হাতের ক্যানেলা খোলা বকশিস
রোগীর হাতের ইনজেকশন বা স্যালাইন দেওয়া হল ক্যানেলা খোলার জন্য 100 টাকা বরাদ্দ । এই অর্থ না দিলে কাজ হবে না দিতেই হবে । জোরাজোরি চলবে । আমি পরিশোধ করেছি।
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
রোগীর হাতের ইনজেকশন বা স্যালাইন দেওয়া হল ক্যানেলা খোলার জন্য 100 টাকা বরাদ্দ । এই অর্থ না দিলে কাজ হবে না দিতেই হবে । জোরাজোরি চলবে । আমি পরিশোধ করেছি।
ট্যাক্স ফাইল অডিটে পড়েছে। জানেনতো অফিসের কিছু খরছ আছে। এছাড়াও রেন্জ সারকে ম্যানেজ করতে হবে। তাই ক্লিয়ারেন্স এর নাম করে ৫০০০০ টাকা চাইলো।
The lady officer asked for bribe to sign the paper that will next go to DC for final clearance so without her sign it's not possible.
জমি রেজিস্ট্রি ও পরে বন্ধকের জন্য যাই। টাকা না দিলে দলিলে ভুল বের করে ফেলে রাখে। ঘুষ দিলে কোনো ভুল নাই। চাকুরীজীবী হওয়াতে এসব ঝামেলা এড়াতে ঘুষ দিয়ে দি এবং দ্রুত সার্ভিস পাই।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। গাড়ি চালাতে পারি কিন্তু গোস না দিলে পাস হবে না।
মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের সনদ তুলতে ইউনিয়ন পরিষদের গ্ৰাম পুলিশে ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। না দিলে সে স্বাক্ষর করছে না
আমার এক ভাই এর থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে, সকল কাগজ পত্র ঠিক ছিলো, বিন্দু পরিমাণ ভুল ছিলো না, তারপর ও তারা আমাদের থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে বাড়তি।
ঢাকা জজ কোর্টে একটি দেওয়ানী মামলা ফাইলিং করতে গিয়েছিলাম , সেখানকার কোর্ট স্টাফ সিগনেচার করতে ,কোর্টের সিল মারতে এবং কোর্ট ফ্রি এন্ট্রি করতে ইত্যাদি কাজে প্রায় ২০০০ টাকার মতো লেগেছে। টাকা না দিলে তারা কোন কাজ করে না। এমনকি ওপেন এজলাসে বিচারক থাকা অবস্থায় তারা টাকা নেয়। এটা তো খুব সামান্য ঘটনা। প্রতিদিন কোর্টের স্টাফরা লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়। আদালত প্রাঙ্গনে ঘুষ ছাড়া প্রপারলি কোন কাজ করা যায় না। আর আমরা আইনজীবীরা বাধ্য হয়ে , এইসব ঘুষ দিয়ে থাকি।
বিধি মোতাবেক, জিডি করে গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন ব্যতিত সকল প্রকার ডকুমেন্ট নবায়ন বন্ধ রাখার আবেদন নিয়ে জমা দিতে গিয়েছিলাম। জমা তো নিলোই না! মগের মুল্লুকে, উল্টা ফাউল কথা বলেই হেনস্থা করলো। টাকা দাবী করলো!
ছোট বোনের উপবৃত্তির নাম দেওয়ার জন্য দায়িত্বরত শিক্ষক ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার পর সে উপবৃত্তির জন্য নাম দেয়।
সাতকানিয়া নির্বাচন অফিস নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য ৩০০০ টাকা চাওয়া হয়। পরবর্তীতে অনেকের সাথে কথা বলে জানতে পারি প্রায় সকলে কাছে এমন টাকা চাওয়া হয়
We could not submit online birth registration for our child. Had to contact someone who works at city corporation (South) and paid 5k for processing it. Now he demanded another 7k as mother’s birth certificate requires correction.
যে, সরকারি চাকরিজীবীদের LPC রিসিভ ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রতি LPC-এর জন্য ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা অননুমোদিতভাবে দাবি/গ্রহণ করা হয়।
০২-০৬-২০২৬ তারিখ আমার জমি খারিজের জন্য গোদনাইল চেয়ারম্যান ওফিসে স্থানীয় ভুমি ওফিসে যাই। আমার জমির পেপার সব কিছু ১০০% ঠিম আছে। বিনপি ক্ষমতায় আসার পরে গোদনাইল ভুমি ওফিসে নতুন নায়েব এসেছে। ওনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা, জমির খারিজের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য যাওয়ার পরে ওনি কোন মানুষের সাথে কথা বলেনা, ওনার ওফিস সহকারীর মাধ্যমে ৫০০০ টাকা দাবী করে, টাকা না নিলে কোন কাজ করবেনা বে জানায় দেয়। তারপরে ২০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে। বর্তমানে গোদনাইল ভুমি ওফিসে স্থানীয় যে ভুমি কর্মকর্তা আছে ওনি একটা দূর্নীতিবাজ।
গাড়ির সবকিছু ঠিক ছিল কিন্তু হঠাৎ করে ধরে বলল ড্রাইভার সিট বেল বাধে নাই এজন্য মামলা দিবে ৬ হাজার টাকার পরবর্তীতে অনেক বোঝানোর পরে ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ড্রাইভারের সিট বেল বাধা ছিল
সকল কার্যক্রম স্মুথলি করে দেওয়ার বদলে ১০০০ টাকা দাবি করে
বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে আদালতের আদেশ অনুযায়ী জিম্মার আদেশ প্রেরন করতে সদর জিআরও নাম — ২০০০/ টাকা দাবী করে নতুবা আদেশ দেরিতে যাবে মর্মে জানাই। পরবর্তীতে ২০০০ টাকা দিলে আদেশ পাঠালেও মূল ডকুমেন্টস্ রেখে দিয়ে আরও ১০০০/-টাকা দাবী করে। যা এখও দেইনি বলে ডকুমেন্টস রেখে দিয়েছে।
আমার বাবা জমি খারিজ করার জন্য বহুদিন ধরে ঘুরতেছে কিন্তু করতে পারতেছে না একজন অফিসার ১৪ হাজার টাকা চাইছে খারিজ করে দিবে বলে অগ্রিম ৯ হাজার টাকা নিয়েছে কিন্তু পরে তাকে আর খুঁজে পাচ্ছে না বা করে দেয় নাই পরে , বাবা আবার জমে খারিদের জন্য অফিসে গেলে আবার শুধু এই কাগজ নিয়ে আসেন বলে ঘোড়াচ্ছে গতকাল যখন একজন 5000 টাকা চাইছে আব্বা দিয়ে দিয়েছে তখন কাজগুলা করে দিচ্ছে টেবিলগুলো পার করে দিচ্ছে আবার বলেছে মেইন অফিসার যে এসিল্যান্ড সিগনেচার করে ওনি ঘুষ খায় এখন উনাকেও টাকা দিতে হবে এখন কোন কত টাকা দিতে হবে পরবর্তীতে জানানো হবে
আমার সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিল, তবুও পাসপোর্ট অফিসে রিসিপশনে একজন চশমা পড়া অফিসার আমারকে বললো এখানে কিছু একটা গডমিল, আছে আমি জিজ্ঞেস করলাম কি, তিনি বললেন..নিজেনখুজে নেন, এবাবে দু-তিনবার যাওয়ার পর ওনি বললেন একজমের সাথে দেখা করো, আমি দেখা করার পর ওনি ৩০০০টাকা খুজলেন, টাকা দেওয়ার পর আমাকে আর কোনো সিরিয়াল এ দাড়াতে হলো না। সবার আগে আমি বায়োমেট্রিক দিলাম।
সেবাটি নাম ছিল ভূমি উন্নয়ন কর(খাজনা)।আমার ৩টি খতিয়ানের বিপরীতে সরকারি কোষাগারে জমাকৃত খাজনার পরিমাণ ছিল 2662+149+182=2993 টাকা কিন্তু ঐ অফিসের তহশিলদার প্রথমে আমার কাছে 15000 টাকা দাবি করে পরে আমার কাছে থাকা 7000 টাকা নিয়ে তিনি কাজটি করেন।