GPF
GPF account open এর জন্য
19,073 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
GPF account open এর জন্য
আমার জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন করার পরে যখন মিউটেশনের আবেদন করি তখন এই টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে পরিশোধ না করায় মিউটেশন আবেদন বাতিল করা হয়। পরে টাকা পরিশোধের পরে সেটা করে দেয়া হয়।
সর্বমোট লাগে পনেরশো টাকার মতন কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ২০০০ টাকা ৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে
৯০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে
আমি স্টুডেন্ট ভিসায় নিউজিল্যান্ডের জন্য আবেদন করার সময় ভিসা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট অনুযায়ী আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ম্যান্ডেটরি হওয়ায় আমি আমার লোকাল থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করি। প্রথমবার আমাকে বলা হয় আমার আবেদনটি ঠিক হয়নি এবং আবেদনটি পেন্ডিং রাখা হয়। পরে কয়েকদিন পর আবার থানায় গেলে আমাকে বলা হয়, “আপনি জানেন না, আমাদেরও কিছু চাওয়ার থাকে। কিছু টাকা দিয়ে যান, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হয়ে যাবে।” পরে আমার কাছ থেকে ১,৩০০ টাকা নেওয়া হয় এবং এরপর আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়। বিষয়টি অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের আওতায় পড়ে বলে আমি মনে করি।
আমার মার পাসপোর্ট করার সময় তার বাবা অর্থাৎ আমার নানা মৃত হওয়া স্বত্তেও, এপ্লাইয়ের সময় আমি তার পেশা (পূর্বের পেশা মনে করছিলাম) দিছিলাম। আর আমি টাকাটা বিকাশের মাধ্যমে দিছিলাম। তাই এটা ক্যানসেল করলে আমার টাকাটা নষ্ট হতো। এমতাবস্থায় দালালচক্র ৪০০০ টাকা দাবি করছিল। তা শেষে আমি সেটা না দিয়ে যথাযথ কতৃপক্ষকে সমস্যা জানালে তারা বিষয়টি টাকা না নিয়ে সমাধান করে দিছিল। এটা ২০২৫ সালের ঘটনা।
আমি করোনা ভ্যাকসিন কার্ড নিবন্ধন করতে চেয়েছিল, আমি কলেজের মাধ্যমে ভ্যাকসিন নিয়েছিলাম যার জন্য পরবর্তীতে এটি অনলাইন নিবন্ধন করার প্রয়োজন ছিল আমি আমার প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট দেয়,উনি ৫০০ টাকা প্রবর্তন যে আমি টাকাটি না দেওয়ার কারণে আমার কাজটি হয় নাই,ব্যবহারও অনেক বাজে ছিল।
ভুমি অফিসে কর প্রদান করতে গেলে অফিসার আমাকে একটি দোকান দেখিয়ে সেখান থেকে আবেদন করতে বলে।সেখান থেকে ২ বার আবেদন করার পর বলে এভাবে হবে না, ততক্ষনে দোকান দার চলে গেছে। পরে অন্য একটি দোকান খুজে সেখান থেকে আবেদন করে। এই দোকানদার ভুমি অফিসের সহকারী কে কল দেয়। কথা শেষে আমাকে ডেকে নিয়ে বলে ও-ই অফিসারের সহকারী নাকি টাকা চেয়েছে ৫০০ না হলে হবে না। আমার করের রশিদে ৭১৪ টাকা আসছে, আমি দোকানদারের মজুরি সহ ১৫০০ টাকা প্রদান করেছি।
বিএড স্কেল কাগজ সব ঠিক ছিল আমি যোগাযোগ করি নি তাই জেলা শিক্ষা অফিস থেকে ফাইল ব্যাক দিয়েছে। পরে জানতে পারলাম যাঁরা যোগাযোগ করেছে তাদের কাছ থেকে ফাইল প্রতি ৫০০০ হাজার থেকে শুরু করে মোটা অংকের টাকা নিয়েছে।আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে বলেছে টাকা দিলে আগামীতে ফাইল ছেরে দিবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক আঞ্চলিক শিক্ষা অফিস, রাজশাহী। শুধুমাত্র ডিডি মহোদয় ছাড়া, বাকী স্টাফ সবাই ঘুষ ছাড়া কাজই করে না। ব্যাপক অনিয়মে ভরপুর একটি অফিস, প্রতিনিয়ত শিক্ষক সমাজ তাদের কাছে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে।
Rangpur Medical Hospital a ghus na dile kono kaj hoyna. Amar maa er cancer chilo, 4 bochor struggle kore koyek mash age mara gechen. Shuru thekei sob medicine, equipments baire theke kine ante hoto, sob test baire korte hoto. Mojar bepar hocche sei test koranor jonno dalal ra hospitaler vitore ghure beray r oi diagonostic centre er report chara doctor ra dekhena, sample o hospital thekei niye jay 3-4 gun besi bill dekhay sample collection fee dekhiye, janina eita legal kina. tarpor ashe bed/cabin.... taka chara bed paoa impossible. ei porjonto bed nitei 15000+ taka dite hoiche. Rogir sashkosato hocchilo but oxygen cylinder paoa jacchilona... pore private hospital a nite hoichilo
জমির নামজারী করার জন্য আমি নিজে ২ বার আবেদন করি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে।সেখান থেকে বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে ক্যাচ খারিচ করে দেয়।তারপর এক দালালের সাথে কথা হলো সে বললো কাজটি করে দিবে।সে কাজটি করে দিয়ে বার হাজার ৫০০ টাকা নেই। সে বলে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব এবং চৌগাছা উপজেলার এসিল্যান্ডকে টাকা দিয়ে কাজটি করে নিয়েছি।
নতুন পাসপোর্ট আবেদন করে, সরকারি ফি (বিকাশ ফিসহ) 5780/- জমা করে নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট লাইনে দাড়িয়ে থাকার পর বড় একটি সিল মাইরা জানালো কাগজপত্রগুলো নিয়ে আসেন। পরে দালালকে 1720 টাকা দিয়ে সীলের কাগজপত্র ছাড়াই পাসপোট করে, কিছুদন পর পাসপোর্ট পেলাম।
এই নির্বাচন অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না ভোটার থেকে শুরু করে ভোটার ট্রান্সফার ও আইডি সংশোধন সহ নানা ধরণের টাকা চেয়ে থাকে সোজা কথা প্রতি মঙ্গল বার টাকা ছাড়া কোন প্রকার ভোটার করা হয় না টাকা না দিলে না ধরণের ভূল ধরে আজ না কাল কাল না পরশু তারিয়ে দেয়
নন্দিপাড়া ব্রিজের পাশে বটতলা রোডে রাস্তার পাশে প্রতিটি দোকান থেকে দোকান প্রতি 100 টাকা করে নেওয়া হয় এই চাঁদাবাজের নাম হল — দৈনিক এই চাঁদা উঠানো হয় ।
আমি জমির যামেলার জন্য এসিনড কাছে জাই এই জন্য ঘুস নিয়েছে
DGDA office akta ghuser atur ghor .tara vibinno benami company er file tk kheye cere dey. age jantam poliche sob theke besi ghus khay akn dekse raghob boyal holo drug super o dgda office .er protikar hbe ki na jani . Bexter namok Bogra akta company dgda kine nise .
একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের ভর্তি ফরম তুলতে গিয়ে সেখানে আমাকে ২০০ টাকা এটি ফর্ম তুলতে দেওয়া লাগছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয়..
দলিল খারিজ সংক্রান্ত বিষয়
1 DIN AR VITORE ATA LAGTO TAI KORE DICE