ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলন
রেজিস্ট্রার বিল্ডিং এর ০৩ তলার মার্কশীট কক্ষ থেকে বিদেশ যাওয়ার টান্সক্রিপ্ট তুলতে গেলে ১০০০ টাকা দিলে তাড়াতাড়ি করে দেয়।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
রেজিস্ট্রার বিল্ডিং এর ০৩ তলার মার্কশীট কক্ষ থেকে বিদেশ যাওয়ার টান্সক্রিপ্ট তুলতে গেলে ১০০০ টাকা দিলে তাড়াতাড়ি করে দেয়।
সচিব টাকা চাড়া সাইন করেনা
নতুন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করতে ঘুষ সিন্ডিকেট ১২-১৫ হাজার টাকা নেয় সবার থেকে। বিশাল এক চক্রে! দিনের আলোতে টাকা নিচ্ছে কুকুরগুলো, সন্ধার পর টাকা ভাগাভাগি চলে লাইট অফ করে। এক স্টুপিড কান্ট্রির স্টুপিড সিস্টেম!
জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে ১০৪ নম্বর রুমে জমা দিতে হয়। দালাল ছাড়া এ আবেদন জমা দিতে গেলে একটার পর একটা কাগজ চেয়ে আবেদন গ্রহীতা কে হয়রানি স্বীকার করে। অথচ বাইরের কম্পিউটারের দোকানগুলোতে গিয়ে পনেরশো টাকা দালালি খরচ দিয়ে দিলেই কোন ডকুমেন্ট ছাড়া আবেদন জমা হয়ে যায়। সবই পীর দরবেশের খেলা।
Hhhhhh!gfgh hjnbv hhjjbvv hbb
পরিস্থিতি সিকার হয়ে দিতে হয়েছে বিদেশ আসার টাকা জন্য ২.৫০ লাখ টাকা লোন নিতে গিয়ে এই ঘুস দিতে হয়েছিল
মাসিক খরচ নাম করে টাকা দাবি করা
খতিয়ান করতে খরচ বাবদ ৮০০০০ টাকা ঘুষ চাইছিল।
নাম দিয়ে ০৩ বছরের দলিল তল্লাশির জন্য ৯০০ টাকা নিলো। নারায়ণগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিসের ঘাস ও যেনো টাকার পানে তাকিয়ে থাকে। ঔহ্ হ্যা! আমার কাজটি হয়নি কিন্তু টাকা দিতে হয়েছিলো নয়তো কাজ হবে না।
নামজারির পর স্থানীয় ভূমি অফিসে হোল্ডিং খোলা জন্য গেলে ১০০/- ঘুষ লেগেছে
নামজারি করতে সাধারণ ১১৭০ টাকা লাগে কিন্তু প্রস্তাব প্রেরণ জন্য নেয় ২৫০০ কানগো নেয় ১০০০ ডিসিআর জন্য অনুমোদন ৫৫০০
মিরপুর ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসের মনোনীত কার্যালয়ে বিভিন্ন সেবার জন্য মানুষ আসে। নাগরিক সনদের জন্য টাকা চেয়েছে। স্বাস্থ্য মোটা করে এক লোক বসে। উনি টাকাটা চেয়েছিলো।
আমার দাদার কাছ থেকে আরএস দাগ ৩২৪ এ জমি কিনেছে! বৈধ দলিল আছে। জমি আমাদের দখলে খারিজ করতে গিয়ে দেখি জমি কম যার কারনে খারিজ আবেদন করতেছি। যদি ভুমি কমিশনার —কে টাকা দেই আমার নামে রেকর্ড দিবে। আমি টাকা দেই নাই তাই দিবে না। একই জমি একই কপি দিয়ে টাকার বিবিময়ে আমার চাচারা বিডিএস রেকর্ড করাইয়া ফেলছে। — :০১৮৮১৫১০৭৯৫। আমাকে কল করবেন। মৌজা দংখিন পানিশাইল।
ভুমি উন্নয়ন কর ২০১২-১৩ অর্থ বছর পরিশোধ অর্থাৎ ১৪২০ বাংলা । কিন্তু ১৩ বছরের মধ্যে উল্লেখ্ করা ২০ বছর । ডকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও কুড়ার বাজার ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া সমাধান করে দিচ্ছেন না ।
আবেদন ফরমে দালালের সীল না থাকায় আমাকে বার বার ফেরত পাঠানো হয়, আমি নিজেই অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম তাই কোন দালালের সীল ছিলো না, টাকার থেকে বেশি হয়রানি হই তিনি আমাকে প্রায় ৬-৮বার লাইন থেকে বের করে দেন এইটা সেইটা দেখিয়ে পড়ে আবার সেই লম্বা লাইন ঘুরে আসতে হয় পরে পাশ্ববর্তী কম্পিউটার দোকান থেকে একটা দালালের সীল নেওয়ার পর আমার আবেদন টা জমা নেয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য লিখিত ও ভাইবাতে পাশ করলেও প্র্যাক্টিক্যালে ফেইল দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে শুধু ফিংগার প্রিন্ট দিয়ে চলে আসি। কোনো প্রকার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ছাড়াই পরবর্তীতে পাশ চলে আসে এবং লাইসেন্স পাই।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, ২০১৮ সাল। এনআইডি কার্ড গ্রহন করতে গেলে আমাকে জানানো হয় ১৫ দিন পরে আসতে। তখন দারোয়ানের মাধ্যমে ৭০০ টাকা দিলে ১ ঘন্টার মধ্যে কার্ড পাই এবং স্ক্যানসহ সব কাজ সম্পন্ন হয়।
আমার বাবা ই নামজারি করতে যায়,১০০০০ টাকা চায়, কাগজ পত্র কোন সমস্যা নাই, তারপরে সর্বশেষ ৬০০০ টাকায় করে দিছে,তাও সর্বশেষ কর সাল ভূল দিয়ে
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বান্দরবানে নতুন লাইসেন্স করার জন্য ফরম নিতে গেলে টাকা ২০০০/- নিয়ে ফরম দে, পরে জমা দেবার সময় ৫০০০/- টাকা নেয়। বলেছে অফিসে খরচ, সব কর্মচারীদের নাকি দিতে হয়। মূল বিষয় হলো ২ জন মহিলা উপজাতি, হওয়ায় আমি বাঙ্গালি তাই প্রথমে ফরমও দিতে চাই নাই। আর তাদের ব্যবহার তেমন রুচিশীল না।
Every month I have to give 12000 taka VAT and 8000 taka bribe.