MPO File process
এমপিও ফাইল উপজিলা থেকে জেলায় পাঠানোর জন্য প্রতি ফাইল এ ২০০০ টাকা করে নেয়।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
এমপিও ফাইল উপজিলা থেকে জেলায় পাঠানোর জন্য প্রতি ফাইল এ ২০০০ টাকা করে নেয়।
Bangladesh rome embassy তে অনলাইন এ appointment নেওয়া সিস্টেম চালুর একটা নির্ধারিত টাইম দেওয়া থাকলেও সময় তো খুলে না বা ডেইট গুলা আগে থেকেই রিজার্ভ থাকে পরবর্তীতে জানতে পারি, Embassy নির্ধারিত কিছু দালাল আছে তারা appointment বিক্রি করে তাই ডেইট গুলা আগে থেকেই রিজার্ভ থাকে। দালালরা ঘুষ আদায়ের মাধ্যমে appointment বিক্রি করে। বিষয়টি সত্যতা যাচাই করতে আমিও দালালদের কাছে যাই ঠিক তেমনই আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় যা পূবে অনলাইন এ ফ্রিতে পাওয়া যেত।
আমি ১১ নং গজনাইপুর ইউ পিতে গিয়েছিলাম ট্রেড লাইসেন্স করতে ওনারা বলতেছেন ২২০০ টাকা দিতে হবে। কেন জনগন সব সময় ই ভোগান্তি পোহাতে হবে।
প্রথমে আমি রাজি হয়নি। তারপরও প্রতি সপ্তাহে একবার করে খোজ নিতাম। কিন্তু প্রতিবারেই আরও সময় লাগবে বলে দেরি করে। দুই মাস পরে হঠাত একদিন ফোন করে আমাকে বলে, আপনার DPS ফান্ড এ একটা ঝামেলা হয়েছে। আপনার ২ লক্ষ টাকা কম হবে। কিন্তু আপনি যদি ৩০ হাজার টাকা দেন, আমি সমস্যাটা স্কিপ করে যাব। আমি পরে হিসাব করে দেখি হিসাবে গড়মিল মাত্র ৫ হাজার টাকা, আপনি এই টাকা মোট টাকা থেকে কেটে রাখেন। আমি উনাকে ব্যাখ্যা দেয়ার পর উনি বললেন আরেকবার হিসাব করে দেখি। পরে আর যোগাযোগ করেনি। এদিকে আমার জুলাই এ আমার টাকা লাগবেই একটা জরুরি কাজের জন্য। আমি আবারও প্রতি সপ্তাহে যোগাযোগ করতে লাগলাম। সেও দেরি করতে থাকে। পরে আরেক ঝামেলার কথা বলে। এই করতে করতে জুলাই মাসও শেষের দিকে চলে আসে।
সিলেট BRTA অফিসে ঘুষ ছাড়া একটা ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করানো যেন অসম্ভব! কাগজপত্র ১০০% সঠিক নিয়ে গেলেও অফিসার সাইন করেন না। ২/১ জনকে সাইন দিলেও পরীক্ষায় ফেইল দিয়ে দেয়—এমন অভিযোগও শুনতে হয়। লাইসেন্সটি আমার খুবই প্রয়োজন। তাই বারবার হয়রানি ও ভোগান্তির পর শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করেছি। সঠিক কাগজপত্র নিয়ে সরকারি নিয়মে সেবা নিতে গেলেও যদি এভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
চাকুরী এর জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগায় 4 বার এপ্লাই করি প্রতি বারি ক্যানসেল করে দেয় কোন কল না দিয়ে। পরে ঢাকা থেকে নিজে যায়। এবং আস্ক করি কেন চিল্লাচিল্লি করি রাঙ্গুনিয়া থানায়। পরে বলে আপনি কাল আসিয়েন। কাগজপত্র আবার এপ্লাই করি এবং থানায় যায় বলে3 ভালোবাসা দিবেন না একটু পরে রাগ উঠেছে কিন্তু বার বার ঢাকা থেকে যাওয়া থেকে 500 টাকা দিয়ে রেহাই পেতে 500 টাকা দেই। কিন্তু বলে 500 টাকায় কি হয় এই সেই আবুল তাবুল পরে বাধ্য হয়ে আর 500 টাকা দিলে সে ছিল মেরে দেয় । এবং 1 সপ্তাহ পরে পায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।
বাবার সাথে জায়গার নাম জারি করতে গিয়েছিলাম। দুইমাসেও কিছু করতে পারি নি। উনি অপেক্ষা করিয়েছে, উপেক্ষা করেছে। কিন্তু কোনমতেই নাম জারি করে না। সব কাগজপত্র বৈধ, সবকিছুই ঠিকঠাক কিন্তু আমাদের কোনমতেই করে দেয় না। সাক্ষর করে না, যাচাই বাছাই করে না। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের এক লোকাল নেতাকে দিয়ে বাবাকে বলায়, ৪০০০০৳ দেন, ২ দিনে কাজ কমপ্লিট হয়ে যাবে। বাবা দেন নি। এটা আওয়ামী লীগের সময়ে।
আমার ছোট ভাইয়ের জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স জন্য আবেদন করে তা সমস্ত লিগ্যাল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সন্দ্বীপ পুলিশ স্টেশনে যাই ডিউটি অফিসার সব কিছু থেকে করে আমার বাবাও মায়ের nid কার্ড ও ট্যাক্স টোকেন এবং বাড়ির খতিয়ানের কপি লাগবে বলে পরের দিন যথারীতি আমি আমার বাবা ও মায়ের এন আইডি কার্ড ট্যাক্স টোকেন এবং বাড়ির খতিয়ানের কপি নিয়ে যায় এরপর সে ১০০০ টাকা দাবি করে বাধ্য হয়ে আমি এক হাজার টাকা দেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য
কাস্টমস এর যে কোন কাজের নিমিত্তে টাকা পয়সা লেনদেনের জন্য দালান এর মাধ্যমে ঘুষ পরিশোধ করতে হয়। দালাল লাইসেন্স শাখায় কাজ করে। মানুষকে নানা রকম ব্লাক মিল করে টাকা আদায় করে থাকে। লাইসেন্স শাখার সবাই ঘুষ ক্যালেংকারি জড়িত।
আমার ড্রাইভারকে ইউটার্নের সিগনাল দিয়ে পরে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ইউটার্নের অভিযোগ। টাকা না দিলে ভিডিও মামলার হুমকি।
আমি ফুলবাড়ী থাকি। এখন সেই সুবাদে গ্রাম থেকে আমার এক বড় মা অসুস্থ হলে প্রথমে আমাকে ফোন দেয় ও ব্যবস্থা নিতে বলে। ফুলবাড়ী সরকারি হাসপাতাল এ আনা হয়, এখানে পরিস্থিতি অবনতি হলে, তাকে দিনাজপুর হাসপাতালে নিতে বলার কথা হয়। আমার বড়- মার অবস্থা অনেক খারাপ হয়, যার জন্যে দিনাজপুর এ নিজে যাওয়া জন্যে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স এ বলা হয়। ফুলবাড়ী থেকে দিনাজপুর এর সরকারি হিসাবে ৳৮০০ হয়। উনি বলেন, টাকা ৳৮০০ এ নিবেন কিন্তু তাকে তেল তুলে দিতে হবে, না হলে ৳১২০০ টাকা দিতে হবে। দুঃখে বিষয় উনি ৳১২০০ নিবে কিন্তু স্লীপে ৳৮০০ টাকা থাকবে। এক পর্যায়ে তার সাথে তর্কে জড়ায় পড়ি। পরে এক বড় ভাই আমাকে ওখানে থেকে বাহিরে আনেন। পরে ওই বড় ভাই ৳১০০০ এ রাজি করেন, স্লীপে ৳৮০০ টাকা দেখায় ।
It was supposed to be a routine errand: a trip to the Mohammadpur Regional Passport Office so my mother could renew her passport. Instead, it became a frustrating masterclass in institutional bureaucracy. She arrived with every document listed on the official form, only to be met with shifting demands. First it was one paper, then another. Finally, they insisted on a utility bill for our house. My mother returned with a copy of our water bill, but that too was arbitrarily rejected. Yet, right outside the office doors, a network of middlemen operated in plain sight. Their proposition was simple: pay 2000 taka, and the very same paperwork that was just turned away would suddenly be sufficient.
বিল পাওয়ার পর মিস্টি খাওয়ার টাকার জন্য আবেদন করেছিলো হাজার দশেক টাকার
ঢাকার আফতাব নগর ৬ কাঠার প্লট ১০ তলা বিল্ডিং অনুমোদনের জন্য রাজুক এক কর্মকর্তা ১০ লক্ষ টাকা চেয়েছে। আমার পরিবারে দুটি পাসপোর্ট করতে তিন হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি।
They asked for money to give serial for appointment and this taken by some other agency and they give serial
ভোটার স্থানান্তর আবেদনের জন্য সরকারি কোনো ফি নেই। কিন্তু সেখানে উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভোটার স্থানান্তরের জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে মাসের পর মাস আবেদনের কাগজ ফেলে রাখে কাজ করেনা। আমি নিজেই কিছুদিন আগে ভোটার এলাকা স্থানান্তর করতে গিয়ে এর শিকার হয়েছি। বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হয়েছে নয়তো কাজ করেনা কাগজ ফেলে রাখে।
১ টি নির্দিষ্ট ডেটের দলিল নম্বর সার্চিং ফি দাম ২০ টাকা সেটার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করেছে তাও অফিসের সবার সামনে, এটাই নাকি খরচ। অথচ কাজটি বালাম বই দেখে জাস্ট দলিল নম্বর বলা টা, আর কিছু না। আর কোন কাজ সরকারি ফি তে করা হয় না। সব কিছু কন্ট্রাক্ট করে মোটা টাকা চুক্তি করে করা হয়।
আমাকে, আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য , ASI নির্মল সাভার থানায় ডাকে, আমি যাই, ওনি ৫ মিনিট পর আসে তার পর আমার পেপারস দেখে,, এবং জানায় চালান কপি নাই আমি ৫ মিনিট এর পর এটাও প্রিন্ট করে এনে দেই,,, সাভার মসজিদের পাশে এসে আমাকে, নানা প্রশ্ন করে,, তার পর বলো,, খরচ দিতে,, আমি বলি আবার খরচও লাগবে, সে জানায় তাকে এই টাকা উপরেও দিতে হবে, তার পর আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
সোয়া পাঁচ শতাংশ জমি নামজারি করতে ১০০০০ ৳ চাইছে, চাটখিল উপজেলা ভূমি অফিসে ঐতিহাসিক দুর্নতি চলে দেখার কেহ নাই,
প্রতিটা সরকারি বিল এ তারা ৩-৫% ঘুষ নিয়ে থাকে। এর কোন প্রতিকার নেই কেন?