বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
দশমিনা উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার শহীদুল ইসলাম, আমার ৫০ শতক জমি নামজারি করতে ২০০০০ টাকা চাইছে আর না হলে সে খতিয়ান আটকে দিবে, ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট দিবে, নামজারি কেস মুলতবি করবে এমন বক্তব্য দিয়েছে। পূর্বে সে যখন রনগোপালদী ইউনিয়নের তহশিলদার ছিলো সেখানে ও তার ঘুষ খাবার রেকর্ড এবং বিনা কারনে কেস মুলতবি রাখার বদনাম আছে।
আমি জমি ক্রয় করার পর সকল কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও উক্ত ঘুষ প্রদান করতে হলো।
ট্রেড লাইসেন্সের অনুমতি দেওয়া বাবদ টাকা দাবি করেছে এবং দিয়েছি।এমনকি প্রত্যেকটা লোকের কাছ থেকে ট্রেড লাইসেন্স অনুমতি বাবদ অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
Ami NID correction korber jonno application kore still pending tai akjoner shate kota bole uni 90,000 taka chice correction kore deba. Aggorgon election office a taka diya lok dore kas korte hoi na hole approved hoi na.
Paye betha pawoar por Plastar korar jonno extra taka nise even baire pharmacy thekey kinte hoise
প্রথমে ভূসের জন্য নানা রকম পেচা পেচি করচে ১ বছর যাবত ঘুরিয়েছে পরে পিযন দিযের ভূমি সহকারি
অফিসের নাম শিবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, অনলাইনে নামজারির আবেদন করে নায়েব স্যারের দেখাই নায়েব স্যার আমার আবেদনের সাথে দলিল আর বিএস খতিয়ান ও আইডি কার্ড দেখে আমাকে বলে আপনার দলিলে নাম আর আইডি কার্ডের নাম একটু ভিন্নতা আছে আমি বললাম স্যার কি ভিন্নতা স্যার আমাকে বলেন আপনে দেখে কাগজ গুলা আমি দেখে বলি স্যার — আর — কি বেশি ভিন্নতা স্যার আমাকে বলেন ভাই আপনার কথা ঠিক আছে কিন্তু দলিল সাথে আপনার আইডি কার্ডের নামের মিল নাই আমি বলাম স্যার কি করতে হবে, তখন স্যার বলেন টাকা দিতে হবে আমি বলাম কত টাকা দিতে হবে স্যার বলল সাইটে আসেন আমি বলল ঠিক আমাকে বলেন খারিজ আর নামে সমস্যা জন্য ২০০০০ টাকা আমি বলম স্যার আমি এত টাকা দিতে পারমু না তার পর নায়েব স্যার বলল তাহলে কাজ হবে না।
আমি একটি ৩ শতাংশ জমি যেটি বাজারে অবস্থিত। সেই জমি ক্রয় করি ৩৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে। সেই জমির মালিক অসুস্থ এবং অন্য জেলা( চিটাগাং) এ ছিল। সেখান থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে নিয়ে আসতে হবে। আর এই কারনে ৭৫ হাজার টাকা দাবি করে এবং বলেন যে, দোকান একটাই... রাজি থাকলে রেজিষ্ট্রেশন হবে তাছাড়া হবে না। তাই বাধ্য হয়ে ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রার অফিসারকে নিয়ে যেয়ে চিটাগাং থেকে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়....
বিদেশ গমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গেলে সর্বমোট ৪৫০০ টাকা দাবি করা হয় তা না হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থানা থেকে দিবে না অন্য জায়গায় থেকে আনতে হবে, এছাড়াও সোনাইমুড়ি পৌরসভার বিভিন্ন নাগরিক সুবিধার জন্য একই চিত্র গুনতে হয় ভূমি অফিস, সহ সরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে প্রায় এক রাকম।
আমার পুরাতন বৈদ্যুতিক মিটার পরিবর্তন করে নতুন মিটার লাগাতে চাইছিলাম, সেই লক্ষ্যে নতুন মিনার লাগানোর জন্য বিদ্যুৎ অফিসে যাই এবং তারা নতুন চারটি মিটার লাগানোর বাবদ আমার থেকে ৮০০০ টাকা প্রথমে এবং পরবর্তীতে ৫০০০ টাকা দাবি করে আমি তাদের বললাম এই নতুন মিটারগুলো তো সরকার ফ্রিতে লাগিয়ে দেয় আপনারা টাকা নিচ্ছেন কেন তারা আমাকে বলে বর্তমানে নতুন কোন মিটার নেই আপনার যদি লাগে নতুন মিটার আসলে তখন লাগিয়ে দিব তবে ৫০০০ টাকা লাগবে আমি তাদের বলি আমি এক টাকাও দিতে পারব না।
সংশোধন এর জন্য গেলাম তথ্য জমা দিলাম কোনো আপডেট জানায় নাই সংশোধন ও হয় নাই। আবার গেলাম বলে কাগজ হারিয়ে গেছে... এরকম পর পর তিন বার করে ১ বছরের মত সময় নষ্ট হয়। এরপর এক দালাল থেকে জানি ১০০০ টাকা ঘুষ দিলে হয়ে যাবে। পরে ঘুষ দিলাম ৩ দিনের ভেতর কাজ হয়ে যায়....
পলিটেকনিক গুলোর ডিপ্লোমা অষ্টম পর্বে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ে বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি গুলোতে ট্রেনিংয়ে আসার জন্য যখন শিক্ষকদের থেকে অনুমতি চাওয়া হয় শিক্ষকরা সেই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ছাত্রছাত্রীদের মাথাপিছু বাবদ একটা ঘুষ দাবি করে প্রতিষ্ঠানগুলো এটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে সেখানে কোন শিক্ষার্থীদেরকে পাঠায় না এইভাবে শিক্ষার্থীদের এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর কোমর ভেঙ্গে দিচ্ছে এই অসাধু পলিটেকনিক এর শিক্ষকগুলা।।
ঠাকুরগাঁও ঔষধ প্রশাসকের কার্যালয়ে ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে সরকারি সকল ফি পরিশোধ করার পর লাইসএন্স নবায়ন করতে শুধুমাত্র ড্রাগ সুপারের একটি সিগনেচার প্রয়োজন হয় সিগনেচার নিতে শাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারি দের মাধ্যমে 500 টাকা দাবি করা হয়। এই টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন হয় না কাল আজ নয় স্যার নেই কাল আসুন এ ধরনের কথা শুনতে হয়
সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে সাপ্লাই করা পন্যের বিল পাস করতে আর্মি এসএফসি থেকে বিল পাশ করতে হয়। সেখানে বিভিন্ন রকম হয়রানির সম্মুখীন হতে হয় প্রতিনিয়ত। মোট বিলের ১% টাকা ঘুষ না দিলে সেই বিল আর পাশ হয়না। সেখানে কর্মকর্তাগন নিজেদের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী মনে করে সবসময়। টাকা ছাড়া কোনো বিল পাশ হয়না।
চৌগাছা সাব রেজিস্ট্রার সকল দলিলের মূল্যের উপর পার্সেনটেজ আকারে ঘুস নেন। এছাড়া দলিল লেখকরা সমিতি ও সিন্ডিকেট করে দলিল রেজিস্ট্রেশন এর মূল্য নির্ধারন করেন। যেখানে ৫০০০ টাকায় বন্ঠননামা দলিল হওয়ার কথা, সেখানে চাচ্ছে ৭৫০০০ টাকা
আমি নতুন পাসপোর্ট বানানোর উদ্দেশ্য গতমাসে, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস বসিলায় যাই, সিরিয়ালে লম্বা সময় দাঁড়িয়ে থেকে সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও, লিস্টে উল্লেখ না থাকা কাগজ অনুপস্থিত রয়েছে বলে আমার কাগজ জমা নেওয়া হয় না এবং ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেই ডকুমেন্টসটি সংগ্রহ করে পুনরায় জমা দিলেও তা নানান অযুহাত দেখিয়ে ফেরত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি অফিস থেকে বের হলেই, বাইরে অপেক্ষারত বিভিন্ন দালাল আমাকে ডাকে এবং কাগজ জমা করিয়ে দিবে বলে প্রলোভন দেখায় । আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে, তারা ৩ হাজার টাকায় সব করে দিবে বলে আশ্বাস দেয় এবং আমি একপ্রকার বাধ্য ও নিরুপায় হয়েই টাকাটি তাদের প্রদান করি। এবং অবিশ্বাস্যভাবে পাসপোর্ট অফিস থেকে আমার কাগজটি জমা নেওয়া হয়, এবং সমস্ত প্রকৃয়া খুব দ্রুত সম্পন্ন করে দেয়।
আমার খুব জরুরি ভিত্তিতে সার্টিফিকেট সংশোধন করতে হতো। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যারা টাকা দেই না তাদের টা ৬ মাস, ১ বছর ধরে আটকিয়ে রাখে পরর্বতীতে টাকা দিয়েই করিয়ে নিতে হয়। আমি তাও অনেক ভাবে চেষ্টা করছি কিন্তু তারা আমাকে কোনোভাবেই না কি ৬ মাস বা আরও বেশি সময় এর আগে সেইটা করে দিতে পারবে না পরবর্তীতে বাধ্য হইয়েই আমাকে এই অন্যায় উপায় মেনে নিতে hoice
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী নকশা অনুমোদনের জন্য নকশা জমা দেওয়া হলে তা যাচাই এর নাম করে বারংবার সংশোধন দেওয়া হয়। পরে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে উক্ত নকশা অনুমোদন করানো হয়।
ওয়ার্ড বয় টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। টাকার বিনিময়ে সিট বিক্রি করে, আনসারকে টাকা দিয়ে ঢুকতে হয়। প্রচুর পরিমানে দালালে ভরপুর। ওশুধ থাকা সত্যেও ডাক্তার অশুধ লিখে না। বলে বাইরে থেকেটেস্ট করান বা বাইরে থেকে কিনুন। যাচ্ছে তাই অবস্থা। ক্লিনাররা টাকা দিলে ওয়াশরুম ক্লিন করে।