rs sa রেকর্ড অফিস
আমি rs রেকট মামলায় জজ রেকর্ড সংসদন করান জন্য অনুমতি দেওয়ার পরও তারা টাকা দাবি করছে।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি rs রেকট মামলায় জজ রেকর্ড সংসদন করান জন্য অনুমতি দেওয়ার পরও তারা টাকা দাবি করছে।
বিএড ফাইল উপজেলা হতে জেলায় ফরওয়ার্ড করার জন্য বাধ্যতামূলত দিতে হল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে।
রেকর্ড সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম জরিফ অফিস একটা প্রতিবেদন যোনালল অফিসে পাঠাবে কিন্তু সেই প্রতিবেদন বাব টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
হেবা দলিল করতে ৮০, ০০০/ টাকা নিয়েছে। দলিল লেখক বললেন, সাব রেজিস্ট্রেশন, সমিতি ও অন্যান্য খরচ বাবদ এই টাকা।
জেটি কাস্টমস এর সহকারী কমিশনার — পণ্য পরীক্ষণ করতে বিভিন্ন পেপারে বিভিন্ন পরিমাণ ঘুষ দাবি করেন। নইলে পেপার আটকে রাখেন। নানাভাবে হয়রানি করেন। পরিত্রাণ ও সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
প্রতি ড্রেসিং ২০০-৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। লোকেশন: জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউট
Passport office এর গেট এ একজন আনসার সদস্য আমার কাগজ পত্র তে একটু প্রবলেম হয় তার কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে সে 1500 টাকা দাবি করে এবং বলে টাকা দিলে সে সব করে দেবে আমি না করছি ।এছাড়া অফিস এর বাইরে computer এর দোকানে সবাই দালালি করে।
অনলাইন এপ্লিকেশন সুসম্পন্ন হলেও নানা অজুহাত দিয়ে ভুল দেখিয়ে সেটি আবার টাকার বিনিময়ে ঠিক করে দেয়ার কথা বলছে রংপুর পাসপোর্ট অফিস।প্রায়ই এই ঘটনা ঘটছে। প্রত্যেক পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফাইল জমা দিলে ১৫০০/২০০০/৩০০০ করে টাকা চাচ্ছে। এই ঘটনা প্রায় ২-৩ বছর ধরে চলে আসছে।
পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে অরিজিনাল পরিচয়পত্র থাকার পরেও “সার্ভার কপি” দাবি করে। পরে অফিসের এক কর্মচারী টাকার বিনিময়ে সম্ভব বলে। বাহিরে শালবাগান বাজার সংলগ্ন এক কসাই এর দোকানে নিয়ে ১২০০ টাকার বিনিময়ে অনেকের কাছে আবেদন পত্র হাতে নিয়ে প্রথম পেজের ছবি হোয়াটস এপে আবেদন জমার কাউন্টারে পাঠায়। তখনই কাউন্টারে আবেদন নিয়ে জমা দিতে গেলে টু শব্দ ছাড়াই আবেদন গ্রহন করে নেয়। আমার সাথে আরো ৫ জনের কাছে টাকা নিয়েছে। কিছুক্ষন অপেক্ষা করে দেখতে পাই আনসার সদস্য থেকে দোতলার সিনিয়র কর্মকর্তারাও সরাসরি জড়িত। গোপন সুত্রে জানতে পারি এটা ভাগবাটোয়ারা হয়। ডিডি থেকে গেটম্যান সবার মাঝেই।
সাধারণত জন্ম নিবন্ধনের নাম এবং তারিখ পরিবর্তনে 50 থেকে 100 টাকা খরচ হয়। কিন্তু পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সেখানে 300 টাকার উপরে দাবি করে থাকে এবং সর্বনিম্ন ৩০০ টাকা দিতে হয়।
১। ধোপাদিঘী/ওসমানী শিশুপার্ক নাম দিয়ে বৈধভাবে দখলের তথ্য : জমির প্রকৃত মালিক-সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, বন্দরবাজার এর খতিয়ান নং-০৭, এস,এ দাগ নং-৭৫৩২, খতিয়ান নং-৪০, এস,এ দাগ নং-৭৫৩২ বিআরএস দাগ নং-৩৩৬০৩, ৩৩৬০৪, ৩৩৬০৫, ৩৩৬০৬, ৩৩৬০৭, ৩৩৬০৮, ৩৩৬০৯, ৩৩৬১০, ৩৩৬১১, ৩৩৬১২, ৩৩৬১৩, ৩৩৬১৬, ৩৩৬১৭ ও ৩৩৬১৮=মোট জমি-৩.৬১৮৮ একর। ২। পৌর বিপণী মার্কেট নাম দিয়ে বৈধভাবে দখলের তথ্য : জমির প্রকৃত মালিক: সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর খতিয়ান নং-০৭, এস,এ দাগ নং-৮০৫১, বিআরএস দাগ নং-৩৩৬৯৩=মোট=০.৮৮৭৫ একর। ৩। সিটির গাড়ী পার্কিং স্থান (আবু তুরাব মসজিদের দক্ষিণ পাশে) বৈধভাবে দখলের তথ্য : জমির প্রকৃত মালিক: সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, এর খতিয়ান নং-০৭, এস,এ দাগ নং-৭৯৭৯, ৭৯৮০, ৭৯৮১, বিআরএস দাগ নং-৩৩৬০১=মোট=০.৩৯২৪ একর।
পারিবারিক বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জ থানার এসআই — কর্তৃক বিবাদী পক্ষের নিকট ২০ হাজার টাকা সালিশ ফি দাবি
I crossed the road on Gulshan 1 Shooting Club, it was 2016. Then the crossing was open. I crossed the road and tried to drive on S Badda Road. This road is situated between Police Plaza and Gulshan Shooting Club. I am a local person in Badda and have been using this road since my childhood, for more than 15 years. Suddenly, a police stoped me and told me that this road is a one-way road but still lot of vechele are running toward opposit derection boght lane at opposit derection, and still it is two way roads. I told him that there is no one-way signboard. Then the police add more cases like misbehaving, obstructing, and road blocking. than police behaved very badly, took all the papers.
নামজারীর জন্য ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা — নাম সম্ভবত, ওনি ১৮০০০ টাকা চেয়েছেন। তাছাড়া প্রায়শই খাজনা পরিশোধ করতে গেলে ১০০০০ টাকা খাজনার যায়গায় ২০০০-৩০০০ টাকায় হালনাগাদ করে দেওয়ার কথা বলে এর জন্য অতিরিক্ত ২-৩ হাজার টাকা চায়। ১০০০০ টাকার যায়গায় ৫০০০ দিতে পারলেও পাবকিক ও খুশি কিন্তু ক্ষতি তো সরকারের। আমরা শহরে থাকি বলে ২-১ দিনের জন্য মফস্বলে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কাজ করানো ছাড়া উপায় থাকেনা। আমরা জিম্মি
নামজারী করতে দিয়েছি। টাকা ছাড়া করবে না। সরাসরি না চেয়ে অন্য মাধ্যমে টাকা চেয়েছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না।
২০২২ -২৩ সালে আমরা একটা সেবা মূলক ডায়াগনস্টিক দেওয়ার লক্ষ্যে ব্যাবসা শুরু করি কিন্তু আমাদের সব কিছু অকে হওয়ার পরও ২০২৬ জুন পর্যন্ত আমার ফাইল টা চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে পেইন্ডিং রয়ে যায়। আমরা অনেক বার যোগাযোগ করি প্রতিবারই আমাদের বলে এই সমস্যা সেই সমস্যা, এবং ৪-৫ বার পোর্টফলিও বুক রেডি করে দিতে বলায় রেডি করে দেয়। ২০২৩ সালে আমাদের একজন পার্টনারকে ৬০০০০ টাকা দাবি করেন কাজ টা করে দেওয়ার জন্য। তখন আমরা বলছিলাম আমাদের ত সব অকে তারপরও কেন টাকা দিব তারপর উনি ফাইল টা পেন্ডিং রাখেন পরবর্তীতে জুলাই ২৪ এর পর থেকে আর যোগাযোগ করি নাই। উনাদের এহ্ন আচরণে আমরা খুব বিরক্ত হয়। এবং আমরা ব্যাবসায় বিনিয়োগ হারাতে থাকি। ২০২৬ এ এসে ১২০০০০ টাকা দিলে দিলে ফাইল্ টা অটো কাজ হয়ে যায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানার আওতাধিন কাঞ্চন ব্রিজ এর টোল প্লাজা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ এর একটি টহল দল থাকে যাদের কাজ হচ্ছে অটো cng থেকে monthy নামক মাসিক চাদা আদায়, ট্রাক থেকে টাকা নেওয়া, CNG অটো থেকে অবৈধ ভাবে monthy চাদা নেওয়ার কারণেই ১০ টাকার ভাড়া সাধারণ মানুষকে দিতে হয় ২০-৩০ টাকা। CNG ভাড়া ৩০ টাকার ভাড়া ৪০/৫০ টাকা।
ই-লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য প্রতিষ্ঠানে ফায়ারের পর্যপ্ত ইকপমেন্ট না থাকায় - 50,000.00 টাকা চেয়েছে এবং তা না দিলে বলে নবায়ন হবে না। তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
প্রবাসী হোয়ার কারনে বকেয়া ৬ বছরের ট্যাক্স রির্টান সার্কেল অফিস ১৩ গাজীপুর, আমার কাছে কর কর্মকর্তা — আমার কেছে ৩৫,০০০ ঘুষ দাবি করে, টাকাটা তার বিকাশ নাম্বার — দিতে বল্ললে তা দিতে হয়। বছর প্রতি ৫০০০ আর দুই বছরের রির্টান সার্তিফিকেট, এক সালের সার্টিফাইড কপি নিতে আরো ৫০০০। সব টাকা ঘুষ খাওয়ার পরেও আমি দেখি সে মাত্র ২ বছরের ফাইল জমা করেছে। সে পরে চট্টগ্রামে বদলি হয়। মানুষ্কে জিম্মি করে তাদের সময় আর দেশে কম সময় থাকায় তারা অনেক টাকা ঘুষ খায়, কাজ ও পুরা করে না। তার নাম — ফোন —
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চুনারুঘাট, হবিগঞ্জে গেলে তারা বলে হজ্জের জন্য অর্জিত ছুটি নিতে গেলে ৫০০০ টাকা না দিলে ছুটির কাগজপত্র হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ফরোয়ার্ড করবেনা। হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কেরানি সঞ্জিত নিছে আরো ৫০০০। সঞ্জিত বলেছে ৮০০০ টাকা না দিলে বিভাগীয় অফিসে কাগজ পাঠাবেনা। উপপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সিলেটের কেরানি নিত্য বাবু নিয়েছে ৩০০০ টাকা। তারপর ছুটি মঞ্জুর করে