শ্রান্তুি বিনোদন ভাতা
আমার অফিসের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, বিল পাশ করতে খরচ হবে।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার অফিসের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, বিল পাশ করতে খরচ হবে।
রেকর্ড খতিয়ান হতে ওয়ারিশ সূত্রে নামজারী ১২০০০ ফিক্সড।
আমি পাসপোট নবায়ন করতে জাই, আমাকে নানা কারন দেখিয়ে আমার ফাইলটি ফেত দেয় বারবার,আমি বাহিরে আসলে আমাকে একজন আনসার ইশারা করে বলে আমি করে দিতে পারবো টাকা লাগবে 2000 হাজার
আমার মেয়ের জন্য একটা বার্থ সার্টিফেকেট করা দরকার ছিলো। ওই লোক বললো করা যাবে কিছু এক্সটা খরচ লাগবে। ওখানে মনে হলো ওটাই নিয়ম। যদিও এটা ৭-৮ বছর আগের কথা। এমাউন্টটা ঠিক মনে নেই এরকমই হবে। আমার কাছে তার নাম ফোন নম্বর আছে। নাম —, মিরপুর ১০ এ কাজ করতো। জানিনা সে এখনও আছে কিনা।
সাবরি রেজিস্ট্রি অফিসার দলিল করতে গেলে জমি বিক্রেতার নামে যদি নামের বানানে সামান্য পার্থক্য থাকে — থাকে তার জন্য সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা দিতে হয় আর প্রতি লাকি ৫০০ টাকা এবং প্রতি দলিলে তিন হাজার টাকা ঘুশ নেই
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হেড ক্লার্ক এর কাছে বদলির আবেদনের জন্য যায়। তিনি বলে বদলি করে দেবো ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা লাগবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।
সে বলছে ১১ হাজার টাকা খরচ লাগবে শুধু পরীক্ষায় এটেন্ড করবেন পাস না করলেও চলবে আমি লাইসেন্স রেডি করে দিব
পদ্মা ব্যাংকের একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ সিন্ডিকেট রয়েছে, যারা কোনো গ্রাহক টাকা উত্তোলন করতে চাইলে সেই টাকার ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত ঘুষ নেয়। তাদের সঙ্গে লেনদেন না করলে আপনি কোনো টাকা উত্তোলন করতে পারবেন না।
পাসপোর্ট করার জন্য দালালের মাধ্যেমে 8000 হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছি। দালাল ছাড়া গেলে হয়রানি করে। কাগজপত্র শর্ট ইত্যাদি কথা বলে।
গ্রেড উন্নতির কারণে আমাদের প্রায় ২৫০ সহকর্মীর প্রত্যেকের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। ঘটনাটি ২০২১ সালের। পরে প্রত্যেকে ২০০ টাকা করে উঠিয়ে এজি অফিসে প্রদান করা হয়।
নাম্বার প্লেট লাগাতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমস্র কাছ থেকে ১৫০০ টাকা দাবি করে। এবং আমি দিতে বাধ্য হয়৷
বাইক এর কাগজ হারিয়ে গিয়েছিলো ,তাই ওঠাতে গিয়েছিলাম
হাইওয়ে তে নাকি গাড়ি ৬০ কি মি এর উপরে চলসে তাই মামলা দিবে না হয় তাদের খুশি করতে হবে । যা বাবা ৩০০ টাকা দিয়া খুশি করে পার পেলাম । আমার গাড়ি ৫০-৫৫ তে চলতেসিল ।
দানপত্র দলিল রেজিষ্ট্রেশন। এই টাকা না দিলে অনেক ভুল ধরতেছিল।
ছোটবেলায় আমার জন্ম নিবন্ধন স্কুল থেকে হাতে লিখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এনআইডি করতে গেলে জানানো হয় কম্পিউটারে টাইপ করা কপি লাগবে। ২০০ টাকা দিয়ে লোহাগাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তা টাইপ করাই। এরপর ইংরেজি কপি করতে বললে টাকা খরচ করে সেটিও তৈরি করি।আবার এনআইডি করতে গেলে বলা হয় তথ্য অনলাইন নেই। সব কাগজপত্র নিয়ে চট্টগ্রাম শহরের স্থানীয় সরকার বিভাগে গেলে ৫০০ টাকা দাবি করা হয় এবং ৩ দিনে কাজ শেষের আশ্বাস দেয়। পরে জন্ম নিবন্ধনটি অনলাইন হয় এবং আমি চেক করে নিশ্চিত হই।অনার্স পরীক্ষার কারণে ১ মাস এনআইডির আবেদন করতে পারিনি। পরে আবেদন করতে গিয়ে দেখি ওয়েবসাইট থেকে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য গায়েব! রাগে-দুঃখে ৩ বছর এনআইডি নিয়ে আর কোনো আগ্রহ দেখাইনি। অবশেষে ইউনূস সরকারের আমলে আমার এনআইডি তৈরি করতে পারি।
এনটিআরসিএ মাধ্যমে কলেজে নিয়োগ পেলেও প্রতিষ্ঠান প্রধান ও প্রতিষ্ঠাতা জানায় টাকা ছাড়া নিয়োগ পত্র দেবে না।বাধ্য হয়ে নতুন নিয়োগ পাওয়া আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি একলাখ টাকা করে নেয়। সিনিয়র শিক্ষক দের সাহায্য চাইলে তারা জানায় কমিটির নিয়োগের সময় তাদের বিশ লাখ করে দিতে হয়েছে। তোমরা তো বেঁচে গেছ। এর আগে হাইস্কুলে একই ঘটনার শিকার হই। কেউ দেখার নেই। 😢😢😢
বাজার সংলগ্ন হয় জমি ৪ শতাংশ জমির খাজনার জনা বাবদ ৩৫ হাজার টাকা চেয়েছে তারা আমি বললাম ঠিক আছে সরকারি ফি আমি দেবো ইনশাল্লাহ সমস্যা নাই দেন আমাকে খজনার রশিদ দেন তখন আমাকে মাত্র ৭৫০ টাকার খজনার রশিদ দেওয়া হল এ নিয়ে একটু গোল একপর্যায়ে তারা আমাকে মার দূরের চেষ্টা করে পরবর্তীতে আমি এখান থেকে দ্রুত চলে আসি
জমির ক্ষতিয়ান চাইতে গিয়েছিলাম সাতকানিয়া ভূমি অফিসে, সেখানে তারা ২০০০ টাকা দাবি করে, এবং টাকা না দিলে হয়রানি করে ৩ দিন ধরে, পরে জরুরি প্রয়োজন এ উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়।
আমি স্কুল থেকে আমার বাবা মার নাম সংশোধন করতে গেছিলাম তখন স্কুল কেরানি মাকে বলে আমি আবেদন করে দিব কিন্তু সরকারি ফি ছাড়া আমাকে দুজনের জন্য ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। আমি বলি যে আমি টাকা দিব না সে বলে আমি টাকা ছাড়া আবেদন করে দিব। পরে বাদ্দ হয়ে ৮০০ টাকা দিছি ঘুষ তার পরে আবেদন করে দেন।
প্রথমে সিট দেয়ার নাম করে ১০০ টাকা নেয়। এরপর OT তে নিয়ে যাওয়ার সময় ১০০ দাবি করে দেয়নি। কিছু বলা যায় না খুব খারাপ ব্যবহার এদের সাথে ডাক্তার দের আবার সম্পর্ক বেশি ডাক্তার এয়া নার্স দের দিয়ে কাজ করায় না এদের দিয়ে কাজ করায় তাই এদের পাওয়ার বেশি। আমি মেডিকেল এর ইন্ডোর ওয়ার্ড ২৫ সার্জারি বিভাগ থেকে বলছি।