দলিল দাগ নাম্বারে ভুল হয়েছিল এটা ঠিক করার জন্য,
দলিল দাগ নাম্বারে ভুল হয়েছিল এটা ঠিক করার জন্য, ৪৫০০ টাকা চেয়েছে, বললাম সাথে অমুকে নিয়ে আসব সে বলে অমুকে আনতে হবে কেন কাউকে নিয়ে আসবেন না। একা আসবেন।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দলিল দাগ নাম্বারে ভুল হয়েছিল এটা ঠিক করার জন্য, ৪৫০০ টাকা চেয়েছে, বললাম সাথে অমুকে নিয়ে আসব সে বলে অমুকে আনতে হবে কেন কাউকে নিয়ে আসবেন না। একা আসবেন।
নামজারির কারণে সাব-রেজিস্ট্রার আমাদের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। এর মধ্যে তিনি নিজে ১ লাখ টাকারও বেশি নেন , কাজ দ্রুত করে দেওয়ার জন্য তিনি ঘুষ হিসেবে অতিরিক্ত টাকা। এছাড়াও কিছু তথাকথিত রিপোর্টার আছে, যারা সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে কোনো রিপোর্ট করবে না—এই কারণে তারাও এর একটি অংশ নেয়।আমাদের জমি লোহাগাড়া , জমি ২০ শতক সাব-রেজিস্ট্রার তার অফিস সময়ের বাইরে মাত্র ১৫ মিনিট অপেক্ষা করার জন্য অতিরিক্ত ২৫,০০০ টাকা দাবি করেন। সব মিলিয়ে তিনি আমাদের কাছে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন, অথচ আমরা তার টেবিলে সরকার নির্ধারিত ফি-এর যে তালিকা দেখেছি, সেখানে একই কাজের সরকারি খরচ ছিল মাত্র প্রায় ১ লাখ টাকা। শেষ পর্যন্ত আলোচনা করে আমরা ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকায় সবকিছু মীমাংসা করি এবং পুরো ৪,৯০,০০০ টাকা পরিশোধ করি।
জিপিএফ হতে কিস্তি উত্তোলনে দেয়া হয়েছে।
Went to the DPDC office in green road. I wanted to transfer the electricity bills in my name. I presented all the necessary documents, yet they still wanted bribe to complete the work. One official asked me to give him 6,500 tk to complete the work. Another staff later asked me for 10,000 tk as he can finish the work. Country needs to completely remove public utility companies - make it private, non-government so that the people will be saved from such harassment.
আসসালামু আলাইকুম বাড়ি রাউজান বিগত ২২১ আগস্ট জান থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ফাইল জমা দেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম ওখানে কর্মরত পুলিশ অফিসার আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা গুশ দাবি করে। আমার কাছে এক হাজার টাকা না থাকায় আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হলাম।
আমি গাইবান্ধা জেলার পলাশ বাড়ি থানার একজন বাসিন্দা।আমার পিতার দেড় শতক জমি রোডস এন্ড হাইওয়ে তে গেলে সেই টাকা উত্তোলনের জন্য গাইবান্ধা জেলার ডিসি অফিসের এল এ শাখায় গেলে তারা আমার ফাইল খুজে দেয় না। বিভিন্ন অযুহাত দেখাতে থাকে।তারপর আমি যখন অনুসন্ধান করতে থাকি পরে জানতে পারি এখানে মোট টাকার পাঁচ পার্সেন্ট গাইবান্ধা জেলার ডিসি,এডিসি (রেভিনিউ),এল এ শাখার অফিসার,কানুনগো সহ প্রতিটি ব্যক্তির মাঝে এই পাঁচ পার্সেন্ট টাকা ভাগ করে দেয়া হয়। পাঁচ পার্সেন্ট ছাড়া টাকা উত্তোলন তো দূরের কথা ফাইল পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা হচ্ছি ক্ষতিগ্রস্ত এই ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে এমন অমানবিক আচারন বলার মত না।এটা গাইবান্ধা জেলার ডিসি অফিসে কাউকে ফোন দিলে জানতে পারবেন।
ঢাকা কাস্টমস হাউজে প্রতিটি টেবিলে ঘুষ নেওয়া হয়, অফিস সহকারী থেকে শুরু করে কমিশনার পর্যন্ত। একটা এয়ার ফ্রেইট পেপার কায়িক পরিক্ষা করাতে ARO (অ্যাসিস্টেন্ট রেভিনিও অফিসার) কে ১০০০, শুল্কায়ন করাতে ARO (অ্যাসিস্টেন্ট রেভিনিও অফিসার) কে ১০০০ এবং RO (রেভিনিও অফিসার) কে ১০০০ টাকা দিতে হয়, এভাবে প্রতিটি টেবিলে ১০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত লাগে যা শেষে মোট দাড়ায় ৮০০০-১০০০০ টাকা। এভাবে প্রতিদিন শতশত পেপার বা ডকুমেন্টস এর কাজ করাতে হয়। একটি অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বানাতে টাইপিস্ট কে দিতে হয়েছে ২৫০০ টাকা। কাস্টমসে প্রচুর পরিমান ঘুষ লেনদেন হয় যা দেখার কেউ নেই। এটা যেনো স্বাভাবিক বিষয়। সবাই জানে যে এখানে এত টাকা দিতে হবে, সবাই মনে করে এটা খরচ। মজার কথা হলো অফিসাররাও বলে খরচ😂
এয়াপোর্টে চাকুরি করতে সিভিল এভিয়েশন পাশ লাগে, আর এ পাশের জন্য সিভিল এভিয়েশন পুলিশ ভেরিফিকেশন চায়, ঐটার জন্য টাকা চাচ্ছে।
আইন উপদেষ্টা ও সম্পওি শাখা
[redacted] এই নাম্বার থেকে ফোন করে ভুক্তা অধিদপ্তর অফিসার পরিচয় দিয়ে আমাদের এলাকার তেলের মেল এর মালিক থেকে টাকা দাবি করতেছে
আমি থানায় অভিযোগ করি পুলিশ তদন্ত পর বলে মামলা করলে। খরচ পাতি লাগবে প্রতি মামলা জন্য আজ ২০ হাজার টাকা লাগে। তারপর পুলিশ ১০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে
আমি ঢাকা ওয়াসা-জোন-4 আবাসিক 1" লাইন নিতে যাই।বিলিং সহকারী — আমার কাছে ৩৫,০০০/- দাবি করে।আমি ২মাস গুরে লাইন নেই।এখন সে আমাকে বেশি বেশি বিল করে হয়রানি করছে।— ও আমর ফাইল 1মাস আটকাই রাখছে,আমাকে বলে নতুন আবেদন দিতে। প্রধান নির্বাহি সহয়তা আমি লাইন নেয়া হয়।
Ami union office e jai amar nagorikotto sonod anar jonne Kintu amar kach theke ekjon gram police 100tk dabi kore r na hoy Nagorik sonod pabo na eta naki member er adesh chilo. Amar joruri proyujon howar karone ei tk diye ei son[d ti nithe hoyechilo.
একজন জর্জ টাকার বিনিময়ে রায় দেয় কেমনে তিনি একজন নেয় বিচারক হয়ে এটা করলে মানুষ কোথায় জাবে টাকার কাছে কি অনায় জিতে যাবে।
আসসালামু আলাইকুম, আমার বাড়ি চট্টগ্রাম, রাউজান। বিগত শনিবার ২২ শে আগস্ট রাউজান থানায় গিয়ে আমি আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ফাইল জমা দেওয়ার সময় আমার কাছ থেকে কর্মরত পুলিশ অফিসার পকেট খরচের জন্য এক হাজার টাকা দাবি করে, আমার কাছে অত না থাকার কারণে আমি তাকে বললাম আমি 500 দিতে পারব, এরপর উনি ওই ৫০০ টাকা নিয়ে আমার কাছ থেকে পকেটে রাখে। ওনার নাম —।
আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। আমি নিজে থেকে আবেদন করতে চাইলেও পূর্বে লাইসেন্স গ্রহন করেছে এমন পরিচিত লোকজনের কাছে এই প্রকৃয়া জানতে চাই, এবং সকলেই এক বাক্যে জানায় যে দালাল ধরা ব্যতীত ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া অসম্ভব। যা হোক আমি এক পরিচিতের মাধ্যমে একজনের সাথে যোগাযোগ করি যেখানে আমাকে সর্বমোট ১১০০০(এগাড়ো) হাজার টাকা পরিশোধে বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়ার কথা বলা হয়(জোয়ার সাহারা-খিলক্ষেত), কিন্ত যেখানে সরকারী ফি হচ্ছে তার অর্ধেক। উল্লেখ করা রাখা ভালো, লিখিত পরীক্ষার আগেরদিন উত্তর সহ প্রশ্ন প্রদান করা হয়। যদিও আমি গাড়ীর স্টেয়ারিংও ধরি নাই কখনও এবং প্রাকটিকাল পরীক্ষায় ফেল করা সত্তেও, টাকার বিনিময়ে আমাকে ঠিকই লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ মানুষ নিজে পাসপোর্ট করতে গেলে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্দিষ্ট তারিখে আবার আসতে বলা হয়। কিন্তু দালালের মাধ্যমে কাজ করালে এসব সমস্যা ছাড়াই কাজ হয়ে যায় এমন অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পাসপোর্টে অতিরিক্ত প্রায় ১,৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অফিসে দালালচক্রের মাধ্যমে এভাবেই চলছে অতিরিক্ত টাকার লেনদেন।
ভর্তি হওয়ার সময় তিন দিন যেতে হয়েছে তাও কাগজ চেক করা হয়নি অবশেষে যখন 1000 টাকা পিয়নকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে তারপরে গিয়ে ফাইল এক্সেপ্ট করছে
আমার শ্বশুরের ফাইল অডিটে পড়েছিল। উনি প্যারালাইজড হয়ে শয্যাশায়ী। সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা প্রথমে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে। সেটা না দেওয়াতে পরে ৪০০০০ টাকা দাবী করে। অসুস্থতার কথা বলে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে হুমকি দেয় যে এখন ৪০০০০ টাকা না দেওয়াতে হয়ত পরে লক্ষ লক্ষ টাকা পকেট থেকে বের হয়ে যেতে পারে। সর্বশেষ পর্যালোচনা রিপোর্টে প্রায় ২৫০০০০ (আড়াই লক্ষ) টাকা ট্যাক্সের দাবী টেনেছে। সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানোর পরে উনি অভিযোগ গ্রাহ্য না করে ২৫০০০০ টাকা জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পুরোই হতাশ।
4 Times electric bill 3 months. After complaining they will send someone for checking. To fast track the process asked for 1000. For Travel cost 500 extra.