বয়লার লাইসেন্স
নতুন বয়লার রেজিষ্ট্রেশন জন্য টাকা দাবি
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন বয়লার রেজিষ্ট্রেশন জন্য টাকা দাবি
i have an accident. i need stich. The Word boy demand 200tk. I have to pay.
আমার ইফা-তে চাকরি হয়েছিল। কিন্তু আমাকে এপয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়া হচ্ছে না। অতঃপর বেতনের সময় বেতন পেয়ে হচ্ছে না। যার কারণে দুই দুইবার (একবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের জন্য, দ্বিতীয়বার বেতন চালুর জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে নামে ভুল ধরে কিন্তু আমার নামে কোনো ভুল ছিলো না
আমি একটি পাসপোর্ট করার জন্য কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই তারপর আমাকে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় কিছু কিছু লোক এসে আমাকে অফার করে আপনাকে লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনি ৩০০০ টাকা দেন আপনার কাজ দশ মিনিটে হয়ে যাবে তখন আমি তাদের সাথে আলাপ করলাম আপনারা কিভাবে পারবেন আপনারা তো সাধারন মানুষ তখন তারা বলল যে ভিতরে আমাদের স্যার আছে স্যার সরাসরি টাকা নেয় না আমাদের মাধ্যমে কাজ করে
খুলনা মেডিকেলের ওয়ার্ড বয় সিস্টার আর ডাক্তার এদের ব্যবহার খুবই খারাপ
গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধে জটিলতায় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন প্রনয়নে বিলম্বিত করে। আমি প্রত্যাখান করায় দীর্ঘ ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে। উল্লেখ্য আমার গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধের জন্য কর্তৃপক্ষ অফিস আদেশ জারী করে। তারপরও কর্তৃপক্ষের আভ্যন্তরীন নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ সম্পুর্ন অযৌক্তিক আপওি অর্থাৎ বিভাগীয় বদলী সংক্রান্ত বিষয়ে আপওি দেয় এবং ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে মর্মে কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে এবং কোন সুস্পষ্ট সুপারিশ করে নাই। দীর্ঘ ২ বছর ৫ মাসের অধিক সময় আমি পাওনা পাইনি। প্রাপ্ত তথ্যের ভিওিতে আমি সকল দাপ্তরিক প্রমানক সহ কর্তৃপক্ষের নিকট এপর্যন্ত ৮টি আবেদন করেছি(সর্বশেষ ২৪.৮.২৬) ministry তেও জানিয়েছি। কমিটির আহবায়ক ইতোমধ্যে বদলী হয়েছেন।
খুরশিদ মহল জুনিয়র হাই স্কুল, গফরগাও একটি নাম মাত্র স্কুল, একটি টিনের ঘর বানিয়ে এমপিওভুক্ত করে নামমাত্র স্কুল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি টাকা খাচ্ছে। স্কুল কমিটি করে, শিক্ষক মহল মিলে সিন্ডিকেট করে নতুন শিক্ষক এনটিআরসি নিয়োগ দিলেও তারা সবাই মিলে টাকা খায়।
গত ৩/৪ মাস আগে। আমি আমার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের যাই। আমার বয়স সংশদন করার জন্য। ঐ খানে যে সচিব দায়িত্ব ছিলো ওনি বলতাছে হবে না।তখন আমি ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারট কাছে যাই। ওনি আমাকে বলতেছে ৫ হাজার টাকা দিলে করে দিবে সময় লাগবে ৭দিন। আমি তখন ওনাকে টাকা প্রধান করে। উক্ত কাজটি করে নি।
বাইকের কাগজ জমাদানের সময় আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে। এই টাকা নাকি বাইকের কাগজ করার জন্য খরচ হয়। কোনো সমস্যা ছাড়া কাগজ রেডি করতে চাইলে টাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
ঔষধ প্রশাসন এর top to bottom সবাই দুর্নীতি বাজ
আমার আইডি কার্ড সংশোধন করা দরকার হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সরকারি ফি লাগে এটা আমি জানি। তবে ওনি এটা করতে পারবেন না।ওনাকে করাতে হলে দশ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে ওনি করে দিবেন।ওনি উপজেলা নির্বাচন কমিশনের অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান করছি।
২১/৮/২০২১ সালে বাগমারা প্রায় বিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে চাকরিতে যোগদান করে অনেকে, সেই চাকরি নিতে বড় এমাউন্টের ঘুষ দিতে হয়।তার পরে বেতন করতে গিয়ে ও বড় এমাউন্টের টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমি আমার শাশুড়ি জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু নাগ ডেমরা ইউনিয়নের তোশিলদার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নামজারি খারিজ করে দেয় পরবর্তীতে আমি আবার আবেদন করি আবেদন করে আমার খালা শাশুড়ির ছেলের মাধ্যমে ৪০০০ টাকা দেওয়া হলে ৪০০০ টাকা নেওয়া সময় সে বলছে এই টাকাটা আগে দিলেই নামজারী এটা খারিজ হতো না খুব মজার বিষয় হলো নামজারিটি পরবর্তীতে মনজুর হয়েছে এই টাকার বলে টাকার শক্তিতে তো এভাবেই চলছে ভূমি অফিস সাঁথিয়া উপজেলার শুধু নাকডাঙ্গা ইউনিয়ন নয় প্রত্যেক তোহশিলদার সহ সারা বাংলাদেশের তোশিলদারের একই অবস্থা টাকা ছাড়া কোন নামজারীর প্রস্তাব ছাড়তে চায় না।,,,,,,,,,,,দুঃখের বিষয় হল আমিও একজন ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ পাবলিকের কি অবস্থা
বাংলাদেশ আনসার এ চাকরি বিষয়ে জন প্রতি ৪,০০,০০০ লাখ টাকা করে দিতে বলে।
Land documents verification. Waiting 1 months. Only got answer in serial. want unnecessary documents. Then ask for 500/ to sub land officer-. Then verification was sent to AC Land office and got the service.
I tried to heba registration for my wife, they asked for 65000 take but I was not able to do that, finally they did for 35000 taka.
টাকা না দিলে এলপিসি পাঠাতে ৩/৪ মাস সময় লাগায় বেতন আটকে যায়
ইউনিয়, চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জন্য ঘুষ দিতে হয়। চান্দিনা পৌরসভা।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য ফর্ম এর সাথে আসল জন্ম নিবন্ধন দেখাতে হয় কিন্তু আমি সেটি নিতে ভুলে গিয়েছিলাম তাই ঘুষ দিতে হয়েছে।