নামজারী
কালিহাতী ভূমি অফিসে নামজারির জন্য 70 হাজার টাকা চেয়েছিল নাজির সাহেব।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কালিহাতী ভূমি অফিসে নামজারির জন্য 70 হাজার টাকা চেয়েছিল নাজির সাহেব।
নাম জারি করতে দিরঘ দিন ঘুরে না পেরে
তারা আমাকে বলেছিল সরকারি ভাবে যদি করতে চান তাহলে কখনো হবে না । আমাদের কি খরচ দিয়ে দেন তাহলে তাড়াতাড়ি করে দেবো। শুধু আমাকে না আমার এলাকার আরো ১৫/২০ জনকে
মাসিক ভ্যাট রিটার্ণ জমা দেয়ার সময় প্রত্যেক মাসেই ১০০০ টাকা চাওয়া হয় এবং এটা পরিশোধ করা লাগে, পরিশোধ না করা হলে পরবর্তীতে রিটার্ণের ফাইল টা অডিটের জন্যে সিলেক্ট করে হয়রানি আর অনেক বেশি ডিমান্ড করে। এটা ভ্যাট অফিসের রেগুলার ঘটনা।
LGED-এর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর (XEN) অফিস ও উপজিলা ইঞ্জিনিয়ার এর অফিসে প্রতি বিলের ৪% টাকা প্রদান করতে অস্বীকার জানাই। ফলে, জুন ক্লোসিং এর সময়ে আমাকে বিল প্রদান না করে টাকা ফেরত পাঠায়। এখন চলতি মাসের শুরুতে আমার প্রকল্পের ফান্ড এসেছে কিন্তু আমি টাকার জন্য প্রতিদিন জুতা ক্ষয় করছি তারপরও টাকা পাচ্ছি না। উল্লেখ , আমার বিল পাস হয়েই আছে।
আমি পুলিশের চাকুরী চুত সদস্য আমার চাকুরি কালীন জমানো প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তুলতে একলাক্ষ টাকা ঘুস চায়।যেখানে আমার মোট টাকায় ছিলো আড়ায়লক্ষ মাএ । আমি দেখলাম চুকরী যাদের চলমান তারাও টাকা ছাড়া বিল পায় না। এর জন্য জেলা একাউন্ট অফিসে কর্মরত পুলিশ সদস্যরাই টাকা ছাড়া বিল দেয়না। যায় হোক আমি রাজি হয়েও ঘুষের টাকা পরিশোধ না করাই যে বিলটা পেতে ১০থেকে ১৫ দিন সময় লাগে ঐ বিলটা ৮মাস ঘুরতে ঘুরতে পেয়েছি।
পাসপোর্ট বানাতে দেওয়ার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কল আসে। দেখা করার পর অফিসার সব কাগজপত্র দেখে বলেন টাকা দিতে হবে। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও টাকা দাবির বিষয়টি জিজ্ঞেস করলে বলেন, এটা তো সবাই দেয়। বাড়তি কথা বলার টাইম নাই। আরো অবাক করার বিষয় হলো উনি একজন মহিলা অফিসার ছিলেন। মহিলা অফিসার হিসেবে প্রথমে খুশিই হয়েছিলাম। মনে করেছিলাম মহিলা অফিসার এসব থেকে দূরে থাকবেন। কিন্তু......
একটি প্রতিষ্ঠান এর মেইন রোডের পাশে ১৯ শতাংশ জমি রয়েছে যার বিগত ৯ বছরে ল্যান্ড ট্যাক্স এসেছিল ২১,০০০/- টাকা মাত্র৷ এস্টেট ডিপার্টমেন্টে থাকার কারণে সেই টাকা জমাদান এর সময় তারা অনেক ঘোড়াঘুড়ি করায়৷ সহজে সমাধান করে দিতে চায় না৷ পরবর্তীতে একজন এর মাধ্যমে একটি প্রস্তাব আসে৷ ভাই বিশ হাজার আমাদের খরচ হিসাবে দিয়ে দেন, আমরা আপনার ২০২৬-২৭ অর্থবছর পর্যন্ত খাজনা আপডেট করে দিবো৷ অবাক হয়ে দেখলাম যেখানে অফিসিয়ালি খাজনা আমার ৯৫০ টাকা হয় বছরে সেখানে তাড়া মাত্র ৪০ টাকা করে দিয়েছেন এবং খাজনা আপডেট করেছেন৷ অর্থাৎ এই ৪০ টাকা সরকার কে দিয়ে বাকী টাকা টা সরকারী কর্মকর্তা তাদের পকেটে ঢুকিয়েছে৷ সরকার আমারদেয়া খাজনা থেকে বাজেয়াপ্ত হইলো শুধুমাত্র কিছু অসত সরকারি কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের জন্য৷ খারাপ লেগেছে খুব
একটি জমি রেজিস্ট্রার করতে সরকারি ফি বাদে, দলিল লেখক এর মজুরি বাদে সাব- রেজিস্ট্রার অফিস অতিরিক্ত টাকা নেই। প্রতি দলিলের মোট মূলের০.৫/% নেই। যেমন - ৫০,০০,০০০/- টাকার দলিলে অতিরিক্ত ২৫,০০০/- টাকা নেই অফিস এর কর্মকর্তারা।
নামীয় ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অফিস সহকারী আমাকে বলে খরচাপাতি দেওয়া লাগবে। উনি ২০ হাজার টাকা দাবি করে বসে। প্রকারের জুলুমের মতো। সকল ঠিকাদার এই ঘুষ দিতে বাধ্য, না হলে কাজ হয় না। লক্ষ্মীপুর গণপূর্ত বিভাগের অফিস সহকারীদের মাফিয়াতন্ত্র চলতেছে। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর থেকে মুক্তি চাই।
হাসপাতাল এর ভিআইপি কেবিন নিতে গেলে । 1500 টাকা দিলে সিট পাওয়া যাবে ।
ট্রেড লাইসেন্স এ উৎস কর যোগ করছে গতবার ছিলো না, উৎস কর আদৌ যৌক্তিক কিছু কিনা? তারপর নোটারি করতে ৫০০ টাকা নিছে? এটাও কি যৌক্তিক
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য প্রথমে কল করে ৫০০ টাকা চাওয়া হয় সেটা আমি কল এই মানা করে দেই। এরপর উনি এসে ঠিকানা দেখে গেঞ্জাম করে ভেরিফিকেশন ফেইল করিয়ে দেই। এরপর আমি ঠিকানা ঠিক করে আবার ভেরিফিকেশন এর আবেদন করি এবার যে আসে সে আগের জনকে টাকা দেই নাই সেটা বলে আর আবারও ভেরিফিকেশন আটকাইয়া দেই। এরপর ১ বছর পরে আমি আবার ভেরিফিকেশন এর আবেদন করি আর ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ভেরিফাই করি
৯ম তলায় ২টি নামাজের ঘর করায় আপত্তি হিসাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে
সেবা দেওয়ার বিনিময়ে টাকা চাওয়া হয়
রংপুরের আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে এসিআর ফরমে সিগনেচারের জন্য অফিসের লোক নিয়েছে।
Practical e pass koranor jonne gari te uthar sathey sathei taka dabi Kore, gari thik Kore chalanor pore 1 min e namay diye paper niye jeye bole fail, pore 6000 taka dabi Kore Ami 5000 deoyar sathey sathei pass diye dey
annual audit purpose for export oriented bonded warehouse
বদলির জন্য আবেদন করেছিলাম। বর্তমানে বিদ্যুৎসাহী লোক কমিটিতে নিয়োগ পেয়েছে তারা দাবি করেছিল। বিএনপির দলীয় লোক সবাই।
কারনিককে আংশিক পরিশোধ করে ধরা খেয়ে আছি। কাজ হয় নাই। 2 বছর হলো।