নামজারি
আমি মোট জমি ৩ বিঘা চার বারে আমার জমি খারিজ বাবদ ৪০০০ টাকা করে ঘুষ বাদি করে মোট ১২০০০ টাকা সহ আরও খাজনা বাবাদ ৯৬০০ টাকা নিয়ে মাত্র ১৮০ টাকার রশিদ হাতে ধরিয়ে দিয়েছে। নতুন নামজারির হোল্ডিং খুলতে আরও ৫০০/৩০০ টাকা আদায় করতেছে প্রতিনিয়ত।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি মোট জমি ৩ বিঘা চার বারে আমার জমি খারিজ বাবদ ৪০০০ টাকা করে ঘুষ বাদি করে মোট ১২০০০ টাকা সহ আরও খাজনা বাবাদ ৯৬০০ টাকা নিয়ে মাত্র ১৮০ টাকার রশিদ হাতে ধরিয়ে দিয়েছে। নতুন নামজারির হোল্ডিং খুলতে আরও ৫০০/৩০০ টাকা আদায় করতেছে প্রতিনিয়ত।
5000 হাজার টাকা দেওয়ার পরো নামজারি হয় নি, নায়েব বদলি হয়ে গেছে টাকা ফেরত পাইনি করোনিয়ো?
জমির নামজারী করা বাবদ। সরকার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নামজারী করতে গিয়ে করতে পারিনি। কোন না কোন অযুহাত দেখিয়ে তা বাতিল করে দেয় । পরে ঘুষ দিয়ে 1 সপ্তাহের মধ্যে নাম জারি করতে পেরেছি।
বাংলাদেশ কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে জয়েন স্টক সার্ভিসের কাওরণ বাজার অফিসে, ঘুষ ছাড়া কোন কাজে সম্পাদন করা সম্ভব না। প্রত্যেকটা ফাইলে সর্বনিম্ন ৫ হাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার ঘুষ লেনদেন করা লাগে। এই নিয়ে অনেকগুলো রিপোর্ট করা হলেও কোন প্রতিকার কখনোই আসে নাই।
হানিট্যাপ একটা মেয়ে সে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে তাকে আমি নাকি বাসাতে ডেকে বিয়ের কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক করেছি এবং এসব কিছুর প্রমাণ মেয়েটির কাছে আছে ঘটনা সূত্র হচ্ছে মেয়েটি তার অসহায়ত্বের কথা বলে আমার কাছে সাহায্য চেয়ে আমাদের বাসায় আসে এবং গোপন ক্যামেরায় রুমের ভিডিও করে নিয়ে যায় এবং কয়েকবার সাহায্য চাওয়ার জন্য সে আমাকে ফোন করে অসহায় তোর কথা বলে সে এগুলোকে ডকুমেন্ট হিসেবে কাজে লাগায় পুলিশ অন্য বিচার পরিপূর্ণ কথা না শুনে কোন প্রমাণ ছাড়াই আমার বাসায় এসে হাজিরা এবং যখন জানতে পারে যে আমার স্ত্রীর সন্তান সবই আছে এবং সে যে নারী নির্যাতন মামলা করতে চাচ্ছে মেয়েটি সেটা মোটামুটি অযৌক্তিক কারণ মেয়েটির বাসায় আমি যাই নাই মেয়েটি আমার বাসায় আসছিল তো নির্যাতন করতে তো নিজের বাসায় কেউ ডেকে
২০১০ সালে আয়কর অফিস থেকে ৫০০০ টাকা না দিলে অডিট এ দেয়া হবে বলা হয়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা অডিট এ তুলে এবং অযথা হয়রানি শুরু করে।
আমাদের বাবা মারা যাওয়ার পরে বাড়িটির আমরা মা সহ ৩ ভাইবোন এর নামে জানজারি করি। এতো বছর সরকারি ভাবে বন্টকনামা করিনি, এবার সেটা করতে হচ্ছে পারিবারিক কারণে, খোজ নিতে গিয়ে জানতে পারি, আগে পারমিশন নিতে ঘুষ লাগতো না বা বাড়তি কিছু দিতে হতো না। এখন সেটা নিতম করেছে ১,৫০,০০০ টাকা সরকারি পারমিশন নিতে দিতে হবে, আমাদের পৃত্রিক বাড়ি, আগেও নামজারি করাতে গিয়ে ১,৮০,০০০ টাকা বাড়তি দিতে হয়েছিলো। আর এখন যার যার নামে বন্টকনামা করতে যে খরচ হবে সেটা বাদেই ওই এমাউন্টও দিতে হবে হাউজিং মানে সেগুনবাগিচার সরকারি অফিসে।
ট্রেডলাইসেন্স করতে হলে প্রতি ট্রেড লাইসেন্সে সব দেওয়ার পরেও অতিরিক্ত সর্বনিম্ন ২০০০- ৮০০০/- ঘুষ প্রদান করতে হয়, এখানকার বড় স্যারকে এইটাকা না দিলে লাইসেন্স হবে না।
স্যার, এডিসির পিএকে দিয়েছি২০০০/- কমিশনার পিএকে দিয়েছি ৫০০০/- স্যার, এখন ARO,Ro 20000/-, Ac১0000/-, Ac পিএ ২০০০/-, চিঠি রেডি করা বাবদ ৫০০/- ডিসপাস৫০০/- আপলোড১০০০/- এখন কমিশনার থেকে ফাইল সাইন হয়ে আসলে টাকা লাগবে ৩৪০০০/- আমার কাছে আছে ১৫০০০/- এখন বাকী টাকা লাগবে।
টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেয় না। বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে।
রেকর্ড সংশোধন করার জন্য
Akta gd korta gachilam. Korci than 100 tk dichi niba na pora 50 tk dici. Othocho online a gd kora jai but ora approved kora na. Ar office a lika aca gd korta kono tk laga na. Ki ajob akta dash.
ইউনিয়ন পরিষদের কেউ নতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ পেতে জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধন করতে গেলে ৫০০,৮০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় টাকা না দিলে ভোগান্তি নামে অনেক ভূল ধরে আমি আমার পুরো পরিবারের জন্ম নিবন্ধন সনদ পেতে গড়ে ৭০০ টাকা ব্যয় করতে হয়েছিল
আমার নামে ৩০ ধারা মামলা হয় মাঠ জরিপ বহাল রাখতে টাকাটা চাওয়া হয়।পেশকার শাখা
ফুলবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পঙ্কজ বেরাগি, সার্টিফিকেেটের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন
ট্রেড লাইসেন্স কারেকশন এর জন্য ২৫০০ টাকা বেশি দিয়েছি , অফিস খরচ বলেছে
রেজিস্ট্রার এর পাতা ছিড়ে ফেলে
ড্রাইভিং লাইসেন্স রেজিস্ট্রেশনের সময় সবার কাছ থেকে ১০০ টাকা করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় নেয়।
সিলেট এল অ অফিস ও ডিসি অফিসে রমরমা ঘোষ বাণিজ্য চলছে দেখার কেউ নেই। এলো অফিসে জমি অধিগ্রহণ টাকা তুলতে গেলে যে পরিমাণ ঘুষ চাওয়া হয়।আর এরকম হয়রানি করানো হয় তা বলে শেষ করান না । সরকারি অফিসাররা সাধারণ মানুষের সাথে দেখা বা কথা বলেন না তারা এসের রুমে বসে গল্পগুজব করে এই সময় কাটান। ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের সাথে দেখা করা যায় না তারপরে তো ঘোষ বাণিজ্য চালিয়ে যান একজন সাধারণ মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের সাথে দেখা না করতে পারে বসে থাকে আর তারা এসি রুমে আরামে দিন কাটান এদের দেখার কেউ নেই । ডিসি অফিসে গেলেও সরকারি অফিসার রা সাধারণ মানুষের সাথে যে রকম আচরণ করে তা বলে বুঝাতে পারব না । ঘুষ দিলে কাজ হয় না দিলে কোন কাজ হয় না আর অফিসাররা যেরকম আচরণ করে । ঘোষ দিলেও তারা এরকম আচরণ করে আর না দিলে তো আরো খারা
ভবন নির্মান কাজে বাধা দিয়ে ঘুস দাবি করে। না হলে ভবন ভেংগে ফেলার কথা বলা হয়। সারাদেশে রাজউক এর যে ড্রইং দেয়া হয় তাতে কখনো ভবন নির্মান করা সম্ভব হয় না। পরে ঘুস প্রদান করে কাজ করতে হয়। অলিখিত নিয়ম যখন যে ইন্সপেক্টর আসবে বদলি হয়ে তাকেই ঘুস দিতে হবে সকল নির্মানাধিন ভবন থেকে।