অনুদান
৩৫ হাজার একটা অনুদান। সে আমাকে ১৫ হাজার টাকা দিতে চাইছিল। বাদ বাকি টাকা সে নেবে
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
৩৫ হাজার একটা অনুদান। সে আমাকে ১৫ হাজার টাকা দিতে চাইছিল। বাদ বাকি টাকা সে নেবে
আমি ২০২৬ সালে জয়পুরহাট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ( TTC ) তে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্স এ ভর্তি হয়। সকাল ও বিকাল শিপ্ট মিলিয়ে ৫০ জন ছিলাম আমরা। তিন মাস ট্রেনিং এর পর আমাদের চূড়ান্ত BRTA পরিক্ষার পূর্বে ইন্সট্রাক্টর জানান ২০০০ টাকা করে না দিলে চূড়ান্ত পরিক্ষায় পাস করা কঠিন। এই অর্থ দিয়ে নাকি brta কে মেনেজ করা হবে। সুতরাং আমরা সকলেই আমাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০০০ টাকা পরিশোধ করি।
নামজারির জন্য ৩ বার অনলাইনে আবেদন করেছি। ,এসিল্যান্ডের অফিসে শুনানি ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দেয়ার পরও আমাকে শুনানিতে উপস্থিত হয়নি মর্মে ৩ বারই নামঞ্জুর করেছে।
প্রথমে ইউনিয়ণ ভূমি অফিসে দিয়েছি 2500 এরপর এসিল্যান্ড অফিসে সংশোধনের জন্য প্রেরণ করা হয় সেখানে দিতে হয়েছেে এক খতিয়ান সংশোধনের জন্য 3000, এরপর এসিল্যান্ড কে দিতে হয়েছে 37000 টাকা এগুলা সব ঘুষ
চাকরিতে যোগদানের পর আমার প্রতিষ্ঠান হতে SB অফিসে ভেরিফিকেশন এর জন্য কাগজপত্র পাঠানো হয়। নিয়মানুযায়ী আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকায় একজন এসআই ভেরিফিকেশন করার স্বার্থে আমার সকল সার্টিফিকেট এর কপি নেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে খোঁজ নেয়ার পরে উনার দায়িত্ব ছিলো আমার জেলার SB অফিসে ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত কাগজপত্র পাঠানোর। কিন্তু তিনি প্রায় ৩/৪ মাস ধরে উক্ত আমার জেলার SB অফিসে কাগজপত্র প্রেরণ করেননি। উনার সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন যে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে পাঠাননি। এরপর জেলার SB অফিস হতে যোগাযোগ করে হলে তিনি জানান যে কাগজ হারিয়ে ফেলেছেন। এদিকে আমার ভেরিফিকেশনের জন্য আমার ব্যাচের সবার স্থায়ীকরণ আটকে ছিলো। তাই আমার এক স্যারের পরামর্শে উনার বিকাশ নম্বরে ২০০০ টাকা পাঠাই। তারপর তিনি কাগজ প্রেরণ করেন।
আমি জমি ক্রয় করে মিউটেশনের জন্য গজালিয়া ইউয়ন ভুমি অফিসে যাই, সেখানে আমার দলিলে ১২ টা দাগ উল্লেখ আছে এর ভিতরে একটি দাগে দাতার .৪ শতাংশ জমি কম আছে অথচ অন্য সকল দাগে বেশি আছে। উল্লেখ থাকে আমার দলিলের পরে দাতা আরএক জনকে একটা দলিল দিছে সে আগে ঐ দাগ থেকে মিউটেশন করে ণিছে যার কারনে যে জন্য তার কম দেখাচ্ছে।
আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের সব কাগজ পত্র ঠিক ছিলো; তবুও এসবি অফিসের লোক, তার সব কলিগের সামনেই নাস্তার টাকা খোজে. আমি ঝামেলা এড়ানোর জন্য 200 দিতে চাইলে নিচ্ছিলো না, পরে 500 দিতে হয়. সেখানে সবাই ঘুষ খায়, সে নির্লিপ্তভাবেই চেয়েছিল; আমি প্রতিবাদ করলে বরং হয়রানি হতাম.
কারা ক্যান্টিন ম্যানেজার হতে হলে জেল সুপার এর বউকে এ পরিমাণ টাকা দিয়ে আসতে হয় , তিনি সব নিয়ন্ত্রণ করেন পোষ্টিং
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে ট্রেনিং এর নাম আসে পিটিআই থেকে। সেই নাম কর্তনের জন্য টাকা পরিশোধ না করে কোন মতে নাম কাটানো যাচ্ছিল না।ফলে টাকা না দিয়ে উপায় ছিল না। না হয় বিভাগীয় মামলা খেতে হবে বলে হুমকি দিয়েছে। অফিস সহকারী কাম হিসাব রক্ষক, —। টংগীবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত। এই লোকে টাকা ছাড়া কোন কাজ করতে চায় না। ঘুষের টাকায় গোপালগঞ্জ শহরে ৪ তলা বাড়ি করেছে।
দালাল এর মাধ্যমে কেননা সময় মত পাস্পোর্ট পাব না! তারা তাদের অনলাইন আবেদন কপির মাধ্যমে গোপন কোড লিখে দেয়!
ভূমি অধিগ্রহণের টাকা তুলতে গিয়েছিলাম পারসেন্ট হিসাব করে টাকা নিয়েছে
নতুন বেতন চালু করতে গেলে এবং ইনক্রিমেন্ট এড করতে বললেই ঘুষ চায় এবং যতদিন ঘুষ দেয়া না হয় ততদিন কাজ করে দেয়া হয় না।
প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য সহকারী পরিদর্শক এর কার্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, দিনাজপুর অফিসে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
নামজারি করতে গেলে তসিল অফিস থেকে জানানো হয়েছে এটা ৮০০০ ধার্য করা যা সবাইকে নিদিষ্ট পরিমাণে ভাগ করে নেয়া হবে।
আমি একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। আমাদের প্রতিটি খাতেই ঘুষ দেওয়া লাগে। বিশেষ করে সাইন ওন এবং সাইন ওফ। প্রতিবারই এসব কাজ করতে ১০০ থেকে ৫০০ আরও বেশি দেওয়া লাগে। আমাদের শুধু এই খাতে না। CDC নবায়ন কিংবা নিবন্ধন এর জন্যও ঘুষ দেওয়া লাগে। CDC নিবন্ধনের জন্য ঘুষ দেওয়ার সিস্টেম ও আবার ভিন্ন। উনারা সেখানে টাকা চায় না বলবে যে এক ডজন কলম নিয়ে আসেন কিংবা এয়ার ফ্রেশনার কিংবা মশা লাগতাছে এজন্য কয়েল এসব বিভিন্ন পদ্ধতিতে তারা আমাদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়।
আমার জমির খারিজ করার জন্য ভূমি উন্নয়ন দিতে হবে আমার কোন অনলাইন করা ছিল না হাতে হাতে টাকা নিয়ে ভূমি উন্নয়ন কর কত দেওয়া যেত কিন্তু পৌর ভূমি অফিসের পিয়ন আমাকে খালি ঘুরায় তারপর এক সময় আমি বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দেই তাও হয় না তারপর আমি ৫০০ টাকা দেই তারপর সেই পিয়ন আমার ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়ার ব্যবস্থা করে । এরপর জমি খায়েস করার সময় সেটেলমেন্ট অফিসের এক স্টপ আমার কাছে টাকা চাওয়া সাহস পায় না আমাকে বিভিন্ন হবে হয়রানি করে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয় হই তারপর আমার জমি খারিজ হয় ।
LGED-এর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর (XEN) অফিস থেকে প্রথম পেমেন্ট গ্রহণের সময় চেক প্রদানের পূর্বে XEN-এর কক্ষে Accounts Officer সহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা আমার বিলের ১.৫% টাকা PC Money হিসেবে দাবি করেন। আমি উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এরপর প্রায় এক মাস ধরে আমার দ্বিতীয় পেমেন্ট প্রক্রিয়াধীন থাকলেও পেমেন্টের কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে বিল প্রস্তুত ও পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত আমার Measurement Book (MB Book) আমার কাছে ফেরত দেওয়া হচ্ছে না/গোপন রাখা হয়েছে। ফলে আমি আমার প্রাপ্য দ্বিতীয় পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারছি না।
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ হলেও সেখানে ২ কোটি টাকার বিদেশি অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্পের এফডি-৬ ফরম অনুমোদনের বিনিময়ে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার ঘটনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গভীর প্রশ্নচিহ্ন বসিয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রকল্প অনুমোদন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হলেও ঘুষের বিনিময়ে এই অনুমোদন দেয়া দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুস্পষ্ট উদাহরণ। বিশেষত যখন এই ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত, তখন এই ঘটনা শুধু একটি প্রকল্পের গতি ধীর করেই ক্ষান্ত নয়, বরং শীর্ষ পর্যায়ের একটি সংস্থার বিরুদ্ধে জনআস্থার সংকট তৈরি করে।
লালবাগ ভূমি অফিস একটা দূর্নীতির আখরা। কোন কাজ ঘুষ ছাড়া করে না। ওদের নিচের লেভেলের কর্মচারীরা ঘুষ নেয় আর কর্মকর্তারা সেখান থেকে ভাগ পায়। আমি এ পর্যন্ত কোনো কাজ সেখান থেকে ঘুষ ছাড়া করাতে পারি নি। তারপরেও নামজারীতে ইচ্ছা করে নামের বানান ভূল লিখে যাতে করে এটা কারেকশন করতে এলে টাকা খেতে পারে। এমনকি এই অফিসের পাশে যে ফটোকপির দোকান আছে (মাজার সংলগ্ন) ওরাও এই সিন্ডিকেটের একটা অংশ। আমি এই রিপোর্টে নাম সহ দিতে পারতাম যারা আমার কাছে ঘুষ চেয়েছিল। কিন্তু এই ওয়েবসাইটের নীতিমালার জন্য তাদের নাম প্রকাশ করলাম না।
আমরা নৌবাহিনীর সদস্য ডিপুটেশনে বদলী গেলে ব্যাক্তিগত জিপিএফ ফান্ডের টাকা কাটার পর টিআর কপি দেয়। পুনরায় নৌবাহিনীতে ফেরত আসার পর সেই টিআর কপি আইবাস++ এ আপডেট করতে হয় এসএফসি (জিই নেভী) এর মাধ্যমে। উক্ত কাজের জন্য এসএফসি (নেভী) তে কর্মরত সিভিলিয়ান টাকা চেয়ে ফোন করে। টাকা না দিলে বছরের পর বছর পরে থাকলে আপডেট হয় না এবং বিভিন্ন টিএডিএ ক্লেইম করলেও তারা ফোন করে বিকাশ নম্বর দেয়। টাকা না দিলে অর্থ আটকে দেয়। পেনশনারদেরকে একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। টাকা দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। এই ডুকুমেন্ট নিয়ে আসেন । আপনার ঐ ডুকুমেন্টে সমস্যা। আজকে না সামনে মাসে আসেন। প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।