জন্ম নিবন্ধন
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য আমার থেকে খরচ দেখিয়ে ১৭০০ টাকা নেয়। (Year: 2017 )
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য আমার থেকে খরচ দেখিয়ে ১৭০০ টাকা নেয়। (Year: 2017 )
Brahmanbaria Passport Office a passport korte gele ei normally tara onnek jamela kore ei documents nai oi documents nai but jokon kew Channel ar maddhome (Dalal ar Maddhome) Jai tokon kew ei r kono problem hoi na dalal aponer application copy tea tader akta email address application ar Emargency Contact Info tea add kore rakhe de jeno office ar lok ra chinte pare easily. Normally Passport 10 Year 48 Page - 5750 but dalal ar maddhome gele 1500-2000 tk extra neoya hoi. Office ar AD kase gele oni ajker ta kalke kalker ta porsodin ei rokom natok kore
Tax information mismatch issue
আমাকে বার বার ভুল আছে মরমে হয়রানি করতেছিলো ৩ দিন গুরেচি ঘুষ না দিয়ে কাজ করার জন্য। কিন্তু আমি নিরুপায় হয়ে ঘুষ দিতে বাদ্য হয়েছি ৩দিন পরে একজনে বললো দালাল না দরলে আপনাকে শুধু এভাবে গুরতে হবে কিন্তু পাসপোর্ট পাবেন না তাই শেষে উপায় না পেয়ে দালাল ধরে ১৫০০৳ দিয়ে আমার কাজ সম্পুর্ন করলাম
আমি ভিসা করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হচ্ছিলো আর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আবেদনের জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা ১২০ টাকা দাবি করে এবং কোনো রিসিপ্ট দিতে অস্বিকৃতি জানায়। বি: দ্র- আমি আগেও ঢাকা থেকে নিয়েছি কোনো প্রকার ফি ছাড়া। স্থান-রায়পুর পৌরসভা লক্ষীপুর।
গতো জুন মাসে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার ২- খাগরিয়া ইউনিয়নের ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের মেম্বার — কর্তিক জানতেপারি যে মাতৃকালিন ভাতার জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। আমি আবেদন করাতে আগ্রহীকিনা জানতে চায়। আমি সম্মতি জানালে মেম্বার সাহেব আমাকে জানায় যে ৩০০০/= টাকা দিতে হবে। আমাকে প্রলোভন দেখায় যে অন্যান্য বারের চেয়ে এইবার টাকা বেশী দিবে, যেহেতু দেশে নির্বাচিত সরকার আসছে তাই। এক প্রকার আমাকে বাদ্য করেন যে আবেদনের তারিখ শেষের দিকে তাই তারাতাড়ি করতে। আমারো আর ভালোভাবে জানার সুযোগ হয়নি।
জমি ক্রয়ের পর সেটি রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে সাব রেজিস্টার অফিস থেকে জানানো হয় যে একটি কাগজের মূল কপি দরকার ছিল কিন্তু সেটির ফটোকপি আছে। আমরা ফটোকপি দিয়ে কাজটি করতে বললে সেখান থেকে জানানো হয় যে মুলকপিই লাগবে তাছাড়া কাজ হবে না। পরবর্তীতে তারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে কথা বলে জানায় যে উল্লেখিত পরিমাণ টাকা দিলেই কাজটি করে দেওয়া যাবে। স্ট্যাম্প পেপারে রেজিস্ট্রেশন এর তারিখ বসানো থাকায় এবং গ্রহীতা একাধিক ব্যক্তি হওয়ার কারণে পরবর্তীতে তারিখ মেলানো অনেক কঠিন হওয়ায় আমরা টাকা দিতে বাধ্য হই।
প্রতি বছর সো’ মিলের লাইসেন্স নবায়ন করতে ১১০০০ দেওয়া লাগে। কিন্তু সরকারি ফিস ৫০০টাকা+১৫% ভ্যাট সহ ৫৭৫ টাকা। কিছু বললেই অধঃস্তন কর্মচারীরা বলে উপরের স্যারদের দাবি আরও বেশি। আমরা কম নিচ্ছি। আওয়ামীলীগ সরকারের সময় ৫০০০ টাকা লাগতো। অন্তবর্তীকালিন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১১০০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে।
নতুন মোটরসাইকেল কেনার পর নিজে নিজে এর আগে একবার রেজিস্ট্রেশন করছিলাম । শোরুম থেকে করতে গেলে ২/৩ হাজার টাকা এক্সট্রা লাগে । আগের গাড়ি টাও পাশের জেলা কুষ্টিয়া থেকে কেনা ছিলো । কিন্তু পরের বার ব্যাংক এ টাকা দেওয়া প্লাস গাড়ির ডকুমেন্ট নিয়ে বিআরটিএ তে জমা দিতে গেলে তার ডাইরেক্ট কোম্পানি থেকে কনফার্মেশন করবে তাও আবার চিঠির মাধ্যমে । পরে আমি পাশের জেলার শোরুম এ ফোন দিলাম , তারা বলল এগুলা টাকা খাওয়ার জন্য একটা ওয়ে করে রাখছে । ১ মাস ধরে ৩/৪ বার ৩০ কিলোমিটার গাড়ি নিয়ে ঘুরছি শুধু পাবনা বিআরটিএ তে ।
ঘুষ ছাড়া দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে চায় না সাবরেজিস্ট্রার। দলিল লেখক ও স্টাফ দের মাধ্যমে ঘুষ নিয়ে থাকে।
চট্টগ্রাম কাস্টম এর শুল্কায়ন গ্রুপ ৪ এর সহকারী কমিশনার — একটি পণ্য চালান ছাড়ের ১৫০০০০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে পণ্য ডেমারেজ এর কথা চিন্তা করে ১২০০০০ টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়। এই গ্রুপে অযথা পণ্য শুল্কায়ন ফাইলে হয়রানি হতে হয়।
সব কিছুই ঠিক ছিল।আমাকে বলা হয়েছিল ১ দিন পর আসতে। আমি বেরিয়ে যাওয়ার পর ফোন দেয় আমার পাসপোর্ট ডাস্টবিন এ পরে আছে পাসপোর্ট হবে না।তারপর দালান এর মাধ্যমে ১৫০০ টাকা নিয়ে পাসপোর্ট করে দেয়।
মোবাইল হারানো গেছে।। জিডি করছি জিডির কপি আছে।। ওই বলে মোবাই চান না কি শুধুই জিডি করছেন।মোবাইলের দাম কত?? বলি ১৯০০০ টাকা। পুলিশ তদন্তকারী তার নেট সাস বাবদ ১০০০টাকা দাবি করে।এরং বলে যে যতো বার সাস দেবে তত বার ১০০টাকা দিতে হবে।। ৫বার হলে ১০০০×৫=৫০০০ মোবাই যদি পাওয়া যায় তাহলে খুশি করতে হবে।।
আমি একটি আমার বাড়ির কনস্ট্রাকশনের সময় কনস্ট্রাকশন মিটার ইউজ করতাম। কনস্ট্রাকশন মিটার শেষ হওয়ার পর মিটারের তেরি পরিবর্তন করার জন্য। পিডিবি অফিসে গেলে আমার পরিচিত একজনের সহায়তায় এপ্লিকেশন সাবমিট করি এবং সে বলে দিয়েছিল কোন টাকা পয়সা দিবেন না। পরবর্তীতে যার কাছে জমা দিয়েছিলাম সে ৪০০০ টাকা দাবি করে বলল ভাই আমি না নিলে কি হবে? কিন্তু বাকিরা তো মনে করবে আমি পুরাটাই মেরে দিছি সুতরাং বাকিদের ভাগটা হলেও দিতে হবে। এই হচ্ছে আমার সোনার দেশের অবস্থা।
কলেজে কোনরকম কাগজ পত্র জমা / তোলার ক্ষেত্রে অফিস সহকারীরা ঘুষ দাবি করেন। সকলের কাছে এভাবে ঘুষ নিয়ে ঘুষ বানিজ্য গড়ে তুলেছে তারা
আমি আমার বাবার জন্য পাসপোর্ট নবায়ন করিতে ফরম এ পেশা পরিবর্তন করে ব্যবসা লিপিবদ্ধ করি। আমাকে ট্রেডলাইসেন্স দিতে বলে আমি সাথে ট্রেডলাইসেন্স নিয়ে যায়নি। পবর্তীতে আমি তথ্য কেন্দ্রে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে দায়িত্বরত পুলিশ কষ্টেবলের সাথে যোগাযোগ করতে বলে, সে 2500 টাকা দাবি করে আমি 2000 দিব বলে তার সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হই। পরে সে কলম দিয়ে পেশা পরিবর্তন করে একটি স্বাক্ষর দেন। এরপর আর কোন জটিলতায় পড়তে হয় নি কাজ সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেছে। ভিতরে যে অফিসার প্রথমে হবে না বলছে সে তখন স্বাক্ষর দেখে কিছুই বলে নি।
India treatment chilo 1 week ager sokol report chilo je bektitir liver cirrhosis hoice, mara zabar age blood vomiting hobe. Akdin office e zeye vomiting hoi, r sesob t-shirt e lege zai. Rajshahi medical hospital a admit er somoy registry accidental case likhe dei. R sedin ratei 11tar somoy mara zai r 1 year er medical report dekhanor poreo police dead body release kore nai 3 lakh nebar pore body release koreche. Manus more zeyeo tar family ke kivabe hoirani korche. Aha taka! 3 lakh takai oi vaba mora family 3 yrs dal vat kheye bazte parto.
আমার এনআইডি কার্ডের নাম ও জন্ম তারিখ পাসপোর্ট এর সাথে মিল ছিল না, তা সংশোধন করেছিলাম।
, আমি সরকারি অফিস থেকে ৩ টি ই - নামজারি করতে গিয়ে ৭০০০ গুন ৩ = ২১০০০ টাকা ব্যাতীত তারা কাজ করে না বলে জানায়। পরবর্তীতে কিছু কমে ১৭০০০ টাকায় করেছি পরবর্তীতে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বলা প্রতি ইনামজারি ১১৭০ টাকা। সে জায়গায় তারা অতিরিক্ত টাকা ছাড়া কাজ করতে নারাজ। উপজেলা : দেবিদ্বার, জেলা : কুমিল্লা
আমি মূলত ২০২৩ সালের দিকে পাসপোর্টের যাবতীয় আনুষ্ঠানিক নিয়ম মেনেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। কিছুদিন পর, পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে তাঁর নির্দেশিত একটি নির্দিষ্ট স্থানে দেখা করতে বলেন। কথামতো আমি সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর তিনি আমাকে কিছু রুটিনমাফিক প্রশ্ন করেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি ভেরিফিকেশন বাবদ আমার কাছে দেড় হাজার (১৫০০) টাকা দাবি করেন। আমি কিছুটা বিস্মিত হয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তিনি যুক্তি দেন,তথ্য যাচাই-বাছাই ও নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণে তাঁদের কিছু দাপ্তরিক বা আনুষঙ্গিক খরচ হয়, যা আবেদনকারীকেই বহন করতে হয়। আমি সরকারি নিয়মের প্রসঙ্গ তুলে আরও বিস্তারিত জানতে চেয়ে আপত্তি জানালে তিনি স্পষ্ট কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেননি, বরং বিষয়টি নিয়ে কিছুটা জটিল