নামজারি
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও বিগত ১ বছর ঘুরার পর নামজারি হয়নি বার বার ক্যাসিল হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে নামজারি করানো লেগেছে। যা আমরা নিরুপায়।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও বিগত ১ বছর ঘুরার পর নামজারি হয়নি বার বার ক্যাসিল হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে নামজারি করানো লেগেছে। যা আমরা নিরুপায়।
বলা হয়ছে না দিলে পরিক্ষায় ফেল দেখাবে না প্রেট্রিকেল ফেইল দিবে
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিও ফাইল সাবমিশন এর জন্য ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে টাকা দেই নাই,যার জন্য ২মাস ফাইল টাস করে নাই। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই ফাইল এপ্রোভ করেছে।
চট্রগ্রামের রাউজান উপজেলায় পৌরসভা এলাকায় আমি বাড়ি করতে চায়, সেখানে বাড়ি করতে পৌরসভার অনুমোদন প্রয়োজন, তারা অনুমোদন দেয়ার জন্য ৫০০০০ টাকা ষুষ চাই
আমার থিম পার্কের লাইসেন্স প্রতি তিন বছর পর পিরভ রিনিও করি ২০ হাজার টাকা নিয়মিত ফি দিয়ে।২০২৫ এ এ বাবদ ১৪০০০০ টাকা দাবী করা হয়।ডি সি অফিস এ কাজ করে।এ ডি সি জেনারেল নিজেই ঘুষ নেন।
গাজীপুর জেলায় বনবিভাগের জমিতে বাড়ি করতে দেয় বনবিভাগের লোকজন।বনকর্মী,বিট অফিসার সহ।একটি পাকা ঘর করতে নেয় ৩০০০০ টাকা।এভাবে গাজীপুরে থাকা বনভূমিতে হাজার হাজার বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে প্রতিদিন।বিষয়টি অতিব জরুরি।টাকা নেয়ার কোনো প্রমাণ রাখে না।টাকা না দিলে বাড়ি ভেঙ্গে দেয়।প্রতি সপ্তাহে এ ব্যাপারে "ঘটনার আড়ালে" পত্রিকা নিউজ করছে কিন্তু সবাই নিশ্চুপ।
কিছুদিন আগে আমি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে যায়, টিকিট কাউন্টারে আমি আমার বক্ষব্যাধি জনিত সমস্যার কথা জানালে উনি আমাকে জেনারেল ফিজিসিয়ানের টিকিট দেন, উক্ত টিকিট নিয়ে আমি লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়ায়। সেখানে হস্পিটালের আইডি পরিহিত একজন আমাকে বলেন, "নাস্তা করার টাকা দেন রেফার্ড সিস্টেম ছাড়ায় সরাসরি বক্ষব্যাধি ডাক্তার দেখিয়ে দিচ্ছি।" আমি সেটা প্রত্যাখান করে হসপিটাল ত্যাগ করেছিলাম।
E fire license এর জন্য চেয়েছে, আমি দিতে বাধ্য, তা নাহলে লাইসেন্স দিবেনা, আমার প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
মিউটেশন করতে ঘুষ না দিলে বিভিন্নভাবে ঝামেলা করে এবং হয়রানি করে। তাই সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিয়ে মিউটেশন বা নামজারি করতে হবো তা না হলে কাজ হবেনা।
সিরিয়াল ওভারল্যাপ করে এক্সরে করা
সকালে প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্র নিয়ে যাওয়ার পর সারাদিন হয়রানিকার করেছে এরপর যখন বাহিরের দালালের মাধ্যমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে সাথে সাথে করে দিয়েছে।
টাকা ছারা পাসপোর্ট আবেদন জমা নেয় না।
নির্বাচন সম্পন্ন করার পরও আবেদন করার পর আমাকে বারবার অফিসে দেখা করতে বলে, ৩০০০০ না দেয়া পর্যন্ত প্রত্যয়ন পাই নি
আমার অফিসের বাজেট উত্তোলনের সময় এজি অফিস থেকে ৫% দাবি করা হয় যা আমি দিতে বাধ্য হই। তাছাড়া টিএডিএ বিল উত্তোলনের সময়ও প্রতিবার ৫% করে অর্থ দিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। অডিট ক্যাডারদের কাছে জানানো হলে তারা বলেন এটা প্রেক্টিশ, তাদের কিছু করার নেই।
ট্রেড লাইসেন্স করলে একটা ভ্যাট রিটার্ন চালু করতে হয়। ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু রিটার্ন চালু থাকে।বন্ধ করতে গেলে 10000 টাকা চায়।আবার এক মাস জিরো রিটার্ন দিতে ভুলে গেলে তখন অটো সরকারিভাবে ১০ হাজার টাকা প্রতি মাসে জমা হয়। এভাবে প্রত্যেক মাসে 10000 টাকা করে জরিমানা হতে থাকে। আর তাদের কাছে গেলে তখন তারা ঘুস চায় এই জরিমানা ক্লোজ করে দেয়ার জন্য। আসলে আমার ব্যবসা তো বন্ধ আমি জরিমানা কেন দিব???? সরকার ইচ্ছে করেই এই কার্যক্রমটা স্বাভাবিকভাবে বন্ধ করে না।
পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,আফতাবনগরে।কাগজ সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল।বলছিল আইডি কার্ড দেখাতে।শিক্ষাজীবন শেষ তাই আইডি কার্ডের মেয়াদ ও শেষ।তখন বলে হবেনা পাসপোর্ট।নিজ জেলা থেকে করে নিন।তারপর আর কী!!দুইভাজার নিয়ে নিল।আরেক ভদ্রলোক তার শিক্ষাজীবনে অর্জিত সকল কাগজ পত্র নিয়ে এসেও ঘুষ ব্যতীত নিজের পাসপোর্ট করতে পারেনি দেখে নিজের দেশের মানুষের প্রতি বিশ্বাস যা ছিল তাও উঠে গিয়েছিল সেদিন। আপনাদের এই মহৎ উদ্যোগ এর জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি।মহান আল্লাহ্ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুক আমিন
প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্র নিয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করেছে এবং কেস নিষ্পত্তি না করে ১৫০০০ টাকা চায়
বাংলাদেশের যে সকল জাহাজ আছে সে সকল জাহাজের জন্য সরকারি ফি আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হয়। এবং সেটি হওয়ার জন্য অধীনস্থ ওদেরকে এক হাজার করে দিতে হয়। এবং তাদের থেকে কোন ধরনের সাহায্য যেতে হয় প্রতিবার কমিশন দিতে হয়
For getting some products license. This is for one step. Another step is pending. File is pending for 3 months.
চিকিৎসা ছুটির নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে ১০০০ টাকা ঘুষ দিলাম।