নাম জারি
নাম জারির ফাইল অফিস টু অফিস তাই এসিল্যান্ট 2500 ইউনিয়ন ভৃমি অফিস 2500 টাকা দাবি করে
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নাম জারির ফাইল অফিস টু অফিস তাই এসিল্যান্ট 2500 ইউনিয়ন ভৃমি অফিস 2500 টাকা দাবি করে
ঢাকা জেলার পাশ্ববর্তী একটি উপজেলা হতে ঢাকা সিটির একটি বিদ্যালয়ে বদলীর জন্য এই টাকা দাবী করতেছে।
যার কাজ হলো বিভিন্ন মামলার কথা গুলি টাইপ করা । পুলিশ বেশি মানুষকে ঢুকতে দেয় না। আমার চার থেকে পাঁচ লাইনের লেখার জন্য তাকে 200 টাকা দেওয়া লাগে একশ টাকা নেয় না 😡😡😡😡 দেশটা কি ঘুষ মুক্ত হবে না কখনো ?
সিরাজগঞ্জ স্বাস্থ্য সম্মত গরিব লোকদের সরকারি ভাবে ওয়াশরুম করে দিচ্ছে এখন বিষয়টি হলো তারা প্রতি জন নাকি পাঁচ হাজার করে টাকা চাচ্ছে। মোট সংখ্যা হলো ১২৬০ টি।তাহলে টাকার পরিমান হয়:৫০০০×১২৬০=৬৩,০০০০০ টাকা।এই টাকা টা কে নিবো।তাহলে গরিবদের দেওয়ার নামে তার ব্যবসা করছে।
জমি ৯শতাংশ দুইনামে খারিজ করতেগেলে বিভিন্নভাবে বুজিয়ে, ৩৪হাজার দাবি করে, পরে দুজনেই স্বামী স্ত্রী হওয়ায় ২৫হাজার বলে। তাতে উপায়নেই ভেবে তা করতে বাদ্য হই।
রেলওয়ে থেকে ইজারাকৃত দোকান, লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে প্রতি বছর ৫শ টাকা দিতে হয়। এ বছর ১ হাজার দাবী করেছে।
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করা লাগে দুই বছর পর পর । নবায়ন করতে গেলে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয় প্রতি বার। সরকার অনেক আপডেট করছে কিন্তুু মূল জায়গায় আপডেট করে নাই। সব ধরনের পেমেন্ট অনলাইনে নেয় এটা নেয় না অফিসে গিয়া ঘুষ দিয়ে করতে হয় । সিস্টেম করা উচিৎ ছিল অনলাইনে নবায়ন করার সিস্টাম নির্ধারিত একটা টাকা দিবে বিকাশে একটা রিছিভ বের হয়ে আসবে । নাবায়ন হয়ে যাবে। ওই রিচিভ কপি দোকানে জুলিয়ে রাখবে।
নৌপরবহন অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকুরী রাজস্বখাতে স্থানান্তরের ফাইল উঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব কর্তৃক ২০০০০০ টাকা পরোক্ষভাবে ঘুষ দাবী করা হয়। এটা প্রত্যাখ্যান করার কারণে ফাইল আটকে রাখা হয় এবং অধিকার বঞ্চিত করা হচ্ছে।
এই মাসে ১৮ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে রংপুর মেট্রো তাজহাট থানায় একজন আসামীর কাছ থেকে ৩০০০০ টাকা রিমান্ডে নিয়ে ঘুষ নেয় তাজহাট মেট্রো থানার ওসি। এবং ওই আসামিকে জিজ্ঞেস বাদ করতে বাদির নিকট মামলার আয়ু এক লক্ষ টাকা নেয়।
এতিমখানার ক্যাপিটেশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সেখানকার মাজসেবা অফিসের কেরানী কে প্রত্যেক রিনিউয়ালে কমপক্ষে দুই লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা উৎকোচ দেয়া লাগে। তাছাড়া, প্রত্যেক কিস্তির পেমেন্ট পেতে আরও ২% থেকে ৩% অতিরিক্ত অর্থ পরদান করতে হয়।
ঘটনা গাজীপুর ভূমি অফিসের, পরিচিত একজন( শত্রু) টাকা দিয়ে ভূমি অফিসে পর্চার যে ফাইল থেকে সেখান থেকে আমাদের নথি থেকে ছিড়ে ফেলেছে, এবিষয়ে পড়ে জানা হলে আমরা যোগাযোগ করলে ভূমি অফিসের একজন সব ঠিক করার অজুহাত দেখিয়ে পচুর পরিমাণ অর্থ দাবি করে।
গত বছর আমার ফ্লাটের রেজিস্ট্রেশান সম্পন্ন করি। কয়েকমাস পর, রাজউক মতিঝিল শাখায় যাই সকল কাগজপত্র নিয়ে নামজারি বা মিউটেসান করতে যাই। উনারা আমাকে বলে সব ঠিক আছে অফিস খরচ ২হাজার আর টেবিল খরচ ২০০০০। আমি বললাম ভাই আমার তো কোনও ইস্যু নাই কাগজপত্রে, কেন এক্সট্রা লাগবে? উনি বলেন যে ভাই টাকা না দিলে আপনার খুত বের করার জন্য বিভিন্ন টেবিলে লোক বসে আছে, আর আপনার যেঁই পরিমাণ আসা যাওয়া দৌড়াদৌড়ী করা লাগবে তাতে আপনার কাছে এই টাকা অনেক কম। আজ টাকা দিয়ে যান অর্ধেক, এক সপ্তাহ পর এসে কাগজ নিয়ে যাবেন। না হলে কয়মাস লাগে ঠিক নাই। শেষ পর্যন্ত আমি আমার এক পরিচিত সরকারি লোকের সাথে কথা বলি, উনি বলেন যে, আপনি নিজে চাকরি করে এতো দৌড়াদৌড়ি করতে পারবেন না, দিয়ে দেন। না দিলে বরং ঝামেলা অনেক হবে, বাধ্য হয়ে টাকা দেই।
অনেক বছর বাকিছিলো কর দেওয়াই তাই কর দিতে গেছিলাম এখন সকারি খাতা অনুযায় অনেক বেশি টাকা দেওয়া লাগবে তাই সে নিজে প্রচতাব দিয়েছে তাকে ৩০০০০ টাকা দিলে কমের মধে কম খরচ করে কর পরিশোধ কাজগ বের করে দিবে
Cng গাড়ি ফিটনেস বা রুট পারমিট করতে গেলে দিতে হয়, দালালের মাধ্যমে দিতে হয়
Trademark registration er jonno apply kori, then ojotha ekta claim diye dey j amr brand er nam naki bivranti chorabe manusher mone but 42000 taka dile claim tule nibe, Kono bivranti thakbe na
আমার জমির দাম ছিল ৫০০০০০সেখানে ঘুষ ঠুস দিয়ে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে দলিল করে দেওয়ার জন্য
বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজনে আমি দুইদিন আগে অনলাইনে সরকারি ওয়েবসাইট https://pcc.police.gov.bd এ ৳১৫১৫ সরকারি ফি পরিশোধ করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আজকে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে ফোন করেছিল ভেরিফিকেনের জন্য। থানায় যাওয়ার পর থানায় কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর ওনার ডেক্সে বসিয়ে একজন পুলিশ অফিসার আমার তদন্তে যাবে উল্লেখ পূর্বক আমার থেকে ৳১০০০ দাবী করে। নাহয় ভেরিফিকেশন পেন্ডিং থাকতে পারে বলে ইনডিরেক্টলি এই সেই বলেন। পরে আমি অনেক জোরাজুরি করে ৳৫০০ দিয়ে ম্যানেজ করেছি। এখন আমার PCC সার্টিফিকেট status দেখা যাচ্ছে ভেরিফিকেশ সম্পূর্ণ হয়েছে। কোনো পুলিশ তদন্তেই আসেনি। এই হলো অবস্থা। থানা-পুলিশ এখনো আগের মতোই দুর্নীতিগ্রস্থ থেকে গেল!! আফসোস।
For replacement of water meter, Lalmatia wasa office demand extra 7000 taka for the work. During meter replacement at home they demand 5000 service charge for it. Total 12000 taka we have paid.
লাইসেন্স নবায়ন করন করতে এক লাখ বিশ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল
নাটগর ইউনিয়ন অফিসে নামজারির জন্য গেলে তারা আমার কাছ থেকে ২৭০০০টাকা নেই। তবে সরকারি ফি কত আমি জানতাম না তাই আমি টাকা পরিশোধ করে দেয়। এখন অনলাইনে দেখি নামজারির ফি ১১৭০টাকা