নামজারি
আমার ৩৫ বছর আগে জমি কেনা। মৃত ব্যাক্তির এক ওয়ারিশ তার অংশের দখলকৃত জমি বিক্রি করেছেন।আমি মৃত ব্যাক্তির ওয়ারিশ সনদ নিয়ে গেলে ওনার বলে আমি নাকি ওয়ারিশ কম দেখাইছি।এখন টাকা না দিলে জমি খারিজ হবে না। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হইছে।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার ৩৫ বছর আগে জমি কেনা। মৃত ব্যাক্তির এক ওয়ারিশ তার অংশের দখলকৃত জমি বিক্রি করেছেন।আমি মৃত ব্যাক্তির ওয়ারিশ সনদ নিয়ে গেলে ওনার বলে আমি নাকি ওয়ারিশ কম দেখাইছি।এখন টাকা না দিলে জমি খারিজ হবে না। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হইছে।
প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার স্কুল ভিজিটে এসে সবাইকে উপস্থিত পেলেও অর্থ দাবি করেন ও ভয় ভীতি দেখান। টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেন না।
আমি খুলনা আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে মাথায় আঘাত পাওয়ার কারনে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে গেলে যিনি ডাক্তারের সিরিয়াল করেন তিনি আমার কাছে ৩০০ টাকা ঘুষ চান। বলে সিরিয়াল শেষ আমি যেই চলে আসব কাছে ডেকে বলে বাড়ি কোথায় আমি বলেছি সাতক্ষীরা,জরুরি হলে আমি ব্যবস্থা করতে পারি ৫০০ টাকা লাগবে ,অথচ আমি খাতা দেখতে চাওয়াই মিজাজ নেই। প্রথমে ভাবছিলাম হ ইত রোগী দেখার লিমিটেশন আছে ,পরে যখন টাকা চাইলো তখন ই সন্দেহ হলো। ঐ হাসপাতালে একজন পুলিশ সদস্য SI কে খুজে পাই কমবয়সী । পরে উনাকে জানাই । উনি বলে চলেন দেখি পরে পুলিশ থেকেই খাতা দেখে , তখন বাধ্য হয়ে আমার দিকে মুখ কালো করে সিরিয়াল লিখে। উনার নামটা ও ভূলে গেছি কৃতজ্ঞতা ঐ পুলিশ ভাইয়ের প্রতি ।
আমি দশ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন ও ৳৫,৭৫০ সরকারি ফি পরিশোধ করি। কিন্তু ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার দিন নওগাঁ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের হিসাবরক্ষক — আমার আবেদন বাতিল করে বলেন, বিবাহিত উল্লেখ করায় কাবিননামা দেখাতে হবে। এক সপ্তাহ পর একজন দালালকে ৳৩,০০০ ঘুষ দেওয়ার পর তিনি আমার কাগজপত্রে একটি সই করা কাগজ যুক্ত করে দেন। এরপর ওই কর্মকর্তা আর কোনো প্রশ্ন না করেই আমার আবেদন গ্রহণ করেন।
সাতক্ষীরা জেলার। শ্যামনগর উপজেলা ৯ নং বুড়ীগোয়ালিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের। জমির নাম জারি ও খাজনা বাবদ ২০ হাজার টাকা চেয়েছিল অফিস খরচ বাবদ ।আমি দিতে রাজি হইনি বলে এখনো খাজনা ও নাম জারি করা হয়নি। ঘুষ দেওয়ার ভয়ে আমি নাম জারি ও খাজনা দিতে পারছি না।
এক নং সিরাজ পুর ইউনিয়ন অফিসের সচিব এই টাকাটা আমার থেকে নিয়েছে।
আমি দাখিল মাদ্রাসায় পরিক্ষা দিয়েছি। জেডিসি এখন আমার সার্টিফিকেট উওোলন করতে গেলে ১০০০ টাকা চাচ্ছে। থিকানা নরসিংদী জেলা রায়পুরা থানা বাঁশগাড়ি ইউনিয়ন রাজনগর জান্নাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা।
পে ফিক্সেশন করার সময় টাকা দাবী করেছিল। সরকারি চাকরিতে প্রথম বেতন চালু করতে এই টাকাটা আমরা ৩ জন দিতে বাদ্য হয়েছিলাম।
উপবৃত্তি পাইয়ে দিবে বলে ঘুষ চেয়েছিলেন।
সার্টিফিকেট সংশোধন। তারা আমাকে বোঝায় অনেক জামেলা। কিন তু অনেক জায়গায় শুনছি কোন জামেলা নেই
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ভেরিফিকেশন এর জন্য হবিগঞ্জ সদর থানার একজন এসআই কল দিয়ে ১০০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং ভিবিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০০০ হাজার টাকা আদায় করে
একটা সরকারি খাস জমি অভিযোগে দকল উচ্ছেদ করার জন্য এসি ল্যান্ড এর নির্দেশনা সার্ভে রিপোর্ট প্রধান। সার্বিয়া টাকা দাবি করেছেন।
আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ঘরে বসে আবেদন করেছিলাম আমাকে শুক্রবারে কল করে থানায় যেতে বলে। আমি সেখানে যাই । আমি প্রায় ২ ঘন্টা তার জন্য বসে থাকি । ২ ঘন্টা পরে এসে আমার আবেদন পত্র দেখে বলেন যে আবেদনে ভুল আছে বাহিরে দোকান আছে সেখান থেকে আবার কেরে আসেন । আমি সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে করে আসি । আসার পর আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য টাকা চায় আমি বলি স্যার আমি তো বিদেশে যাব এখন টাকা পয়সার খুব প্রয়োজন আমি তো দিতে পারবনা । সে বলে বিদেশ যাবেন আর আমাদের এই অল্প টাকার জন্য আপনার সমস্যা! আমি তাকে বললাম কত দিতে হবে ? সে বলে অনেকে ২-৩-৫ হাজার দেয় । আমি তখন বললাম আমি তো স্যার এত দিতে পারবোনা আমার কাছে এত টাকা নাই । তখন বলে কত দিতে পারবনে আমি বলি ৫০০ । আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন তখন জরুরি দরকার তাই বাধ্য হয়ে দেই।
দীর্ঘদিন সরকারি চাকরি করার সুবাদে আমি একদম নিশ্চিত যে, সব উপজেলার চিত্র একই। উপজেলার হিসাব রক্ষণ অফিসগুলো একটা অলিখিত সংবিধান করে রেখেছে যে, অন্যান্য সরকারি অফিসগুলোর বিল পাশ করার জন্য ৫% হারে তাদেরকে কমিশন প্রদান করতে হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীদের থেকে ৫০০০-১০০০০ টাকা ঘুষ আদায় করা হয়েছে
নতুন ১২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে, এ সকল সংযোগ পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ অফিস ঘুষ না দিলে অনেক হয়রানি ও সময়ক্ষেপণ হয়,,,,, এসব কাজ প্রতিনিয়ত করা হয় বলে, পূর্বের খারাপ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে, আগেভাগেই কন্টাক করে নেই, যে কত টাকা দেওয়া হবে বা উনারা কত টাকা নিবেন।
থানায় মামলা করতে গিয়েছিলাম ওসি মামলা এজাহার ভুক্ত করতে টাকা চেয়েছিল। এস আই এর মাধ্যমে
স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক তিনি স্টুডেন্ট দের অভিভাবকদের অফার করেন ২৫ হাজার টাকা দিলে ভালো রেজাল্ট নিয়ে দিবে। টাকা দেওয়ার পর ভালো রেজাল্ট হয়ে গেছে শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক দুর্নীতি হয় আমি চাই ভালো একটা তদন্ত হওয়া উচিত। এটা দুই বছর আগের ঘটনা আমার শালিকার জন্য ঘোষ দেওয়া হয়েছিল।
বাড়ি প্লানিং পাশ এর জন্য আবেদন করছিলাম, একজন ইঞ্জিনিয়ার আছে সে সমস্ত প্লানিং এর কাজ নিয়ন্ত্রন করে, আমার কাছে ২০০০০/- চাইছিল পরে ১৫০০০/- দিলে কাজ করে দিছিল।
পাসপোর্ট করার জন্য টাকা দাবি করেছে