NID কার্ড সংশোধন
NID কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে 20000/- লাগবে বলে জানিয়েছে।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
NID কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে 20000/- লাগবে বলে জানিয়েছে।
আমার আম্মুর বিধবা ভাতা এর জন্য আবেদন করেছিলাম। এলাকার চৌকিদার আর বিএনপি নেতা এসেছিল যাচাইয়ে। ওনারা আমাদের চিনেন, তবুও ১৫০০ টাকা দাবি করেছে।
বিল পাশ করতে হলে ১০% -১৫ % না দিলে বিল পাশ হয়ে না
আমি একটি এনজিও ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলাম, আমার প্রতিষ্ঠানের ২০২২ সালে অর্থ আত্মসাতের দায়ে চাকুরীচুত ৩ জন সাবেক কর্মকর্তা দখল করে নেয়। এমতাবস্থায় মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৫০ লাখ টাকার বিনিময়ে আমাকে কোন মামলা ছাড়াই আটক করে মিথ্যা একটি মামলায় জরিয়ে দেয়।এবং প্রতিষ্ঠানটি দখল করতে সহযোগিতা করে।
আমি অনলাইনে আবেদন করে নির্বাচন অফিসে আমার যাবতীয় কাগজ পত্র নিয়ে যাই লাইনে দাড়াই সিরিয়ালে গিয়ে আমার কাগজপত্র দেখে বলে ঠিক আছে আপনি মঙ্গলবারে আসেন,আমি মঙ্গলবারে আবার যাই ঐ দিন বলে ছবি তুলে সোমবার আর বুধবার আপনি বুধবারে আসেন আমি বুধবারে যাই লাইনে দাড়াই আবার সিরিয়ালে গেলে বলে আপনাকে কি কল দেওয়া হয়েছিলো?? আমি বললাম না কল তো দেওয়া হয় নাই। পরে বললো অফিস থেকে কল বা মেসেজ দিবে। তারপরে গেলো ১৫ দিন কল মেসেজ আসলো না।আমার পরিচিত একজনের মাধ্যমে জানলাম যারা টাকা দেয় শুধু তাদের ছবি তোলার জন্য কল দেয় তার ৮০০০ টাকা লাগছে পরে আমি আবার নির্বাচন অফিসে যাই বলি আমার কাছে ৬০০০ টাকা চায় পরে আমি রাজি হই নাই
অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে আমি জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদ পটিয়া, চট্টগ্রাম উপস্থিত হয়।প্রথমে কম্পিউটার ম্যান এর কাছে যাই কম্পিউটার ম্যান আবেদন করে ১০০ টাকা সরকারী ফ্রি বলে ১০০ টাকা নে।এরপর ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের কাছে পাঠায় সচিব ইউনিয়ন পরিষদের খারচ আছে বলে ১০০ টাকা নে।অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে ২০০ টাকা খরচ হয়
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন CEO অবৈধভাবে বহু প্লান সই করেছে। হাই রাইজ বিল্ডিং এ ১২-১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুস নিয়েছে প্লান অনুমোদন করতে। তাকে আবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে ট্রানফার করা হয়েছে। বরিশাল ছোট শহরে যদি ১২-১৫ লক্ষ টাকা ঘুস নিয়েছে। রাজুকে গিয়ে কয়েকশ কোটি টাকার মালিক হয়ে যাবে৷ বিসিসির প্লান সহকারি ৩ জন কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে।
সেল পারমিশন করাতে গিয়ে এই টাকা দাবি করেন। তাছাড়া কাজ করবে না তাই বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে।
আমি বেসরকারি নিবন্ধন ভুক্ত এক স্কুলে যোগদান করা থেকেই তারা নাস্তা বাবদ মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিল। দিয়েছিলাম। এরপর এমপিও হওয়ার জন্য(কাগজ দ্রুত পাঠাবে) জেলা শিক্ষা অফিসার কে ঘুষ প্রদান।টাকা না দিলে ঝুলে রাখবে। এরপর স্কুলে প্রধান শিক্ষক তার নিহের জন্য ৫০ হাজার এর মত দাবি করে আছে। স্কুলে কোন এক খাতে বরাদ্দের টাকা সব শিক্ষকরা মিলে ভাগাভাগি করে নেয়ার পর সেই টাকাও নতুন শিক্ষকের কাছে দাবি করে রেখেছে। এদিকে ডিডি অফিসে অভিযোগ জানালে প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটি উলটো প্রাননাশের হুমকি দেয়।
সিটি গণপূর্ত অধিদফতরে ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নের সরকারি ফি ২৩০০ টাকা। কিন্তু, নেওয়া হচ্ছে ৩৫০০ টাকা! ঠিকাদারদের অবস্থা বর্তমানে খুবই করুন! হাতে কোনো কাজ নেই। তবুও ঘুষ দিতে হয়
আমার বাবা একজন অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক। ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কেরানী — বাবার কাগজ পত্র গোছানোর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ৫০০০ টাকা না দিলে কাজ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। যথাসময়ে টাকা না দেওয়ায় তিনি কাজ প্রচুর ঘুরিয়ে ছিলেন। কাগজ পত্রে গড়মিলের মিথ্যা ভয় দেখিয়ে আরো টাকা দাবি করলে জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের হস্তক্ষেপে সেই যাত্রায় বেচে যাই। এই — প্রবীণ মানুষের কাছ থেকে টাকা খেয়েছে। প্রতিটি প্রবীণ টিচার তার আর্থিক লালসার শিকার হয়েছে।
২০২৫ সালে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা চার ধাপে (এমসিকিউ, লিখিত, ব্যবহারিক ও ভাইভা) অনুষ্ঠিত হয়। ৪র্থ ধাপে দুইদিন ভাইভা হয় ৩৮ জনের ১৫ পদের বিপরীতে, প্রথম দিন আমার ভাইভা হয় এবং সেটি খুব ভালো হয়েছিল। ২য় দিন ভাইভা চলাকালীন ওখানকার এক স্টাফ ফোন দিয়ে চাকুরি নিশ্চিত করতে ৭ লাখ টাকার প্রস্তাব দেয়। এবং আমি তা প্রত্যাখ্যান করি, ওই রাতেই চূড়ান্ত রেজাল্ট দেয় আর আমি বাদ পরে যাই।
ভোলা হিসাব রক্ষণ অফিসের — (অডিটর) । তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভোলা সদর উপজেলার সকলের বেতন, বোনাস, অবসর ভাতার কাজ করেন। প্রতিটি কাজে তাকে টাকা দিতে হয়। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকেন, যা আমি নিজ চোখে দেখেছি। প্রবীণ শিক্ষক গণ ভয়ে তার দাবি কৃত টাকা দিয়ে দেয়। সে খুব কৌশলে কাজ করে। কাজ সমাপ্ত হলে আড়ালে গিয়ে টাকা নেয়। আমার কাছে দাবি কৃত টাকা প্রত্যাখ্যান করলেও অন্য অন্য কাজে ৫০০ করে দিতে হয়েছে।
পুলিশ বলছিলো, তাদেরকে সরকার কোনো টাকা দেয়না ফোন উদ্ধার করতে কার্যক্রম চালাতে। টাকার দাবিতে আমরা নাকচ ছিলাম ফোন লাগবে না বলে চলে আসি, পরে ও কল করে ৩০০০ টাকা দিলে হবে ফোন নিয়ে আস্তে পারব। আর কিচ্ছু করার ছিলো তখন ফেন বেশি জরুরি ছিলো।
Jewellery monthly vat
Was there to get my certificate and asked for bribe. Saying without money we dont work
ভাই আপনি যদি টাকা দেন তাহলে বুলেটের গুলি মিস হবে কিন্তু ড্রাইভিং লাইসেন্স মিস হবে না। যদি টাকা না দেন তাহলে দশবার চেষ্টা করেও পাবেন না। টাকা দিলে পরীক্ষাও দিতে হবে না।
আমি লাইসেন্স এর জন্য কুমিল্লা বিআরটিএতে গেলে গেলে স্পিড মানি হিসেবে অফিসে ২৫০০টাকা দিতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় বেশিরভাগই লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষাতে উত্তীর্ণ হলেও প্রাকটিকাল এ ফেল করে। একই পরিস্থিতির শিকার হওয়ার পর আমাকেও একই প্রস্তাব দেয় BRTA এর একজন কর্মি, যে 3000 টাকা দেওয়া হলে fail এর জায়গায় pass এন্ট্রি করা হবে কম্পিউটার এ।
নামজারি করার জন্য অন্য এক থার্ড পারটির মাধ্যমে চাওয়া হয়েছে। আমি এখনও দেই নাই। আগে একই কাজ করে দেয় নাই