রেল
প্রতি মাসে দিতে হয় জোর করেই নেয়
18,982 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতি মাসে দিতে হয় জোর করেই নেয়
১/১ নামজারি আবেদন করার পরে নায়েব বা ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকতা
আমি বিবাহ সনদ/নিকাহ নামা সত্যায়নের জন্য আবেদন করি, আমার আবেদন বার বার কারন ছাড়াই বাতিল করে দেয়। পরে জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয় গিয়ে জানতে চাইলে তিনি আকার ইঙ্গিতে বুঝাই দিলেন যে আপানার আবেদন নতুন ভাবে করতে হবে আপনারা করলে হবে না, এই আবেদন শুধু না.... জেলা একজন ই করতে পারে তার আবেদনন শুধু সঠিক হয়! আমি বললাম তিনাকে তো আমি চিনিনা,তিনার সাথে যোগাযোগ করবো কিভাবে পরে তার whattsapp নাম্বার দিলো, পরে জানতে পারি অফিসারে নিজের ভাগ্নে তিনি। এবং তিনি সরাসির টাকা দাবি করেছে। আমিও প্রথ্যাখান করে দিয়েছি, আবার আবেদন করলাম তারপর হয়নি, বাধ্য হয়ে পরে কাজীর মাধ্যমে ৭০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ টি করে দেয় । এখানে কাজী ও দালালী কমিশন পাইছে । কিছু করার নাই, এই দেশের সাধরন মানুষ হিসাবে জন্মগ্রহণ করাটাই পাপ হইছে ।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর পাহাড়তলী সার্কলে এ হোল্ডিং নাম্বার পাবার জন্য ও বিশ হাজার টাকা দাবি সহ পুরু অফিস টাই দুর্নীতির আখড়া, হোলডিং নম্বর পেতে ও ঘুষ ! মানুষ সিটি কর্পোরেশন কে কেন ট্যাক্স দেবে? ইনকাম ট্যাক্স এর eReturn এর মতো হোল্ডিং ট্যাক্স সিস্টেম ডেভেলপ করলে জনগণের হয়রানি লাগব হবে
জন্মনিবন্ধন এনালগ আছে ডিজিটাল করতে গেছিলাৃ শুধু
গাডির চাকা বড বলে মামলা দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে
জমি ক্রয়ের পর আমার এলাকায় বিএস ফাইনাল না হওয়ার কারণে আরএস এর বিপরীতে প্রথমে নাম জারি করি। পরবর্তীতে বিএস ফাইনাল হওয়ার পর বিএস এর বিপরীতে নাম জারি করতে গেলে আমাকে ২৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেলে দাঁতের চিকিৎসা করাতে গেছিলাম, দাতের কাজ করার আগে ডাক্তার এর কাছে যেতে ওখান কার এক মহিলা যিনি কাগজ নিয়ে আসা করে,তিনি প্রত্যেক এর কাছে ৫০ টাকা করে নেয়,দাতের কাজ করানোর সময় যখন ইন্টারনি ডাক্তার কাজ শুরু করতে চায় তখন উনি বলেন,খালাকে খুশি করতে ৫০ টাকা দিতে হবে চিকিৎসা করাইতে চাইলে
ভূলে বিবাহিত এর জায়গায় অবিবাহিত ছিলো।
গর্ভবতী ভাতা করে দিবে এর জন্য ৫৫০০ টাকা দাবি করে। কোন এক জন প্রতিনিধি (মহিলা মেম্বার)। গর্ভবতী ভাতা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জনগন সুবিধা পাবে।
বলা হয়েছিল মিসকেস রায় হতে অনেক দিন সময় লাগবে। টাকা দিলে অল্প সময়ে রায় করিয়ে দিবে৷ আর কোনো ঝামেলা হবে না।
অন্য সব ক্ষেত্রে তো টাকা নেয়ই, অপারেশন এর দিন স্ট্রেচারে উঠালেও টাকা, স্ট্রেচার থেকে বিছানায় শোয়ালেও টাকা । এবং প্রত্যেক ধাপের জন্য এই টাকা দিতে হয় ।
বহায় নামা উঠানোর জন্য
Ami khajna na dia cole asci....
Amr car fitness er jonno newa hoi, but jara fitness test korcilen tara ta ok koren nai, pore ak dalal 2500 taka nia seta k ok kore den,
পার্সপোট অফিসে সরাসরি টাকা নেয় না।অফিসের লোক শুধু আবেদন পত্রে ভুল ধরার ফাদ পেতে থাকে।ভুল ধরতে পারলেই টাকা।অবাক করার বিষয় হলো পার্সপোট অফিসের সরাসরি ঘুষ খায় না।মাধ্যম হয়ে খায়।সারা বাংলাদেশের যতো কম্পিউটারের দোকান আছে যারা পার্সপোট এর আবেদন করে দেয় তাদের সাথে যোগসাজশে কাজ গুলো সংগঠিত হয়ে থাকে।২০২১ সালে যখন আমি প্রথম পার্সপোট করতে যাই দালাল ছাড়া করতে গেয়েছিলাম অহেতুক হয়রানি হয়ে কম্পিউটারে দোকানে বাড়তি ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আবেদন জমা দিয়েছিলাম। এবার ২০২৬ সালে আগে থেকেই ঘুষের টাকা রেডি করে রাখছিলাম যাতে ভোগান্তি পোহাতে না হয়।যে কথা সেই কাজ কোন ঝামেলা হয় নাই।আগেই কম্পিউটার এর দোকানে ২০০০ টাকা দিয়া আসছিলাম।আমি শুধু অফিসে যেয়ে বাকি কাজ গুলো করে এসেছি।আমার আশা সরকার যদি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
নামজারী প্রস্তাব দেওয়া
গুলশানে বন্টকনামা না থাকায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ছিলো। নামজারি করতে ৫ কোটি টাকা চেয়েছিলো।
সরকারি নথিতে বরাদকৃত জমির পরিমান ভুল আসে, যা সংশোধনের জন্য একটি চিঠি প্রয়োজন। এক পাতার একটি চিঠির জন্য ১০০০০ টাকা দাবী করে।
আমার একটা জমি রেজিস্ট্রেশন করার ছিল। আমি সরাসরি সাব-রেজিস্ট্রারের সাথে কথা বলি। তিনি আমাকে বলেন, আপনার ডকুমেন্টসহ জমা দিন। আমি দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু দলিল লেখককে ১% টাকা দিতে বলে। এছাড়া সে দলিল সম্পাদন করবে না। দলিলটা আমার ইমারজেন্সি হওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকাটা দেই।