পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন ফি জমা দিলেও থানায় এক্সট্রা ঘুষ দিতে হয়, নয়তো সময়মতো তা পাওয়া যায়না, যদিও নিয়ম হলো আবেদনের ১ সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেয়া
18,982 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন ফি জমা দিলেও থানায় এক্সট্রা ঘুষ দিতে হয়, নয়তো সময়মতো তা পাওয়া যায়না, যদিও নিয়ম হলো আবেদনের ১ সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেয়া
কাগজপত্রে কোন সমস্যা না থাকার পরও ঘুষ দাবি করেছিল
এপ্রিল ২০২৬ আমি নতুন নামজারির আবেদন করে সাভার উপজেলা অধীস্থ বলিয়াপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে রের্কড বই চেক করার জন্য অফিসে কর্মরত রের্কড কিপার কাছে ৫০০ টাকা পরিশোধ করে সেবা গ্রহন করেছিলাম।
ডিসি অফিসের এল এ শাখার জমি অধিগ্রহণের টাকা ছাড়ের জন্য — নামের তহশিলদার টাকা চায়।তাঁর দাবি ৩ লক্ষ টাকা ছিলো। আমরা পরে ৮০ হাজার টালা দেই। এই — টাকা না দিলে এই কাগজ ওই কাগজ করে আমাদের ৩ মাস ঘুরায়। পরে আমরা এই টাকা টা দেই। সে এখন সদর ভুমি অফিসের তহশিলদার।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে ফাইল জমা নেয়ার সময় বলে ফরমের এখানে ভুল, ওখানে ভুল, ঠিক করে নিয়ে আসো। দ্বিতীয় বার গেছে আরও নতুন করে গেলে বলে আবারও বলে এটা ঠিক করে নিয়ে আসো, ওটা হবে না ইত্যাদি। তাই বাধ্য এক দালাল ধরে ৩৩০০ টাকা বেশী দিয়ে পাসপোর্ট করেছি।
জাহাজের এনওসি নেওয়ার জন্য আমাদের সব কিছু ঠিক থাকার পরও টাকা না দিলে উনারা এনওসি অনলাইনে সাবমিট করে না।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানাই যাই, সরকারি ফী বাদে ৫০০ টাকা খরচ বাবাদ দারগা দাবি করে, পরে ঐটা দিতে হিছে বাদ্য হয়ে
Was paid in cash part by part
বন্ড কমিশনারেট এমন একটা অফিস যেখানে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ অসম্ভব। এই অফিসের নিচের দারোয়ান থেকে শুরু করে একদম উপরের অফিসার সবাইকে খুশি করার নামে টাকা দিতে হ্য় না হয় কাজে ব্যাঘাত ঘটে, এমন কি অফিসার এর পিয়ন থাকে তারও একজন সহকারি থাকে যে সরকার নিয়োগকৃত কেও না তবুও তাকেও খুশি করা লাগে। আপনি টাকা দিলেই যে কাজ হবে তা না এরপরও আপনাকে নানা বঞ্চনা চরাই উতরাই পারি দিতে হবে। ঘটনা গুলো এক পাক্ষিক না প্রতিষ্ঠান গুলোর নানা রকম সমস্যা থাকে তাই তারাও ঘুষ দিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত। প্রতি সপ্তাহে কোটি টাকা লেনদেন হয় এই অফিসে। এর মাঝেও কিছু অফিসার পাওয়া যায় যারা কোন টাকার লেনদেন করে না যেমন বর্তমানে কর্মরত অতিরিক্ত কমিশনার -০১ ও কমিশনার কোন টাকা নেয় না।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোরা, কলের বাজার রাস্তা ভুমি অধিগ্রহনের জন্য DC অফিসের ভূমি অধিগ্রহন শাখার কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশনের এর সার্বেয়ার স্থানীয় দালাল এর মাধ্যমে ১৫%-২৫% হারে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। দালাল ছাড়া কেউ ভূমি অধিগ্রহনের টাকা নিতে পারে না।
আমার ২টা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে. যার জন্য প্রতিমাসে আমাকে ভ্যাট দিতে হয় . এর পাশাপাশি প্রতিমাসে এ ২ প্রতিষ্ঠান এ আলাদা করে ৯০০০টাকা ঘুষ দিতে হয় অফিস খরচ এর নাম এ. যে টাকা কোনো চালান ছাড়া অফিস এর লোক নিয়ে থাকে.যদি o আমাদের ভ্যাট অফিস এ যাবার কোনো প্রয়োজন নাই সব অনলাইন এখন কিন্তু আইন এর বেড়া জাল এ বন্দি . মাসিক টাকা না দিলে নানা রকম হয়রানি মামলা জরিমানা এর শিকার হতে হয় . এই রকম শুধু আমি না . সকল ব্যবসায়ী কে অফিস খরচ দিতে হয় . কারণ আমরা সঠিক পরিমাণ ভ্যাট দেই না . এইটা আইন এর জটিলতা. প্রতি বছর শুধু আমি দেই ১০৮০০০Tk. তাহলে সব ব্যবসায়ী কত দেই.
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় মাদক ব্যবসা, চুরি, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের নেপথ্য কাহিনী এবার প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই অপরাধ সিন্ডিকেটের মূল হোতা বা প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন স্বয়ং অষ্টগ্রাম থানার থানার অফিসার ইনচার্জ। আর তার এই বিশাল 'অর্থ বাণিজ্য' ও মাদক সাম্রাজ্য সচল রাখার মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন এএসআই (নিঃ) —, এএসআই —, থানার মুন্সি — এবং ওসির বডিগার্ড —। অভিযোগ , এই পুলিশ কর্মকর্তারা আমি থানায় মামলা করতে গেলে মামলা এফআই আর জন্য ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে মামলাটি সত্য হোক কিংবা মিথ্যা হোক
আমার আব্বা ২০১৯ সালের ২৫ শে জানুয়ারি শুক্রবার সকালে রংপুর মেডিক্যালের আইসিইউতে মারা যান। মারা যাওয়ার পর আব্বাকে থেকে বের করে লাশঘরে রাখা হয়। এরপর অনেক ঝামেলা শেষ করে আব্বাকে যখন লাশ রাখা ঘর থেকে বের করে এম্বুলেন্সে উঠাতে যাব তখন দায়িত্বরত যে ব্যক্তি সে রুমের তালা খুলে দিচ্ছিলো না। ৫০০ টাকা না দিলে লাশ বের করতে দিবে না। যখন জিজ্ঞেস করলাম কেনো টাকা দিতে হবে? বললো এটা তার বকশিস। নিজেকে সংবরণ করে বাধ্য হয়ে সেদিন ৫০০ টাকা বকশিস হয়ে আব্বার লাশ আমি আর ভাইয়া ধরে এম্বুলেন্সে উঠাই। সেই লোকটা একটা তালা খুলে দিয়েছিলো বলে তাকে ৫০০ টাকা বকশিস দিতে হয়েছিল। ঐ জায়গায় প্রতিটি স্তরে স্তরে ঘুষ দিতে হয়।
প্রথমত আমি একজন সাধারণ কর্মচারি একটি প্রতিষ্ঠানের। সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রম আইনের লাইসেন্স প্রতি ৬ মাসে আপডেট করতে হয়। কুষ্টিয়া কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর কাটাইখানার মোর থেকে —ের কবরের দিকে যেতে গিয়ে অবস্থিত। যতবার লাইসেন্স রিনুয়াল করতে গিয়েছি ৩০০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে। যার হাতে টাকা দেয়া হয় তিনিই প্রথম দিকে জানিয়েছিলেন, এই টাকার অনেক ভাগ। এমনকি এডিসির হাত ধরেও উপরে যায়। আমার কোন মন্তব্য বা আশা নেই। আর হ্যা কুষ্টিয়া কাস্টমস অফিস নিয়ে ভবিষ্যতে জানাবো। সম্ভব হলে ভিডিও করে রাখবো ইনশাআল্লাহ। ওটার অবস্থা আরও করুন।
রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ডাইরেক্টর, এসিসটেন্ট ডাইরেকটর এবং অফিসার, সোসাইটির ভিতর দির্ঘীদিন যাতব ৮-১০ বছর মাস্টাররোলে কাজ করছে এমন অভিজ্ঞ প্রার্থীদের মূল্যায়ন না করে । বাইরে থেকে অনভজ্ঞ, লোকজনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা জানি না তাদের কাছে ঘুস নেওয়া হচ্ছে কিনা। তবে যারা বঞ্চিত হচ্ছে তারা বলছে এগুলো ঘুস বানিজ্য হচ্ছে। প্রতিকার চায়।
আমার ওয়াইফ, একজন সরকারি কর্মকর্তা (ডাক্তার)। তার ট্যাক্স ফাইল আমিই পূরণ করতাম। তার ২০২২-২৩ অর্থ বছরের ট্যাক্স ফাইল অডিটে পড়ে। অডিটের সময় ইনিয়ে-বিনিয়ে টাকা চায়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ফাইলে নানান রকম ভুল ধরে প্রায় ৬ লক্ষ টাকার কর দাবির হিসাব তৈরি করে। এক ফ্রেন্ড ট্যাক্সের বড় কর্মকর্তা। তার মাধ্যমে এই তথ্য জানতে পারি। পরে ফ্রেন্ডের রেফারেন্সে ওদের সাথে কথা বলি। ফ্রেন্ড বলেছিল যে টাকা লাগবে না। কিন্তু ওদের সাথে দেখা করার পর কয়েক ধাপে প্রায় ৫০,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। ট্যাক্স ইন্সপেক্টর, স্টেনোগ্রাফার, ডিসিটি - সবাইকে টাকা দিতে হয়। না দিলে ফাইল ছাড়তো না।
২০২২ সালে দালাল ছাড়া চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম। লিখিত, মোখিক ও প্র্যাকটিকাল পরীক্ষায় ভালোভাবে পাশ করলেও ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য কোনো দালাল না ধরায় বা এক্সট্রা কোনো টাকা না দেওয়ায় প্রায় বছরখানেক ঘুরিয়েছে আমাকে। ফাইল প্রসেস না করে ফেলে রেখেছিল। পরবরতীতে ওদের এক অফিসারের বদলি হওয়ার পরে একজন কেরানী টাইপের লোক ২০০ টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্স পেয়ে যাই। ২০২২ এর মার্চে পরীক্ষা দিয়ে ২০২৩ এর এপ্রিলে লাইসেন্স হাতে পাই।
আমার একটা মুক্তিযুদ্ধোর বীর নিবাস ঘরের জন্য প্রায় দেড়বছর হয়রানি করেছে, তারপর বীর নিবাস ঘরের প্রতিবেদন ঢাকা পাঠানো হয়েছে,, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, সেখান থেকে শুধু অনুমোদন কিন্তু মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা শাখার এক ব্যক্তি ৭০ হাজার টাকা, চাচ্ছে,, এজন্য টাকা দিতে না পারায় আমার ঘরও হলো না,, ঐ ভাবে চিঠিটা মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে,,কারণ আমার পিতা-মাতা মারা গেছে আমি নানিদের বাড়ি থাকি, নানিদের ভিটেবাড়ি পর্যন্ত নেই
জমি কেনার পরে কাগজপত্র ভূমি অফিস থেকে সঠিকভাবে তৈরি করে দেওয়া হয়নি। দলিলের হিসাব সবকিছু ঠিক আছে কিন্তু জমি খারিজ এর কাগজে জমির পরিমাণ ঠিক নেই। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় একাধিক দাগ নম্বর থেকে জমি দেওয়া হয়েছে ওই দাগ নম্বরে জমির পরিমাণ ঠিক নেই। এখন অন্য দাগ নম্বর থেকে জমি এখানে যোগ করতে হবে।
অনলাইনে জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য আমি আমার ফোন নাম্বার দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে একাউন্ট ওপেন করি। পরবর্তীতে এই একাউন্টে জমির খতিয়ান গুলো অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আমাকে ধানমন্ডি ভূমি অফিস, কাঁটাবনে যেতে হয়। অফিসের যিনি পিয়ন আছেন তাকে সবকিছু বলার পর তিনি আমার কাছে কাজটি করার জন্য ২ হাজার টাকা দাবী করেন। আমি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে উনি জানান যে, আচ্ছা রেখে যান হয়ে যাবে। এরপর ১ সপ্তাহ পর্যন্ত আমি অনলাইনে চেক করতে থাকি এবং দেখি যে আমার খতিয়ান নম্বর গুলো অনলাইনে সংযুক্ত করা হয়নি। এরপর আমি আবার ভূমি অফিসে যেয়ে উক্ত পিয়নকে ২ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর বাসায় এসে পরেরদিন চেক করতে যেয়ে দেখতে পাই যে আমার খতিয়ান গুলো অনলাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।