জমি খারিজ
আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ দাবি করা হয় এবং আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ দাবি করা হয় এবং আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি
নাগরিক সার্টিফিকেট আনাত গেলে আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। কিন্তু আমি তা না দিয়ে তর্কাতর্কি করে চলে আসি।
ফায়ার লাইসেন্স অনলাইনে আবেদন করার পর যখন পরিদর্শন এর সময় হয়েছে তখন তাকে প্রদান করতে বাধ্য হয়েছি
আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে এবং আমাকে ৫ মাস ঘুরায়৷
আমি প্রথমে পাসপোর্ট করতে ফাইল রেডি করে অফিসে যাই । প্রথমে তারা আমার ফাইল দেখে বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনে ভুল আছে, কাগজ সব নেই এইরকম অনেকগুলো অজুহাতে আমার ফাইল রিজেক্ট করে দেয় । আমি তাদেরকে কি কি সমস্যা আছে সেগুলো লিখে দিতে বললে তারা আমার সাথে ধমক দিয়ে বের করে দেন। পরে অফিসের বাইরে একজন আমাকে পার্শ্ববর্তী কম্পিউটার দোকান থেকে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে আবার আবেদন করতে বললে আমি আবার আবেদন করে নিয়ে গেলেই তারা পাসপোর্ট করার সুযোগ করে দেন। আগের আবেদন আর নতুন আবেদনের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে তাদের বানানো একটি ইমেইল আইডি বসাতে হয় যা দ্বারা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সন্ধ্যার পর টাকা পেয়ে থাকেন।
ওখানে ঘুস ছাড়া পাসপোর্ট করা যায় না খালি ঘুরাবে .
আবেদন করেছি ১ বছর আগে। এখনো সংযোগ দেয়নি। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে হয়রানি করতেছে।
যে কোন কাজের জন্য ১০০০০০ টাকা জন্য তাদের কে ২০০০০টাকা ঘুস দিতে হয়। এবং টাকা পেমেন্ট না করলে চেক দেওয়া হয় না।
ssc exam er practical exam e number na dewar voi dekhie othoba nasta khawar nam kore student der kach theke tk chawa hoi. abong tk er poriman kom howar karone beshirbhag student dieo dei jeta khubi lojjajonok. bisoy ta khotie dekha houk.
জমির সাবেক দাগ নম্বর সংশোধনের জন্য।
দুইটা মিটিশন এর জন্য ১৬হাজার চুক্তি , ১টা হওয়ার পর , বলে তোমার কাগজে সমস্যা আছে বাড়তি টাকা লাগবে, পরে টাকা দিলে ঠিক হয়
একটি এগ্রো ফার্মের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে এটি দাবি করা হয়। দুইদিন ঘোরাঘুরি করে অবশেষে পরিশোধ করলে আবেদন নেয়া হয়।
After giving all document,they harasse me nearly one month.after that with no improvement,i paid the bribe.
Madhupur Shahid Smrity Higher,The principal taken extra amount from us for doing the transfer my doughter.
ভুমি কর পরিশোধ করার জন্য গেলে ২৫০০০০ টাকার কথা বলে আর ৮০০০০ হাজার টাকা ঘুস দিলে ১০০০০০ টাকা হয়ে যাবে তার মানে ৮০০০০০ টাকা ঘুস ১০০০০ টাকা কর পরিশোধ এর স্লিপ দিবে।
আমার মা একজন গ্রিহেনি । আমার বারি রামগঞ্জ আমরা কিছুদিন আগে মায়ের ভোটের আয়িদির জন্ন গ্রামে জাই অনেক কাগজ মেনেজ করতে বলে কিন্তু করার পরেও তারা বলে কন হাত লাগাভে না । টাকা চায় ১৫০০০ একন আমরা ২ ভাই ২১, ২৪ মায়ের ভোটের আয়িদি ছাড়া আমরা আমদারের তা করতে পারভ না তাই বাদ্দ হয়ে তাকা দিয়া কাজ তা করান লাগচে
জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
পরবর্তীতে প্রতিপক্ষ সেই পরিমান কিংবা তার চেয়ে ও বেশি টাকা দিয়ে কাজ করে নিয়েছিল,এসি ল্যান্ড ছিলেন,—,মিডিয়া ছিলেন সংশ্লিষ্ট অফিসের ঝাড়ুদার —,সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভুমি সেবা অভিযোগে প্রতিকার চাইলে একপর্যায়ে আমাকে সংশ্লিষ্ট সাইটে ব্ল্যাক লিস্টেট করা হয়,পরে আমি ও জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার এবং দুর্নীতি দমন কমিশন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠালেও আজ পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠান থেকে আমাকে ডাকেনি বিষয়টার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য,রেজিস্টার্ড এডিযোগে চিঠি পাঠিয়েছিলাম,চিঠিগুলো বিলির কোন প্রমাণ আমাকে দেয়নি, পরে অবশ্যই অনেক কাহিনী করে জিপিও থেকে আমি সেসব প্রমাণ সংগ্রহ করে রেখেছিলাম ভবিষ্যৎ উদৃতির আশায়!
টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না। নামের করনিক ভুল সং শোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা নিছে,শরিয়তপুর জেলা,ভেদরগঞ্জ থানা, ভুমি অফিসের সহকারী অফিসার —।
আমি পার্সপোট বানাতে আমার জেলার খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক পার্সপোট অফিসে যাই সেখানে অযথা নানান উল্টা পাল্টা কাগজের কথা বলে আমার আবেদন আটকে রাখা হয়। পরে আঞ্চলিক কর্মকর্তা মহোদয়ের কাছে গেলে দেখা যায় তিনি ও ঘুষ খোর ৫০০০ টাকা চান। পরে পার্সপোর্টটি প্রযোজন হওয়ায় আমি ৩০০০টাকা দিয়ে পার্সপোটটি গ্রহন করি। কিন্তু বিষয় যে, ঘুষ দেওয়ার পরে কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। এবং দেখলাম ঘুষ দিলে একটি এনআইডি ফটোকপি ছাড়া আর কিছু লাগে না।