Family Card
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আমার মায়ের ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার কথা বলে চার হাজার টাকা চেয়েছিল। পরে আমি বিষয়টি — চেয়ারম্যান কে জানিয়েছি। এভাবে অনেক ফ্যামিলির কার্ডের টাকা সে নিয়েছে। আমার বাড়ি উপজেলার চত্বরা ইউনিয়নে।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আমার মায়ের ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার কথা বলে চার হাজার টাকা চেয়েছিল। পরে আমি বিষয়টি — চেয়ারম্যান কে জানিয়েছি। এভাবে অনেক ফ্যামিলির কার্ডের টাকা সে নিয়েছে। আমার বাড়ি উপজেলার চত্বরা ইউনিয়নে।
For price Declaration approval
হৃদরোদ হাসপাতালে সিট পেতে আয়াদের খুশি করার টাকা দিতে হয়, যে যতো বেশি দিবে সিট তাঁর।
সোনারগাঁ থেকে সদর এ বদলি হই সেপ্টেম্বর/২০২৫ এ, তখন থেকে বেতন বন্ধ। রুপগঞ্জ LPC করে জমা দিলেও নানান নাটকিয়তা শুরু করে। ৮ মাসের বেতন বকেয়া করে, দেই দিচ্ছি করে ঘুরাচ্ছিল। অবশেষে ১০,০০০৳ বিনিময়ে বেতন একসাথে ৮ মাসের ও নববর্ষের বোনাস পাই একসাথে।
জিপিএফ এর টাকা উত্তোলনের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে ২% দিতে হয়েছে । আর এখানে বিন্দু পরিমাণ টাকা ছাড়া কোনো কাজ সম্ভব না,
Applied for new Trade license was told 3500taka government fees and 1500 taka speed money or bribe or case will thrown to the back of the pile.
২০,০০০/- হাজার টাকা ঘুষ না দিলে বিল্ডিং এর হোল্ডিং ট্যাক্স বেশি করে ধরবে।
ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়ার সময়
বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার অফিসারের (ডাক্তার)ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকার যে কোনো হাসপাতালে বদলির জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী, ঢাকা এর একজন কর্মকর্তা ৫লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। সেই চাহিদা প্রত্যাখ্যান করার ১মাস পর নওগার প্রত্যন্ত এলাকায় বদলি করা হয়।
সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস স্টেশন এ একটি ফুড সাপ্লিমেন্ট এর পণ্য চালান ছাড় করতে আমার কাছে ততকালীন ডিসি — আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। না দেওয়াতে আমার চালান ৪মাস আটকে রাখে পরবর্তীতে নতুন সহকারী কমিশনার মহোদয় সানুগ্রহে চালান খালাস করি।
এলিভেটেড এ ওঠার পর দেখতে পাই টায়ার পাংচার হয়ে গেছে একটি সাইডে রেখে স্পেয়ার টায়ার লাগিয়ে চলে যাওয়ার সময় ট্রাফিক সার্জন্ট আমাকে হেল্প করার পরিবর্তে গাড়ির কাগজ নিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ৮৫০০ টাকা দাবি করেন আধা ঘন্টা অনুরোধে ৫০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ পেয়ে চলে আসি।
আয়কর অফিস আমার ফাইলটি বিশেষভাবে (ম্যানুয়ালি) বাছাই করে এবং আমার সম্পত্তি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য একজন পরিদর্শককে পাঠায়। ওই পরিদর্শক আমাকে হুমকি দেন যে, ৫০ হাজার টাকা না দিলে তিনি নেতিবাচক প্রতিবেদন জমা দেবেন; শেষ পর্যন্ত তিনি ঘুষ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেন। এখন সার্কেল অফিসার ফাইলটি নিষ্পত্তি করার জন্য আরও ২ লাখ টাকা দাবি করছেন এবং বলছেন যে টাকা না দিলে তিনি ৪ লাখ টাকা আয়কর ধার্য করবেন।
আমি একজন প্রবাসী। দীর্ঘ দিন পর গত ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে দেশে আসি। গত ২৮ এপ্রিল রাতে সোনাগাজী থানার পুলিশ ২০১৮ সালের একটি মামলার ওয়ারেন্ট দেখিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে হয়রানি করে, যদিও মামলাটি গত ০১ জুন, ২০২৫ তারিখেই নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছিল। পরদিন আমি নিজে থানায় গিয়ে আদালতের রিকল ও নিষ্পত্তির কপি জমা দেই। তা সত্ত্বেও থানার একজন এসআই আমার পরিচিতদের কাছে ফোন ও মেসেজ দিয়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। অবশেষে ঝামেলা এড়াতে বাধ্য হয়ে আমি তাকে ৫,০০০ টাকা দেই। একজন প্রবাসী হিসেবে নিজ দেশে এসে নিষ্পত্তিকৃত মামলা নিয়ে এমন প্রশাসনিক হয়রানি ও অনৈতিক অর্থ দাবির শিকার হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
অত্র দপ্তরে আমি আমার নামীয় ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অফিস সহকারী আমাকে বলে খরচাপাতি দেওয়া লাগবে। আমি ভেবেছি অল্প কিছু টাকা চা নাস্তার জন্যে এই ৫০০ বা ১০০০টাকা। কিন্তু উনি পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে বসে। আমি রীতিমতো অবাক হয়েছি সেই সাথে এইখানে প্রতিটি প্রত্যয়ন নিতে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়। এক প্রকারের জুলুমের মতো। সকল ঠিকাদার এই ঘুষ দিতে বাধ্য, না হলে কাজ হয় না। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এখনও পর্যন্ত আমার কাজটি হয় নাই। গণপূর্ত বিভাগের অফিস সহকারীদের মাফিয়াতন্ত্র চলতেছে। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর থেকে মুক্তি চাই।
একটা নতুন হোল্ডিং নাম্বার লাগবে এবং আগের কিছু ট্যাক্স বাকি ছিল, ৩০ হাজার টাকা চেয়েছে আমি ওনাকে বলছি আপনি আমাকে হোল্ডিং নাম্বার দেন একটা ডকুমেন্টস দেন তারপর আমি টাকাটা দিয়ে দিচ্ছি সেটা তিনি দিচ্ছেন না আমাকে ঘুরাচ্ছে।
পি এল পি সি গ্রহণ। দীর্ঘদিন ধরে আজ দিব কাল দিব করে ঘুরাচ্ছিল। এরপর সার্ভিস বই সহ বিভিন্ন কাগজপত্রের নানা রকম সমস্যা দেখাচ্ছিল। এরপর বিরক্ত হয়ে ৩০০০ টাকা প্রদান করি। সে বলে এগুলো কাজ কি ৩০০০ টাকায় হয় আরো কিছু বাড়াই দেন। তাকে বলি ভাই এটা দিয়েই করেন পেনশনের আরো তো অনেক কাজ আছে পরে দেখা যাবে। এরপরে উনি পরের দিনই কাজটি করে দেয়।
আমাকে আমার নামজারি করা জমি নোটিস না করে নামজারি বাতিল করে দিয়েছিল পরে সহকারী কমিশনার ভূমি আমাকে আসস্থ করে যে তুমি সঠিক বিচার করবেন। তারপর আমি ডিসি অফিসে গিয়ে আবেদন করলে পুনঃরায় রায়টি শুনানির জন্য সহকারী ভূমির কাছে পাঠান। কিন্তু সে বাদী আর বিবাদী কে কখনো একসাথে বসিয়ে কাগজ না দেখে আমাকে ৬ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে আবার আমাকে না ডেকে বিবাদির পক্ষে রায় দেন। পরে যখন আমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কাছে যাই তখন আমাকে বলে তিনি নাকি কাগজ দেখে রায় দিয়েছেন। আমি হাসতে হাসতে চলে আশি। পরে আমি ডিসি অফিস থেকে আইনি নোটিশ পেরন করি।
রেকর্ড সংশোধনীর জন্য আদালতের রায়ের কপি থাকার পরও, ভূমি অফিসের দাপ্তরিক কাজের জন্য পিয়ন, নায়েব এবং উপজেলা ভূমি অফিসারকে একাধিকবারে ৪০০০০ এরও বেশি টাকা দিতে হয়েছিল।
আমি যখন মালিকানা পরিবর্তন করতে যাই ওই সময় আমাকে কয়েকটি ডকুমেন্টস নিয়ে আসতে বলে এরপর সব ডকুমেন্টস নিয়ে আসলে বিভিন্ন ভাবে ঘুরাইতে থাকে, এই ডকুমেন্টস এইভাবে লাগবে আপনি এইটা ওইটা করে নিয়ে আসেন, তারপর উনার কথামত সব কিছু করার পর বলে যে যে আমি কি জানেন না এখানে টাকা ছাড়া কাজ হয় না, আমাকে একটু মিষ্টি খাওয়ার জন্য কিছু দেন, এরপর ১০০০ টাকা দিলে বলে যে এইটা কি দিলেন ভাই, ২ টা বাইক মিনিমাম ৩০০০ করে ৬০০০ টাকা দিতে হবে, পরে ওই টাকা পরিশোধ করার পর সে আর কোনও ডকুমেন্টস দেখে নয়, জাস্ট কাজ গুলা করে দিয়েছে
নামজারি আবেদন করার জন্য নাটোর জেলার, নলডাঙ্গা উপেলার ৫ নং বিপ্লবেরঘড়িয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা নামজারী আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র যাচাই করেছে এবং তা দেখেছে যে সকল কাগজপত্র সঠিক রয়েছে তারপরেও তিনি এই বলে ঘুষ চেয়েছে যে নায়েব: "ভাতিজা কিছু খরচ দাও"। ভুক্তভোগী: কত দিব? নায়েব: দাও তুমি স্টুডেন্ট মানুষ, দাও কিছু। ভুক্তভোগী ৫০০ টাকার নোট বাড়িয়ে দিলে পুনরায় তিনি আবার বলেন তারও ২০০ দাও। ঘুষ দেওয়া অপরাধ জেনেও ভুক্তভোগী এজন্যই দিয়েছে কারণ প্রশাসনিক কোন জটিলতায় না পড়ে যেন কাজটির সহজ ভাবে সমাধান হয় এজন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে।