Vat
প্রতি মাসেই এই ঘুষটি দিতে হচে।অন্যথাশ হয়রানি করা হয়। এভাবে কক্সবাজার সকল প্রতিষ্ঠান থেকেই নেয়া হয়।প্রতিষ্ঠান ছোট বড় যেটা যেমন ঘুষের আকারও সেই রকম হয়। কেউ মুখ খুলে কিছু বলে না শুধুই হয়রানির ভয়ে।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতি মাসেই এই ঘুষটি দিতে হচে।অন্যথাশ হয়রানি করা হয়। এভাবে কক্সবাজার সকল প্রতিষ্ঠান থেকেই নেয়া হয়।প্রতিষ্ঠান ছোট বড় যেটা যেমন ঘুষের আকারও সেই রকম হয়। কেউ মুখ খুলে কিছু বলে না শুধুই হয়রানির ভয়ে।
পাসপোর্ট নবাযন করার জন্য আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গেলে, আবেদনের ঠিকানায় সমস্যা আছে বলে আবেদনটি গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায়। তারপর, ঐ আবেদনটি বাতিল না করে দালালদের মাধ্যমর অতিরিক্ত বাড়তি টাকা দাবী করে। যার ফলে, অপারগ হয়ে অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
২ বার সঠিক কাগজ নেওয়ার পর ভিবিন্ন সমস্যা দেখাই। তারপর অফিসের সামনে দালালের সাথে চুক্তি হই ২০০০ টাকা, যদি তারা চাই বেশি। টাকা দেবার পর সব কয়েক মিনিটে হয়ে যাই।
আমি অসুস্থজনীত ছুটি নিয়ে ছিলাম তখন বেতন বন্ধ হয়েছিল । অফিস সহায়ক বেতন চালু করতে/ বকেয়া বেতন উঠাতে টাকা দাবি করে, না দেওয়ায় অনেক ঘুরায়।পরে বাধ্য হয়েছি।
আমি আমার নিকটস্থ রামপুর বাজার ভুমি অফিসে আমার নিজের একটি জমি নাম জারি করার জন্য সেখানে কর্মরত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করি, উনারা আমার কাছে ৭০০০(সাত হাজার) টাকা দাবি করেন, দাবি পুরন করা ছাড়া তারা কোনো ভাবেই তা করবেন না, অতঃপর আমি বাদ্য হয়ে অর্থ দিতে রাজি হই উনারা ১ মাসের সময় নিয়ে ৩ মাস ১০ দিন পরে কাজটা করেন তারপরে আমাকে পেপার দেওয়ার সময় আরো ১০০০(এক হাজার) টাকা দাবি করেন এবং এক প্রকার জোর করে এই টাকা আদায় করেন,,,,
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে ইস্যুকৃত সুলভ মুল্য কার্ড যার মাধ্যমে ৩০ কেজি চাল প্রতি কেজি ১৫টাকা করে দেয় । অধিদপ্তর হতে পুরাতন কার্ড নবায়ন করে ডিলারের কাছে পাঠানো হয়েছে বিতরণ করার জন্য। সেই কার্ড নিতে ১০০টাকা ঘুষ দিতে হয়।
Speed money to collect passport without standing any line. Ansar police took money and provided an unique sign, by showing that sign I got passport delivery.
গাড়ীতে লেগে ইন্টারনেটের তার ছিড়ে গিয়েছিলে, তার জোড়া লাগানোর সময় রেলওয়ে পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়ে বলতেছিলো আপনারা এখানে তার দিয়েছেন কেন ? ২০০০০ টাকা না দিলে যন্ত্রপাতি দেবো না, মামলা করবো, জেলেদিবো ইত্যাদি
আমি নামজারি খতিয়ান তৈরির জন্য আবেদন করি। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ ভূমি অফিস থেকে ফোন করে টাকা চাই। পরিশোধ করি(৩০০০)।তারপর বলে উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে এসি ল্যান্ড স্যারের সাথে দেখা করতে।সেখানেও টাকা চাই(৫০০০)। আমি প্রত্যাখ্যান করি।আমার মতো আরো ভুক্তভোগী আছে।
আমাদের স্বামী স্ত্রীর নামের সম্পত্তি, স্বামীর অংশ স্ত্রী কে হেবার মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করে অনলাইনে আবেদন করে জমা দিয়ে অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হয়। দিতে গিয়ে হয়রানি ও ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়, ৩৫ হাজার টাকা দিতে হবে না হয় সময়মতো আসা যাওয়া করতে হবে। চলে এলান। দেখি কি হয়।
আমি একজন ঠিকাদার এলজিইডির একটা কাজ করতে গিয়ে, কালিয়া উপজেলা এলজিইডি অফিস এবং নড়াইল এলজিইডি অফিস আমার কাজের টোটাল বিলের ৫% টাকা অগ্রিম না দিলে আমার বিল ছাড়েনা,
সরকারিভাবে লাইসেন্স করতে যাচ্ছি বলে অর্ডার করতে অনেক দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আপনি আমরা প্রদান করুন দ্রুত লাইসেন্স হয়ে যাবে।
পাসপোর্ট অফিসের ভিতরে এক দালালকে দিয়েছি, ৫ মাস ধরে কোনো আপডেট নেই।
GPF account open এর জন্য
আমার জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন করার পরে যখন মিউটেশনের আবেদন করি তখন এই টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে পরিশোধ না করায় মিউটেশন আবেদন বাতিল করা হয়। পরে টাকা পরিশোধের পরে সেটা করে দেয়া হয়।
সর্বমোট লাগে পনেরশো টাকার মতন কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ২০০০ টাকা ৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে
৯০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে
আমি স্টুডেন্ট ভিসায় নিউজিল্যান্ডের জন্য আবেদন করার সময় ভিসা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট অনুযায়ী আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ম্যান্ডেটরি হওয়ায় আমি আমার লোকাল থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করি। প্রথমবার আমাকে বলা হয় আমার আবেদনটি ঠিক হয়নি এবং আবেদনটি পেন্ডিং রাখা হয়। পরে কয়েকদিন পর আবার থানায় গেলে আমাকে বলা হয়, “আপনি জানেন না, আমাদেরও কিছু চাওয়ার থাকে। কিছু টাকা দিয়ে যান, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হয়ে যাবে।” পরে আমার কাছ থেকে ১,৩০০ টাকা নেওয়া হয় এবং এরপর আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়। বিষয়টি অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের আওতায় পড়ে বলে আমি মনে করি।
আমার মার পাসপোর্ট করার সময় তার বাবা অর্থাৎ আমার নানা মৃত হওয়া স্বত্তেও, এপ্লাইয়ের সময় আমি তার পেশা (পূর্বের পেশা মনে করছিলাম) দিছিলাম। আর আমি টাকাটা বিকাশের মাধ্যমে দিছিলাম। তাই এটা ক্যানসেল করলে আমার টাকাটা নষ্ট হতো। এমতাবস্থায় দালালচক্র ৪০০০ টাকা দাবি করছিল। তা শেষে আমি সেটা না দিয়ে যথাযথ কতৃপক্ষকে সমস্যা জানালে তারা বিষয়টি টাকা না নিয়ে সমাধান করে দিছিল। এটা ২০২৫ সালের ঘটনা।
আমি করোনা ভ্যাকসিন কার্ড নিবন্ধন করতে চেয়েছিল, আমি কলেজের মাধ্যমে ভ্যাকসিন নিয়েছিলাম যার জন্য পরবর্তীতে এটি অনলাইন নিবন্ধন করার প্রয়োজন ছিল আমি আমার প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট দেয়,উনি ৫০০ টাকা প্রবর্তন যে আমি টাকাটি না দেওয়ার কারণে আমার কাজটি হয় নাই,ব্যবহারও অনেক বাজে ছিল।