কৃষি সার্টিফিকেট অনলাইন আপডেট
কৃষি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় কিন্তু এটার অনলাইনে আপডেট হয় নাই তিন দিন ঘুরানোর পর এটার জন্য টাকা দাবি করা হয়েছিল ।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কৃষি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় কিন্তু এটার অনলাইনে আপডেট হয় নাই তিন দিন ঘুরানোর পর এটার জন্য টাকা দাবি করা হয়েছিল ।
একটি সরকারি ট্রেনিং এ গমনের জন্য জিও অনুমোদন করতে উপসচিব এর প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে। নির্ধারিত যাত্রার প্লেন এর তারিখ এর আগেরদিন পর্যন্ত টাকা না পেয়ে ফাইল ধরে রেখেছিলো। পরে টাকা নিয়ে সেদিন বিকালে ফাইল ছাড়ে।
Id Card uttolon korte gie amar sathe protarona koreshilo, box number dieci prothome bolece nai id card n cimputer dokan theke duplicate copy ber korte bolece , jokon 450 taka die id card utani hoy tokhn dokandar bolece id card ace , upore abar gie dekhi id card asce , tara bole akhn dibe na kinto taka dewar kotha bolle tatkhonic id card ane dai,,,
ইনকাম ট্যাক্স অফিস এ আমি নিজে ইনকাম ট্যাক্স দিতে পারি না কখনই। নানা রকম হয়রানি করে। অফিস এর কমকর্তা কে টাকা দিলে সহজেই কাজ হয়ে যায়। লাস্ত ৮ বতসর যাবত ১০০০০ করে টাকা দিয়ে আস্তেসি। বাসায় এসে ইনকাম ট্যাক্স এর কাগজ দিয়ে যায়। ইনকাম ট্যাক্স অফিস এর কমকর্তারা দেশের প্রচুর কর ফাকির জন্নে দায়ি। তারা নিজেরাই দেশের সবথেকে বড় দুরনিতিবাজ।
ই নামজারি। সরকারি খরচে যেটা করতে লাগে ১১৭৬ টাকা। সেই নামজারি করতে আমার ২০০০০ টাকা লাগছে। রাউজান উপজেলা, চট্টগ্রাম, এইখানে এমন একটা শক্ত সিন্ডিকেট তৈরি হয়ছে যে আমাকে বাধ্য হয়ে ১১৭৬ টাকার কাজ ২০০০০ দিয়ে করতে হয়ছে। সাধারণ নিয়মে আমি করতে গেছিলাম কিন্তু ওরা বারবার আম্র ফাইলটা রিজেক্ট করছে না না অজুহাতে। সময়টা গত দুইমাস আগের ঘটনা
জমি রেজিস্ট্রার করতে গেলে টাকা দাবি করে। জমি বিক্রি করা আমার প্রয়োজন ছিলো তাই টাকা দিতেই হলো আমাকে।
অনেক ঘুরাচ্ছিল। টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে, তাছাড়া দেরি হবে অনেক। — নামের লোক টাকা নিয়েছে, ডিজি হেলথ ঢাকা তে।
সাংবাদিক এসেই টাকা চায়, নাস্তা খরচ, লাঞ্চ খরচ, যাতায়াত খরচ বকশিস
ব্যাংক কর্মকর্তা। বন্ধকী দলিল পাওয়ার দলিল করতে সমস্ত সরকারি খরচ পপরিশোধ করার পরেও অফিস খরচ নামে ৪০০০ টাকা অতিরিক্ত নেয়া হয়।
পাসপোর্ট করার জন্য একটি ন্যাশনাল আইডি কার্ড প্রয়োজন ছিল, ফেসবুকের একটা গ্রুপে পোস্ট করি "ইমারজেন্সি ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানাবো কিভাবে সে ব্যাপারে কেউ একজন সাহায্য করুন, একটা মেয়ে সেখানে কমেন্ট করলো, সে নাকি তিন দিনের মধ্যে ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানিয়েছে, তাই আমি তার কাছে জানতে চাইলাম, আপনি কাকে দিয়ে এই ন্যাশনাল আইডি কার্ডটি বানিয়েছেন, সে আমাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় নির্বাচন অফিসের একজনের নাম্বার দিয়েছে, এবং বলল সে একদিনের ভিতর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর ব্যবস্থা করে ফেলে, কি বলল ৭ হাজার টাকার মতো খরচও হতে পারে, তাই আমি ওই লোকটিকে ফোন করে কথা.......... এত লিখা এখানে জায়গা নিচ্ছে না, তাই বিস্তারিত জানতে [redacted] এটা আমার নাম্বার কাইন্ডলি নক দিন। আমি বিস্তারিত ঘটনা বলতে চাই
আমার চাচাতো ভাইয়ের সরকারী চাকরী হয়। পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের জন্য পুলিশ আসলে তারা ৫০০০ টাকার নিচে কনো মতেই নিবে না। এটা নাকি মিষ্টি খাওয়ার টাকা। গ্রামের মানুষ যদি চাকরী হাতছাড়া হয়ে যায় তাই টাকা দিছে। ২০০০/২৫০০ টাকা দিতে চাইলে নেয় নাই ৫০০০ টাকাই নিছে।
নামজারি আবেদন ১ম বার বাতিল করা হয়েছে। পারে দালালের মাধ্যম কাজটি সমাধান হয়েছে।
সেবাটি ছিলো নামজারি করতে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে। না হয় এই অফিস ওই অফিস থেকে সিল স্বাক্ষর, অনুমতি, পেপারস ইত্যাদি আনতে হবে। ঘুরতে হবে। হয়রানী হবে। সময় লাগবে ১ মাস। ঘুষ দিলে। ৭ দিনে তাদের অফিসে থেকেই ডিরেক্ট নামজারি পেপারসটি নিয়ে যাবে।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য মিরসরাই থানা থেকে ফোন দিয়েছিল। বিকাশ নাম্বার দিল এইটা তে ১০০০ টাকা পাঠাতে বললো । আমি ৫০০ টাকা দিয়েছিলাম । মাত্র ৫০০ কেন দিলাম জিজ্ঞেস করাতে আমি স্টুডেন্ট পরিচয় দিলাম । পুলিশ টা ভালো ছিলো বলে ৫০০ টাকা মঊকুপ করেছে ।
লাইসেন্স নবায়নের করতে হলে এই মূহুর্তে সচিব কে টাকা দিয়ে খুশি করতে হয়
এস এস সি এন্ড এইচ এস সি সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট এ মায়ের নাম সংশোধন প্রক্রিয়া টাকা ছাড়া করবেন না বলে জানায় , প্রথমে নিজে চেষ্টা করি হয় নাই , টাকা দেয়ার পরে সমাধান হয়
বাড়ি কিংবা ছোট কাজ করতে গেলেই টাকা চায়
ই-নামজারি সেবায় সরাসরি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে ২,০০০/- দাবী এবং আদায় করে। তারপর উপজেলা ভূমি অফিসে কানুনগো টাকা দাবী করে কিন্তু আমি দেয়নি সেজন্য আবেদন অনেকদিন ঝুলিয়ে রেখেছিলো। তারপর এসিল্যান্ডের সাথে সরাসরি দেখা করার পর জিজ্ঞেস করেছে শুনানির তারিখে উপস্থিত হইনি কেন? অথচ কোন মেসেজ বা ফোন আসেনি।অনলাইন ট্র্যাকিং করে শুনানির দিন উপস্থিত হয়েছিলাম কিন্তু কানুনগো সার্ভারের সমস্যা বলে পাঠিয়ে দেয়। সবশেষে এসিল্যান্ড যাচাই করে আবেদন মঞ্জুর করে।
ফালের পাতা ছিরে ফেলে দিয়েছিল। মিথ্যা যুক্তি দিয়ে হয়রানি করেছিল।
অনলাইনে ওয়ারিশ সনদ নিবন্ধন করা।