গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন
শোরুম যখন গাড়ির ডাটা করে তারপর সব ফাইল বিআরটিএ-তে জমা দিতে হয় তারপর নাম্বার জেনারেট হয়৷ এই নাস্বার জেনারেট টাকা দিলে ৭ দিনে না দিলে ২/৩ মাস লাগে। তখন ই ১৫০০ টাকা ঘুষ দিলে কাজ দ্রুত হয়।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
শোরুম যখন গাড়ির ডাটা করে তারপর সব ফাইল বিআরটিএ-তে জমা দিতে হয় তারপর নাম্বার জেনারেট হয়৷ এই নাস্বার জেনারেট টাকা দিলে ৭ দিনে না দিলে ২/৩ মাস লাগে। তখন ই ১৫০০ টাকা ঘুষ দিলে কাজ দ্রুত হয়।
প্রোভিশনাল সার্টিফিকেট এর অর্থ আগেই ফর্ম পূরণের সময় নেওয়া হয়। এখন সার্টিফিকেট নিতে গেলে ঢাকা কলেজ এর অফিসে কারো থেকে ২০০ টাকা আবার কারো থেকে ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।
বদলি হবার কারণে, বেতন বন্ধ ছিল, বেতন চালু করার জন্য এজি অফিসে, ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি টিএ ডিএ বিল অনলাইনে সাবমিট করেছি আমার অফিস থেকে হিসাবরক্ষন অফিসে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তারা হার্ড কপি লাগবে বলে। সরকারী আদেশে হার্ড/প্রিন্ট কপি এখন জমা দেওয়ার নির্দেশনা বাতিল করেছে। এরপর আমার ২০০০০ টাকার বিলে ১৫% হারে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে বিল EFT করতে হয়েছে।
নামজারির আবেদন, এর আগে ২ বার করেছিলাম। সর্বশেষ দাতার খতিয়ান ও েএনআইডিতে নামের বানান এর সামান্য যেমন — ও — এর জন্য নামঞ্জুর করা হয়েছে। কিন্তু এর জন্য ৫০০০ টাকা দিলে তা সম্পন্ন করা হতো।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই। সব কাগজপত্র ঠিক করে, কিন্তু আমাকে বলা হয়েছে কাগজপত্র ভুল আছে। কিন্তু আমি অনলাইনে সব কাগজপত্র ঠিক করে নিয়ে যাই। আমাকে বারবার বলে ঠিক করে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তারপর আমি আবারো বারবার যাচাই করে নিয়ে যাই, কিন্তু বলে ভুল। তারপর আমাকে বলে পাসপোর্ট অফিসের সাথে ফটোকপির দোকান আছে ওই জায়গায় যাওয়ার জন্য, তারপর আমি বাধ্য হয়ে ওই জায়গায় যাই। ফটোকপির দোকানদার আমার কাছে 20 হাজার টাকা দাবি করে তারপর আমি পাসপোর্ট অফিসে জানাই, তারা বলে ১৭ হাজার টাকা দাও আমি করে দেব। পরে ওই দোকানদারকে ফোন করে বলে দেয় ১৭ হাজার টাকা নেয়ার জন্য। তারপর আমার কাছ থেকে দোকানদার ১৭ হাজার টাকা নেয়।আর আমাকে পাসপোর্ট করে দেয়।আমি নিরুপায় হয়ে ১৭ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর আওতায় "নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প" (IUGIP)- প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আগষ্ট, ২০২৫ থেকে দায়িত্ব পালন করছে । প্রতিটি বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে বিল এমাউন্টের ২% এবং প্রকল্প অনুমোদন, রিকাস্ট, ক্ষেত্রে ১-৫% টাকা নিয়মিত আদায় করে থাকেন । যার কারণে ঠিকাদার সাইটে অনিয়ম করার সার্টিফিকেট পায় । প্রকল্প পরিচালক নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার সহযোগী পজিশনে তার আত্মীয়স্বজন এবং পূর্ব পরিচিতদের নিয়ে প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালনা করছেন । মাঠ পর্যায়ে ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটার অপারেটর, কার্যসহকারীদের গালিগালাজ করেন, দুর্ব্যবহার করেন, এবং চাকরি খাওয়ার হুমকি দেন । ইতিমধ্যে তার সুবিধামতো লোক নিয়োগের জন্য অনেককে ছাটাই করেছে ও ৫-৭ লাখ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়।
১২ হাজার টাকা দাবি করেছিল আমি অনুরোধ করে ১ হাজার টাকা কম দিয়ে ছিলা। কারন আমি জেনেছিলাম ঘুষ নাদিলে পরিক্ষায় পাশ করার পরও লাইসেন্স আটকে থাকে।
১৭০০ টাকার ট্রেড লাইসেন্স খরচ নিয়েছিল ১০০০ টাকা ঘুষ সোহ ২৭০০ টাকা
জমি হেবা করতে হবে। সব কাগজ পত্র ঠিক আছে, তবুও দুর্ত করতে টাকা চেয়ে বসেছে, টাকা না দিলে কাজ কবে হবে সেটা বলতে পারে না।
তথ্য ভুল করে এবং পরবর্তীতে অনেকটা বাধ্য করা হয়।
একটি মামলায় উকিল চেয়েছিলো ১০০০০০ টাকা একই মামলায় থানাতে দিতে হয়েছে ৫০০০০ পিবিআই নিয়েছে ২০০০০ ডিবি অফিসার নিয়েছে ৫০০০(দাবি ছিলো ৩০-৫০হাজার) যে কারণে ডিবি অফিসার তার রিপোর্বিট মিথ্যা দিয়েছে কাঙ্খিত টাকা না পেয়ে। বিএনপি নেতাদের চাঁদা দিতে হয়েছে ৫০ হাজার। দুই ব্যাক্তিকেদেয়া হয়েছে ১৬০০০ আরো অনেক জায়গায় টাকা দিতে হয়েছে।
ঠিকানায় থানা সিলেক্ট করতে ভুল ছিলো। আমি ভেবেছিলাম মিরপুর ১২, মিরপুর থানার অধিনে। কিন্তু এটি মুলত পল্লবী থানায়
ট্রেড লাইসেন্স বানাতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কিছু বখশিশ (ঘুষ) দাবি করর। কিন্তু পরে আমি শুধু কাজের বৈধ টাকাটা দিয়েই ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আসি।
Application denied or delay
পাসপোর্টি পাওয়ার জন্য দেওয়া লাগে। সেখানে অফিসে তাদের লোক সেট করা আছে।
আমার জেলার, সদর মডেল থানার পুলিশ/কর্মচারী এসআই/এএসআই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যাকে যেমন পারে তেমন করে অর্থের দাবি করে যে, আমাদের তো বিভিন্ন জিনিস যাচাই করতে হয় এখানে যেতে হয় ওখানে যেতে হয়, তো কিছু খরচ হয় একটা আমরা নিজেদের পকেট হতে দি তো এই টাকাটা আপনি দেন, যেমন 500/700/1000 টাকা কেও না দিতে চাইলে তার আবেদনটি অনেক দিন দেরি করে সম্পন্ন করা হয়।
প্রতি ১লাখ টাকায় বিল পাশের জন্য ---- হিসাবরক্ষণ অফিসের রেট নিম্নরূপ : অডিটর ২০০/- সুপার : ২০০/- হিসাবরক্ষণ অফিসার : ৫০০/- যিনি চেক লিখেন তার পাওনা: ১০০/- এই টাকা দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিল পাস হয়ে যায়। কম দিতে চাইলে বিভিন্ন কাগজপত্রের অজুহাতে কয়েক দিন ঘুরায়।
ঠিকাদারি বিল নেয়ার জন্য উপজেলা এল জি আর ডি অফিসে ৩% এবং প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয়ে ৫% দিতে হয় মোট বিলের প্রত্যেক ঠিকাদারকে আর ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে নিতে পিয়নদের দিতে হয় ৫০০-৫০০০ পর্যন্ত আর এ জি আফিসের পিয়ন কেও দিতে হয়।
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।