অফিসের বিল বাবদ
প্রতিটি বিলে ৩.৫%-৫% চাদা দাবী করে হিসাবরক্ষণ অফিস কর্মকর্তারা।অন্যথায় বিল উঠে না। এই চাঁদা পরিশোধ করে বিলের টাকা তুলতে হয়।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতিটি বিলে ৩.৫%-৫% চাদা দাবী করে হিসাবরক্ষণ অফিস কর্মকর্তারা।অন্যথায় বিল উঠে না। এই চাঁদা পরিশোধ করে বিলের টাকা তুলতে হয়।
আমি কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছি তার তদন্ত PBI কে দেওয়া হয়েছে তদন্ত রিপোর্ট আমার পক্ষে দিবে আমি বলছি আপনি যেটা সঠিক আপনি সেটা দিবেন আমার পক্ষে বা বিপক্ষে দেওয়ার দরকার নেই ।
আমার ড্রাইভিং এর লার্নার আইডি টি একজন বিআরটিএর বড় কর্তা নিজের কাছে রেখে দিয়েছিল । যার জন্য আমি অনলাইনে লার্নার সাবমিট করতে পারছিলাম না আর আমার লাইসেন্স ও প্রদান করা হচ্ছিল না । ভদ্র লোকের নাম্বার +880 17 1138 0761
আমাদের জমি সরকারি ভাবে অধিগ্রহণ করা হয় রাস্তা নির্মাণের কাজে। সরকার মূল্য পরিশোধ করে ১ কোটি ৭০ লক্ষ প্রায়। এই টাকা উত্তোলনের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিসের এল এ শাখা থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়, বললো ৮ লক্ষ টাকা না দিলে মূল টাকা দিবে না। বাধ্য হয়ে এই টাকা দিতে হয়। ব্যাংকের চেক দিতে চাইলে ওনারা নিতে অস্বীকার করে এবং বলে ক্যাশ টাকা দিবেন। পরে ক্যাশ টাকা নিয়ে যায়। রুমে সিসিটিভি থাকায় টাকা টা একটা সিক্রেট রুমের মধ্যে গিয়ে তারপর ওনারা গ্রহণ করে।
গ্রামের আধা পাকা রাস্তায় রাত আটটার দিকে হঠাৎ করে সামনে থেকে লাইট মারে গাড়ি থামে দেখি দুইজন পুলিশ। আমার কাছে ডায়ান ফিফটি গাড়ি ছিল। তারা আমার কাছে গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজ চেয়েছিল আমি সেটা দিতে পারিনি। তারপর তারা চা-নস্তা খাওয়ার নাম করে ঘুষ চেয়েছিল তার বিনিময়ে আমার গাড়ি ছেড়ে দিবে। আমার কাছে টাকা ছিল না পরে আমার চাচা এসে ৫০০ টাকা তাদেরকে দেয় এবং তারা আমার গাড়ি ছেড়ে দেয়।
খতিয়ান সংশোধনের আবেদন করেছি। সরকারি কোর্ট ফি ২০ টাকা সহ অনলাইন চার্জ দিয়ে, ফাইল উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) কে জমা দিতে গেছি৷ উনি জানালেন খরচ লাগবে, ১০ হাজার। ডিসি অফিস থেকে নাকি সংশোধন পাস করায়া আনতে হবে। পরে দরাদরি করে ৫ হাজার ফিক্স, ৩ হাজার সাথে সাথে দিলাম। বাকি ২ হাজার কাজ শেষ হওয়ার পর দিলাম। তার মধ্যে ১০০০৳ জাল নোট ছিলো। এরপর চিন্তা কখনো যদি জাল বা ছেড়া নোট পাই, সেটা ঘুষে চালিয়ে দিবো।
Photo tolar agey application form e kisu bhul thakar karoney ta correction kortey bola hoi. Seta kore neye jawar poro 2000 taka ghus chawa hoi. Onno thai file akkey thakbe boley humki dei.
"কোচিং করবেনা তাহলে ভর্তি হয়েছো কেন, কোচিং করা বাধ্যতামূলক আর কোচিং বল কেন এটা তো ইমপ্রুভমেন্ট প্রোগ্রাম"
পাসর্পোট আবেদন জমা বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি পরিশোধ করি
passport korar jonno fee bahire dicci
UGHS, NHMSC, Rajuk e Whatsapp e vice principal prottek class e teacher ke diye student der kase taka chay. Shorkar er protishan hoileo rajuk College jeno 25 e 25 practical e pay ejonno call kore kore baddho kore ghush nise nwwab habibullah school r uttara girls school e dibbe jonno. Nahole naki form puroner takay naki practical porikkha hobena. Echara prottek school theke 2500,3000,750,650 jon proti nie external kono porikkhok hall e ashte dey nai. Rajuk er teacher diye hall bhore felsilo. Viva ney nai. Taka camerar pisone manage kore nise churer dol. Hall er daitte kormokorta, police keo silona?
নিজে নিজে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার পর ফাইল প্রসেস না হওয়ায় অফিসে গেলে বুঝতে পারি নির্দিস্ট চ্যানেল ব্যতীত ফাইল প্রসেস হবে না।
তারা রাস্তার কথা উল্লেখ থাকলে ১/৫ভাগ টাকা দাবি করে।পিয়ন দিয়ে টাকা নেয়।মুহুরি -পিয়ন-অফিস।
উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নাম। এই কালপ্রিটের কপালে সেজদার দাগ। মুখে নূরানি হাসি। কথায় যেন মুক্তো ঝরে। মনে হবে এর চেয়ে নিষ্পাপ মানুষ বোধ হয় পৃথিবীতে আর অবশিষ্ট নেই। অথচ টাকা ছাড়া একটা ফাইলও ছাড়ে না । এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হিসেবে নতুন কেউ নিয়োগ পেলে, বা নতুন স্কেল যুক্ত করতে চাইলে তাকে খুশি করে দিতে হবে। এই খুশি করে দেওয়ার পরিমাণ তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা। লোকটা টাকা আবার নিজ হাতে নেবে না। নিজ হাতে ঘুষ নিলে হাত নাপাক হয়ে যাবে না? টাকা নেওয়া হবে তার অ্যাসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে। যে বসে থেকে বাইরে।
আমার একটি জমির নামজারির সমস্যার জন্য ২৩/৩ ধারার সমস্যা হয়।সেই সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন করলে ডুমুরিয়া এসিল্যান্ড অফিস হতে ফাইল আসে শোভনা ভুমি অফিসে। শোভনা ভূমি কর্মকর্তা প্রথমে নেয় ২০০০ টাকা পরে নেয় ২০০ টাকা।এসিল্যান্ড অফিসের কর্মকর্তা নেয় ৫০০০ টাকা চুক্তি করে ফাইল পাস করে দেওয়ার জন্য এবং ফাইল পাস করিয়ে দেয়।
সরকারি চাকুরিতে জয়েন করার পর পে ফিক্সেশনের কাজ করার সময় জন প্রতি ১০০০৳ দাবি করে এবং আদায়ও করেন। কিছুদিন আগে গিয়েছি জিপিএফ একাউন্ট ওপেন করতে আবার জন প্রতি ৫০০৳ দাবি করা হয় আমাদের হাতে টাকা না থাকায় তখন জন প্রতি ৪০০৳ করে নিয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে সিটি কর্পোরেশনের হিসাব অনুযায় ২৭৫০ টাকা লাগে, আমার কাছ থেকে নিয়ে এসে ৩৫০০ টাকা, প্রথমে ২৭৫০ টাকায় দিয়েছিলাম, পরে বলে কিছু বাড়িয়ে দেন। ৪০০০ টাকা দাবি করেছিল, আমি পরে ৩৫০০ টাকা দিয়েছি
মিডফোর্ড হসপিটালে ফোরার চিকিৎসা নিতে গিয়েছি, সার্জন (ডা.) নিজে কাটলো না কাটালো রেজিস্ট্রার এবং তাদের লোকজন দিয়ে। শেষে তারা ২০০ টাকা চাইলো সেটা দিলাম। কিন্তু তারা পেশেন্ট বা সাথের কাউকে কোন এডভাইস করলো না। ডাক্তারের চেম্বারে রোগীর সাথে কাউকে যেতে দেয় না বলে গেলে নাকি ডাক্তার রাগ করবে! এটা সার্জন বিভাগের কথা বলছি। ড্রেসিং করানোর সময় তাদের টাকা দিতে হয়। এবং তারা বলে জায়গাটা পঁচে গেছে আবার বলে রেগুলার আমাদের এখানে আসবেন ঠিক হয়ে যাবে, সমস্যা আছে কিনা জানতে চাইলে রাগ দেখায়। মানে কিছু বলতেই চায় না। অথচ তারা গল্প করতেছে। টাকা দেওয়াটা কোন বিষয় না কিন্তু সেবা তারা কেন দিতে চায় না? এগুলা কেন তদারকি হয় না?
দুইবার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলাম। আমি লিখিত পরীক্ষায় খুব ভালো লিখেছিলাম, তবুও প্রথমবার ফেল করি। দ্বিতীয়বার লিখিত পরীক্ষায় পাস করলেও ভাইভায় ফেল করি। শেষে কিছু না পেরে ৪,০০০ টাকা দিয়ে পাস করিয়ে নিতে হয়েছে।
দলিলের ভুল ধরে টাকা আদায়