শ্রান্তি বিনোদন ভাতা
জলঢাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসে। শ্রান্ত বিনোদন ভাতার জন্য আবেদন করতে যায়। অফিসে একজন নাম — বলেন বরাদ্দ কম আছে, এবার সবাই পাবে না। যদি আপনি শিওর পেতে চান তাহলে ৫০০ টাকা দেন। না দিলে আপনি এ বছর পাবেন না হয়তো।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জলঢাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসে। শ্রান্ত বিনোদন ভাতার জন্য আবেদন করতে যায়। অফিসে একজন নাম — বলেন বরাদ্দ কম আছে, এবার সবাই পাবে না। যদি আপনি শিওর পেতে চান তাহলে ৫০০ টাকা দেন। না দিলে আপনি এ বছর পাবেন না হয়তো।
ছবি তোলার সময় ৩০০ টাকা দাবি করে তা নাহলে ছবি তুলতে রাজি নয়।তার পরে আমি ৩০০ টাকা পরিশোধ করি।
আমি গতকাল জগন্নাথপুর রেজিস্টার অফিসে যাই আমার পাঁচশতক জমি নামজারি করার জন্য অফিসের কর্মচারী আমার কাছে নগদ 50000 টাকা চার্জ করে।
পার্সপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, অনলাইনে আবেদন করে তো টাকা ব্যাংকে বাংকের মাধ্যেমে টাকা দিয়ে ছিলাম ,তখন তারা কাগজ জমা নেয় না ,তারা বলে কিছূ একটা সমস্য আছে ,তার পর গেইট মেনকে বললাম তখন সে একতা দোকান দেখিয়ে দিয়েছে, তার কাছূ যাওয়ার পর সে কি একটা কাগজ দিলে তার আমি জমা দিলাম অফিসের লোকেরা আর কিছু বললো না
Union er sochib saheb prootekta birth certificate theke gush dabi kore, Gush chara birth certificate pawa jaina, tai nijer familyr birth certificate gulo correction korte pari nai..100 takar jaigai per certificate e 250 taka lagche, eita Brahmanbaria zillar Ashuganj upzillar Lalpur grame..
অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বর্তমানে চরম অনিয়ম ও বৈষম্য চলছে। সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অভিন্ন নীতিমালার জটিল মারপ্যাঁচে ফেলে বারবার নিয়ম পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং কৃত্রিম 'বটলনেক' বা জটলা তৈরি করে আমার মতো বহু যোগ্য ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ন্যায্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, এই কৃত্রিম সংকটকে পুঁজি করে একটি চক্র পদোন্নতি পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে সরাসরি আমার কাছে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে। গত বছরও এই ব্যাংকে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে জ্যেষ্ঠতা চরমভাবে লঙ্ঘন করে অনেককে নিয়মবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
এখানে একজন কর্মচারী আছে, নাম —, উনার বাবাও ডিসি অফিসে কাজ করতেন, উনার ভাইও ফতুল্লা ভুমি অফিসে কাজ করেন। এরা সবাই নামজারি বা যেকোন ভুমি সংক্রান্ত কাজে ঘুষ দাবি করেন, অথবা আপনার কাজ আটকে থাকবে। এরা এলাকায় একাধিক বাড়ি, জমি কিনেছেন, যার মুল্য সব মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকা। অথচ এদের বেতন দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হওয়ার কথা। এই লোক আবার নিট কর্ন্সার্ন নামক গার্মেন্টস এর জমি সংক্রান্ত কাজ করে, কারো জায়গা জোর করে দখল করতে হলে এরা সাহায্য করে।
ক তফসিল থেকে বাদ দেওয়ার জন্য প্রতিবেদন লাগে মামলার শুনানি তে তারা বলছে দেরী হবে সময় লাগবে আজ নাই কাল সার্ভেয়ার থাকে না ঘুষ নেওয়ার জন্য দেরী করে সাথে সাথে ঘুষ না দিলে কাজ ভূল করানো হয়রানি করার রেকর্ড ও আছে
আমার বাবার হজের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা চেয়েছিল। কেন দিতে হবে জানতে চাইলে বাজে ব্যবহার করেছিল। আমার চাকরির সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামেও টাকা নিয়েছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু হয়ে উঠতে পারেনি, আতঙ্কের নাম হয়েছে।
জন্ম নিবন্ধন বাবা এবং মায়ের নাম ইংরেজিতে ছিল নাহ,, এইটা ঠিক করে দেবার জন্য ৪,০০০ টাকা নিয়েছে,,২ দিন দেখার পর কোনভাবেই পারতেছিলাম নাহ ইমার্জেন্সি ছিল তারপর ৪,০০০ টাকা দিয়েই নিতে হল।।
আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ । আড়াইহাজার থানা নামজারী ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। আমার ৬ শতাংশের একটি ছোট কৃষি জমির নামজারী করাতে। গিয়ে দেখি তারা সিরিয়ালে সবার থেকে ৩০০০ টাকা করে ঘুষ নিচ্ছে নামজারী করাতে অন্যথায় নামজারী হয় না। স্যার আবার ঘুষও নেয় আবার দেরি করেও আসে। স্যারের জন্য ১ ঘন্টা বসে ছিলাম।
পুলিশ ভেরিফিকেশন হওয়া উচিত আমাকে না জানিয়ে পথবা জানিয়ে আমার ঠিকানা অনুযায়ী নিশ্চিত করা, কিন্তু একজন সাব ইন্সপেক্টর ফোন করে বলে, পুলিশ সুপার এর অফিসের সামনে এসে আমাকে ফোন দেন আর সাথে বাসার বিদ্যুৎ বিল নিয়ে আসবেন, গিয়ে ফোন দিলে বলে পাশের দোকানে আসেন, দোকানে বসে দেখি একজন করে আসে, আর উনার কাছে টাকাসহ বিদ্যুতবিল দিয়ে যায়, আমাকে পাশের এক চামচা বলে ৫০০টাকা দিয়ে যান, কাজ তারাতাড়ি হয়ে যাবে, নয়তো ভেজালে পরবেন, আমার জরুরী প্রয়োজন হওয়ায় টাকা দিয়ে আসি।
went to grab a map for my land issues. couldn't resist but had to pay to that bloody bastard.
আমার ছেলের বয়স ৯ মাস, আলট্রাস্নোগ্রাফি করার জন্য গিয়েছি, গতকাল সরোয়ারদী হাসপাতালে গিয়েছি, দীর্ঘ লাইন ধরে কাউন্টারে টাকা জমা দিতে গেছে, কাউন্টার থেকে বলতেছে এখানে একটা সিল লাগবে ১১৪ নাম্বারে যান, সিল নিয়ে আসেন।ওখানে যাওয়ার পর বলতেছে তারা মেশিন নষ্ট এই রিপোর্ট এখানে করানো হয়না, পরে যোগ নিয়ে দেখি অনেকে আল্ট্রা করাইতেছে, দ্বিতিয় বার গিয়ে আবার বললাম স্যার অনেকে করাইতে, ধমক দিয়ে বলতেছে বলেছি না মেশিন নষ্টো। এরপর ওখান থেকে চলে আসতে গেলে এক আয়া পাশে ঢেকে বলতেছে ৪০০ টাকা দেন। সিল করে এনে দেয়। আমি বললাম মেশিন নষ্টো বললো, ওনি বলে সব সেটিং করা, ৪০০ টাকা দেন। না হয় কাজ হবে না। পরে রাগে দুঃখে আর করাইনি চলে আসছি,
আমি নতুন police clarence এর জন্য দিছিলাম।আমার পাসপোর্ট অনুযায়ী আমার current adress and permanent address আলাদা।এখন আমি যখন আবেদন করলাম তারা আমাকে বলে permanent address যেখানে এইখানে করতে আবার permanent address এ করলে অইখানে বলে তোমার national id card ত current address এর ওইখানে তাহলে এখানে করা যাবে না। ওইখানে কর।অথচ দুই address এই একই জেলার।এভাবে তারা আমাকে ৪ বার রিজেক্ট করে।এরপর police station এ গিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের ২০০০ টাকা ঘুষ দেয়ার পর ৬-৭ দিনের মধ্যে পেয়ে যাই।এর আগে আমার ১ মাস সময় নষ্ট হইছে।
আমি আমার ক্রয় কৃত জমির নামজারী আবেদন অনলাইন সহ যাবতীয় কাগজ কমপ্লিট করার পড় নায়েব এর রিপোর্ট এর জন্য ফাইল জমা দেয় ফাইল টা চেক করে উনি শুধু এপ্রোভ করবেন তার জন্য উনার সহকারী ৩০০০টাকা নাস্তা খরচ চাই
বেলাব সাব রেজিস্ট্রার অফিস প্রতি দলিলে 3500 টাকা সেরেস্তা বাবদ চাদা দিতে হয়। নয়তো দলিল হবে না
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য ৫ দিন ঘুরানোর পর ৫০০টাকা "বখশিশ" দাবি করা হয় সংশোধন প্রিন্ট দেওয়ার সময়। হতাশ হয়ে পরিশোধ করি, যেহেতু অলরেডি ৫দিন ঘুরতে হয়েছে।
আমি একটি করোনা ভ্যাকসিনের কার্ড অনলাইন নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম,আমি কলেজের মাধ্যমে ভ্যাকসিনটা নিয়েছিলাম সবকিছু ডকুমেন্ট সবকিছু দেওয়ার পরেও নিবন্ধন করার জন্য আমার থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে যেটি আমি দেই নাই পরবর্তীতে আমার আর কাজটি করা হয় নাই, এবং তার ব্যবহার ছিল খুবই বাজে।
দিল পাস করতে গেলে পার্সেন্টেজ। পেনশনে ১৫ থেকে ২০ হাজার। সকল কাজে এক থেকে দুই হাজার টাকা