খারিজ
পৈতৃক সম্পত্তি। তিন জনের নামে দলিল হইছে। বি.এস. সবার নামে দিয়ে দিছে ভূমি অফিস। তা ঠিক করে খারিজ করতে আড়াইলক্ষ টাকা চাইছে পরে দুই লক্ষ দশ হাজারে রাজি হইছে
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পৈতৃক সম্পত্তি। তিন জনের নামে দলিল হইছে। বি.এস. সবার নামে দিয়ে দিছে ভূমি অফিস। তা ঠিক করে খারিজ করতে আড়াইলক্ষ টাকা চাইছে পরে দুই লক্ষ দশ হাজারে রাজি হইছে
উক্ত অফিসের ভূমি উপ- সহকারী কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ভাবে লোক(দালাল) নিয়োগ দিয়ে উক্ত অফিসের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদনা করেন। এবং নামজারি বাবত আমার কাছে থেকে নিয়োগকৃত দালাল ৭০০০ টাকা নিয়েছে এবং নামজারি সম্পন্ন হবার পর ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চাইলে ১০০০ টাকা দাবি করেন এবং পরবর্তীতে ১১২ টাকার দাখিলা কেটে দেন আমাকে। পরষ্পর ভাবে জানতে পারলাম উক্ত অফিসে অফিসারের ব্যক্তিগত নিয়োগকৃত কর্মীকে কমিশন ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যার ফলে অত্র এলাকার জনগন ১১৭০ টাকার নামজারিতে সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা দেয়া লাগে। নাহয় দালাল ভয় দেখায় যে ফাইল নামঞ্জুর করে দিবে।
আমার বাবার সম্পত্তির সকল দাগ খতিয়ান তথ্য জানার জন্য দেওয়ান বাজার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে একজন কর্মকর্তা আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করেন। আমি সাথে সাথে প্রত্যাখান করি।
মহামান্য হাইকোর্ট এর মেক্সিমাম কোর্টের কজ লিস্টে আনতে টাকা বানিজ্য হয়। যে বেশি টাকা দেয় তার মামলা আগে থাকে। এখানে টাকার কোন লিমিট নাই। এবং প্রতি মামলার আদেশ টাইপ করতে কম পক্ষে ৫শত দিতে হয়। এমনও হয় এক এক জন বিও প্রতিদিন ১ লক্ষ টাকার অধিক পকেটে ঢুকে।
৭ দিনের ভেতর পাসপোর্ট রিনিউ করে দেওয়া হবে। নইলে এপ্লিকেশন রিজেক্ট করা এবং নতুন নতুন কাগজ লাগবে বাহানা দিয়ে পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে বলা হচ্ছিল।
গাড়ির ফিটনেস নবায়ন। দালালের মাধ্যমে টাকা নেয়া হয়েছে
আমার আম্মুর নাম পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু শিক্ষা বোবোর্ডের কর্মকর্তা দের আচরণ দেখে মনে হয়েছে যে শিক্ষা বোর্ড তাদের পপৈতৃক সম্পত্তি। ঘুষ ছাড়া কিছু হয় না ওখানে। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে নিজ সার্থের জন্য টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমার ৩৫ বছর আগে জমি কেনা। মৃত ব্যাক্তির এক ওয়ারিশ তার অংশের দখলকৃত জমি বিক্রি করেছেন।আমি মৃত ব্যাক্তির ওয়ারিশ সনদ নিয়ে গেলে ওনার বলে আমি নাকি ওয়ারিশ কম দেখাইছি।এখন টাকা না দিলে জমি খারিজ হবে না। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হইছে।
প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার স্কুল ভিজিটে এসে সবাইকে উপস্থিত পেলেও অর্থ দাবি করেন ও ভয় ভীতি দেখান। টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেন না।
আমি খুলনা আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে মাথায় আঘাত পাওয়ার কারনে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে গেলে যিনি ডাক্তারের সিরিয়াল করেন তিনি আমার কাছে ৩০০ টাকা ঘুষ চান। বলে সিরিয়াল শেষ আমি যেই চলে আসব কাছে ডেকে বলে বাড়ি কোথায় আমি বলেছি সাতক্ষীরা,জরুরি হলে আমি ব্যবস্থা করতে পারি ৫০০ টাকা লাগবে ,অথচ আমি খাতা দেখতে চাওয়াই মিজাজ নেই। প্রথমে ভাবছিলাম হ ইত রোগী দেখার লিমিটেশন আছে ,পরে যখন টাকা চাইলো তখন ই সন্দেহ হলো। ঐ হাসপাতালে একজন পুলিশ সদস্য SI কে খুজে পাই কমবয়সী । পরে উনাকে জানাই । উনি বলে চলেন দেখি পরে পুলিশ থেকেই খাতা দেখে , তখন বাধ্য হয়ে আমার দিকে মুখ কালো করে সিরিয়াল লিখে। উনার নামটা ও ভূলে গেছি কৃতজ্ঞতা ঐ পুলিশ ভাইয়ের প্রতি ।
আমি দশ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন ও ৳৫,৭৫০ সরকারি ফি পরিশোধ করি। কিন্তু ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার দিন নওগাঁ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের হিসাবরক্ষক — আমার আবেদন বাতিল করে বলেন, বিবাহিত উল্লেখ করায় কাবিননামা দেখাতে হবে। এক সপ্তাহ পর একজন দালালকে ৳৩,০০০ ঘুষ দেওয়ার পর তিনি আমার কাগজপত্রে একটি সই করা কাগজ যুক্ত করে দেন। এরপর ওই কর্মকর্তা আর কোনো প্রশ্ন না করেই আমার আবেদন গ্রহণ করেন।
সাতক্ষীরা জেলার। শ্যামনগর উপজেলা ৯ নং বুড়ীগোয়ালিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের। জমির নাম জারি ও খাজনা বাবদ ২০ হাজার টাকা চেয়েছিল অফিস খরচ বাবদ ।আমি দিতে রাজি হইনি বলে এখনো খাজনা ও নাম জারি করা হয়নি। ঘুষ দেওয়ার ভয়ে আমি নাম জারি ও খাজনা দিতে পারছি না।
এক নং সিরাজ পুর ইউনিয়ন অফিসের সচিব এই টাকাটা আমার থেকে নিয়েছে।
আমি দাখিল মাদ্রাসায় পরিক্ষা দিয়েছি। জেডিসি এখন আমার সার্টিফিকেট উওোলন করতে গেলে ১০০০ টাকা চাচ্ছে। থিকানা নরসিংদী জেলা রায়পুরা থানা বাঁশগাড়ি ইউনিয়ন রাজনগর জান্নাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা।
পে ফিক্সেশন করার সময় টাকা দাবী করেছিল। সরকারি চাকরিতে প্রথম বেতন চালু করতে এই টাকাটা আমরা ৩ জন দিতে বাদ্য হয়েছিলাম।
উপবৃত্তি পাইয়ে দিবে বলে ঘুষ চেয়েছিলেন।
সার্টিফিকেট সংশোধন। তারা আমাকে বোঝায় অনেক জামেলা। কিন তু অনেক জায়গায় শুনছি কোন জামেলা নেই
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ভেরিফিকেশন এর জন্য হবিগঞ্জ সদর থানার একজন এসআই কল দিয়ে ১০০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং ভিবিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০০০ হাজার টাকা আদায় করে
একটা সরকারি খাস জমি অভিযোগে দকল উচ্ছেদ করার জন্য এসি ল্যান্ড এর নির্দেশনা সার্ভে রিপোর্ট প্রধান। সার্বিয়া টাকা দাবি করেছেন।
আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ঘরে বসে আবেদন করেছিলাম আমাকে শুক্রবারে কল করে থানায় যেতে বলে। আমি সেখানে যাই । আমি প্রায় ২ ঘন্টা তার জন্য বসে থাকি । ২ ঘন্টা পরে এসে আমার আবেদন পত্র দেখে বলেন যে আবেদনে ভুল আছে বাহিরে দোকান আছে সেখান থেকে আবার কেরে আসেন । আমি সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে করে আসি । আসার পর আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য টাকা চায় আমি বলি স্যার আমি তো বিদেশে যাব এখন টাকা পয়সার খুব প্রয়োজন আমি তো দিতে পারবনা । সে বলে বিদেশ যাবেন আর আমাদের এই অল্প টাকার জন্য আপনার সমস্যা! আমি তাকে বললাম কত দিতে হবে ? সে বলে অনেকে ২-৩-৫ হাজার দেয় । আমি তখন বললাম আমি তো স্যার এত দিতে পারবোনা আমার কাছে এত টাকা নাই । তখন বলে কত দিতে পারবনে আমি বলি ৫০০ । আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন তখন জরুরি দরকার তাই বাধ্য হয়ে দেই।