VAT Price Declaration (Mushak 4.3) Submission
Demanded BDT 500 for the submission of each document (Mushak 4.3) and repeatedly behaved inappropriately when I refused to make the payment.
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Demanded BDT 500 for the submission of each document (Mushak 4.3) and repeatedly behaved inappropriately when I refused to make the payment.
একটা সেল পারমিসান এর জন্য আমার কাছে ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ চাইছে। আমি পরে কজটা করিনি।
পারিবারিক ঝামেলার বিচার বা নালিশি বাবদ থানার একজন এস আই কে ঘুষ দিতে হয়েছিল
জমা খারিজ সংক্রান্ত কাজে শর্শদী ভূমি অফিসে যাওয়ার পর বলে ১০ দিন পরে আসেন, আমি বললাম এটা করতে ২ মিনিট লাগবে ১০ দিন কেন? এরপর আমি আধা ঘন্টা বসে আছি, তখন ভুমি সহকারী বলে আচ্ছা কিছু খরচ লাগবে, আপনি দিতে পারবেন? আমি বলি কেন? উত্তরে বলে তাহলে অপেক্ষা করেন, ১০ দিন পর আসেন। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১ টা ফাইলের জন্য ১০০০ টাকা দিয়েছি
আমার মেয়ের জন্ম সনদ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ আমি ও আমার স্ত্রী সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা নানা ধরনের জটিলতা তৈরি করছিল এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বাইরেও অতিরিক্ত কিছু কাগজ চাইছিল। অথচ জন্ম সনদের জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রই আমরা জমা দিয়েছিলাম। বিষয়টি নিয়ে আমাকে বারবার ঘোরানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, টাকা দেওয়ার কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে আমার মেয়ের জন্ম সনদ তৈরি করে দেওয়া হয়।
Bribe taken at time of verification.
কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ডোপ টেস্ট রিপোর্ট নিতে গিয়ে চা পানির খরচ বাবদ ৫০০ টাকা দেই। ওরা বলে ১দিন পর হবে, জরুরি ছিল আবার ১দিন পর আসলেও গাড়ি ভাড়া লাগবে বিধান টাকা দিয়েছি। পরে দেখি রিপোর্ট দুপুরের মধ্যে সবাইকে দিছে। আমাকে বোকা বানিয়ে ৫০০ নিছে
রেকর্ড সংশোধন করার জন্য দাবি করেছেন
১৫০০ টাকা চাইছিলো।মহাপরিচালক পিওন, আমি রিজেক্ট করেছি, পরিবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেট ওআমাকে করে দিয়েছে বলার পরে
পাওনাদার জন্য বিচার দিয়েছিলাম থানায়, পাওনা টাকা গুলো নিয়ে দিতে হলে ওসিকে ১০ হাজর টাকা দিতে হবে।
I had to give extra cash1500 taka money to the investigate officer while renewing my passport.
বিয়ের কাবিন নামায় ভুল করে ঘুষ নিয়ে ঠিক করার ব্যবসা। এইভাবে প্রায় প্রতিটি মানুষের কাছ থেকে কাবিননামায় ভুল করে টাকা ঘুষ নিচ্ছে ঠিক করার জন্য। উনি ফটিকছড়ি পাইন্দং ইউনিয়নের কাজী লোকমান। এছাড়াও সে মানুষের জায়গা জমি নিয়ে মামলা করে পরবর্তীতে সেগুলো বিভিন্ন জালিয়াতি করে তাদের থেকে কম টাকা দিয়ে কিনে নেই।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের OPM — ঘুষ না দিলে ফাইল ফেলে রাখে। দিনের পর দিন এটা ওটা বলে ঘুরায়। ২০০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি একটি কাজ করতে। প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অনুরোধ করতে গেলে বাজে ব্যবহার করে। পরিত্রাণ চাই।
কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের শুল্কায়ন গ্রুপ ৮এ রাজস্ব কর্মকর্তা — প্রতিটা পেপারে জোর করে ঘুষ নেন। আমার একটি পেপারে HS Code পরিবর্তন হবে বলে ২ লক্ষ টাকা চান। নইলে মামলার ভয় দেখান। এক পরিচিত ভাই এর মধ্যস্থতায় ১৫০০০০ টাকা নিয়ে পেপার শুল্কায়ন করেন। এই গ্রুপের কাজ খুব ধীর গতিতে হয়।
জমি কিনেছিলাম। জমি কিনার সময় একটা দাগ খতিয়ানে উঠে নায়। তারপর অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার সময় বিষয় টি অবগত হই।তারপর শুরু হলো ভূমি অফিসে ঘুষ যাতে প্রসেস টা তাড়াতাড়ি হয় তানাহলে ২ ৩ মাস লাগতে পারে। তার আবার সে জায়গার রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে কোটের ওখানেও ঘুষ সবমিলাই ২ জায়গায় মোট ৪০ হাজার টাকার মত লাগছে। এটা আমার কথা সবচেয়ে মজার কথা হলো একদিন ভূমি অফিসে গিয়ে বসে ছিলা কথা বলার জন্য আমার সামনে, একজন কর্মকর্তা কে ঘুষ দেওয়ার সময়, তিনি বলেন টেবিলের নিচে দিয়ে দিতে উপর দিয়ে না কারণ সিসিটিভি ক্যামেরা আছে।
আমাদের একটি সিআর মিথ্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পালন করে হাতিয়া উপজেলা জাহাজমারা থানার তদন্ত কর্মকর্তা —, যিনি আমার বাবাকে হুমকি দিয়ে (২০০০০/- বিশ হাজার টাকা ) নিয়ে নেই। পরবর্তীতে মামলায় প্রতিবেদনে দেখলাম যাহা একটি মিথ্যা এবং হয়রানি মূলক ছিলো।আমাদের সবাইকে অব্যহতি দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
আমার মা গিয়েছিল নামজারির কাগজ সই করাতে সেখানে থাকা আয়া মে— নামক এক মহিলা মাকে ভুল ভাল বুঝিয়ে বলে দিছে কাগজে অনেক ঝামেলা আছে ঠিক করলে জমি আপনার নামে হবে না হলে নাই, আর ঠিক করতে হইলে ৪০০০টাকা দিতে হবে পরে মা কোন ঝামেলায় জড়াতে চাইনি বলে ৩৫০০ টাকা দিছে পরে তারা কাগজ সই করে দিছে অথচ পরে আমি দেখলাম মাকে যা বুঝিয়েছে পুরাটাই মিথ্যা শুধু শুধু টাকা টা নিয়েছে অই — নামে ইউনিয়ন ভুমি অফিস এর আয়া কাম এসিস্ট্যান্ট
মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি চল্লিশা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে,— প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছেন, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা সম্পূর্ণভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। তাঁর এই ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ডের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে নষ্ট হচ্ছে। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।এছাড়াও তার একটি ছেলেকে ২২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম ভার্সিটির মধ্যে চাকরি নিয়েছে। ছেলের নাম —।
শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের নায়েব — গত ১৯ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে আমার নামজারি করানোর জন্য আমার থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে। আমি টাকাটা না দেয়াতে তিনি সরাসরি আমার নামজারি আবেদন টা বাতিল করে দেন। আমার কাগজপত্রে কোন সমস্যা ছিলো না। আমাকে বলেছিল খাজনা দেয়া লাগবে ৩০০০ টাকা দেন। আমি বলছি যে কিসের খাজনা। নামজারি করে অনলাইনে খাজনা দিবো। এটা শুনে তিনি নামজারি টা নামঞ্জুর করে এসিল্যান্ড অফিসে প্রতিবেদন দিয়ে দেয়।
পারিবারিক সূত্রে অর্জিত সম্পত্তি নামজারি করার জন্য পৌরসভা ভূমি অফিস উপস্তিত হয়, এরপর অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন জন্য ওনাদের একজন দাবি করেন ১২০০ টাকা, যেখানে খরচ সরকারি নীতি অনুসারে ৭৫ টাকা । এরপর আমার কাছে স্ক্যানার না থাকাই একরকম বাধ্য হয়ে ৫৫০ টাকা অ্যাপ্লিকেশন করে নেই । কিন্তু আসল বিপত্তি হই ২২ কার্য দিবস এর দিন, হটাৎ ম্যাসেজ আসে নামজারি বাতিল হয়েছে । আবারও ভূমি অফিস উপস্থিত হইলে ওনার বলে আবার অ্যাপ্লিকেশন করতে, বাধ্য হয়ে আবারও ৫৫০ টাকা দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন করে ফেলি, আমি চলে আসছিলাম এমন সময় বলে “খরচা বিষয় ছিলো বলে দাবি করে বসে ১২ হাজার টাকা, এরপর অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নামজারি করতে সক্ষম হই, শেষ পর্যন্ত আমি কোন রকম ঘুষ না দেয়ার সিদ্ধান্ত অটল ছিলাম ।