস নেয় যেমন ভুমি অফিসের অপজিটে ডিজিটাল সেবার নামে দোকান খুলছে সেখানে নামজারি করে দিবে বলে ১১০০ টাকার সরকারি ফি এর বদলে ৭০০০ ৮০০০ এমনকি কাগজ ভুল হলে আরো বেশী দিয়ে ভুয়া কাগজের বিপরীতে খারিজ করে দিচ্ছে। এর সাথে ভুমি অফিসের সবাই জড়িত
আমার আব্বুর মৃত্যুতে ওনার পেনশনের কাজে আমাদের ওয়ারিশ সনদ লাগবে,তো ইউনিয়ন অফিসে গেলাম।আমাকে অনেক হয়রানি,দিনে ৩/৪ বার যাওয়া আসা। এরকম প্রায় ৩০-৩৫ দিন চললো। এদিকে আব্বুর অফিসে কাগজগুলো জমা দেওয়ার জন্যও চাপ দিচ্ছে। না হলে পেনশন বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর ওনারা আমাকে বললো ৪-৫ হাজার টাকা লাগবে হেনতেন বুজাইলো। আমি এডুকেটেড কত সরকারি ফি তা জানি। ওনাদেরকে বললে ওনারা আমাকে বের করে দেয়। সচিব যিনি ছিলো উনিই মূল হোতা।ওনার সাথে কম্পিউটার অপারেটরে যিনি উনিই এসব কাজ করে সচিবের কাছে পাঠায়। আর ওনারা ভাগ করে নেয় সবার সামনেই। গ্রামের লোকতো কেওই এসবকে গুরুত্ব দেয়না। ওনাদেরকে বিলিব করায় দিসে এসব সরকারি খরচ।এরকম হয়রানি প্রতিনিয়ত হচ্ছে। সরকারের উচিত এসবের দিকে জোর দেওয়া,তানাহলে জনগন মুখ পিরিয়ে নিবে একদিন।